حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ (وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ) قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ
قَالَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ مَاتَ إِبْرَاهِيمُ ابْنُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّاسُ إِنَّمَا انْكَسَفَتْ لِمَوْتِ إِبْرَاهِيمَ. فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى بِالنَّاسِ سِتَّ رَكَعَاتٍ بِأَرْبَعِ سَجَدَاتٍ بَدَأَ فَكَبَّرَ ثُمَّ قَرَأَ فَأَطَالَ الْقِرَاءَةَ ثُمَّ رَكَعَ نَحْوًا مِمَّا قَامَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فَقَرَأَ قِرَاءَةً دُونَ الْقِرَاءَةِ الأُولَى ثُمَّ رَكَعَ نَحْوًا مِمَّا قَامَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فَقَرَأَ قِرَاءَةً دُونَ الْقِرَاءَةِ الثَّانِيَةِ ثُمَّ رَكَعَ نَحْوًا مِمَّا قَامَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَرَكَعَ أَيْضًا ثَلَاثَ رَكَعَاتٍ لَيْسَ فِيهَا رَكْعَةٌ إِلاَّ الَّتِي قَبْلَهَا أَطْوَلُ مِنَ الَّتِي بَعْدَهَا وَرُكُوعُهُ نَحْوًا مِنْ سُجُودِهِ ثُمَّ تَأَخَّرَ وَتَأَخَّرَتِ الصُّفُوفُ خَلْفَهُ حَتَّى انْتَهَيْنَا (وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ حَتَّى انْتَهَى إِلَى النِّسَاءِ) ثُمَّ تَقَدَّمَ وَتَقَدَّمَ النَّاسُ مَعَهُ حَتَّى قَامَ فِي مَقَامِهِ فَانْصَرَفَ حِينَ انْصَرَفَ وَقَدْ آضَتِ الشَّمْسُ فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَإِنَّهُمَا لَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنَ النَّاسِ (وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ لِمَوْتِ بَشَرٍ) فَإِذَا رَأَيْتُمْ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ فَصَلُّوا حَتَّى تَنْجَلِيَ مَا مِنْ شَىْءٍ تُوعَدُونَهُ إِلاَّ قَدْ رَأَيْتُهُ فِي صَلَاتِي هَذِهِ لَقَدْ جِيءَ بِالنَّارِ وَذَلِكُمْ حِينَ رَأَيْتُمُونِي تَأَخَّرْتُ مَخَافَةَ أَنْ يُصِيبَنِي مِنْ لَفْحِهَا وَحَتَّى رَأَيْتُ فِيهَا صَاحِبَ الْمِحْجَنِ يَجُرُّ قُصْبَهُ فِي النَّارِ كَانَ يَسْرِقُ الْحَاجَّ بِمِحْجَنِهِ فَإِنْ فُطِنَ لَهُ قَالَ: إِنَّمَا تَعَلَّقَ بِمِحْجَنِي.
وَإِنْ غُفِلَ عَنْهُ ذَهَبَ بِهِ وَحَتَّى رَأَيْتُ فِيهَا صَاحِبَةَ الْهِرَّةِ الَّتِي رَبَطَتْهَا فَلَمْ تُطْعِمْهَا وَلَمْ تَدَعْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ حَتَّى مَاتَتْ جُوعًا ثُمَّ جِيءَ بِالْجَنَّةِ وَذَلِكُمْ حِينَ رَأَيْتُمُونِي تَقَدَّمْتُ حَتَّى قُمْتُ فِي مَقَامِي وَلَقَدْ مَدَدْتُ يَدِي وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أَتَنَاوَلَ مِنْ ثَمَرِهَا لِتَنْظُرُوا إِلَيْهِ ثُمَّ بَدَا لِي أَنْ لَا أَفْعَلَ فَمَا مِنْ شَىْءٍ تُوعَدُونَهُ إِلاَّ قَدْ رَأَيْتُهُ فِي صَلَاتِي هَذِهِ»
The sun eclipsed during the lifetime of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) on that very day when Ibrahim (the Prophet’s son) died. The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) stood up and led people in (two rakahs of) prayer with six ruku’s and four prostrations. He commenced (the prayer) with takbir (Allah-o-Akbar) and then recited and prolonged his recital.
He then bowed nearly the (length of time) that he stood up. He then raised his head from the ruku and recited but less than the first recital. He then bowed (to the length of time) that he stood up. He then raised his head from the ruku and again recited but less than the second recital. He then bowed (to the length of time) that he stood up.
He then lifted his head from the ruku. He then fell in prostration and observed two prostrations. He stood up and then bowed, observing six ruku’s like it, without (completing) the rakah in them, except (this difference) that the first (qiyam of ruku) was longer than the later one, and the ruku was nearly (of the same length) as prostration.
He then moved backward and the rows behind him also moved backward till we reached the extreme (Abu Bakr said: till he reached near the women) He then moved forward and the people also moved forward along with him till he stood at his (original) place (of worship). He then completed the prayer as it was required to complete and the sun brightened and he said: O people!
verily the sun and the moon are among the signs of Allah and they do not eclipse at the death of anyone among people (Abu Bakr said: On the death of any human being). So when you see anything like it (of the nature of eclipse), pray till it is bright. There is nothing which you have been promised (in the next world) but I have seen it in this prayer of mine.
Hell was brought to me as you saw me moving back on account of fear lest its heat might affect me; and I saw the owner of the curved staff who dragged his intestines in the fire, and he used to steal (the belongings) of the pilgrims with his curved staff. If he (the owner of the staff) became aware, he would say: It got (accidentally) entangled in my curved staff, but if he was unaware of that, he would take that away.
I also saw in it (in Hell) the owner of a cat whom she had tied and did not feed her nor set her free so that she could eat the creatures of the earth, till the cat died of starvation. Paradise was brought to me, and it was on that occasion that you saw me moving forward till I stood at my place (of worship). I stretched my hand as I wanted to catch hold of its fruits so that you may see them.
Then I thought of not doing it. Nothing which you have been promised was there that I did not see in this prayer of mine.
সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ কামিল আল জাহদারী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ... হিত্তান ইবনু আবদুল্লাহ আর রাকাশী (রহঃ) হতে বর্ণিত।
তিনি বলেন, আমি আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) এর সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহ্হুদে বসলেন, জামা'আতের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলে উঠল, সালাত পুণ্য ও যাকাতের সাথে ফরয করা হয়েছে।
রাবী বলেন, আবূ মূসা (রাযিঃ) সালাত শেষ করে সালাম ফিরানোর পর বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ বলেছে? লোকেরা নীরব থাকল। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ এরূপ বলেছে? এবারও লোকেরা নীরব থাকল।
অতঃপর তিনি বললেন, হে হিততান সম্ভবত তুমিই এটা বলেছ। তিনি (হিত্তান) বললেন, আমি তা বলিনি। অবশ্য আমার ভয় হচ্ছিল যে আপনি আমার উপর এজন্য রেগে যান কি-না! এমন সময় লোকেদের মধ্যে হতে এক ব্যক্তি বলল, আমি এরূপ বলেছি। আমি এর মাধ্যমে কল্যাণই আশা করেছিলাম।
আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, নিজেদের সালাতের মধ্যে কী বলতে হবে তা কি তোমরা জান না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, তিনি আমাদেরকে নিয়মকানুন স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন এবং আমাদেরকে সালাত আদায় করার শিক্ষা দিয়েছেন। তা হচ্ছেঃ তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তোমাদের লাইনগুলো ঠিক করে নিবে।
অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তাকবীর বলবে। সে যখন “গাইরিল মাগযুবি 'আলাইহিম ওয়ালায যোল্লীন" বলবে তোমরা তখন আমীন বলবে। আল্লাহ তোমাদের ডাকে সাড়া দিবেন। সে যখন তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে, তোমরাও তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে রুকু’তে যাবে এবং তোমাদের আগে রুকু থেকে উঠবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ এটা ওটার বিনিময়ে, তথা ইমাম যেমন রুকু সাজদার আগে যাবে, তেমনি আগে উঠবে। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলবে, তোমরা তখন "আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ" বলবে, আল্লাহ তোমাদের এ কথা শুনবেন। কেননা আল্লাহ তা'আলা তার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায় বলছেনঃ "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" (আল্লাহ তার প্রশংসাকারীর প্রশংসা শুনেন)।
সে যখন তাকবীর বলবে এবং সাজদায় যাবে, তোমরাও তার পরপর তাকবীর বলে সাজদায় যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে সাজদায় যাবে এবং তোমাদের আগে সিজদা থেকে উঠবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের তাকবীর ও সিজদা ইমামের পরে হবে। যখন তোমরা বৈঠকে বসবে, তোমাদের পাঠ হবেঃ আত্তাহিয়াতুত তাইয়্যিবা-তুস্ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি আসসালা-মু 'আলাইকা আইয়ুহান নবীয়্যু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ আসসালামু 'আলাইনা- ওয়া'আলা- ইবা-দিল্লা-হিস্ সলিহীন, আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহ।"
অর্থাৎ- সকল প্রকার পবিত্র ও একান্ত মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদাতসমূহ আল্লাহরই জন্য। হে নবী! আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি, রহমত ও বারাকাত নাযিল হোক এবং আমাদের উপর ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ইবাদাতের যোগ্য নয় এবং আমি এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর দাস ও তাঁর দূত।"
ابو عوانہ نے قتادہ سے ، انہوں نے یونس بن جبیر سے اور انہوں نے حطان بن عبد اللہ رقاشی سے روایت کی ، انہوں نے کہا : میں نے حضرت ابو موسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ کے ساتھ ایک نماز پڑھی ، جب وہ قعدہ ( نماز میں تشہد کے لیے بیٹھنے ) کے قریب تھے تو لوگوں میں سے ایک شخص نے کہا : نماز کو نیکی اور زکاۃ کے ساتھ رکھا گیا ہے؟
جب ابو موسیٰ رضی اللہ عنہ نے نماز پوری کر لی تو مڑے اور کہا : تم میں سے یہ یہ بات کہنے والا کون تھا؟ تو سب لوگ مارے ہیبت کے چپ رہے ، انہوں نے پھر کہا : تم میں سے یہ یہ بات کہنے والا کون تھا؟
تو لوگ ہیبت کے مارے پھر چپ رہے تو انہوں نے کہا : اے حطان! لگتا ہے تو نے یہ بات کہی؟ انہوں نے کہا : میں نے یہ نہیں کہا ، البتہ مجھے ڈر تھا کہ آپ اس کے سبب میری سرزنش کریں گے ۔
تو لوگوں میں سے ایک آدمی نے کہا : میں نے یہ بات کہی تھی اور میں نے اس سے بھلائی کے سوا اور کچھ نہ چاہا تھا ۔ تو ابو موسیٰ رضی اللہ عنہ نے کہا : کیا تم نہیں جانتے کہ تمہیں اپنی نماز میں کیسے کہنا چاہیے؟ رسول اللہﷺ نے ہمیں خطبہ دیا ، آپ نے ہمارے لیے ہمارا طریقہ واضح کیا اور ہمیں ہماری نماز سکھائی ۔
آپ نے فرمایا : ’’جب تم نماز پڑھو تو اپنی صفوں کو سیدھا کرو ، پھر تم میں سے ایک شخص تمہاری امامت کرائے ، جب وہ تکبیر کہے تو تم تکبیر کہو اور جب وہ ﴿غير المغضوب عليهم والا الضالين﴾ کہے تو تم آمین کہو ، اللہ تمہاری دعا قبول فرمائے گا ۔ پھر جب وہ تکبیر کہے اور رکوع کرے تو تم تکبیر کہو اور رکوع کرو ، امام تم سے پہلے رکوع میں جائے گا اور تم سے پہلے سر اٹھائے گا ۔
‘ ‘ پھر رسول اللہﷺ نے فرمایا : ’’ تو ( مقتدی کی طرف سے رکوع میں جانےکی ) یہ ( تاخیر ) اس ( تاخیر ) کا بدل ہو کی ( جو رکوع سے سر اٹھانے میں ہو گی ) اور جب امام سمع الله لمن حمده کہے تو تم اللهم ربنا لك الحمد کہو ، اللہ تمہاری ( بات ) سنے گا ، کیونکہ اللہ تعالیٰ نے اپنے نبیﷺ کی زبان سے فرمایا ہے : اللہ نے اسے سن لیا جس نے اس کی حمد بیان کی اور جب امام تکبیر کہے اور سجدہ کرے تو تم تکبیر کہو اور سجدہ کرو ، امام تم سے پہلے سجدہ کرے گا اور تم سے پہلے سر اٹھائے گا ۔
‘ ‘ پھر رسول اللہﷺ نے فرمایا : ’’ تو یہ ( تاخیر ) اس ( تاخیر ) کابدل ہو گی اور جب وہ قعدہ میں ہو تو تمہارا پہلا بول ( یہ ) ہو : بقا وبادشاہت ، اختیار وعظمت ، سب پاک چیزیں اور ساری دعائیں اللہ کےلیے ہیں ۔ اے نبی! آپ پر سلام اور اللہ کی رحمت اور اس کی برکتیں ہوں ۔
ہم پر اور اللہ کے نیک بندوں پر سلام ہو ۔ میں گواہی دیتا ہوں کہ اللہ کےسوا کوئی معبود نہیں اور میں گواہی دیتا ہوں کہ محمدﷺ اس کے بندے اور رسول ہیں ۔ ‘ ‘
Telah menceritakan kepada kami [Sa'id bin Manshur], [Qutaibah bin Sa'id], [Abu Kamil al-Jahdari] dan [Muhammad bin Abdul Malik al-Umawi] sedang lafazh tersebut milik Abu Kamil, mereka berkata, telah menceritakan kepada kami [Abu 'Awanah] dari [Qatadah] dari [Yunus bin Jubair] dari [Hiththan bin Abdullah bin ar-Raqasyi] dia berkata, "Saya shalat bersama [Abu Musa al-Asy'ari] dengan sebuah shalat.
Tatkala pada waktu duduk (tahiyat), maka seorang laki-laki dari kaum tersebut berkata, 'Shalat diidentikkan dengan kebaikan dan mengeluarkan zakat.' Dia berkata, 'Ketika Abu Musa melaksanakan shalat dan salam, maka dia berpaling seraya berkata, 'Siapakah di antara kalian yang mengucapkan kalimat demikian dan demikian.'
Perawi berkata, 'Lalu kaum tersebut diam kemudian dia berkata lagi, 'Siapakah di antara kalian yang mengucapkan kalimat demikian dan demikian.' Maka kaum tersebut diam.
Lalu dia bertanya lagi, 'Boleh jadi kamu wahai Hiththan yang telah mengucapkannya'. Dia menjawab, 'Aku tidak mengatakannya. Dan aku khawatir kamu menghardikku dengannya.'
Lalu seorang laki-laki dari kaum tersebut berkata, 'Akulah yang mengatakannya, dan tidaklah aku bermaksud mengatakannya melainkan suatu kebaikan.' Lalu Abu Musa berkata, 'Tidakkah kalian mengetahui bagaimana kalian (seharusnya) mengucapkan (dzikir) dalam shalat kalian. Rasulullah shallallahu 'alaihi wasallam memberi khutbah kepada kita, lalu menjelaskan kepada kita sunnah-sunnahnya, dan mengajarkan kepada kita tentang shalat kita, beliau bersabda, 'Apabila kalian shalat maka luruskanlah shalat kalian, kemudian hendaklah salah seorang dari kalian mengimami kalian, apabila dia bertakbir maka kalian bertakbirlah, dan apabila dia mengucapkan, "Ghairil Maghdhubi Alaihim wala adh-Dhallin (Bukan jalan orang yang dimurkai dan tidak pula jalan orang yang sesat) ' maka katakanlah, 'Amin' niscaya Allah mencintai kalian.
Apabila dia bertakbir dan rukuk, maka bertakbir dan rukuklah, karena imam harus rukuk sebelum kalian dan mengangkat dari rukuk sebelum kalian.' Lalu Rasulullah shallallahu 'alaihi wasallam bersabda, 'Lalu gerakan demikian diikuti dengan gerakan demikian.
Apabila dia berkata, 'Samiallahu liman hamidah (semoga Allah mendengar kepada orang yang memujinya) ', maka katakanlah, 'Allahumma Rabbana laka al-Hamdu (Ya Allah, Rabb kami, segala puji untukMu) ' niscaya Allah akan mendengarkan kalian, karena Allah berkata melalui lisan NabiNya Shallallahu'alaihiwasallam, 'Samiallahu liman hamidah'.
Dan apabila imam bertakbir dan sujud, maka bertakbir dan sujudlah, karena imam sujud sebelum kalian, dan bangkit sebelum kalian.' Lalu Rasulullah bersabda lagi, 'Lalu gerakan tersebut diikuti dengan gerakan tersebut. Dan apabila sedang duduk tahiyat maka hendaklah doa pertama kalian adalah, 'Attahiyyat Lillah wa ash-Shalawat wa ath-Thayyibat, assalamu alaika, ayyuha an-Nabiyyu Warahmatullahi Wabarakatuhu, assalamu'alaina wa ala ibadillahishshaalihin.
(Segala penghormatan bagi Allah, shalawat dan juga kebaikan. Semoga keselamatan terlimpahkan kepadamu wahai Nabi dan juga rahmat dan berkahnya. Semoga keselamatan terlimpahkan atas kami dan hamba Allah yang shalih) '. Saya bersaksi bahwa tidak ada tuhan yang berhak disembah selain Allah, dan saya bersaksi bahwa Muhammad adalah hamba dan utusan Allah'."
Telah menceritakan kepada kami [Abu Bakar bin Abi Syaibah] telah menceritakan kepada kami [Abu Usamah] telah menceritakan kepada kami [Sa'id bin Abi 'Arubah] --lewat jalur periwayatan lain-- dan telah menceritakan kepada kami [Abu Ghassan al-Misma'i] telah menceritakan kepada kami [Muadz bin Hisyam] telah menceritakan kepada kami [bapakku] --lewat jalur periwayatan lain-- dan telah menceritakan kepada kami [Ishaq bin Ibrahim] telah mengabarkan kepada kami [Jarir] dari [Sulaiman at-Taimi] semuanya meriwayatkan dari [Qatadah] dalam isnad ini dengan yang semisalnya.
Dan dalam hadits [Jarir] dari [Sulaiman] dari [Qatadah] ada tambahan, 'Apabila imam membaca maka simaklah.' Dan tidak ada dalam hadits salah seorang dari mereka ungkapan, ' Allah berkata melalui lisan NabiNya Shallallahu'alaihiwasallam, 'Samiallahu liman hamidah' kecuali dari riwayat [Abu Kamil] sendirian dari [Abu Awanah].
Abu Ishaq berkata, Abu Bakar putra saudari Abu an-Nadhar berkata dalam hadits ini. Lalu Muslim berkata, "Kamu memaksudkan lebih hafizh daripada Sulaiman. Lalu Abu Bakar berkata kepadanya, 'Hadits Abu Hurairah adalah shahih, maksudnya, 'Apabila imam membaca maka kalian simaklah.'
Dan Abu Hurairah berkata, hadits tersebut menurutku shahih.' Muslim bertanya, "Mengapa kamu tidak meletakkannya di sini." Abu Hurairah menjawab, "Tidak semua yang ada di sisiku adalah shahih. Aku meletakkannya di sini hanyalah dengan maksud sekedar meletakkannya di sisi selama mereka berijma' atasnya." Telah menceritakan kepada kami [Ishaq bin Ibrahim] dan [Ibnu Abi Umar] dari [Abdurrazzaq] dari [Ma'mar] dari [Qatadah] dengan isnad ini, dan dia berkata dalam hadits tersebut, " Allah menetapkan melalui lisan NabiNya Shallallahu'alaihiwasallam, 'Samiallah liman hamidah
Bize Saîd b. Mansur ile Kuteybetü'bnü Saîd, Ebu Kâmil el-Cahderî ve Muhammed b. Abdilmelik el-Emevî rivayet ettiler. Lâfız Ebu Kâmil'indir. Dediler ki: Bize Ebu Avâne, Katâde'den, o da Yunus b. Cübeyr'den, o da Hıttân b. Abdillâh er-Rakaaşî'den naklen rivayet etti. Demiş ki: Ebu Musel-Eş'arî ile birlikte bir namaz kıldım. Ka'deye sıra gelince; cemaattan biri: Namaz, sadaka ve zekatla birlikte mi ikrar «olundu?
Dedi. Ebu Musâ namazı eda ederek selam verince: kalktı ve: - (demin) Şöyle deyen hanginizdi? diye sordu. Cemaat sükutu iltizam ettiler. Sonra tekrar: (demin) şöyle deyen hanginizdi?
dedi. Cemaat yine sükut ettiler. Bunun üzerine Ebu Musa: - Bunu galiba sen söyledin ya Hıttan! dedi. Hıttan; Onu ben söylemedim; beni azarlarsın, diye korktum dedi. Müteakiben cemaat’tan biri; - Onu ben söyledim.
Ama bu sözle hayır’dan başka bir şey kastetmedim, dedi. Bunun üzerine Ebu Musa: - Siz namazınızda ne diyeceğinizi bilmiyor musunuz? Gerçekten Resulullah (Sallallıhu Aleyhi ve Sellem) bize hutbe okuyarak sünnetimizi beyan ve namazımızı bize ta’lim eyledi. Resulullah (Sallallahu Aleyhi ve Sellem) şöyle buyurdular: «Namaz kılacağınız zaman saflarınızı düzeltin.
Sonra içinizden biriniz size imam olsun. O tekbir aldımı siz de tekbîr alın [ ğayri'l mağdubi aleyhim veleddaallin ] dedimi sizde âmin deyin ki Allah duanıza icabet buyursun. İmam tekbir alarak röku'a gittimi siz de tekbir alın ve rüku' edin. Çünkü İmam sizden önce rüku eder; sizden önce rüku'dan doğrulur.» Sonra Resulullah (Sallallahu Aleyhi ve Sellem) şöyle devam etti: «Bu bununla kapanır.
İmam [ semi'allahu li men hamide ] dediği vakit sizde [Allahumme Rabbena lekel hamd ] deyin Allah sizin bu sözünüzü kabul eder. Çünkü Allah tebâreke ve Teâlâ, Nebii (Sallallahu Aleyhi ve Sellem)'in dilinden [ semi'allahu li men hamide ] buyurmuştur. İmam tekbir alarak secdeye gittimi sizde tekbir alın ve secdeye gidin, zîra imam sizden önce secde edecek ve yine sizden önce secdeden başını kaldıracaktır.»
Resulullah (Sallallahu Aleyhi ve Sellem) (burada yine): «Bu bununla kapanır. Oturuş anında sizden her hangi biriniz ilk sözü şu olsun [Ettehiyatu etteyyibatu esselevatu lillahi esselamu aleyke eyyuhennebiyyu ve rahmetullahi ve berekatuhu esselamu akeyna ve ala ibadillahi salihin eşhedu en la ilahe illallah ve eşhedu enne Muhammeden abduhu ve resulehu]