Get the app

One-fifth of Booty to the Cause of Allah (Khumus)

Sahih al-BukhariBook 57 of 9863 hadith
Read all of Sahih al-Bukhari offlineOffline, in the WhatSurah app. Free.Get the app
3091Al-Husayn ibn AliSahih

حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَنَّ حُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ، عَلَيْهِمَا السَّلَامُ أَخْبَرَهُ

أَنَّ عَلِيًّا قَالَ كَانَتْ لِي شَارِفٌ مِنْ نَصِيبِي مِنَ الْمَغْنَمِ يَوْمَ بَدْرٍ، وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَانِي شَارِفًا مِنَ الْخُمُسِ، فَلَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أَبْتَنِيَ بِفَاطِمَةَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاعَدْتُ رَجُلاً صَوَّاغًا مِنْ بَنِي قَيْنُقَاعَ،

أَنْ يَرْتَحِلَ مَعِيَ فَنَأْتِيَ بِإِذْخِرٍ أَرَدْتُ أَنْ أَبِيعَهُ الصَّوَّاغِينَ، وَأَسْتَعِينَ بِهِ فِي وَلِيمَةِ عُرْسِي، فَبَيْنَا أَنَا أَجْمَعُ لِشَارِفَىَّ مَتَاعًا مِنَ الأَقْتَابِ وَالْغَرَائِرِ وَالْحِبَالِ، وَشَارِفَاىَ مُنَاخَانِ إِلَى جَنْبِ حُجْرَةِ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ، …

رَجَعْتُ حِينَ جَمَعْتُ مَا جَمَعْتُ، فَإِذَا شَارِفَاىَ قَدِ اجْتُبَّ أَسْنِمَتُهُمَا وَبُقِرَتْ خَوَاصِرُهُمَا، وَأُخِذَ مِنْ أَكْبَادِهِمَا، فَلَمْ أَمْلِكْ عَيْنَىَّ حِينَ رَأَيْتُ ذَلِكَ الْمَنْظَرَ مِنْهُمَا، فَقُلْتُ: مَنْ فَعَلَ هَذَا فَقَالُوا فَعَلَ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، وَهْوَ فِي هَذَا الْبَيْتِ فِي شَرْبٍ مِنَ الأَنْصَارِ.

فَانْطَلَقْتُ حَتَّى أَدْخُلَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ، فَعَرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَجْهِي الَّذِي لَقِيتُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا لَكَ «فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهَ، مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ قَطُّ، عَدَا حَمْزَةُ عَلَى نَاقَتَىَّ، فَأَجَبَّ أَسْنِمَتَهُمَا وَبَقَرَ خَوَاصِرَهُمَا، وَهَا هُوَ ذَا فِي بَيْتٍ مَعَهُ شَرْبٌ.

فَدَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرِدَائِهِ فَارْتَدَى ثُمَّ انْطَلَقَ يَمْشِي، وَاتَّبَعْتُهُ أَنَا وَزَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ حَتَّى جَاءَ الْبَيْتَ الَّذِي فِيهِ حَمْزَةُ، فَاسْتَأْذَنَ فَأَذِنُوا لَهُمْ فَإِذَا هُمْ شَرْبٌ، فَطَفِقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَلُومُ حَمْزَةَ فِيمَا فَعَلَ،

فَإِذَا حَمْزَةُ قَدْ ثَمِلَ مُحْمَرَّةً عَيْنَاهُ، فَنَظَرَ حَمْزَةُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ صَعَّدَ النَّظَرَ فَنَظَرَ إِلَى رُكْبَتِهِ، ثُمَّ صَعَّدَ النَّظَرَ فَنَظَرَ إِلَى سُرَّتِهِ، ثُمَّ صَعَّدَ النَّظَرَ فَنَظَرَ إِلَى وَجْهِهِ ثُمَّ قَالَ حَمْزَةُ هَلْ أَنْتُمْ إِلاَّ عَبِيدٌ لأَبِي فَعَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَدْ ثَمِلَ، فَنَكَصَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى عَقِبَيْهِ الْقَهْقَرَى وَخَرَجْنَا مَعَهُ»

I got a she-camel in my share of the war booty on the day (of the battle) of Badr, and the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) had given me a she-camel from the Khumus. When I intended to marry Fatima, the daughter of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), I had an appointment with a goldsmith from the tribe of Bani Qainuqa to go with me to bring Idhkhir (i.e. grass of pleasant smell) and sell it to the goldsmiths and spend its price on my wedding party.

I was collecting for my she-camels equipment of saddles, sacks and ropes while my two shecamels were kneeling down beside the room of an Ansari man. I returned after collecting whatever I collected, to see the humps of my two she-camels cut off and their flanks cut open and some portion of their livers was taken out. When I saw that state of my two she-camels, I could not help weeping. …

I asked, “Who has done this?” The people replied, “Hamza ibn Abdul Muttalib who is staying with some Ansari drunks in this house.” I went away till I reached the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and Zaid ibn Haritha was with him. The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) noticed on my face the effect of what I had suffered, so the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) asked, “What is wrong with you?”

I replied, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! I have never seen such a day as today. Hamza attacked my two she-camels, cut off their humps, and ripped open their flanks, and he is sitting there in a house in the company of some drunks.”

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) then asked for his covering sheet, put it on, and set out walking followed by me and Zaid ibn Haritha till he came to the house where Hamza was.

He asked permission to enter, and they allowed him, and they were drunk. The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) started rebuking Hamza for what he had done, but Hamza was drunk and his eyes were red. Hamza looked at the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and then he raised his eyes, looking at his knees, then he raised up his eyes looking at his umbilicus, and again he raised up his eyes looking at his face.

Hamza then said, “Aren’t you but the slaves of my father?” The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) realized that he was drunk, so the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) retreated, and we went out with him.

‘আলী (রাঃ) বর্ণিত। তিনি বলেন, বাদার যুদ্ধের গনীমতের মালের মধ্য হতে যে অংশ আমি পেয়েছিলাম, তাতে একটি জওয়ান উটনীও ছিল। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুমুসের মধ্য হতে আমাকে একটি জওয়ান উটনী দান করেন। আর আমি যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বাসর যাপন করব, তখন আমি বানূ কায়নুকা গোত্রের এক স্বর্ণকারের সঙ্গে এ মর্মে চুক্তিবদ্ধ হলাম যে, সে আমার সঙ্গে যাবে এবং আমরা উভয়ে মিলে ইযখির ঘাস সংগ্রহ করে আনব।

আমার ইচ্ছা ছিল তা স্বর্ণকারদের নিকট বিক্রয় করে তা দিয়ে আমার বিবাহের ওয়ালীমা সম্পন্ন করব। ইতোমধ্যে আমি যখন আমার জওয়ান উটনী দু’টির জন্য আসবাবপত্র যেমন পালান, থলে ও রশি ইত্যাদি একত্রিত করছিলাম, আর আমার উটনী দু’টি এক আনসারীর ঘরের পার্শ্বে বসা ছিল। আমি আসবাবপত্র যোগাড় করে এসে দেখি উট দু’টির কুঁজ কেটে ফেলা হয়েছে এবং কোমরের দিকে পেট কেটে কলিজা বের করে নেয়া হয়েছে। …

উটনী দু’টির এ হাল দেখে আমি অশ্রু চেপে রাখতে পারলাম না। আমি বললাম, কে এমনটি করেছে? লোকেরা বলল, ‘হামযা ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব এমনটি করেছে। সে এ ঘরে আছে এবং শরাব পানকারী কতিপয় আনসারীর সঙ্গে আছে।’ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট চলে গেলাম। তখন তাঁর নিকট যায়দ ইবনু হারিসা (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন।

রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার চেহারা দেখে আমার মানসিক অবস্থা উপলব্ধি করতে পারলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার কী হয়েছে?

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আজকের মত দুঃখজনক অবস্থা দেখেনি। হামযাহ আমার উট দু’টির উপর অত্যাচার করেছে। সে দু’টির কুঁজ কেটে ফেলেছে এবং পাঁজর ফেড়ে ফেলেছে। আর সে এখন অমুক ঘরে শরাব পানকারী দলের সঙ্গে আছে।’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাদরখানি আনতে আদেশ করলেন এবং চাদরখানি জড়িয়ে পায়ে হেঁটে চললেন।

আমি এবং যায়দ ইবনু হারিসা (রাঃ) তাঁর অনুসরণ করলাম। হামযাহ যে ঘরে ছিল সেখানে পৌঁছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তারা অনুমতি দিল। তখন তারা শরাব পানে বিভোর ছিল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযাহকে তার কাজের জন্য তিরস্কার করতে লাগলেন। হামযাহ তখন পূর্ণ নেশাগ্রস্ত।

তার চক্ষু দু’টি ছিল রক্তলাল। হামযাহ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি তাকাল। অতঃপর সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাল এবং তাঁর হাঁটু পানে তাকাল। আবার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাঁর নাভির দিকে তাকাল। আবার সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাঁর মুখমন্ডলের দিকে তাকাল।

অতঃপর হামযাহ বলল, তোমরাই তো আমার পিতার গোলাম। এ অবস্থা দেখে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুঝতে পারলেন, সে এখন পূর্ণ নেশাগ্রস্ত আছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছনে হেঁটে সরে আসলেন। আর আমরাও তাঁর সঙ্গে বেরিয়ে আসলাম। (২০৮৯) (মুসলিম ৩৬/১ হাঃ ১৯৭৯)

ہم سے عبدان نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ بن مبارک نے خبر دی ‘ انہیں یونس نے ‘ ان سے زہری نے بیان کیا ‘ انہیں زین العابدین علی بن حسین نے خبر دی اور انہیں حسین بن علی رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ علی رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ‘ جنگ بدر کے مال غنیمت سے میرے حصے میں ایک جوان اونٹنی آئی تھی اور نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے بھی ایک جوان اونٹنی خمس کے مال میں سے دی تھی ‘ جب میرا ارادہ ہوا کہ فاطمہ رضی اللہ عنہا بنت رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے شادی کروں ‘ تو بنی قینقاع ( قبیلہ یہود ) کے ایک صاحب سے جو سنار تھے ‘ میں نے یہ طے کیا کہ وہ میرے ساتھ چلے اور ہم دونوں اذخر گھاس ( جنگل سے ) لائیں۔

میرا ارادہ یہ تھا کہ میں وہ گھاس سناروں کو بیچ دوں گا اور اس کی قیمت سے اپنے نکاح کا ولیمہ کروں گا۔ ابھی میں ان دونوں اونٹنیوں کا سامان ‘ پالان اور تھیلے اور رسیاں جمع کر رہا تھا۔ اور یہ دونوں اونٹنیاں ایک انصاری صحابی کے گھر کے پاس بیٹھی ہوئی تھیں کہ جب سارا سامان فراہم کر کے واپس آیا تو کیا دیکھتا ہوں کہ میری دونوں اونٹنیوں کے کوہان کسی نے کاٹ دیئے ہیں۔ …

اور ان کے پیٹ چیر کر اندر سے کلیجی نکال لی گئی ہیں۔ جب میں نے یہ حال دیکھا تو میں بے اختیار رو دیا۔ میں نے پوچھا کہ یہ سب کچھ کس نے کیا ہے؟ تو لوگوں نے بتایا کہ حمزہ بن عبدالمطلب رضی اللہ عنہ نے اور وہ اسی گھر میں کچھ انصار کے ساتھ شراب پی رہے ہیں۔

میں وہاں سے واپس آ گیا اور سیدھا نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوا۔ آپ کی خدمت میں اس وقت زید بن حارثہ رضی اللہ عنہ بھی بیٹھے ہوئے تھے۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم مجھے دیکھتے ہی سمجھ گئے کہ میں کسی بڑے صدمے میں ہوں۔ اس لیے آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے دریافت فرمایا: ”علی!

کیا ہوا؟“ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ! میں نے آج کے دن جیسا صدمہ کبھی نہیں دیکھا۔ حمزہ ( رضی اللہ عنہ ) نے میری دونوں اونٹنیوں پر ظلم کر دیا۔ دونوں کے کوہان کاٹ ڈالے اور ان کے پیٹ چیر ڈالے۔ ابھی وہ اسی گھر میں کئی یاروں کے ساتھ شراب کی مجلس جمائے ہوئے موجود ہیں۔

نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے یہ سن کر اپنی چادر مانگی اور اسے اوڑھ کر پیدل چلنے لگے۔ میں اور زید بن حارثہ رضی اللہ عنہ بھی آپ کے پیچھے پیچھے ہوئے۔ آخر جب وہ گھر آ گیا جس میں حمزہ رضی اللہ عنہ موجود تھے تو آپ نے اندر آنے کی اجازت چاہی اور اندر موجود لوگوں نے آپ کو اجازت دے دی۔

وہ لوگ شراب پی رہے تھے۔ حمزہ رضی اللہ عنہ نے جو کچھ کیا تھا۔ اس پر رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں کچھ ملامت کرنا شروع کی۔ حمزہ رضی اللہ عنہ کی آنکھیں شراب کے نشے میں مخمور اور سرخ ہو رہی تھیں۔ انہوں نے نظر اٹھا کر آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھا۔

پھر نظر ذرا اور اوپر اٹھائی ‘ پھر وہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے گھٹنوں پر نظر لے گئے اس کے بعد نگاہ اور اٹھا کے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی ناف کے قریب دیکھنے لگے۔ پھر چہرے پر جما دی۔ پھر کہنے لگے کہ تم سب میرے باپ کے غلام ہو، یہ حال دیکھ کر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے جب محسوس کیا کہ حمزہ بالکل نشے میں ہیں، تو آپ وہیں سے الٹے پاؤں واپس آ گئے اور ہم بھی آپ کے ساتھ نکل آئے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdan] telah mengabarkan kepada kami ['Abdullah] telah mengabarkan kepada kami [Yunus] dari [Az Zuhriy] berkata telah mengabarkan kepadaku ['Ali bin Al Husain] bahwa [Husain bin 'Ali ASa] mengabarkan kepadanya bahwa ['Ali] berkata; "Aku memiliki seekor unta betina berumur satu tahun hasil jatah bagianku dari harta ghanimah perang Badar, dan Nabi Shallallahu'alaihiwasallam juga memberiku seekor unta betina lain dari hak seperlima harta ghanimah.

Ketika aku hendak menikahi Fathimah binti Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam, aku berjanji dengan seorang laki-laki ahli membuat perhiasan dari suku Bani Qainuqa' agar pergi bersamaku. Kami pergi dengan membawa idzkhir (rumput yang harum baunya) yang akan aku jual kepada para ahli perhiasan yang hasilnya aku akan gunakan untuk menyelenggarakan walimah perkawinanku. …

Ketika aku mengumpulkan barang-barang untuk kedua untaku berupa beberapa pelana, wadah makanan dan tali, kedua untaku menderum (berdiam) di sisi kamar seorang shahabat Anshar, aku kembali setelah selesai mengumpulkan barang-barang. Ternyata aku dapatkan kedua untaku telah dipotong-potong punuknya, dibedah lambungnya dan diambil bagian dalamnya.

Aku tidak dapat menguasai kedua mataka ketika melihat pemandangan kedua untaku diperlakukan seperti itu. Maka aku bertanya; "Siapa yang melakukan ini?". Orang-orang menjawab; "Hamzah bin 'Abdul Muthallib yang melakukannya dan sekarang dia sedang berada di Baitullah bersama para pemabuk dari kalangan orang Anshar". Maka aku berangkat hingga aku bertemu dengan Nabi Shallallahu'alaihiwasallam yang saat itu sedang bersama Zaid bin Haritsah.

Nabi Shallallahu'alaihiwasallam dapat mengetahui apa yang aku alami dari wajahku maka Beliau bertanya: "Ada apa denganmu?". Aku jawab; "Wahai Rasulullah, aku belum pernah melihat sekalipun kejadian sekejam seperti hari ini. Hamzah telah menganiaya kedua untaka, ia memotong-motong punuknya dan membedah isi perutnya dan sekarang dia sedang berada di dalam Baitullah bersama para pemabuk".

Maka Nabi Shallallahu'alaihiwasallam meminta rida' Beliau (selendang yang lebar) kemudian mengenakannya lalu berangkat dengan berjalan sedangkan aku dan Zaid bin Haritsah mengilkuti Beliau hingga tiba di Baitullah, tempat Hamzah berada. Beliau meminta izin masuk, mereka pun mengizinkannya dan ternyata mereka adalah sekelompok orang yang sedang mabuk.

Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam langsung mencela Hamzah atas apa yang telah dilakukannya. Ternyata Hamzah benar-benar dalam keadaan mabuk, kedua matanya merah. Hamzah memandangi Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam, lalu mengarahkan pandangannya ke atas, kemudian memandang ke arah lutut Beliau, lalu mengarahkan pandangannya kembali ke atas, kemudian memandang pusar Beliau, lalu mengarahkan pandangan ke atas lagi, kemudian memandang wajah Beliau.

Kemudian Hamzah berkata; "Kalian tidak lain kecuali hamba-hamba sahaya bapakku". Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam mengetahui bahwa dia sedang dalam keadaan mabuk. Beliau pun berbalik dan meninggalkannya dan kamipun keluar bersama Beliau

Hz. Ali şöyle anlatmıştı: "Bedir savaşı ganimetIerinden benim payıma yaşlı bir erkek deve düşmüştü. Ayrıca Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem bana beşte birlik paydan da yaşlı bir erkek deve vermişti. Ben Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in kızı Fatıma ile evleneceğim için hazırlık yapmakla meşguldüm. Kaynuka oğullarından bir kuyumcu ile sözleştim.

Birlikte gidip izhır toplayacaktık. Maksadım ise topladığımız izhırları satarak, vereceğim düğün yemeğini rahatça hazırlayabilmekti. Ben devemin sırtına yükleyeceğim semer, çuval ve ip gibi malzemeleri tedarik etmekle uğraşırken sahip olduğum iki deve Ensar'dan birisinin evinin yanına çökmüş bekliyordu. Ben içerde hazırlıklarımı tamamlayıp dışarı çıktığımda gördüklerim beni şaşkına çevirdi: Develerimin hörgüçleri kesilip koparılmış, karınları boydan boya deşilmiş ve ciğerleri, iç organları çıkarılıp alınmıştı. …

Bu manzara karşısında gözlerime inanamadım. Şaşkınlığımı biraz üzerimden atınca: "Kim yaptı bunu?" diye sordum. Oradakiler: "Hamza İbn Abdülmuttalib yaptı. Şu anda da işte şu evde Ensar'dan birileriyle birlikte içki içiyorlar." Bunun üzerine hemen ResuI-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına gittim. O sırada Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanında Zeyd İbn Harise de vardı.

Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem yüzümdeki ifadeden sıkıntımı ve ciddi bir problemle karşılaştığımı anlamıştı. Bana: "Ne oldu sana böyle?!" diye sordu. Ben: "Ey Allah'ın Resulü, benim başıma daha önce böylesine kötü bir olay hiç gelmedi; yaşadığım en kötü günlerden biri bugün! Hamza benim develerime saldırıp hörgüçlerini kesmiş ve karınlarını deşip iç organlarını çıkarmış.

Şu anda da işte orada Ensar'dan birisine ait bir evde içki alemindeler!" Bunun üzerine Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ridasını istedi ve boynuna atıp dışarı çıktı. Ben de Zeyd İbn Harise ile birlikte arkasına düşüp O'nu takip ettim. Oraya varınca Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem, Hamza'ya, yaptıklarının çok yanlış olduğunu, bunu ona yakıştıramadığını söyledi.

Hamza kör kütük sarhoştu; gözleri kan çanağına dönmüştü. Hamza Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e şöyle bir baktı ve O'nu s.a.v.'e aşağıdan yukarıya doğru süzerek önce gözlerini ayaklarına dikti, sonra dizlerine, sonra başını yavaş yavaş kaldırarak göbek kısmına sonrada başını biraz daha kaldırarak yüzüne bakıp şöyle dedi: "Siz hepiniz babamın köleleri değil misiniz!?"

Bu söz üzerine Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem onun ne dediğini bilmeyecek kadar sarhoş olduğunu anladı ve gerisin geri dönüp çıktı. Biz de onunla birlikte dışarı çıktık

3093Aishah bint Abi BakrSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ رضى الله عنها أَخْبَرَتْهُ

أَنَّ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ ابْنَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَأَلَتْ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنْ يَقْسِمَ لَهَا مِيرَاثَهَا، مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَيْهِ.

فَقَالَ لَهَا أَبُو بَكْرٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ». فَغَضِبَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَهَجَرَتْ أَبَا بَكْرٍ، فَلَمْ تَزَلْ مُهَاجِرَتَهُ حَتَّى تُوُفِّيَتْ وَعَاشَتْ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سِتَّةَ أَشْهُرٍ. …

قَالَتْ وَكَانَتْ فَاطِمَةُ تَسْأَلُ أَبَا بَكْرٍ نَصِيبَهَا مِمَّا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مِنْ خَيْبَرَ وَفَدَكٍ وَصَدَقَتِهِ بِالْمَدِينَةِ، فَأَبَى أَبُو بَكْرٍ عَلَيْهَا ذَلِكَ، وَقَالَ لَسْتُ تَارِكًا شَيْئًا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْمَلُ بِهِ إِلَاّ عَمِلْتُ بِهِ، فَإِنِّي أَخْشَى إِنْ تَرَكْتُ شَيْئًا مِنْ أَمْرِهِ أَنْ أَزِيغَ.

فَأَمَّا صَدَقَتُهُ بِالْمَدِينَةِ فَدَفَعَهَا عُمَرُ إِلَى عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ، فَأَمَّا خَيْبَرُ وَفَدَكٌ فَأَمْسَكَهَا عُمَرُ وَقَالَ هُمَا صَدَقَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَتَا لِحُقُوقِهِ الَّتِي تَعْرُوهُ وَنَوَائِبِهِ، وَأَمْرُهُمَا إِلَى مَنْ وَلِيَ الأَمْرَ. قَالَ فَهُمَا عَلَى ذَلِكَ إِلَى الْيَوْمِ

(mother of the believers) After the death of the Messenger of Allah Fatima the daughter of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) asked Abu Bakr As-Siddiq to give her, her share of inheritance from what the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) had left of the Fai (i.e. booty gained without fighting) which Allah had given him.

Abu Bakr said to her, “The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘Our property will not be inherited, whatever we (i.e. prophets) leave is Sadaqa (to be used for charity).’ Fatima, the daughter of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) got angry and stopped speaking to Abu Bakr, and continued assuming that attitude till she died. …

Fatima remained alive for six months after the death of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam). She used to ask Abu Bakr for her share from the property of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) which he left at Khaibar, and Fadak, and his property at Medina (devoted for charity).

Abu Bakr refused to give her that property and said, ‘I will not leave anything the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to do, because I am afraid that if I left something from the Prophet’s tradition, then I would go astray.’ (Later on) Umar gave the Prophet’s property (of Sadaqa) at Medina to Ali and Abbas, but he withheld the properties of Khaibar and Fadak in his custody and said, ‘These two properties are the Sadaqa which the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to use for his expenditures and urgent needs.

Now their management is to be entrusted to the ruler.’ (Az-Zuhri said, ‘They have been managed in this way till today).’”

অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাদের পরিত্যক্ত সম্পদ বণ্টিত হবে না, আমরা যা ছেড়ে যাই, তা সাদাকাহ রূপে গণ্য হয়।’ এতে আল্লাহর রাসূলের কন্যা ফাতিমাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসন্তুষ্ট হলেন এবং আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর সঙ্গে কথাবার্তা বলা ছেড়ে দিলেন।

এ অবস্থা তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত বহাল ছিল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের পর ফাতিমাহ (রাঃ) ছয় মাস জীবিত ছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, ফাতিমাহ (রাঃ) আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ত্যাজ্য খায়বার ও ফাদাকের ভূমি এবং মদিনার সদাকাহতে তাঁর অংশ দাবী করেছিলেন। …

আবূ বাকর (রাঃ) তাঁকে তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানান এবং তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা ‘আমল করতেন, আমি তাই ‘আমল করব। আমি তার কোন কিছুই ছেড়ে দিতে পারি না। কেননা আমি আশংকা করি যে, তাঁর কোন কথা ছেড়ে দিয়ে আমি পথভ্রষ্ট হয়ে না যাই। অবশ্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদিনার সদাকাহ্কে ‘উমার (রাঃ) ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট হস্তান্তর করেন।

আর খায়বার ও ফাদাকের ভূমিকে আগের মত রেখে দেন। ‘উমার (রাঃ) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ সম্পত্তি দু’টিকে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জরুরী প্রয়োজন পূরণ ও বিপদকালীন সময়ে ব্যয়ের জন্য রেখেছিলেন। সুতরাং এ সম্পত্তি দু’টি তাঁরই দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে, যিনি মুসলিমদের শাসক খলীফা হবেন।’

যুহরী (রহ.) বলেন, এ সম্পত্তি দু’টির ব্যবস্থাপনা আজ পর্যন্ত ও রকমই আছে। (৩৭১২, ৪০৩৬, ৪২৪১, ৬৭২৬) (মুসলিম ৩২/১৬ হাঃ ১৭৫৯)

Telah bercerita kepada kami ['Abdul 'Aziz bin 'Abdullah] telah bercerita kepada kami [Ibrahim bin Sa'ad] dari [Shalih] dari [Ibnu Syihab] berkata telah mengabarkan kepadaku ['Urwah bin Az Zubair] bahwa ['Aisyah, Ummul Mu'minin radliallahu 'anha] mengabarkan kepadanya bahwa Fathimah Alaihimassalam, putri Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam meminta kepada [Abu Bakr ash-Shiddiq] setelah wafatnya Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam agar membagi untuknya bagian harta warisan yang ditinggalkan Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam dari harta fa'i yang Allah karuniakan kepada Beliau.

Abu Bakr katakan; " Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam telah bersabda: "Kami tidak mewariskan dan apa yang kami tinggalkan semuanya sebagai shadaqah". Maka Fathimah binti Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam marah dan tidak menegur Abu Bakr setelah itu hingga dia wafat. Fathimah hidup setelah kepergian Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam selama enam bulan". …

'Aisyah radliallahu 'anha berkata; "Fathimah pernah meminta Abu Bakr bagian dari harta yang ditinggalkan Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berupa tanah di Khaibar dan di Fadak (nama tempat, dekat Madinah) dan shadaqah Beliau di Madinah namun Abu Bakr mengabaikannya dan berkata; "Aku bukanlah orang yang meninggalkan apapun yang pernah dikerjakan Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam melainkan aku akan selalu mengerjakannya.

Sungguh aku takut menjadi sesat jika meninggalkan apa yang diperintahkan Beliau. Adapun shadaqah Beliau di Madinah telah diberikan oleh 'Umar kepada 'Ali dan 'Abbas sementara tanah di Khaibar dan Fadak telah dipertahankan oleh 'Umar dan mengatakannya bahwa keduanya adalah shadaqah Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam yang hak-haknya akan diberikan kepada yang mengurus dan mendiaminya sedangkan urusannya berada dibawah keputusan pemimpin".

Abu Bakar berkata; "Dan keadaannya tetap seperti itu hingga hari ini". Berkata Abu 'Abdullah Al Bukhariy; Kata ta'ruu diatas seperti dalam firman Allah QS Yunus ayat 54 yang berbunyi I'tarooka diambil sebagai pola "ifta'alta" berasal dari kata 'Aroutuhu yang ashobtuhu (aku mendapatkannya). Seperti juga pola kata ya'ruuhu dan I'tarooniii

Urve İbnü'z-Zübeyr, Hz. Aişe'nin şöyle dediğini nakletmiştir: "ResuluIlah Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat ettikten sonra Allah'ın kendisine fey olarak lutfettiği araziler bırakmıştı. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in kızı Fatima, Hz. Ebu Bekir es-Sıddik'tan bu arazilerden kendisine düşen miras payının verilmesini talep etti."

Tekrar: 3711, 4035, 4240, 6725 [-3093-] Ebu Bekir r.a. ise ona şöyle cevap verdi: Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem "Biz miras bırakmayız, bize kimse mirasçı olmaz. …

Bizim geride bıraktığımız ne varsa hepsi sadakadır" buyurdu. Fatıma bu cevaba çok kızdı ve Ebu Bekir'i terk edip gitti. Ölünceye kadar da bir daha onunla görüşmedi. Fatıma, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in vefatından sonra altı ay yaşadı." Aişe (r.anha) şöyle demiştir: "Hz. Fatıma, Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in vefat ettikten sonra bıraktığı Hayber ve Fedek arazileri ile Medine'deki sadakalarından (Nadiroğulları ile Kurayza oğullarından payına düşen arazilerden) kendisine düşen payı Hz.

Ebu Bekir'den talep etti. Fakat Hz. Ebu Bekir onun bu isteğini kabul etmedi ve şöyle dedi: "Ben Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in uygulamakta olduğu hiçbir şeyi terk edecek değilim; O s.a.v. ne yaptıysa ben de onu yaparım. Ben O'nun s.a.v. emirlerinden birini bile terk edecek olsam doğru yoldan ayrılacağımdan korkarım." Ancak daha sonra Hz.

Ömer, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in Medine'deki tarlalarını Hz. Ali ile Abbas'a verdi. Hayber ve Fedek'teki arazileri ise kimseye vermeyip elinde tuttu. Hz. Ömer şöyle demişti: "Bu iki yerdeki araziler Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in sadakalarıdır. Bunlar olağanüstü durumlarda gelirlerinden yararlanmak için Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e ayrılmıştır.

Bu bakımdan söz konusu arazilerin idaresi ve sorumluluğu devlet başkanına bırakılmıştır. Zaten bu arazilerle ilgili uygulama günümüze kadar hep böyle olmuştur. " Tekrar:

3094Malik ibn AwsSahih

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَرْوِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ

وَكَانَ، مُحَمَّدُ بْنُ جُبَيْرٍ ذَكَرَ لِي ذِكْرًا مِنْ حَدِيثِهِ ذَلِكَ، فَانْطَلَقْتُ حَتَّى أَدْخُلَ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَوْسٍ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ الْحَدِيثِ فَقَالَ مَالِكٌ بَيْنَا أَنَا جَالِسٌ فِي أَهْلِي حِينَ مَتَعَ النَّهَارُ، إِذَا رَسُولُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ يَأْتِينِي فَقَالَ أَجِبْ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ.

فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ حَتَّى أَدْخُلَ عَلَى عُمَرَ، فَإِذَا هُوَ جَالِسٌ عَلَى رِمَالِ سَرِيرٍ، لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ فِرَاشٌ مُتَّكِئٌ عَلَى وِسَادَةٍ مِنْ أَدَمٍ، فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ ثُمَّ جَلَسْتُ فَقَالَ: يَا مَالِ، إِنَّهُ قَدِمَ عَلَيْنَا مِنْ قَوْمِكَ أَهْلُ أَبْيَاتٍ، وَقَدْ أَمَرْتُ فِيهِمْ بِرَضْخٍ فَاقْبِضْهُ فَاقْسِمْهُ بَيْنَهُمْ. …

فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، لَوْ أَمَرْتَ بِهِ غَيْرِي. قَالَ اقْبِضْهُ أَيُّهَا الْمَرْءُ. فَبَيْنَا أَنَا جَالِسٌ عِنْدَهُ أَتَاهُ حَاجِبُهُ يَرْفَا فَقَالَ: هَلْ لَكَ فِي عُثْمَانَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَالزُّبَيْرِ وَسَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ يَسْتَأْذِنُونَ قَالَ: نَعَمْ.

فَأَذِنَ لَهُمْ فَدَخَلُوا فَسَلَّمُوا وَجَلَسُوا، ثُمَّ جَلَسَ يَرْفَا يَسِيرًا ثُمَّ قَالَ: هَلْ لَكَ فِي عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ قَالَ: نَعَمْ. فَأَذِنَ لَهُمَا، فَدَخَلَا فَسَلَّمَا فَجَلَسَا، فَقَالَ عَبَّاسٌ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اقْضِ بَيْنِي وَبَيْنَ هَذَا. وَهُمَا يَخْتَصِمَانِ فِيمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مِنْ بَنِي النَّضِيرِ.

فَقَالَ الرَّهْطُ عُثْمَانُ وَأَصْحَابُهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اقْضِ بَيْنَهُمَا وَأَرِحْ أَحَدَهُمَا مِنَ الآخَرِ. قَالَ عُمَرُ تَيْدَكُمْ، أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمَاءُ وَالأَرْضُ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ».

يُرِيدُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَفْسَهُ. قَالَ الرَّهْطُ قَدْ قَالَ ذَلِكَ. فَأَقْبَلَ عُمَرُ عَلَى عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ فَقَالَ أَنْشُدُكُمَا اللَّهَ، أَتَعْلَمَانِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ قَالَ ذَلِكَ قَالَا قَدْ قَالَ ذَلِكَ.

قَالَ عُمَرُ فَإِنِّي أُحَدِّثُكُمْ عَنْ هَذَا الأَمْرِ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ خَصَّ رَسُولَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْفَىْءِ بِشَىْءٍ لَمْ يُعْطِهِ أَحَدًا غَيْرَهُ ثُمَّ قَرَأَ «وَمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْهُمْ» إِلَى قَوْلِهِ «قَدِيرٌ» فَكَانَتْ هَذِهِ خَالِصَةً لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

وَاللَّهِ مَا احْتَازَهَا دُونَكُمْ، وَلَا اسْتَأْثَرَ بِهَا عَلَيْكُمْ قَدْ أَعْطَاكُمُوهُ، وَبَثَّهَا فِيكُمْ حَتَّى بَقِيَ مِنْهَا هَذَا الْمَالُ، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ نَفَقَةَ سَنَتِهِمْ مِنْ هَذَا الْمَالِ، ثُمَّ يَأْخُذُ مَا بَقِيَ فَيَجْعَلُهُ مَجْعَلَ مَالِ اللَّهِ، فَعَمِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَلِكَ حَيَاتَهُ، أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ هَلْ تَعْلَمُونَ ذَلِكَ قَالُوا: نَعَمْ.

ثُمَّ قَالَ لِعَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ أَنْشُدُكُمَا بِاللَّهِ هَلْ تَعْلَمَانِ ذَلِكَ قَالَ عُمَرُ ثُمَّ تَوَفَّى اللَّهُ نَبِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَنَا وَلِيُّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَقَبَضَهَا أَبُو بَكْرٍ، فَعَمِلَ فِيهَا بِمَا عَمِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّهُ فِيهَا لَصَادِقٌ بَارٌّ رَاشِدٌ تَابِعٌ لِلْحَقِّ، ثُمَّ تَوَفَّى اللَّهُ أَبَا بَكْرٍ، فَكُنْتُ أَنَا وَلِيَّ أَبِي بَكْرٍ، فَقَبَضْتُهَا سَنَتَيْنِ مِنْ إِمَارَتِي،

أَعْمَلُ فِيهَا بِمَا عَمِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا عَمِلَ فِيهَا أَبُو بَكْرٍ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنِّي فِيهَا لَصَادِقٌ بَارٌّ رَاشِدٌ تَابِعٌ لِلْحَقِّ، ثُمَّ جِئْتُمَانِي تُكَلِّمَانِي وَكَلِمَتُكُمَا وَاحِدَةٌ، وَأَمْرُكُمَا وَاحِدٌ، جِئْتَنِي يَا عَبَّاسُ تَسْأَلُنِي نَصِيبَكَ مِنِ ابْنِ أَخِيكَ، وَجَاءَنِي هَذَا يُرِيدُ عَلِيًّا يُرِيدُ نَصِيبَ امْرَأَتِهِ مِنْ أَبِيهَا، فَقُلْتُ لَكُمَا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ».

فَلَمَّا بَدَا لِي أَنْ أَدْفَعَهُ إِلَيْكُمَا قُلْتُ: إِنْ شِئْتُمَا دَفَعْتُهَا إِلَيْكُمَا عَلَى أَنَّ عَلَيْكُمَا عَهْدَ اللَّهِ وَمِيثَاقَهُ لَتَعْمَلَانِ فِيهَا بِمَا عَمِلَ فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَبِمَا عَمِلَ فِيهَا أَبُو بَكْرٍ، وَبِمَا عَمِلْتُ فِيهَا مُنْذُ وَلِيتُهَا، فَقُلْتُمَا ادْفَعْهَا إِلَيْنَا.

فَبِذَلِكَ دَفَعْتُهَا إِلَيْكُمَا، فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ، هَلْ دَفَعْتُهَا إِلَيْهِمَا بِذَلِكَ قَالَ الرَّهْطُ نَعَمْ. ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ فَقَالَ أَنْشُدُكُمَا بِاللَّهِ هَلْ دَفَعْتُهَا إِلَيْكُمَا بِذَلِكَ قَالَا: نَعَمْ.

قَالَ فَتَلْتَمِسَانِ مِنِّي قَضَاءً غَيْرَ ذَلِكَ فَوَاللَّهِ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمَاءُ وَالأَرْضُ، لَا أَقْضِي فِيهَا قَضَاءً غَيْرَ ذَلِكَ، فَإِنْ عَجَزْتُمَا عَنْهَا فَادْفَعَاهَا إِلَىَّ، فَإِنِّي أَكْفِيكُمَاهَا

While I was at home, the sun rose high and it got hot. Suddenly the messenger of Umar ibn al-Khattab came to me and said, “The chief of the believers has sent for you.” So, I went along with him till I entered the place where Umar was sitting on a bedstead made of date-palm leaves and covered with no mattress, and he was leaning over a leather pillow.

I greeted him and sat down. He said, “O Mali! Some persons of your people who have families came to me and I have ordered that a gift should be given to them, so take it and distribute it among them.” …

I said, “O chief of the believers! I wish that you order someone else to do it.” He said, “O man! Take it.” While I was sitting there with him, his doorman Yarfa came saying, “Uthman, Abdur-Rahman ibn Auf, Az-Zubayr and Sad ibn Abi Waqqas are asking your permission (to see you); may I admit them?”

Umar said, “Yes”, So they were admitted and they came in, greeted him, and sat down. After a while Yarfa came again and said, “May I admit Ali and Abbas?” Umar said, “yes.” So, they were admitted and they came in and greeted (him) and sat down.

Then Abbas said, “O chief of the believers! Judge between me and this (i.e. Ali).” They had a dispute regarding the property of Bani An-Nadir which Allah had given to His Messenger as Fai.

The group (i.e. Uthman and his companions) said, “O chief of the believers! Judge between them and relieve both of them from each other.” Umar said, “Be patient! I beseech you by Allah by Whose Permission the Heaven and the Earth exist, do you know that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘Our (i.e. prophets’) property will not be inherited, and whatever we leave, is Sadaqa (to be used for charity),” and the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) meant himself (by saying “we”)?

The group said, “He said so.” Umar then turned to Ali and Abbas and said, “I beseech you by Allah, do you know that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said so?”

They replied, “ He said so.” Umar then said, “So, I will talk to you about this matter. Allah bestowed on His Messenger with a special favor of something of this Fai (booty) which he gave to nobody else.” Umar then recited the Holy Verses: “What Allah bestowed as (Fai) Booty on his Messenger (Muhammad) from them --- for this you made no expedition with either cavalry or camelry: But Allah gives power to His Messengers over whomever He will ‘And Allah is able to do all things.’

9:6) Umar added ‘So this property was especially given to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), but, by Allah, neither did he take possession of it and leave you, nor did he favor himself with it to your exclusion, but he gave it to all of you and distributed it amongst you till this property remained out of it. The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to spend the yearly expenses of his family out of this property and used to keep the rest of its revenue to be spent on Allah’s Cause.

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) kept on doing this during all his lifetime. I ask you by Allah do you know this?’ They replied in the affirmative.

Umar then said to Ali and Abbas. ‘I ask you by Allah, do you know this?’ Umar added, ‘When Allah had taken His Prophet unto Him, ‘Abu Bakr said, ‘I am the successor of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) so, Abu Bakr took over that property and managed it in the same way as the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to do, and Allah knows that he was true, pious and rightly-guided, and he was a follower of what was right.

Then Allah took Abu Bakr unto Him and I became Abu Bakr’s successor, and I kept that property in my possession for the first two years of my Caliphate, managing it in the same way as the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to do and as Abu Bakr used to do, and Allah knows that I have been true, pious, rightly guided, and a follower of what is right.

Now you both (i.e. Ali and Abbas) came to talk to me, bearing the same claim and presenting the same case; you, Abbas, came to me asking for your share from your nephew’s property, and this man, i.e. Ali, came to me asking for his wife’s share from her father’s property.

I told you both that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘Our (prophets’) properties are not to be inherited, but what we leave is Sadaqa (to be used for charity).’ When I thought it right that I should hand over this property to you, I said to you, ‘I am ready to hand over this property to you if you wish, on the condition that you would take Allah’s Pledge and Covenant that you would manage it in the same way as the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to, and as Abu Bakr used to do, and as I have done since I was in charge of it.’

So, both of you said (to me), ‘Hand it over to us,’ and on that condition I handed it over to you. So, I ask you by Allah, did I hand it over to them on this condition?’

The group said, ‘Yes.’ Then Umar faced Ali and Abbas saying, ‘I ask you by Allah, did I hand it over to you on this condition?’ They said, ‘Yes. ‘ He said, ‘ Do you want now to give a different decision? By Allah, by Whose Leave both the Heaven and the Earth exist, I will never give any decision other than that (I have already given).

And if you are unable to manage it, then return it to me, and I will do the job on your behalf.’’’’”

মালিক ইবনু আউস ইবনু হাদাসান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি আমার পরিবার-পরিজনের সঙ্গে বসা ছিলাম, যখন রোদ প্রখর হল তখন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর দূত আমার নিকট এসে বলল, আমীরুল মু’মিনীন আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি তার সঙ্গে রওয়ানা হয়ে ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছলাম। দেখতে পেলাম, তিনি একটি চাটাইয়ের উপর উপবিষ্ট ছিলেন।

যাতে কোন বিছানা ছিল না। আর তিনি চামড়ার একটি বালিশে হেলান দিয়ে উপবিষ্ট ছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করে বসে পড়লাম। তিনি বললেন, হে মালিক! তোমার গোত্রের কতিপয় লোক আমার নিকট এসেছেন। আমি তাদের জন্য সামান্য পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার আদেশ দিয়েছি। তুমি তা বুঝে নিয়ে তাদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। …

আমি বললাম, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ কাজটির জন্য আমাকে ব্যতীত যদি অন্য কাউকে নির্দেশ দিতেন। তিনি বললেন, ওহে তুমি তা গ্রহণ কর। আমি তাঁর কাছেই বসা ছিলাম। এমন সময় তাঁর দারোয়ান ইয়ারফা এসে বলল, ‘উসমান ইবনু আফফান, ‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আউফ, যুবাইর (ইবনু আওয়াম) ও সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) আপনার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন।

‘উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তাঁদের আসতে দাও। তাঁরা এসে সালাম করে বসে পড়লেন। ইয়ারফা ক্ষণিক সময় পরে এসে বলল, ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ) আপনার সাক্ষাতের জন্য অনুমতির অপেক্ষায় আছেন।

‘উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তাঁদেরকে আসতে দাও। অতঃপর তাঁরা উভয়ে প্রবেশ করে সালাম করলেন এবং বসে পড়লেন। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও এ ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসা করে দিন। বানূ নাযীরের সম্পদ হতে আল্লাহ তা‘আলা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যা দান করেছিলেন, তা নিয়ে তাঁরা উভয়ে বিরোধ করেছিলেন।

‘উসমান (রাঃ) এবং তাঁর সাথীগণ বললেন, হ্যাঁ, আমীরুল মু’মিনীন! এদের মধ্যে মীমাংসা করে দিন এবং তাঁদের একজনকে অপরজন হতে নিশ্চিত করে দিন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, একটু থামুন। আমি আপনাদেরকে সে মহান সত্তার শপথ দিয়ে বলছি, যাঁর আদেশে আসমান ও যমীন স্থির রয়েছে। আপনারা কি জানেন যে, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের (নবীগণের) মীরাস বণ্টিত হয় না।

আমরা যা রেখে যাই তা সদাকাহরূপে গণ্য হয়? এর দ্বারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেকেই উদ্দেশ্য করেছেন। ‘উসমান (রাঃ) ও তাঁর সাথীগণ বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন বলেছেন।

অতঃপর ‘উমার (রাঃ) ‘আলী এবং ‘আব্বাস (রাঃ)-এর প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, আমি আপনাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি। আপনারা কি জানেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন বলেছেন?

তাঁরা উভয়ে বললেন, হ্যাঁ, তিনি এমন বলেছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখন এ বিষয়টি সম্পর্কে আপনাদের বুঝিয়ে বলছি। ব্যাপার হলো এই যে, আল্লাহ তা‘আলা ফায়-এর সম্পদ হতে স্বীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিশেষভাবে দান করেছেন যা তিনি ব্যতীত কাউকেই দান করেননি। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করেনঃ وَمَا أَفَاءَ اللهُ عَلَى رَسُوْلِهِ مِنْهُمْ ..... إِلَى قَوْلِهِ شَيْءٍ قَدِيْرٌ ( الحشر : 6) আর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাদের অর্থাৎ ইয়াহূদীদের নিকট হতে যে ফায় দিয়েছেন, তজ্জন্য তোমরা ঘোড়া কিংবা উটে আরোহণ করে যুদ্ধ করনি।

আল্লাহ্ তা‘আলাই তো যাদের উপর ইচ্ছা তাঁর রাসূলগণকে কর্তৃত্ব দান করেন। আল্লাহ তা‘আলা সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান- (হাশর ৬)। সুতরাং এ সকল সম্পত্তি নির্দিষ্টরূপে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু আল্লাহর কসম! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সকল সম্পত্তি নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে রাখেননি এবং আপনাদের বাদ দিয়ে অন্য কাউকে দেননি।

বরং আপনাদেরকেও দিয়েছেন এবং আপনাদের কাজেই ব্যয় করেছেন। এ সম্পত্তি হতে যা উদ্বৃত্ত রয়েছে, তা হতে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ পরিবার-পরিজনের বাৎসরিক খরচ নির্বাহ করতেন। অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকতো, তা আল্লাহর সম্পদে জমা করে দিতেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজীবন এরূপই করেছেন।

আপনাদেরকে আল্লাহর কসম দিচ্ছি, আপনারা কি তা জানেন? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, আমরা অবগত আছি। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বললেন, আমি আপনাদের উভয়কে আল্লাহর কসম দিচ্ছি, আপনারা কি এ বিষয় অবগত আছেন?

অতঃপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ওফাত দিলেন তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ হতে দায়িত্ব প্রাপ্ত একথা বলে তিনি এ সকল সম্পত্তি নিজ দায়িত্বে নিয়ে নেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সবের আয়-উৎপাদন যে সব কাজে ব্যয় করতেন, সে সকল কাজে ব্যয় করেন।

আল্লাহ তা‘আলা জানেন যে, তিনি এক্ষেত্রে সত্যবাদী, পুণ্যবান, সুপথপ্রাপ্ত ও সত্যাশ্রয়ী ছিলেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আবূ বাকর (রাঃ)-কে ওফাত দেন। এখন আমি আবূ বাকর (রাঃ)-এর পক্ষ হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত। আমি আমার খিলাফতকালের প্রথম দু’বছর এ সম্পত্তি আমার দায়িত্বে রেখেছি এবং এর দ্বারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বুকর (রাঃ) যা যা করতেন, তা করেছি।

আল্লাহ তা‘আলাই জানেন যে, আমি এক্ষেত্রে সত্যবাদী, পুণ্যবান, সুপথপ্রাপ্ত ও সত্যাশ্রয়ী রয়েছি। অতঃপর এখন আপনারা উভয়ে আমার নিকট এসেছেন। আর আমার সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন এবং আপনাদের উভয়ের কথা একই। আর আপনাদের ব্যাপার একই। হে ‘আব্বাস (রাঃ)! আপনি আমার নিকট আপনার ভ্রাতুষ্পুত্রের সম্পত্তির অংশের দাবী নিয়ে এসেছেন আর ‘আলী (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, ইনি আমার নিকট তাঁর স্ত্রী কর্তৃক পিতার সম্পত্তিতে প্রাপ্য অংশ নিতে এসেছেন।

আমি আপনাদের উভয়কেই বলছি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমরা নবীগণের সম্পদ বণ্টিত হয় না, আমরা যা ছেড়ে যাই তা সদাকাহরূপে গণ্য হয়।’ অতঃপর আমি সঙ্গত মনে করেছি যে, এ সম্পত্তিকে আপনাদের দায়িত্বে ছেড়ে দিব। এখন আমি আপনাদের বলছি যে, আপনারা যদি চান, তবে আমি এ সম্পত্তি আপনাদের নিকট সমর্পণ করে দিব।

এ শর্তে যে, আপনাদের উপর আল্লাহ তা‘আলার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার থাকবে, আপনারা এ সম্পত্তির আয় আমদানী সে সকল কাজে ব্যয় করবেন, যে সকল কাজে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর (রাঃ) ও আমি আমার খিলাফতকালে এ যাবৎ ব্যয় করে এসেছি। তদুত্তরে আপনারা বলছেন, এ সম্পত্তিকে আমাদের নিকট দিয়ে দিন। আমি উক্ত শর্তের উপর আপনাদের প্রতি সমর্পণ করেছি।

আপনাদেরকে (উসমান (রাঃ) ও তাঁর সাথীগণকে) উদ্দেশ্য করে আমি আল্লাহর কসম দিচ্ছি যে, বলুন তো আমি কি তাঁদেরকে এ শর্তে এ সম্পত্তি সমর্পণ করেছি? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ।

অতঃপর ‘উমার (রাঃ) ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ)-এর প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, আমি আপনাদের উভয়কে আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, বলুন তো আমি কি এ শর্তে আপনাদের প্রতি এ সম্পত্তি সমর্পণ করেছি?

তাঁরা উভয়ে বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনারা কি আমার নিকট এ ছাড়া অন্য কোন মীমাংসা চান? আল্লাহর কসম! যাঁর আদেশে আকাশ ও পৃথিবী আপন স্থানে প্রতিষ্ঠিত আছে, আমি এ ব্যাপারে এর বিপরীত কোন মীমাংসা করব না। যদি আপনারা এ শর্ত পালনে অক্ষম হন, তবে এ সম্পত্তি আমার দায়িত্বে ছেড়ে দিন। আপনাদের উভয়ের পক্ষ হতে এ সম্পত্তির দেখাশুনা করার জন্য আমিই যথেষ্ট। (২৯০৪)

ہم سے اسحاق بن محمد فروی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے مالک بن انس نے ‘ ان سے ابن شہاب نے ‘ ان سے مالک بن اوس بن حدثان نے ( زہری نے بیان کیا کہ ) محمد بن جبیر نے مجھ سے ( اسی آنے والی ) حدیث کا ذکر کیا تھا۔ اس لیے میں نے مالک بن اوس کی خدمت میں خود حاضر ہو کر ان سے اس حدیث کے متعلق ( بطور تصدیق ) پوچھا۔

انہوں نے کہا کہ دن چڑھ آیا تھا اور میں اپنے گھر والوں کے ساتھ بیٹھا ہوا تھا ‘ اتنے میں عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ کا ایک بلانے والا میرے پاس آیا اور کہا کہ امیرالمؤمنین آپ کو بلا رہے ہیں۔ میں اس قاصد کے ساتھ ہی چلا گیا اور عمر رضی اللہ عنہ کی خدمت میں حاضر ہوا۔ …

آپ ایک تخت پر بوریا بچھائے ‘ بورئیے پر کوئی بچھونا نہ تھا ‘ صرف ایک چمڑے کے تکئے پر ٹیک لگائے ہوئے تھے۔ میں سلام کر کے بیٹھ گیا۔ پھر انہوں نے فرمایا ‘ مالک! تمہاری قوم کے کچھ لوگ میرے پاس آئے تھے ‘ میں نے ان کے لیے کچھ حقیر سی امداد کا فیصلہ کر لیا ہے۔

تم اسے اپنی نگرانی میں ان میں تقسیم کرا دو ‘ میں نے عرض کیا ‘ یا امیرالمؤمنین! اگر آپ اس کام پر کسی اور کو مقرر فرما دیتے تو بہتر ہوتا۔ لیکن عمر رضی اللہ عنہ نے یہی اصرار کیا کہ نہیں ‘ اپنی ہی تحویل میں بانٹ دو۔

ابھی میں وہیں حاضر تھا کہ امیرالمؤمنین کے دربان یرفا آئے اور کہا کہ عثمان بن عفان ‘ عبدالرحمٰن بن عوف ‘ زبیر بن عوام اور سعد بن ابی وقاص رضی اللہ عنہما اندر آنے کی اجازت چاہتے ہیں؟ عمر رضی اللہ عنہ نے فرمایا کہ ہاں انہیں اندر بلا لو۔ آپ کی اجازت پر یہ حضرات داخل ہوئے اور سلام کر کے بیٹھ گئے۔

یرفا بھی تھوڑی دیر بیٹھے رہے اور پھر اندر آ کر عرض کیا علی اور عباس رضی اللہ عنہما کو بھی اندر آنے کی اجازت ہے؟ آپ نے فرمایا کہ ہاں انہیں بھی اندر بلا لو۔ آپ کی اجازت پر یہ حضرات بھی اندر تشریف لے آئے۔ اور سلام کر کے بیٹھ گئے۔

عباس رضی اللہ عنہ نے کہا ‘ یا امیرالمؤمنین! میرا اور ان کا فیصلہ کر دیجئیے۔ ان حضرات کا جھگڑا اس جائیداد کے بارے میں تھا جو اللہ تعالیٰ نے اپنے رسول صلی اللہ علیہ وسلم کو بنی نضیر کے اموال میں سے ( خمس کے طور پر ) عنایت فرمائی تھی۔ اس پر عثمان اور ان کے ساتھ جو دیگر صحابہ تھے کہنے لگے ‘ ہاں ‘ امیرالمؤمنین!

ان حضرات میں فیصلہ فرما دیجئیے اور ہر ایک کو دوسرے کی طرف سے بےفکر کر دیجئیے۔ عمر رضی اللہ عنہ نے کہا ‘ اچھا ‘ تو پھر ذرا ٹھہرئیے اور دم لے لیجئے میں آپ لوگوں سے اس اللہ کی قسم دے کر پوچھتا ہوں جس کے حکم سے آسمان اور زمین قائم ہیں۔ کیا آپ لوگوں کو معلوم ہے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا تھا کہ ”ہم پیغمبروں کا کوئی وارث نہیں ہوتا ‘ جو کچھ ہم ( انبیاء ) چھوڑ کر جاتے ہیں وہ صدقہ ہوتا ہے۔“ جس سے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی مراد خود اپنی ذات گرامی بھی تھی۔

ان حضرات نے تصدیق کی ‘ کہ جی ہاں ‘ بیشک آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے یہ فرمایا تھا۔ اب عمر رضی اللہ عنہ، علی اور عباس رضی اللہ عنہما کی طرف مخاطب ہوئے ‘ ان سے پوچھا۔ میں آپ حضرات کو اللہ کی قسم دیتا ہوں ‘ کیا آپ حضرات کو بھی معلوم ہے کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ایسا فرمایا ہے یا نہیں؟

انہوں نے بھی اس کی تصدیق کی کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے بیشک ایسا فرمایا ہے۔ عمر رضی اللہ عنہ نے کہا کہ اب میں آپ لوگوں سے اس معاملہ کی شرح بیان کرتا ہوں۔ بات یہ ہے کہ اللہ تعالیٰ نے اپنے رسول صلی اللہ علیہ وسلم کے لیے اس غنیمت کا ایک مخصوص حصہ مقرر کر دیا تھا۔

جسے آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے بھی کسی دوسرے کو نہیں دیا تھا۔ پھر آپ نے اس آیت کی تلاوت کی «وما أفاء الله على رسوله منهم‏» سے اللہ تعالیٰ کے ارشاد «قدير‏» تک اور وہ حصہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے لیے خاص رہا۔ مگر قسم اللہ کی یہ جائیداد آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے تم کو چھوڑ کر اپنے لیے جوڑ نہ رکھی ‘ نہ خاص اپنے خرچ میں لائے ‘ بلکہ تم ہی لوگوں کو دیں اور تمہارے ہی کاموں میں خرچ کیں۔

یہ جو جائیداد بچ رہی ہے اس میں سے آپ اپنی بیویوں کا سال بھر کا خرچ لیا کرتے اس کے بعد جو باقی بچتا وہ اللہ کے مال میں شریک کر دیتے ( جہاد کے سامان فراہم کرنے میں ) خیر آپ صلی اللہ علیہ وسلم تو اپنی زندگی میں ایسا ہی کرتے رہے۔ حاضرین تم کو اللہ کی قسم!

کیا تم یہ نہیں جانتے؟ انہوں نے کہا بیشک جانتے ہیں۔ پھر عمر رضی اللہ عنہ نے علی اور عباس رضی اللہ عنہما سے کہا میں آپ حضرات سے بھی قسم دے کر پوچھتا ہوں ‘ کیا آپ لوگ یہ نہیں جانتے ہیں؟

( دونوں حضرات نے جواب دیا ہاں! ) پھر عمر رضی اللہ عنہ نے یوں فرمایا کہ پھر اللہ تعالیٰ نے اپنے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کو دنیا سے اٹھا لیا تو ابوبکر صدیق رضی اللہ عنہ کہنے لگے کہ میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کا خلیفہ ہوں ‘ اور اس لیے انہوں نے ( آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی اس مخلص ) جائیداد پر قبضہ کیا اور جس طرح آپ صلی اللہ علیہ وسلم اس میں مصارف کیا کرتے تھے ‘ وہ کرتے رہے۔

اللہ خوب جانتا ہے کہ ابوبکر رضی اللہ عنہ اپنے اس طرز عمل میں سچے مخلص ‘ نیکوکار اور حق کی پیروی کرنے والے تھے۔ پھر اللہ تعالیٰ نے ابوبکر رضی اللہ عنہ کو بھی اپنے پاس بلا لیا اور اب میں ابوبکر رضی اللہ عنہ کا نائب مقرر ہوا۔ میری خلافت کو دو سال ہو گئے ہیں۔

اور میں نے بھی اس جائیداد کو اپنی تحویل میں رکھا ہے۔ جو مصارف رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم اور ابوبکر رضی اللہ عنہ اس میں کیا کرتے تھے ویسا ہی میں بھی کرتا رہا اور اللہ خوب جانتا ہے کہ میں اپنے اس طرز عمل میں سچا ‘ مخلص اور حق کی پیروی کرنے والا ہوں۔

پھر آپ دونوں میرے پاس مجھ سے گفتگو کرنے آئے اور بالاتفاق گفتگو کرنے لگے کہ دونوں کا مقصد ایک تھا۔ جناب عباس! آپ تو اس لیے تشریف لائے کہ آپ کو اپنے بھتیجے ( صلی اللہ علیہ وسلم ) کی میراث کا دعویٰ میرے سامنے پیش کرنا تھا۔ پھر علی رضی اللہ عنہ سے فرمایا کہ آپ اس لیے تشریف لائے کہ آپ کو اپنی بیوی ( فاطمہ رضی اللہ عنہا ) کا دعویٰ پیش کرنا تھا کہ ان کے والد ( رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم ) کی میراث انہیں ملنی چاہئے ‘ میں نے آپ دونوں حضرات سے عرض کر دیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم خود فرما گئے کہ ہم پیغمبروں کا کوئی میراث تقسیم نہیں ہوتی ‘ ہم جو کچھ چھوڑ جاتے ہیں وہ صدقہ ہوتا ہے۔

پھر مجھ کو یہ مناسب معلوم ہوا کہ میں ان جائیدادوں کو تمہارے قبضے میں دے دوں ‘ تو میں نے تم سے کہا ‘ دیکھو اگر تم چاہو تو میں یہ جائیداد تمہارے سپرد کر دیتا ہوں ‘ لیکن اس عہد اور اس اقرار پر کہ تم اس کی آمدنی سے وہ سب کام کرتے رہو گے جو آپ صلی اللہ علیہ وسلم اور ابوبکر صدیق رضی اللہ عنہ اپنی خلافت میں کرتے رہے اور جو کام میں اپنی حکومت کے شروع سے کرتا رہا۔

تم نے اس شرط کو قبول کر کے درخواست کی کہ جائیدادیں ہم کو دے دو۔ میں نے اسی شرط پر دے دی ‘ حاضرین کہو میں نے یہ جائیدادیں اسی شرط پر ان کے حوالے کی ہیں یا نہیں؟

انہوں نے کہا ‘ بیشک اسی شرط پر آپ نے دی ہیں۔ پھر عمر رضی اللہ عنہ نے علی رضی اللہ عنہ اور عباس رضی اللہ عنہ سے فرمایا ‘ میں تم کو اللہ کی قسم دیتا ہوں ‘ میں نے اسی شرط پر یہ جائیدادیں آپ حضرات کے حوالے کی ہیں یا نہیں؟

انہوں نے کہا بیشک۔ عمر رضی اللہ عنہ نے کہا ‘ پھر مجھ سے کس بات کا فیصلہ چاہتے ہو؟ ( کیا جائیداد کو تقسیم کرانا چاہتے ہو ) قسم اللہ کی! جس کے حکم سے زمین اور آسمان قائم ہیں میں تو اس کے سوا اور کوئی فیصلہ کرنے والا نہیں۔ ہاں! یہ اور بات ہے کہ اگر تم سے اس کا انتظام نہیں ہو سکتا تو پھر جائیداد میرے سپرد کر دو۔ میں اس کا بھی کام دیکھ لوں گا۔

Telah bercerita kepada kami [Ishaq bin Muhammad Al Farwiy] telah bercerita kepada kami [Malik bin Anas] dari [Ibnu Syihab] dari [Malik bin Aus Al Hadatsan], bahwa [Muhammad bin Jubair] menyebutkan kepadaku suatu cerita dari hadits yang disampaikannya maka aku berangkat menemui Malik bin Aus lalu aku bertanya kepadanya tentang hadits yang dimaksud, maka Malik berkata; "Ketika aku sedang duduk bersama keluargaku di tengah hari tiba-tiba datang utusan 'Umar bin Al Khaththab menemuiku lalu berkata; "Penuhilah panggilan Amirul Mu'minin".

Maka aku pergi bersamanya menemui ['Umar] yang ketika itu sedang duduk di atas tikar yang tidak dialasi kasur namun bersandar pada bantal terbuat dari kulit. Aku memberi salam kepadanya lalu duduk. …

Maka dia berkata; "Wahai Maal (Malik), sesungguhnya telah datang kepada kami para ahli bait dari kaummu dan aku sudah memerintahkan untuk memberi mereka pemberian yang sedikit dan tidak bernilai, maka terimalah ini dan bagikanlah kepada mereka".

Aku berkata; "Wahai Amirul Mu'minin, andai engkau perintahkan hal ini kepada selain aku". Dia berkata; "Terimalah, hai laki-laki". Di tengah aku sedang duduk bersamanya, datang kepadanya penjaga pintu yang bernama Yarfaa lalu berkata; "Apakah kamu membolehkan ['Utsman], ['Abdur Rahman bin 'Auf], [Az Zubair] dan [Sa'ad bin Abi Waqash], mereka minta izin masuk".

'Umar menjawab; "Ya". Lalu dia mengizinkan mereka masuk. Maka mereka masuk dan memberi salam lalu duduk. Begitu juga Yarfaa duduk sebentar lalu berkata; "Apakah kamu juga membolehkan ['Ali] dan ['Abbas] masuk?".

'Umar menjawab; "Ya". Lalu 'Umar mengizinkan keduanya masuk. Keduanya pun masuk dan memberi salam lalu duduk. 'Abbas berkata; "Wahai Amirul Mu'minin, putuskanlah antara aku dan orang ini". Keduanya sedang bertengkar urusan harta yang Allah karuniakan kepada Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berupa fa'i dari harta Bani an-Nadlir.

Kelompok orang yang bersama 'Utsman dan para shohabatnya berkata; "Wahai Amirul Mu'minin, putuskanlah perkara mereka berdua dan legakanlah salah seorang diantara keduanya".

'Umar berkata; "Tenanglah kalian!. Dan aku aku minta kepada kalian, demi Allah yang dengan izin-Nya tegak langit dan bumi, apakah kalian mengetahui bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam telah bersabda: "Kami tidak mewariskan, Apa-apa yang kami tinggalkan menjadi shadaqah?". Yang Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam maksudkan (dengan kata kami) adalah diri Beliau sendiri.

Kelompok ('Utsman) berkata; "Ya, Beliau sudah bersabda demikian". Maka 'Umar kembali menghadap dan berbicara kepada 'Ali dan 'Abbas; "Aku minta kepada kalian berdua, demi Allah, apakah kalian berdua mengetahui bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam telah bersabda seperti itu?".

Keduanya menjawab; "Ya, Beliau sudah bersabda demikian". 'Umar kemudian berkata; "Untuk itu aku akan berbicara kepada kalian tentang masalah ini. Sesungguhnya Allah tekah mengkhusukan Rasul-Nya Shallallahu'alaihiwasallam dalam masalah fa'i ini sebagai sesuatu yang tidak Dia berikan kepada siapapun selain Beliau Shallallahu'alaihiwasallam".

Lalu 'Umar membaca firman Allah (QS Al Hasyr ayat 6 yang artinya: ("Dan apa saja yang dikaruniakan Allah berupa fa'i (rampasan perang) kepada Rasul-Nya dari (harta benda) mereka…) hingga firman-Nya (dan Allah Maha berkuasa atas segala sesuatu"), ayat ini merupakan kekhususan buat Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam. Demi Allah, tidaklah Beliau mengumpulkannya dengan mengabaikan kalian dan juga tidak untuk lebih mementingkan kalian.

Sungguh Beliau telah memberikannya kepada kalian dan menyebarkannya di tengah-tengah kalian (kaum Muslimin) dan hingga sekarang masih ada yang tersisa dari harta tersebut. Dan Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam telah memberi nafkah belanja kepada keluarga Beliau sebagai nafkah tahunan mereka dari harta fa'i ini lalu sisanya Beliau ambil dan dijadikannya sebagai harta Allah dan Beliau sudah menerapkan semua ini selama hidup Beliau.

Aku tanya kepda kalian, bukankah kalian sudah mengetahui ini semua?". Mereka menjawab; "Ya. Lalu 'Umar berbicara kepada 'Ali dan 'Abbas; "Aku tanya kepada kalian berdua, bukankah kamu berdua sudah mengetahui ini semua?". 'Umar melanjutkan; "Kemudian Allah mewafatkan Nabi-Nya Shallallahu'alaihiwasallam, kemudian Abu Bakr berkata; "Akulah wali Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam.

Lalu Abu Bakr menjadi yang memegang kepemimpinan, maka dia melaksanakan seperti apa yang dilaksanakan oleh Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam dan apa yang telah dilakukan oleh Abu Bakr, sungguh Allah mengetahuinya, bahwa aku dalam perkara ini berpendapat bahwa dia orang yang jujur, bijak, lurus dan pengikut kebenaran. Lalu kalian berdua datang kepadaku dan berbicara kepadaku, sedang ucapan kalian satu dan maksud urusan kalian juga satu.

Engkau, wahai 'Abbas, datang kepadaku meminta kepadaku bagian dari anak saudara kamu. Dan orang ini, yang 'Umar maksud adalah 'Ali, datang meminta bagian istrinya dari ayahnya. Aku katakan kepada kalian berdua, sesungguhnya Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam telah bersabda: "Kami tidak mewariskan. Apa-apa yang kami tinggalkan menjadi shadaqah".

Setelah jelas bagiku bahwa aku harus memberikannya kepada kalian berdua maka aku akan katakan, jika memang kalian menghendakinya aku akan berikan kepada kalian berdua namun wajib kalian berdua ingat janji Allah dan ketentuan-Nya bahwa kalian sungguh mengetahui tentang urusan ini apa yang telah Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam lakukan dan apa yang telah Abu Bakr lakukan, dan juga apa yang telah aku lakukan sejak aku memegang kekuasaan ini dan jika kalian berdua mengatakan berikanlah kepada kami, maka dengan ketentuan seperti itu aku akan berikan kepada kalian berdua.

Dan aku ingatkan kepada kalian semua, demi Allah, apakah aku berikan kepada keduanya dengan ketentuan seperti ini. Kelompok 'Utsman berkata; "Ya". Kemudian 'Umar menghadap 'Ali dan 'Abbas seraya berkata; "Aku ingatkan kalian berdua, demi Allah, apakah aku memberikannya kepada kalian berdua berdasarkan ketentuan ini?".

Keduanya menjawab; "Ya". 'Selanjutnya 'Umar berkata; "Lalu kalian menghampiri aku agar aku memutuskan perkara ini dengan ketentuan lain. Sungguh demi Allah yang dengan izin-Nya tegaklah langit dan bumi, aku tidak akan pernah memutuskan masalah ini dengan selain ketentuan ini. Seandainya kalian berdua tidak sanggup atasnya maka serahkanlah kepadaku karena sungguh aku akan mengganti kalian untuk mengurus harta itu

Malik İbn Evs İbnü'l-Hadesan'ın şöyle dediği nakledilmiştir: Muhammed İbn Cübeyr bu rivayet ettiği hadisten bir kısmını bana anlattı.Ben de bu hadis hakkında bilgi istemek üzere Malik İbn Evs'e gittim. Bana şunları anlattı.

"Ben öğleden önce ailemle birlikte otururken Hz. Ömer'in gönderdiği birisi gelip: "Ömer seni çağırıyor!" dedi. Ben de kalkıp onunla birlikte Hz. Ömer'in yanına gittim. Yanına vardığımızda Ömer deriden mamul bir yastığa yaslanmış oturuyordu. Altında hurma yapraklarından yapılmış bir sergi vardı. Serginin üzerinde minder gibi bir şey de yoktu. …

Kendisine selam verip oturdum. Hz. Ömer bana: "Ey Malik, senin kabilenden ihtiyaç sahibi bazı kimseler gelip benden yardım istediler. Ben de onlara küçük bir miktar yardım yapılması için talimat verdim. Sen bu yardımları al ve götürüp onlara paylaştır!"

dedi. Ben: "Ey mu'minlerin emiri, bu iş için başka birisini görevlendirseniz!" deyince: "Sana bu malzemeleri al ve dağıt dedik be adam!" diye çıkıştı. Ben orada otururken Hz. Ömer'in kapı görevlisi (hacib) Yerfa içeri girip: "Osman İbn Affan, Abdurrahman İbn Avf, Zübeyr ve Sa'd İbn Ebi Vakkas içeri girmek için izin istiyorlar, müsaade var mıdır!"

dedi. Hz. Ömer onların girmesine izin verdi. Onlar da içeri girdiler ve selam verip oturdular. Yerfa da kısa bir süre oturduktan sonra: "Ali ile Abbas da girmek istiyorlar!"

dedi. Hz. Ömer onlara da izin verdi. Onlar da içeri girdiler ve selam verip oturdular. Abbas (r.a.): "Ey mu'minlerin emiri, Ali ile aramızdaki şu davayı karara bağlasanız!"

dedi. Abbas ile Ali, Allah'ın Resulü'ne fey' olarak verdiği Nadiroğullarının malları konusunda anlaşmazlık yaşıyorlardı. Hz. Osman ile birlikte gelen gruptakiler de: "Ey mu'minlerin emiri, bunların arasındaki davayı karara bağla ve bunları birbirlerinden kurtar!" dediler. Hz. Ömer de bunun üzerine konuşmaya başladı: "Biraz ağır olun, müsaade edin bakalım!

Göğü ve yeri elinde tutan Allah hakkı için söyleyin! Siz Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'ın: "Biz miras bırakmayız; bize kimse mirasçı olmaz. Bizim bıraktığımız ne varsa sadakadır" buyurduğunu biliyor musunuz?" Hz. Osman ile birlikte olanlar: "Evet, Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem böyle buyurdu" dediler. Sonra Hz. Ömer, Hz.

Ali ile Abbas'a dönerek: "Allah için söyleyin bakalım' Siz Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in böyle buyurduğunu biliyor musunuz?" diye sordu. Onlar da: "Evet, Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem böyle buyurdu" dediler. Hz.

Ömer de şöyle dedi: "Bakın şimdi size bu konuyu anlatayım: Allah Teala savaşsız olarak ele geçirilen bu malların (fey') bir kısmını sırf Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e vermiştir; ondan başka hiç kimseye böyle bir ayrıcalık tanımamıştır. Nitekim Allah TeaIa şöyle buyurmuştur: "Allah'ın o mallardan Nebiine fey' olarak verdikleri için siz at ve deve koşturmuş değilsiniz.

Fakat Allah, Nebilerini dilediği kimselere karşı üstün kılar. Allah her şeye kadirdir. "[Haşr, 6] Dolayısıyla bu mallar sadece Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e hastır. Ancak Allah'a yemin ederim ki, O s.a.v. bu malları sizden uzak tutarak sırf kendi menfaatine kullanmamış ve kendisine ayırmamıştır. O s.a.v. buradan gelen gelirleri sizlere vermiş ve sizin yararınız için kullanmıştır.

Geriye de sadece şu an çekişmekte olduğunuz mallar kalmıştır. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem ailesinin bir yıllık nafakasını işte bu mallardan sağlardı. Geriye artanı da Allah hakkı için kullanılacak mallar arasına katardı. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem hayatı boyunca söz konusu malları bu şekilde işletti. Allah hakkı için söyleyin bakalım; Siz bunu biliyor musunuz?"

Hz. Osman ile beraberindekiler: "Evet" dediler. Hz. Ömer, Abbas ile Ali'ye dönerek: "Siz de Allah için söyleyin bakalım; bunu biliyor musunuz?" dedi ve sözlerine şöyle devam etti: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat ettikten sonra Ebu Bekir: "Ben Allah'ın Resulü'nün arkasından ümmetin idaresini üstlendim" diyerek bu malları ele aldı ve Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in uygulamasını aynen devam ettirdi.

Allah biliyor ki, o bu mallar konusunda doğru, dürüst ve hakkaniyete uygun davrandı. Sonra o da vefat etti ve ben onun vekili olarak bu görevi üstlendim. Ben de bu malları ele alıp başkanlığımın iki yılı boyunca Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ile Hz. Ebu Bekir'in uygulamalarını aynen devam ettirdim. Allah biliyor ki, ben de bu mallar konusunda doğru, dürüst ve hakkaniyete uygun davrandım.

Sonra siz çıkıp geldiniz ve bana bazı şeyler söylediniz. İkinizin söylediği de aynı şey. Ey Abbas, sen bana geldin ve kardeşinin oğlunun malındaki payını istedin ve Ali de gelip eşinin babasından kalan miras payını istedi. Ben de size: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem; "Biz miras bırakmayız; bize kimse mirasçı olmaz.

Bizim bıraktığımız ne varsa sadakadır" buyurdu, diye cevap vermiştim. Fakat daha sonra bu malları size vermenin uygun olacağını düşündüm ve size şu çözümü arz ettim: "Dilerseniz bu malları size bırakayım. Fakat ileri süreceğim şu şartlara kesinlikle riayet edeceksiniz: Allah adına bana söz verin, bu malları Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in Ebu Bekir'in ve benim iki yıldan beri yönettiğimiz gibi yönetip işleteceksiniz; asla bu uygulamadan vazgeçmeyeceksiniz."

Siz de bunu kabul ederek: "Tamam malları bize ver!" dediniz. Ben de söz konusu arazileri bu ileri sürdüğüm şartlarla size bırakıyorum. Allah hakkı için şahit olun, ben bu arazileri söylemiş olduğum şartlarla Abbas ile Ali'ye bıraktım mı?" Orada bulunanlar: "Evet" dediler. Hz. Ömer daha sonra Ali ile Abbas'a dönerek onlara da: "Allah hakkı için söyleyin, ben bu arazileri söylemiş olduğum şartlarla size bıraktım mı?"

diye sordu. Onlar da: "Evet" dediler. Bunun üzerine Hz. Ömer şöyle dedi: "Benden bu verdiğim karar dışında bir karar beklemeyin! Gökler ve yerlerin O'nun emriyle ayakta durduğu Allah'a yemin ederim ki ben bundan başka bir hüküm ve karar vermem. Eğer bu söylediğim şartlarla söz konusu arazileri işletemeyecek duruma düşerseniz tekrar bana iade edersiniz. Ben de bu işi gereği gibi yerine getiririm

3095Ibn AbbasSahih

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الضُّبَعِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ رضى الله عنهما

يَقُولُ قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا هَذَا الْحَىَّ مِنْ رَبِيعَةَ، بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ كُفَّارُ مُضَرَ، فَلَسْنَا نَصِلُ إِلَيْكَ إِلاَّ فِي الشَّهْرِ الْحَرَامِ، فَمُرْنَا بِأَمْرٍ نَأْخُذُ مِنْهُ وَنَدْعُو إِلَيْهِ مَنْ وَرَاءَنَا.

قَالَ: «آمُرُكُمْ بِأَرْبَعٍ، وَأَنْهَاكُمْ عَنْ أَرْبَعٍ، الإِيمَانِ بِاللَّهِ شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَعَقَدَ بِيَدِهِ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَصِيَامِ رَمَضَانَ، وَأَنْ تُؤَدُّوا لِلَّهِ خُمُسَ مَا غَنِمْتُمْ، وَأَنْهَاكُمْ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالنَّقِيرِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ»

The delegates of the tribe of Abdul-Qais came and said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! We are from the tribe of Rabia, and there is the infidels of the tribe of Mudar intervening between you and us, so we cannot come to you except in the Sacred Months. So please order us some instructions that we may apply it to ourselves and also invite our people whom we left behind us to observe as well.”

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “I order you (to do) four (things) and forbid you (to do) four: I order you to believe in Allah, that is, to testify that None has the right to be worshipped but Allah (the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) pointed with his hand); to offer prayers perfectly; to pay Zakat; to fast the month of Ramadan, and to pay the Khumus (i.e. one-fifth) of the war booty to Allah and I forbid you to use Ad-dubba, An-Naqir, Al-Hantam and Al-Muzaffat (i.e. utensils used for preparing alcoholic drinks).”

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা রাবী‘আ গোত্রের একটি উপদল। আপনার ও আমাদের মাঝে মুযার (কাফির) গোত্রের বসবাস। তাই আমরা আপনার নিকট নিষিদ্ধ মাসসমূহ ব্যতীত অন্য সময় আসতে পারি না।

কাজেই আপনি আমাদের এমন কাজে আদেশ করুন, যার উপর আমরা ‘আমল করব এবং আমাদের পশ্চাতে যারা রয়ে গেছে, তাদেরকেও তা ‘আমল করতে আহবান জানাব। তিনি (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের আদেশ করছি এবং চারটি কাজ হতে নিষেধ করছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের অঙ্গুলিতে তা গণনা করে বলেন, আল্লাহ তা‘আলার প্রতি ঈমান আন।

আর তা হচ্ছে এ সাক্ষ্যদান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই আর সালাত প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত দান করা, রমাযান মাসে সিয়াম পালন করা এবং আল্লাহর জন্য গনীমাত লদ্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ আদায় করা১। আর আমি তোমাদের শুকনো লাউয়ের খোলে তৈরি পাত্র, খেজুর গাছের মূল দ্বারা তৈরি পাত্র, সবুজ মটকা, আলকাতরার প্রলেপ দেয়া মটকা ব্যবহার করতে নিষেধ করছি। (৫৩)

ہم سے ابونعمان نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ‘ ان سے ابوحمزہ ضبعی نے بیان کیا ‘ انہوں نے ابن عباس رضی اللہ عنہما سے سنا ‘ وہ بیان کرتے تھے کہ قبیلہ عبدالقیس کا وفد ( دربار رسالت میں ) حاضر ہوا اور عرض کی یا رسول اللہ! ہمارا تعلق قبیلہ ربیعہ سے ہے اور قبیلہ مضر کے کفار ہمارے اور آپ کے بیچ میں بستے ہیں۔

( اس لیے ان کے خطرے کی وجہ سے ہم لوگ ) آپ کی خدمت میں صرف ادب والے مہینوں میں حاضر ہو سکتے ہیں۔ آپ ہمیں کوئی ایسا واضح حکم فرما دیں جس پر ہم خود بھی مضبوطی سے قائم رہیں اور جو لوگ ہمارے ساتھ نہیں آ سکے ہیں انہیں بھی بتا دیں۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا میں تمہیں چار چیزوں کا حکم دیتا ہوں اور چار چیزوں سے روکتا ہوں ( میں تمہیں حکم دیتا ہوں ) اللہ پر ایمان لانے کا کہ اللہ کے سوا اور کوئی معبود نہیں اور آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنے ہاتھ کو گرہ لگائی ‘ نماز قائم کرنے کا ‘ زکوٰۃ دینے کا ‘ رمضان کے روزے رکھنے کا ‘ اور اس بات کا کہ جو کچھ بھی تمہیں غنیمت کا مال ملے۔

اس میں پانچواں حصہ ( خمس ) اللہ کے لیے نکال دو اور تمہیں میں دبا ‘ نقیر ‘ حنتم اور مزفت کے استعمال سے روکتا ہوں۔

Telah bercerita kepada kami [Abu an-Nu'man] telah bercerita kepada kami [Hammad] dari [Abu Hamzah adl-Dluba'iiy] berkata aku mendengar [Ibnu 'Abbas radliallahu 'anhuma] berkata; Telah datang utusan 'Abdul Qois lalu berkata; "Wahai Rasulullah, dalam kehidupan kami ini, antara kami dan Baginda ada orang-orang kafir suku Mudlar, yang kami tidak dapat melakukan kontak hubungan bersama Baginda kecuali pada saat bulan-bulan Haram.

Maka berilah kami suatu perintah yang kami ambil sebagai pegangan, yang dengannya kami mengajak orang-orang di belakang kami". Maka Beliau bersabda: "Aku perintahkan kalian dengan empat hal dan aku larang kalian dari empat hal pula. (Yang pertama) aku perintahkan kalian untuk beriman kepada Allah dengan bersyahadat laa ilaaha illallah.

Beliau mengepalkan tangan Beliau,. mendirikan shalat, menunaikan zakat, shaum di bulan Ramadlan dan agar kalian menerapkan ketentuan seperlima untuk Allah dari harta ghanimah yang kalian dapat. Dan aku larang kalian dari duba', hantam, naqir, dan muzaffat

İbn Abbas r.a.'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Abdülkays heyeti bir defasında Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in huzuruna geldi ve şunları söyledi: "Ey Allah'ın Resulü, biz Rebia oğullarından bir grubuz. Bizimle sizin aranızda Mudar müşrikleri bulunuyor. Bu yüzden yanınıza sadece haram aylarda gelebiliyoruz. Bize yapacağımız ve halkımızı çağıracağımız emirler verirseniz bunları yerine getiririz."

Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de şöyle buyurdu: "Ben size dört görevi emrediyorum, dört şeyi de yasaklıyorum. Emrettiklerim şunlardır: En başta Allah'a iman edip, Allah'tan başka ilah olmadığına şehadet edeceksiniz. -Bu sırada Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ellerini birleştirdi ve devam etti- Namazı kılacaksınız, zekat, vereceksiniz, Ramazan ayında oruç tutacaksınız ve ganimet olarak ele geçirdiğiniz malların beşte birini Allah için vereceksiniz.

Yasakladığım şeyler ise: Dubba, nakfr, hantem ve müzeffettir. 3. RESULULLAH S.A.V.'İN VEFATINDAN SONRA EŞLERİNİN NAFAKASININ KARŞıLANMASI

3096Abu HurayrahSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله عنه

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَقْتَسِمُ وَرَثَتِي دِينَارًا، مَا تَرَكْتُ بَعْدَ نَفَقَةِ نِسَائِي وَمَئُونَةِ عَامِلِي فَهْوَ صَدَقَةٌ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “My heirs should not take even a single Dinar (i.e. anything from my property), and whatever I leave, excluding the expenditure of my wives and my laborers, will be Sadaqa (i.e. be used for charity).”

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উত্তরাধিকারীগণ একটি দ্বীনারও ভাগ বণ্টন করে নিবে না। আমি যা রেখে যাব, তা হতে আমার স্ত্রীগণের খরচাদি ও আমার কর্মচারীদের ব্যয় নির্বাহের পর বাকী যা থাকবে, তা সদাকাহরূপে গণ্য হবে।’ (২৭৭৬)

ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو امام مالک بن انس نے بیان کیا ‘ انہیں ابوالزناد نے بیان کیا ‘ انہیں اعرج نے اور انہیں ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو امام مالک بن انس نے بیان کیا ‘ انہیں ابوالزناد نے بیان کیا ‘ انہیں اعرج نے اور انہیں ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Yusuf] telah mengabarkan kepada kami [Malik] dari [Abu Az Zanad] dari [Al A'roj] dari [Abu Hurairah Radliallahu 'anhu] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Janganlah warisanku dibagi-bagi sebagai dinar. Apa yang aku tinggalkan selain untuk nafkah istri-istriku dan gaji amil zakatku semuanya sebagai shadaqah

3097Aishah bint Abi BakrSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ

قَالَتْ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا فِي بَيْتِي مِنْ شَىْءٍ يَأْكُلُهُ ذُو كَبِدٍ، إِلاَّ شَطْرُ شَعِيرٍ فِي رَفٍّ لِي، فَأَكَلْتُ مِنْهُ حَتَّى طَالَ عَلَىَّ، فَكِلْتُهُ فَفَنِيَ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) died, and there was nothing in my house that a living being could eat, except some barley Lying on a shelf. So, I ate of it for a long period and measured it, and (after a short period) it was consumed.

‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হল, তখন আমার ঘরে এমন কোন বস্তু ছিল না, যা খেয়ে কোন প্রাণী বাঁচতে পারে। শুধুমাত্র তাকের উপর আধা ওয়াসাক আটা পড়ে ছিল। আমি তা হতে খেতে থাকলাম এবং বেশ কিছুকাল কেটে গেল। অতঃপর আমি তা মেপে দেখলাম, ফলে তা শেষ হয়ে গেল।’ (৬৪৫১) (মুসলিম ৫৩ হাঃ ২৯৭৩)

ہم سے عبداللہ بن ابی شیبہ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابواسامہ نے ‘ کہا ہم سے ہشام بن عروہ نے ‘ ان سے ان کے والد نے بیان کیا ‘ ان سے عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات ہوئی تو میرے گھر میں آدھے وسق جو کے سوا جو ایک طاق میں رکھے ہوئے تھے اور کوئی چیز ایسی نہیں تھی جو کسی جگر والے ( جاندار ) کی خوراک بن سکتی۔

میں اسی میں سے کھاتی رہی اور بہت دن گزر گئے۔ پھر میں نے اس میں سے ناپ کر نکالنا شروع کیا تو وہ جلدی ختم ہو گئے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Abi Syaibah] telah bercerita kepada kami [Abu Usamah] telah bercerita kepada kami [Hisyam] dari [bapaknya] dari ['Aisyah radliallahu 'anhu] berkata; "(Ketika) Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam wafat tidak ada sesuatupun di rumahku yang dapat dimakan oleh makhluq yang punya nyawa (manusia atau hewan) kecuali sedikit gandum yang ada pada Rak makanan milikku, lalu aku memakannya sebagian hingga beberapa lama kemudian aku timbang lalu rusak (habis)

Aişe r.anha'nın şöyle dediği nakledilmiştir: "Resuluııah Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat ettiğinde benim evimde bir kap içerisindeki küçük bir miktar arpa dışmda canlılar için yiyecek hiçbir şey yoktu. Ben bu arpayı çok uzun bir süre yediğim halde bitiremedim. Sonra bir ara kalan arpayı tarttım. Bunun üzerinden çok fazla geçmeden arpa tükendi

3098Amr ibn al-HarithSahih

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الْحَارِثِ

قَالَ: مَا تَرَكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلاَّ سِلَاحَهُ وَبَغْلَتَهُ الْبَيْضَاءَ، وَأَرْضًا تَرَكَهَا صَدَقَةً

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) did not leave anything (after his death) except his arms, a white mule, and a (piece of) land which he had given as Sadaqa.

‘আমর ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুদ্ধাস্ত্র, সাদা খচ্চর ও কিছু যমীন ছাড়া কিছুই রেখে যাননি এবং তাও তিনি সদাকাহ হিসেবে রেখে গেছেন।’ (২৭৩৯)

ہم سے مسدد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے یحییٰ قطان نے بیان کیا ‘ ان سے سفیان ثوری نے ‘ کہا کہ مجھ سے ابواسحاق نے بیان کیا ‘ کہا کہ میں نے عمرو بن حارث سے سنا ‘ وہ کہتے تھے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ( اپنی وفات کے بعد ) اپنے ہتھیار ‘ ایک سفید خچر ‘ اور ایک زمین جسے آپ خود صدقہ کر گئے تھے ‘ کے سوا اور کوئی ترکہ نہیں چھوڑا تھا۔

Telah bercerita kepada kami [Musaddad] telah bercerita kepada kami [Yahya] dari [Sufyan] berkata telah bercerita kepadaku [Abu Ishaq] berkata aku mendengar ['Amru binAl Harits] berkata; "Tidaklah Nabi Shallallahu'alaihiwasallam meninggalkan sesuatu (saat wafat) kecuali sebilah pedang Beliau, baghal yang berwarna putih dan sebidang tanah yang Beliau jadikan sebagai shadaqah

Amr İbnü'l-Haris şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat ettiğinde silahı, beyaz katırı ve sadaka olarak bıraktığı arazisi dışında hiçbir mal bırakmadı

3099Aishah bint Abi BakrSahih

حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، وَمُحَمَّدٌ، قَالَا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، وَيُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ عَائِشَةَ رضى الله عنها زَوْجَ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ لَمَّا ثَقُلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَأْذَنَ أَزْوَاجَهُ أَنْ يُمَرَّضَ فِي بَيْتِي فَأَذِنَّ لَهُ

(the wife of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) When the sickness of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) got aggravated, he asked the permission of his wives that he should be treated in my house, and they permitted him.

‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাস‘ঊদ হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, ‘রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ যখন অতি মাত্রায় বেড়ে গেল তখন তিনি আমার ঘরে অবস্থান করে রোগের সেবা শুশ্রুষার ব্যাপারে তাঁর অপর স্ত্রীগণের নিকট অনুমতি চান। তাঁকে অনুমতি হয়।’ (১৯৮)

ہم سے حبان بن موسیٰ اور محمد بن مقاتل نے بیان کیا ‘ کہا کہ ہمیں عبداللہ بن مبارک نے خبر دی ‘ کہا ہم کو معمر اور یونس نے خبر دی ‘ ان سے زہری نے بیان کیا ‘ انہیں عبیداللہ بن عبداللہ بن عتبہ بن مسعود نے خبر دی کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ ( مرض الوفات میں ) جب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کا مرض بہت بڑھ گیا ‘ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے سب بیویوں سے اس کی اجازت چاہی کہ مرض کے دن آپ میرے گھر میں گزاریں۔ لہٰذا اس کی اجازت آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو مل گئی تھی۔

Telah bercerita kepada kami [Hibban bin Musa] dan [Muhammad] keduanya berkata telah mengabarkan kepada kami ['Abdullah] telah mengabarkan kepada kami [Ma'mar] dan [Yunus] dari [Az Zuhriy] berkata telah mengabarkan kepadaku ['Ubaidullah bin 'Abdullah bin 'Uqbah bin Mas'ud] bahwa ['Aisyah radliallahu 'anhu], istri Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berkata; "Ketika sakit Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam semakin parah, Beliau meminta izin kepada istri-istri Beliau agar dirawat di rumahku, maka Beliau diizinkan

Nebi Efendimizin eşi Hz. Aişe şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in hastalığı iyice ağırlaşınca diğer eşlerinden benim evimde kalmak için izin istedi. Onlar da izin verdiler

3100Ibn Abi MulaykahSahih

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي مُلَيْكَةَ

قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَيْتِي، وَفِي نَوْبَتِي، وَبَيْنَ سَحْرِي وَنَحْرِي، وَجَمَعَ اللَّهُ بَيْنَ رِيقِي وَرِيقِهِ. قَالَتْ دَخَلَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بِسِوَاكٍ، فَضَعُفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهُ، فَأَخَذْتُهُ فَمَضَغْتُهُ ثُمَّ سَنَنْتُهُ بِهِ

Aishah said, “The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) died in my house on the day of my turn while he was leaning on my chest closer to my neck, and Allah made my saliva mix with his Saliva.” Aishah added, “‘AbdurRahman came with a Siwak and the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) was too weak to use it so I took it, chewed it and then (gave it to him and he) cleaned his teeth with it.’”

‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার ঘরে আমার পালার দিন আমার কন্ঠ ও বুকের মধ্য বরাবর মাথা রাখা অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ও আমার মুখের লালাকে একত্রিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আবদুর রাহমান (রাঃ) একটি মিস্ওয়াক নিয়ে প্রবেশ করেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা চিবাতে অক্ষম হন। তখন আমি সে মিসওয়াকটি নিয়ে চিবিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাঁত মেজে দেই। (৮৯০) (মুসলিম ৪৪/১৫ হাঃ ২৪৪৯, আহমাদ ১৮৯৪৮)

ہم سے سعید بن ابی مریم نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے نافع نے بیان کیا ‘ کہا کہ میں نے ابن ابی ملیکہ سے سنا۔ انہوں نے بیان کیا کہ عائشہ رضی اللہ عنہا نے کہا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے میرے گھر ‘ میری باری کے دن ‘ میرے حلق اور سینے کے درمیان ٹیک لگائے ہوئے وفات پائی ‘ اللہ تعالیٰ نے ( وفات کے وقت ) میرے تھوک اور نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے تھوک کو ایک ساتھ جمع کر دیا تھا ‘ بیان کیا ( وہ اس طرح کہ ) عبدالرحمٰن رضی اللہ عنہ ( عائشہ رضی اللہ عنہا کے بھائی ) مسواک لیے ہوئے اندر آئے۔

آپ صلی اللہ علیہ وسلم اسے چبا نہ سکے۔ اس لیے میں نے اسے اپنے ہاتھ میں لے لیا اور میں نے اسے چبانے کے بعد وہ مسواک آپ کے دانتوں پر ملی۔

Telah bercerita kepada kami [Ibu Abi Maram] telah bercerita kepada kami [Nafi'] aku mendengar [Ibnu Abi Mulaikah] berkata, ['Aisyah radliallahu 'anhu] berkata; "Nabi Shallallahu'alaihiwasallam wafat di rumahku saat giliran malamku dan Beliau berbaring diantara dadaku bagian atas dan bawah sehingga Allah menyatukan antara air ludahku dan air ludah Beliau".

Dia ('Aisyah radliallahu 'anhu) melanjutkan; "'Abdur Rahman masuk dengan memegang siwak maka siwak itu dibagi dua oleh Nabi Shallallahu'alaihiwasallam lalu aku ambil dan aku kunyah (untuk melembutkan) kemudian aku gunakan untuk membersihkan gigi Beliau dengan siwak tersebut

Hz. Aişe şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem benim evimde, eşlerinde kalma sırası bende iken ve benim kucağımda vefat etti. Hatta Allah Teala benim tükürüğümü onun tükürüğü ile birleştirdi. O sırada Abdurrahman elinde bir misvakla içeri girmişti. Resul- i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem misvağı almak istiyordu fakat rahatsız olduğu için buna gücü yetmedi.

Ben de misvağı alıp çiğnedim ve yumuşattıktan sonra Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in dişlerini misvakla temizledim." not: (Ayrıca bkz. Kitabü'l-meğazi, Bab)

3101SafiyaSahih

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، أَنَّ صَفِيَّةَ، زَوْجَ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَزُورُهُ، وَهْوَ مُعْتَكِفٌ فِي الْمَسْجِدِ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ ثُمَّ قَامَتْ تَنْقَلِبُ فَقَامَ مَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى إِذَا بَلَغَ قَرِيبًا مِنْ باب الْمَسْجِدِ عِنْدَ باب أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِهِمَا رَجُلَانِ مِنَ الأَنْصَارِ،

فَسَلَّمَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ نَفَذَا فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلَى رِسْلِكُمَا».

قَالَا سُبْحَانَ اللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ. وَكَبُرَ عَلَيْهِمَا ذَلِكَ. فَقَالَ: «إِنَّ الشَّيْطَانَ يَبْلُغُ مِنَ الإِنْسَانِ مَبْلَغَ الدَّمِ، وَإِنِّي خَشِيتُ أَنْ يَقْذِفَ فِي قُلُوبِكُمَا شَيْئًا»

(the wife of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) That she came to visit the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) while he was in Itikaf (i.e. seclusion in the Mosque during the last ten days of Ramadan). When she got up to return, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) got up with her and accompanied her, and when he reached near the gate of the Mosque close to the door (of the house) of Umm Salamah, the wife of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), two Ansari men passed by them and greeted the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and then went away.

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) addressed them saying, “Don’t hurry! (She is my wife),” They said, “Glorified be Allah! O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) (You are far away from any suspicion),” and his saying was hard on them.

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Satan circulates in the mind of a person as blood does (in his body). I was afraid that Satan might put some (evil) thoughts in your minds.”

‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য আসেন। তখন তিনি রমাযানের শেষ দশকে মসজিদে ই‘তিকাফ অবস্থায় ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি ফিরে যাবার জন্য উঠে দাঁড়ান, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন।

যখন তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর দরজার নিকটবর্তী মসজিদের দরজার নিকট পৌঁছলেন তখন দু’জন আনসার তাঁদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, একটু থাম, (এ মহিলা আমার স্ত্রী তারা বলল, সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ রকম বলাটা তাদের নিকট কষ্টদায়ক মনে হল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘শয়তান মানুষের রক্ত কণিকার মত সর্বত্র বিচরণ করে। আমি আশঙ্কা করেছিলাম, না জানি সে তোমাদের মনে কোন সন্দেহ জাগ্রত করে দেয়।’ (২০৩৫)

ہم سے سعید بن عفیر نے بیان کیا ‘ کہا کہ مجھ سے لیث بن سعد نے بیان کیا ‘ کہا کہ مجھ سے عبدالرحمٰن بن خالد نے بیان کیا ‘ ان سے ابن شہاب نے ‘ ان سے علی بن حسین زین العابدین نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ صفیہ رضی اللہ عنہا نے انہیں خبر دی کہ وہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں ملنے کے لیے حاضر ہوئیں۔

نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم رمضان کے آخری عشرہ کا مسجد میں اعتکاف کئے ہوئے تھے۔ پھر وہ واپس ہونے کے لیے اٹھیں تو نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم بھی ان کے ساتھ اٹھے۔ جب آپ صلی اللہ علیہ وسلم اپنی زوجہ مطہرہ ام سلمہ رضی اللہ عنہا کے دروازہ کے قریب پہنچے جو مسجد نبوی کے دروازے سے ملا ہوا تھا تو دو انصاری صحابی ( اسید بن حضیر رضی اللہ عنہ اور عباد بن بشر رضی اللہ عنہ ) وہاں سے گزرے۔

اور آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو انہوں نے سلام کیا اور آگے بڑھنے لگے۔ لیکن آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان سے فرمایا ‘ ذرا ٹھہر جاؤ ( میرے ساتھ میری بیوی صفیہ رضی اللہ عنہا ہیں یعنی کوئی دوسرا نہیں ) ان دونوں نے عرض کیا۔ سبحان اللہ ‘ یا رسول اللہ! ان حضرات پر آپ کا یہ فرمانا بڑا شاق گزرا۔

آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس پر فرمایا کہ شیطان انسان کے اندر اس طرح دوڑتا رہتا ہے جیسے جسم میں خون دوڑتا ہے۔ مجھے یہی خطرہ ہوا کہ کہیں تمہارے دلوں میں بھی کوئی وسوسہ پیدا نہ ہو جائے۔

Telah bercerita kepada kami [Sa'id bin 'Uqair] berkata telah bercerita kepadaku [Al Laits] berkata telah bercerita kepadaku ['Abdur Rahman bin Khalid] dari [Ibnu Syihab] dari ['Ali bin Husain] bahwa [Shafiyah, istri Nabi Shallallahu'alaihiwasallam] mengabarkan kepadanya bahwa dia pernah menemui Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam saat Beliau sedang berbaring di dalam masjid pada sepuluh hari terakhir bulan Ramadlan.

Setelah itu dia berdiri untuk kembali maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam ikut pergi bersamanya hingga ketika sampai sedikit di luar pintu masjid dan dekat rumah Ummu Salamah, istri Nabi Shallallahu'alaihiwasallam, ada dua orang laki-laki Kaum Anshar yang lewat lalu keduanya memberi salam kepada Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam kemudian bergegas pergi.

Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berkata kepada keduanya: "Sebentar (perempuan ini isteriku)!". Kedua orang itu berkata; "Maha suci Allah, wahai Rasulullah". Kedua orang itu pun merasa segan terhadap ucapan beliau.

Maka kemudian Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Sesungguhnya syetan masuk kepsda manusia lewat aliran darah dan aku khawatir bila syetan telah membisikkan sesuatu dalam hati kalian berdua

<Nebi s.a.v.'in eşlerinden Safiyye başından geçen bir olayı şöyle anlatıyor: "Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem Ramazan ayının son on günü mescitte itikafta iken ziyaretine gitmiştim. Sonra kalktım ve dönmek üzere yürüdüm. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem de benimle birlikte mescidin kapısına yakın bir yere kadar geldi.

Bu kapı Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in eşlerinden Ümmü Seleme'ye ait evin kapısına bakıyordu. Bu sırada oradan Ensar>dan iki kişi geçiyordu. Onlar Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e selam verip adımlarını hızlandırdılar. Bunun üzerine Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Acele etmeyin !

Bu benim eşim Safiyye'dir" buyurdu. Onlara bu ağır geldi üzüntü ve şaşkınlıkla: "Sübhanallah, Ey Allah'ın Resulü!?" dediler. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem de şöyle buyurdu: "Şeytan insanın bedenindeki kan gibi onun içinde dolaşır. Ben onun sizin kalplerinize bir şüphe bırakmasından korktum

3102Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنْ وَاسِعِ بْنِ حَبَّانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما

قَالَ ارْتَقَيْتُ فَوْقَ بَيْتِ حَفْصَةَ، فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْضِي حَاجَتَهُ، مُسْتَدْبِرَ الْقِبْلَةِ، مُسْتَقْبِلَ الشَّأْمِ

Once I went upstairs in Hafsah’s house and saw the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) answering the call of nature with his back towards the Qibla and facing Sham.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরের উপর আরোহণ করি। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিবলাকে পেছন দিকে রেখে সিরিয়া মুখী হয়ে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে নিতে দেখলাম। (১৪৫)

ہم سے ابراہیم بن المنذر نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے انس بن عیاض نے بیان کیا ‘ ان سے عبیداللہ عمری نے ‘ ان سے محمد بن یحییٰ بن حبان نے ‘ ان سے واسع بن حبان نے اور ان سے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ میں ( ام المؤمنین ) حفصہ رضی اللہ عنہا کے گھر کے اوپر چڑھا ‘ تو دیکھا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم قضائے حاجت کر رہے تھے۔

آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی پیٹھ قبلہ کی طرف تھی اور چہرہ مبارک شام کی طرف تھا۔

Telah bercerita kepada kami [Ibrahim bin Al Mundzir] telah bercerita kepada kami [Anas bin 'Iyadl] dari ['Ubaidullah] dari [Muhammad bin Yahya bin Habban] dari [Wasi' bin Habban] dari ['Abdullah bin 'Umar radliallahu 'anhuma] berkata; "Aku memanjat ke atas rumah Hafshah maka aku lihat Nabi Shallallahu'alaihiwasallam sedang membuang hajat dengan membelakangi qiblat dan menghadap ke arah negeri Syam

Abdullah İbn Ömer r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Ben bir defasında (ablam) Hafsa'nın evine çıkmıştım. Bu sırada Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in arkasını kıbleye, önünü de Şam tarafına dönmüş bir şekilde hacetini giderdiğini gördüm

3103Aishah bint Abi BakrSahih

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَائِشَةَ رضى الله عنها

قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ لَمْ تَخْرُجْ مِنْ حُجْرَتِهَا

That the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to offer the Asr prayer while the sun was still shining in her Hujra (i.e. her dwelling place).

‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসরের সালাত তখন আদায় করতেন, যখন সূর্যের আলো তার আঙ্গিণা থেকে বাহির হয়ে যায়নি। (৫২২)

ہم سے ابراہیم بن المنذر نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے انس بن عیاض نے بیان کیا ‘ ان سے ہشام نے بیان کیا ‘ ان سے ان کے باپ نے بیان کیا ‘ اور ان سے عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم جب عصر کی نماز پڑھتے تو دھوپ ابھی ان کے حجرے میں باقی رہتی تھی۔

Telah bercerita kepada kami [Ibrahim bin Al Mundzir] telah bercerita kepada kami [Anas bin 'Iyadl] dari [Hisyam] dari [bapaknya] bahwa ['Aisyah radliallahu 'anhu] berkata; "Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam pernah melaksanakan shalat 'Ashar sementara matahari (cahayanya) belum berlalu dari kamarnya (rumah 'Aisyah radliallahu 'anhu)

Aişe r.anha şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ikindi namazını kıldırdığında güneş hala benim odama vuruyor olurdu

3104Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله عنه

قَالَ قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطِيبًا فَأَشَارَ نَحْوَ مَسْكَنِ عَائِشَةَ فَقَالَ: «هُنَا الْفِتْنَةُ ثَلَاثًا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) stood up and delivered a sermon, and pointing to Aishah’s house (i.e. eastwards), he said thrice, “Affliction (will appear from) here,” and, “from where the side of the Satan’s head comes out (i.e. from the East).”

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুত্বা দিতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরের দিকে ইশারা করে তিনবার বললেন, এ দিক থেকেই ফিতনা, যে দিক হতে সূর্য উদয়ের কালে শয়তান দাঁড়িয়ে থাকে। (৩২৭৯, ৩৫১১, ৫২৯৬, ৭০৯২, ৭০৯৩)

ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے جویریہ نے بیان کیا ‘ ان سے نافع نے اور ان سے عبداللہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے خطبہ دیتے ہوئے عائشہ رضی اللہ عنہا کے حجرہ کی طرف اشارہ کیا اور فرمایا کہ اسی طرف سے ( یعنی مشرق کی طرف سے ) فتنے برپا ہوں گے ‘ تین مرتبہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اسی طرح فرمایا کہ یہیں سے شیطان کا سر نمودار ہو گا۔

Telah bercerita kepada kami [Musa bin Isma'il] telah bercerita kepada kami [Juwairiyah] dari [Nafi'] dari ['Abdullah radliallahu 'anhu] berkata; Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berdiri menyampaikan khutbah kepada kami lalu memberi isyarat ke arah tempat tinggal 'Aisyah seraya bersabda: "Disana ada fitnah, sebanyak tiga kali, Disanalah tempat munculnya tanduk syetan

Abdullah İbn Ömer r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bir defasında ayağa kalkıp hitap ederken Hz. Aişe'nin evinin bulunduğu tarafa işaret ederek üç defa şöyle buyurdu: "Fitne işte oralardan, şeytanın taraftarlarının doğduğu yerden ortaya çıkacak. " Tekrar:

3105Amra bint Abdur-RahmanSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَمْرَةَ ابْنَةِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَتْهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عِنْدَهَا، وَأَنَّهَا سَمِعَتْ صَوْتَ إِنْسَانٍ يَسْتَأْذِنُ فِي بَيْتِ حَفْصَةَ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا رَجُلٌ يَسْتَأْذِنُ فِي بَيْتِكَ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُرَاهُ فُلَانًا، لِعَمِّ حَفْصَةَ مِنَ الرَّضَاعَةِ، الرَّضَاعَةُ تُحَرِّمُ مَا تُحَرِّمُ الْوِلَادَةُ»

Aishah, the wife of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) told her that once the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) was with her and she heard somebody asking permission to enter Hafsah’s house.

She said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! This man is asking permission to enter your house.” The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) replied, “I think he is so-and-so (meaning the foster uncle of Hafsah). What is rendered illegal because of blood relations, is also rendered illegal because of the corresponding foster-relations.”

‘আমরাহ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর নিকট ছিলেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে।

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ ব্যক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার মনে হয়, সে অমুক, হাফসাহ (রাঃ)-এর দুধ চাচা। দুধপান তা-ই হারাম করে, যা জন্মগত সম্পর্ক হারাম করে। (২৬৪৪)

ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو امام مالک بن انس نے خبر دی ‘ انہیں عبداللہ بن ابی بکر نے ‘ انہیں عمرہ بنت عبدالرحمٰن نے اور انہیں عائشہ رضی اللہ عنہا نے خبر دی کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم ان کے گھر میں موجود تھے۔ اچانک انہوں نے سنا کہ کوئی صاحب حفصہ رضی اللہ عنہا کے گھر میں اندر آنے کی اجازت مانگ رہے ہیں۔

( عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ ) میں نے عرض کیا: یا رسول اللہ! آپ دیکھتے نہیں، یہ شخص گھر میں جانے کی اجازت مانگ رہا ہے۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس پر فرمایا کہ میرا خیال ہے یہ فلاں صاحب ہیں، حفصہ رضی اللہ عنہا کے رضاعی چچا! رضاعت بھی ان تمام چیزوں کو حرام کر دیتی ہے جنہیں ولادت حرام کرتی ہے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Yusuf] telah mengabarkan kepada kami [Malik] dari ['Abdullah bin Abu Bakr] dari ['Amrah, putri 'Abdur Rahman] bahwa ['Aisyah radliallahu 'anhu, istri Nabi Shallallahu'alaihiwasallam] mengabarkan kepadanya bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam pernah bersamanya (di rumah 'Aisyah) lalu dia mendengar suara manusia meminta izin masuk di rumah Hafshah lalu aku katakan; "Wahai Rasulullah, itu ada laki-laki minta izin masuk di rumah baginda!".

Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Aku kira dia itu pamannya Hafshah secara susuan. Ingat, sepersusuan itu melarang segala hal yang terlarang karena serahim

Amre binti Abdurrahman'dan nakledilmiştir: "Hz. Aişe bana şunları anlattı: Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem benim yanımda bulunuyordu. Bu sırada birisinin Hz. Hafsa'nın evine girmek üzere izin istediğini duydum. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e: "Ey Allah'ın Resulü, birisi senin evine girmek için izin istiyor" dedim. O s.a.v.

de şöyle buyurdu: "Gördüğüm kadarıyla o, Hafsa'nın süt amcasıdır. Doğum / kan bağı dolayısıyla haram olanlar süt emme dolayısıyla da haram olurlar." Bu rivayetle ilgili ayrıntılı açıklama Kitabü'r-rada' bölümünde yapılacaktır. İNŞAALLAH

3106Abu Bakr Bathah Fi al-Hajjah at-TiSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ رضى الله عنه

لَمَّا اسْتُخْلِفَ بَعَثَهُ إِلَى الْبَحْرَيْنِ، وَكَتَبَ لَهُ هَذَا الْكِتَابَ وَخَتَمَهُ، وَكَانَ نَقْشُ الْخَاتَمِ ثَلَاثَةَ أَسْطُرٍ مُحَمَّدٌ سَطْرٌ، وَرَسُولُ سَطْرٌ، وَاللَّهِ سَطْرٌ

That when Abu Bakr became the Caliph, he sent him to Bahrain and wrote this letter for him, and stamped it with the Ring of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam). Three lines were engraved on the Ring, (the word) ‘Muhammad’ was in a line, ‘Messenger’ was in another line, and ‘Allah’ in a third.

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। যখন আবূ বাকর (রাঃ) খলীফা হন, তখন তিনি তাঁকে বাহরাইনে প্রেরণ করেন এবং তাঁর এ বিষয়ে একটি নিয়োগপত্র লিখে দেন। আর তাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মোহর দ্বারা সীলমোহর করে দেন। উক্ত মোহরে তিনটি লাইন খোদিত ছিল। এক লাইনে মুহাম্মদ, এক লাইনে রাসূল ও এক লাইনে আল্লাহ। (১৪৪৮)

ہم سے محمد بن عبداللہ انصاری نے بیان کیا ‘ کہا کہ مجھ سے میرے والد عبداللہ نے بیان کیا ‘ ان سے ثمامہ نے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے کہ جب ابوبکر رضی اللہ عنہ خلیفہ ہوئے تو انہوں نے ان کو ( یعنی انس رضی اللہ عنہ کو ) بحرین ( عامل بنا کر ) بھیجا اور ایک پروانہ لکھ کر ان کو دیا اور اس پر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی انگوٹھی کی مہر لگائی، مہر مبارک پر تین سطریں کندہ تھیں ‘ ایک سطر میں ”محمد“ دوسری میں ”رسول“ تیسری میں ”اللہ“ کندہ تھا۔

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin 'Abdullah Al Anshariy] berkata telah bercerita kepadaku [bapakku] dari [Tsumamah] dari [Anas] bahwa Abu Bakr radliallahu 'anhu ketika diangkat menjadi kholifah, dia mengutus dirinya ke negeri Bahrain dan menulis surat untuknya surat ini dan memberi stempel kenabian Nabi Shallallahu'alaihiwasallam. Pada stempel tersebut ada tiga tulisan, yaitu tulisan Muhammad, Rasul dan Allah

Enes İbn Malik r.a.'den nakledilmiştir: "Hz. Ebu Bekir halifeliğe getirilince beni Bahreyn'e göndermişti. Gönderirken de benim için bir belge yazmış ve bu belgeyi Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yüzüğü ile mühürlemişti. Bu yüzüğün üzerinde üç satır vardı: Bir satırda Muhammed, birinde Resul ve diğerinde de Allah yazıyordu

3107Isa ibn TahmanSahih

حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَسَدِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ طَهْمَانَ

قَالَ أَخْرَجَ إِلَيْنَا أَنَسٌ نَعْلَيْنِ جَرْدَاوَيْنِ لَهُمَا قِبَالَانِ، فَحَدَّثَنِي ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ بَعْدُ عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُمَا نَعْلَا النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

Anas brought out to us two worn out leather shoes without hair and with pieces of leather straps. Later on Thabit Al-Bunani told me that Anas said that they were the shoes of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam).

‘ঈসা ইবনু তাহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) দু’টি পশমবিহীন পুরনো চপ্পল বের করলেন, যাতে দু’টি ফিতা লাগানো ছিল। সাবিত বুনানী (রহ.) পরে আনাস (রাঃ) হতে এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, এ দু’টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাদুকা ছিল। (৫৮৫৭, ৫৮৫৮)

مجھ سے عبداللہ بن محمد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے محمد بن عبداللہ اسدی نے بیان کیا ‘ ان سے عیسیٰ بن طہمان نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا کہ انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے ہمیں دو پرانے جوتے نکال کر دکھائے جن میں دو تسمے لگے ہوئے تھے ‘ اس کے بعد پھر ثابت بنانی نے مجھ سے انس رضی اللہ عنہ سے بیان کیا کہ وہ دونوں جوتے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے تھے۔

Telah bercerita kepadaku ['Abdullah bin Muhammad] telah bercerita kepada kami [Muhammad bin 'Abdullah Al Asadiy] telah bercerita kepada kami ['Isa bin Thahman] berkata; 'Anas pernah memperlihatkan kepada kami sepasang sandal yang terbuat bukan dari kulit yang memiliki tali di ujung depannya (untuk mengikat jari) ". Kemudian setelah itu [Tsabit Al Bunaniy] bercerita kepadaku dari [Anas] bahwa sandal itu adalah sandal Nabi Shallallahu'alaihiwasallam

İsa İbn Tahman'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Enes İbn Malik r.a. bir defasında bize eski püskü, iyice yıpranmış bir çift sandalet çıkarıp göstermişti. Daha sonra Sabit el-Bunani, Enes'ten naklederek söz konusu pabuçların Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e ait olduğunu bana söyledi." Tekrar:

3108Abu Burdah ibn Abi MusaSahih

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ

قَالَ أَخْرَجَتْ إِلَيْنَا عَائِشَةُ رضى الله عنها كِسَاءً مُلَبَّدًا وَقَالَتْ فِي هَذَا نُزِعَ رُوحُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. وَزَادَ سُلَيْمَانُ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ قَالَ أَخْرَجَتْ إِلَيْنَا عَائِشَةُ إِزَارًا غَلِيظًا مِمَّا يُصْنَعُ بِالْيَمَنِ، وَكِسَاءً مِنْ هَذِهِ الَّتِي يَدْعُونَهَا الْمُلَبَّدَةَ

Aishah brought out to us a patched woollen garment, and she said, “(It chanced that) the soul of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) was taken away while he was wearing this.” Abu-Burda added, “Aishah brought out to us a thick waist sheet like the ones made by the Yemenites, and also a garment of the type called Al-Mulabbada.”

আবূ বুরদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) একটি মোটা তালি বিশিষ্ট কম্বল বের করলেন আর বললেন, এ কম্বল জড়ানো অবস্থায়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয়েছে। আর সুলাইমান (রহ.) হুমাইদ (রহ.) সূত্রে আবূ বুরদাহ (রাঃ) হতে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ইয়ামানে তৈরি একটি মোটা তহবন্দ এবং একটি কম্বল যাকে তোমরা জোড়া লাগানো বলে থাক, আমাদের নিকট বের করলেন। (৫৮১৮)

مجھ سے محمد بن بشار نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے عبدالوہاب ثقفی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ایوب سختیانی نے بیان کیا ‘ ان سے حمید بن ہلال نے اور ان سے ابوبردہ بن ابوموسیٰ نے بیان کیا کہا عائشہ رضی اللہ عنہا نے ہمیں ایک پیوند لگی ہوئی چادر نکال کر دکھائی اور بتلایا کہ اسی کپڑے میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی روح قبض ہوئی تھی۔

اور سلیمان بن مغیرہ نے حمید سے بیان کیا ‘ انہوں نے ابوبردہ سے اتنا زیادہ بیان کیا کہ عائشہ رضی اللہ عنہا نے یمن کی بنی ہوئی ایک موٹی ازار ( تہمد ) اور ایک کمبل انہیں کمبلوں میں سے جن کو تم ملبہ ( اور موٹا پیوند دار کہتے ہو ) ہمیں نکال کر دکھائی۔

Telah bercerita kepadaku [Muhammad bin Basysyar] telah bercerita kepada kami ['Abdul Wahhab] telah bercerita kepada kami [Ayyub] dari [Humaid bin Hilal] dari [Abu Burdah] berkata; " ['Aisyah] radliallahu 'anhu mengeluarkan (memperlihatkan) kepada kami sepotong baju yang sudah lusuh lalu berkata; "Saat mengenakan baju inilah nyawa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam dicabut".

Dan [Sulaiman] menambahkan dari [Humaid] dari [Abu Burdah] berkata; " ['Aisyah] radliallahu 'anhu mengeluarkan (memperlihatkan) kepada kami selembar kain selimut yang tebal yang dibuat di negeri Yaman dan sepotong baju". Dari sinilah kami menyebutnya sebagai baju muballadah (yang sudah lusuh)

Ebu Bürde'nin şöyle dediği nakledilmiştir: "Bir defasında Hz. Aişe bize yünden dokunmuş yamalı bir elbise çıkarıp gösterdi ve: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat ettiğinde üzerinde bu elbise vardı" dedi. Ebu Bürde şöyle demiştir: "Hz. Aişe bize Yemen işi kalın dokunmuş bir iz ar ile yamalı bir elbise gösterdi." Tekrar:

3109Anas ibn MalikSahih

حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضى الله عنه

أَنَّ قَدَحَ، النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ انْكَسَرَ، فَاتَّخَذَ مَكَانَ الشَّعْبِ سِلْسِلَةً مِنْ فِضَّةٍ. قَالَ عَاصِمٌ رَأَيْتُ الْقَدَحَ وَشَرِبْتُ فِيهِ

When the cup of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) got broken, he fixed it with a silver wire at the crack. (The subnarrator, Asim said, “I saw the cup and drank (water) in it.”)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেয়ালা ভেঙ্গে যায়। তখন তিনি ভাঙ্গা জায়গায় রূপার পাত দিয়ে জোড়া লাগান। আসিম (রহ.) বলেন, আমি সে পেয়ালাটি দেখেছি এবং তাতে আমি পান করেছি। (৫৬৩৮)

ہم سے عبدان نے بیان کیا ‘ ان سے ابوحمزہ نے ‘ ان سے عاصم نے ‘ ان سے ابن سیرین نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کا پانی پینے کا پیالہ ٹوٹ گیا تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ٹوٹی ہوئی جگہوں کو چاندی کی زنجیروں سے جٖڑوا لیا۔ عاصم کہتے ہیں کہ میں نے وہ پیالہ دیکھا ہے۔ اور اس میں میں نے پانی بھی پیا ہے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdan] dari [Abu Hamzah] dari ['Ashim] dari [Ibnu Sirin] dari [Anas bin Malik radliallahu 'anhu] berkata; "Gelas milik Nabi Shallallahu'alaihiwasallam pecah lalu Beliau mengumpulkan dan mengikatnya dengan Rantai terbuat dari perak". 'Ashim berkata; "Aku melihat gelas tersebut lalu kupergunakan untuk minum

Enes İbn Malik r.a.'de bulunan Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e ait kadeh çatlamış ve o da çatlayan kısmı gümüş bir parça ile tamir etmişti. Asım el-Ahvel şöyle demiştir: "Ben bu kadehi gördüm ve bu kadehten su içtim

3110Ali ibn al-HusainSahih

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرْمِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ كَثِيرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ الدُّؤَلِيِّ، حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ حَدَّثَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ حُسَيْنٍ حَدَّثَهُ أَنَّهُمْ

حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ مِنْ عِنْدِ يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ مَقْتَلَ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ لَقِيَهُ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ فَقَالَ لَهُ هَلْ لَكَ إِلَىَّ مِنْ حَاجَةٍ تَأْمُرُنِي بِهَا فَقُلْتُ لَهُ لَا.

فَقَالَ لَهُ فَهَلْ أَنْتَ مُعْطِيَّ سَيْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يَغْلِبَكَ الْقَوْمُ عَلَيْهِ، وَايْمُ اللَّهِ، لَئِنْ أَعْطَيْتَنِيهِ لَا يُخْلَصُ إِلَيْهِمْ أَبَدًا حَتَّى تُبْلَغَ نَفْسِي، إِنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ خَطَبَ ابْنَةَ أَبِي جَهْلٍ عَلَى فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ النَّاسَ فِي ذَلِكَ عَلَى مِنْبَرِهِ هَذَا وَأَنَا يَوْمَئِذٍ مُحْتَلِمٌ فَقَالَ: «إِنَّ فَاطِمَةَ مِنِّي، …

وَأَنَا أَتَخَوَّفُ أَنْ تُفْتَنَ فِي دِينِهَا» ثُمَّ ذَكَرَ صِهْرًا لَهُ مِنْ بَنِي عَبْدِ شَمْسٍ، فَأَثْنَى عَلَيْهِ فِي مُصَاهَرَتِهِ إِيَّاهُ قَالَ: «حَدَّثَنِي فَصَدَقَنِي، وَوَعَدَنِي فَوَفَى لِي، وَإِنِّي لَسْتُ أُحَرِّمُ حَلَالاً وَلَا أُحِلُّ حَرَامًا، وَلَكِنْ وَاللَّهِ لَا تَجْتَمِعُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِنْتُ عَدُوِّ اللَّهِ أَبَدًا»

That when they reached Medina after returning from Yazid ibn Muawiyah after the martyrdom of Husain ibn Ali (may Allah bestow His Mercy upon him), Al-Miswar ibn Makhramah met him and said to him, “Do you have any need you may order me to satisfy?”

Ali said, “No.” Al-Miswar said, Will you give me the sword of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) for I am afraid that people may take it from you by force? By Allah, if you give it to me, they will never be able to take it till I die. When Ali ibn Abu Talib demanded the hand of the daughter of Abi Jahal to be his wife besides Fatima, I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) on his pulpit delivering a sermon in this connection before the people, and I had then attained my age of puberty. …

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Fatima is from me, and I am afraid she will be subjected to trials in her religion (because of jealousy).” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) then mentioned one of his son-in-law who was from the tribe of Abdi Shams, and he praised him as a good son-in-law, saying, “Whatever he said was the truth, and he promised me and fulfilled his promise.

I do not make a legal thing illegal, nor do I make an illegal thing legal, but by Allah, the daughter of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and the daughter of the enemy of Allah, (i.e. Abu Jahl) can never get together (as the wives of one man).”

‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তাঁরা ইয়াযীদ ইবনু মু'আবিয়াহর নিকট হতে হুসাইন (রাঃ)-এর শাহাদাতের পর মদিনা্য় আসলেন, তখন তাঁর সঙ্গে মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) মিলিত হলেন এবং বললেন, আপনার কি আমার নিকট কোন প্রয়োজন আছে? থাকলে বলুন।

তখন আমি তাঁকে বললাম, না। তখন মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তরবারীটি দিবেন? আমার আশঙ্কা হয়, লোকেরা আপনাকে কাবু করে তা ছিনিয়ে নিবে। আল্লাহর কসম! আপনি যদি আমাকে এটি দেন, তবে আমার জীবন থাকা অবধি কেউ আমার নিকট হতে তা নিতে পারবে না। একবার ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ফাতিমাহ (রাঃ) থাকা অবস্থায় আবূ জাহল কন্যাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেন। …

আমি তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর মিম্বারে দাঁড়িয়ে লোকদের এ খুত্বা দিতে শুনেছি, আর তখন আমি সাবালক। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ফাতিমা আমার হতেই। আমি আশঙ্কা করছি সে দ্বীনের ব্যাপারে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে পড়ে।’ অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানূ আবদে শামস গোত্রের এক জামাতার ব্যাপারে আলোচনা করেন।

তিনি তাঁর জামাতা সম্পর্কে প্রশংসা করেন এবং বলেন, সে আমার সঙ্গে যা বলেছে, তা সত্য বলেছে, আমার সঙ্গে যে ওয়াদা করেছে, তা পূরণ করেছে। আমি হালালকে হারামকারী নই এবং হারামকে হালালকারী নই। কিন্তু আল্লাহর কসম! আল্লাহর রাসূলের মেয়ে এবং আল্লাহর দুশমনের মেয়ে একত্র হতে পারে না। (মুসলিম ৪৪/১৫ হাঃ ২৪৪৯, আহমাদ ১৮৯৪৮)

ہم سے سعید بن محمد جرمی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے یعقوب بن ابراہیم نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے میرے والد نے بیان کیا ‘ ان سے ولید بن کثیر نے ‘ ان سے محمد بن عمرو بن حلحلہ ڈولی نے ‘ ان سے ابن شہاب نے ‘ ان سے علی بن حسین (زین العابدین رحمہ اللہ) نے بیان کیا کہ جب ہم سب حضرات حسین بن علی رضی اللہ عنہما کی شہادت کے بعد یزید بن معاویہ کے یہاں سے مدینہ منورہ تشریف لائے تو مسور بن مخرمہ رضی اللہ عنہ نے آپ سے ملاقات کی ‘ اور کہا اگر آپ کو کوئی ضرورت ہو تو مجھے حکم فرما دیجئیے۔

( زین العابدین نے بیان کیا کہ ) میں نے کہا ‘ مجھے کوئی ضرورت نہیں ہے۔ پھر مسور رضی اللہ عنہ نے کہا تو کیا آپ مجھے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی تلوار عنایت فرمائیں گے؟ کیونکہ مجھے خوف ہے کہ کچھ لوگ ( بنو امیہ ) اسے آپ سے نہ چھین لیں اور اللہ کی قسم! …

اگر وہ تلوار آپ مجھے عنایت فرما دیں تو کوئی شخص بھی جب تک میری جان باقی ہے اسے چھین نہیں سکے گا۔ پھر مسور رضی اللہ عنہ نے ایک قصہ بیان کیا کہ علی بن ابی طالب رضی اللہ عنہ نے فاطمہ رضی اللہ عنہا کی موجودگی میں ابوجہل کی ایک بیٹی ( جمیلہ نامی رضی اللہ عنہا ) کو پیغام نکاح دے دیا تھا۔

میں نے خود سنا کہ اسی مسئلہ پر رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنے اسی منبر پر کھڑے ہو کر صحابہ کو خطاب فرمایا۔ میں اس وقت بالغ تھا۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے خطبہ میں فرمایا کہ فاطمہ مجھ سے ہے۔ اور مجھے ڈر ہے کہ کہیں وہ ( اس رشتہ کی وجہ سے ) کسی گناہ میں نہ پڑ جائے کہ اپنے دین میں وہ کسی فتنہ میں مبتلا ہو۔

اس کے بعد آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے خاندان بنی عبد شمس کے ایک اپنے داماد ( عاص بن ربیع ) کا ذکر کیا اور دامادی سے متعلق آپ نے ان کی تعریف کی ‘ آپ نے فرمایا کہ انہوں نے مجھ سے جو بات کہی سچ کہی ‘ جو وعدہ کیا ‘ اسے پورا کیا۔ میں کسی حلال ( یعنی نکاح ثانی ) کو حرام نہیں کر سکتا اور نہ کسی حرام کو حلال بناتا ہوں۔

لیکن اللہ کی قسم! رسول اللہ کی بیٹی اور اللہ کے دشمن کی بیٹی ایک ساتھ جمع نہیں ہوں گی۔

Telah bercerita kepada kami [Sa'id bin Muhammad Al Jarmiy] telah bercerita kepada kami [Ya'qub bin Ibrahim] telah bercerita kepada kami [bapakku] bahwa [Al Walid bin Katsir] bercerita kepadanya dari [Muhammad bin 'Amru bin Halhalah ad-Du'aliy] bercerita kepadanya bahwa [Ibnu Syihab] bercerita kepadanya bahwa ['Ali bin Husain] bercerita kepadanya bahwa mereka ketika tiba di Madinah dari bertemu dengan Yazib bin Mu'awiyah di masa terbunuhnya Husain bin 'Ali Rahmatullah 'alaihi, dia (Ali bin Husain) ditemui oleh Al [Miswar bin Makhramah] lalu dia (Al Miswar) berkata kepadanya' "Apakah kamu ada keperluan dengan suatu perintah untukku?".

Maka aku katakan kepadanya; "Tidak". Lalu dia berkata lagi kepadanya; "Apakah kamu termasuk orang yang diberi pedang Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam?. Karena aku khawatir bila mereka dapat mengambilnya dari kamu. Demi Allah, seandainya kamu menyerahkannya kepadaku, aku tidak akan pernah memberikannya kepada mereka untuk selama-lamanya hingga aku terbunuh, dan sesungguhnya 'Ali bin Abu Thalib pernah meminang anak perempuan Abu Jahal (untuk dijadikan istri) disamping Fathimah 'alaihi salam, lalu kudengar Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam memberikan khuthbah kepada manusia tentang masalah itu di atas mimbar ini sedang aku saat itu sudah baligh, Beliau bersabda: "Sesungguhnya Fathimah adalah bagian dariku dan aku sangat khawatir dia terfitnah dalam agamanya". …

Kemudian Beliau menyebutkan kerabat Beliau dari Bani 'Abdu Syamsi seraya menyanjungnya dalam hubungan kekerabatannya yang baik kepada Beliau. Beliau melanjutkan: "Dia berbicara kepadaku lalu membenarkan aku serta berjanji kepadaku dan dia menunaikan janjinya kepadaku. Sungguh aku bukanlah orang yang mengharamkan suatu yang halal dan bukan pula menghalalkan apa yang haram akan tetapi, demi Allah, tidak akan bersatu putri Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam dengan putri musuh Allah selamanya

Ali İbn Hüseyn'den nakledilmiştir: "Ali İbn Hüseyn ile beraberindekiler Hüseyin İbn Ali'nin Yezıd İbn Muaviye tarafından şehid edilmesinden sonra savaş alanından Medine'ye geldiklerinde onu Misver İbn Mahreme karşıladı ve: "Yapmamı istediğiniz, bana arz edeceğiniz bir ihtiyacınız varsa emrinizdeyim!"

dedi. Ali İbn Hüseyin: "Hayır bir ihtiyacımız yok" deyince Misver şöyle dedi: "Sen Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in kılıcını bana verir misin? Çünkü ben seninle mücadele eden kimselerin bu kılıcı senin elinden zorla almalarından endişe ediyorum. Allah'a yemin ederim ki sen bu kılıcı bana verecek olursan, şu canım bedenimden ayrılana kadar kılıcı ele geçirmelerine asla müsaade etmem. …

Hz. Ali, Ebu Cehil'in kızına talip olmuş ve onu Hz. Fatıma'ya kuma olarak getirmek istemişti. Bu durumdan haberdar olan Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in işte şu minberine çıkarak şöyle hitap ettiğini duydum: "Fatıma benim bir parçamdır. Bu durumda onun dininde sınanmasından endişe ediyorum." Ben o sıralar ergenlik çağına yeni girmiştim.

Sonra Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem kızı Zeyneb ile evlenen As İbnü'r-Rebi'in yakınları olan Abdişşems oğulları ile olan hısımlığından söz etti ve As'ın bu hısımlığa bağlı kaldığını ifade ederek kendisini övdü: "O benimle konuştu ve doğru / dürüst davrandı. O bana bir söz verdi ve sözünde durdu. Ben asla helali haram, haramı da helal kılıyor değilim.

Ancak Allah'a yemin ederim ki Allah'ın Resulü'nün kızı ile Allah'ın düşmanının kızı asla (aynı nikah altında) bir araya gelemez

3111Muhammad ibn AliSahih

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ مُنْذِرٍ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ

قَالَ لَوْ كَانَ عَلِيٌّ رضى الله عنه ذَاكِرًا عُثْمَانَ رضى الله عنه ذَكَرَهُ يَوْمَ جَاءَهُ نَاسٌ فَشَكَوْا سُعَاةَ عُثْمَانَ، فَقَالَ لِي عَلِيٌّ اذْهَبْ إِلَى عُثْمَانَ فَأَخْبِرْهُ أَنَّهَا صَدَقَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَمُرْ سُعَاتَكَ يَعْمَلُونَ فِيهَا. فَأَتَيْتُهُ بِهَا فَقَالَ أَغْنِهَا عَنَّا. فَأَتَيْتُ بِهَا عَلِيًّا فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ ضَعْهَا حَيْثُ أَخَذْتَهَا

If Ali had spoken anything bad about Uthman then he would have mentioned the day when some persons came to him and complained about the Zakat officials of Uthman. Ali then said to me, “Go to Uthman and say to him, ‘This document contains the regulations of spending the Sadaqa of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) so order your Zakat officials to act accordingly.’

I took the document to Uthman. Uthman said, ‘Take it away, for we are not in need of it.’ I returned to Ali with it and informed him of that. He said, ‘Put it whence you took it.’”

ইবনু হানাফিয়্যা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যদি ‘উসমান (রাঃ)-এর সমালোচনা করতেন, তবে সেদিনই করতেন, যেদিন তাঁর নিকট কিছু লোক এসে ‘উসমান (রাঃ) কর্তৃক নিযুক্ত যাকাত আদায়কারী কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিল।

‘আলী (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন, ‘উসমান (রাঃ)-এর নিকট যাও এবং তাঁকে সংবাদ দাও যে, এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফরমান। কাজেই আপনার কর্মচারীদের কাজ করার নির্দেশ দিন। তারা যেন সে অনুসারে কাজ করে। তা নিয়ে আমি তাঁর নিকট গেলাম।

তখন তিনি বললেন, আমার এটির প্রয়োজন নেই। অতঃপর আমি তা নিয়ে ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে এ সম্পর্কে জ্ঞাত করি। তখন তিনি বললেন, এটি যেখান হতে নিয়েছ সেখানে রেখে দাও। (৩১১২)

ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ‘ ان سے محمد بن سوقہ نے ‘ ان سے منذر بن یعلیٰ نے اور ان سے محمد بن حنفیہ نے ‘ انہوں نے کہا کہ اگر علی رضی اللہ عنہ، عثمان رضی اللہ عنہ کو برا کہنے والے ہوتے تو اس دن ہوتے جب کچھ لوگ عثمان رضی اللہ عنہ کے عاملوں کی ( جو زکوٰۃ وصول کرتے تھے ) شکایت کرنے ان کے پاس آئے۔

انہوں نے مجھ سے کہا عثمان رضی اللہ عنہ کے پاس جا اور یہ زکوٰۃ کا پروانہ لے جا۔ ان سے کہنا کہ یہ پروانہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم کا لکھوایا ہوا ہے۔ تم اپنے عاملوں کو حکم دو کہ وہ اسی کے مطابق عمل کریں۔ چنانچہ میں اسے لے کر عثمان رضی اللہ عنہ کی خدمت میں حاضر ہوا اور انہیں پیغام پہنچا دیا ‘ لیکن انہوں نے فرمایا کہ ہمیں اس کی کوئی ضرورت نہیں ( کیونکہ ہمارے پاس اس کی نقل موجود ہے ) میں نے جا کر علی رضی اللہ عنہ سے یہ واقعہ بیان کیا ‘ تو انہوں نے فرمایا کہ اچھا ‘ پھر اس پروانے کو جہاں سے اٹھایا ہے وہیں رکھ دو۔

Telah bercerita kepada kami [Qutaibah bin Sa'id] telah bercerita kepada kami [Sufyan] dari [Muhammad bin Suwqah] dari [Mundzir] dari [Ibnu Al Hanafiyyah] berkata; 'Seandainya 'Ali radliallahu 'anhu mengingat 'Utsman radliallahu 'anhu, maka ia teringat tentangnya saat orang-orang datang kepadanya mengadukan perilaku para 'amil (petugas zakat) 'Utsman.

Maka ['Ali] berkata kepadaku; "Pergilah kamu menemui 'Utsman dan kabarkan kepadanya bahwa itu adalah shadaqah Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam dan perintahkanlah para 'amilmu untuk melaksanakan sesuai ketentuannya". Maka aku menemui 'Utsman dengan membawa pesan 'Ali tersebut.

'Utsman berkata; "Singkirkanlah sedekah itu dari kami". Kemudian kutemui 'Ali dengan membawa sedekah yang seharusnya untuk 'Utsman, lalu kukabarkan kejadiannya, maka dia berkata; "Biarkanlah zakat itu sebagaimana ditempat kamu mengambilnya".

[Al Humaidiy] berkata, telah bercerita kepada kami [Sufyan] telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Suwqah] berkata aku mendengar [Mundzir Ats-Tsauriy] dari [Ibnu Al Hanafiyyah] berkata; " [Bapakku] mengutusku dan berkata; peganglah surat ini dan bawa kepada 'Utsman karena didalamnya ada ketentuan perintah Nabi Shallallahu'alaihiwasallam tentang masalah shadaqah (zakat)

İbnü'l-Hanefiyye (Muhammed İbn Ali İbn Ebu Talib) şöyle demiştir: "Ali r.a., Osman r.a.'ın aleyhinde konuşacak olsaydı, bazı kimselerin kendisine gelerek Hz. Osman tarafından görevlendirilen zekat memurlarını şikayet ettikleri zaman konuşurdu. Hz. Ali (bana yazılı bir belge vererek) beni Hz. Osman'a gönderdi ve şunları söylememi istedi: "Osman'a git ve ona bu belgede Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in zekatı kimlere verdiğinin yazılı olduğunu söyle.

Onun görevlendirdiği zekat memurları buna göre hareket etsinler." Ben bu yazılı belgeyi Hz. Osman'a götürdüğümde: "Benim buna ihtiyacım yok" dedi. Ben de belgeyi tekrar Hz. Aliiye getirdim ve olan biteni anlattım. O da: "Tamam öyleyse, belgeyi aldığın yere koy!"

dedi. [-3112-] İbnü'l-Hanefiyye (Muhammed İbn Ali İbn Ebu Talib) şöyle demiştir: "Babam Hz. Ali, beni Osman r.a.'a gönderip şöyle demişti: "Şu yazılı belgeyi al ve Osman'a götür. Çünkü bu belgede Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in zekatla ilgili emir ve talimatları bulunmaktadır

3112Muhammad ibn SuqahSahih

قَالَ الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُوقَةَ

قَالَ: سَمِعْتُ مُنْذِرًا الثَّوْرِيَّ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، قَالَ أَرْسَلَنِي أَبِي، خُذْ هَذَا الْكِتَابَ فَاذْهَبْ بِهِ إِلَى عُثْمَانَ، فَإِنَّ فِيهِ أَمْرَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّدَقَةِ

Muhammad ibn Suqa: I heard Mundhir at-Tawri reporting Ibn Hanafiya who said, “My father sent me saying, ‘Take this letter to Uthman for it contains the orders of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) concerning the Sadaqa.’”

ইবনু হনাফিয়্যাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে পাঠিয়ে বলেন, এ ফরমানটি নাও এবং এটি ‘উসমান (রাঃ)-এর নিকট নিয়ে যাও, এতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকাহ সম্পর্কিত নির্দেশ দিয়েছেন। (৩১১১)

حمیدی نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم سے محمد بن سوقہ نے کہا کہ میں نے منذر ثوری سے سنا ‘ وہ محمد بن حنفیہ سے بیان کرتے تھے کہ میرے والد ( علی رضی اللہ عنہ ) نے مجھ کو کہا کہ یہ پروانہ عثمان رضی اللہ عنہ کو لے جا کر دے آؤ ‘ اس میں زکوٰۃ سے متعلق رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے بیان کردہ احکامات درج ہیں۔

Buhârî'nin şeyhi el-Humeydî şöyle dedi: Bize Sufyân ibn Uyeyne tahdîs edip şöyle dedi: Bize Muhammed ibn Sûka tahdîs edip şöyle dedi: Ben Munzir es-Sevrî'den işittim ki, Muhammed ibnu’l-Hanefiyye şöyle demiştir: Beni Bâbam Alî haberci gönderdi de: Şu kitabı, yani yazıyı al ve onu Usmân'a götür. Çünkü bunun içindePeygamber (sallallahü aleyhi ve sellem)'in sadaka hususundaki emri vardır, dedi

3113Ali ibn Abi TalibSahih

حَدَّثَنَا بَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، أَنَّ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ اشْتَكَتْ مَا تَلْقَى مِنَ الرَّحَى مِمَّا تَطْحَنُ

فَبَلَغَهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِسَبْىٍ، فَأَتَتْهُ تَسْأَلُهُ خَادِمًا فَلَمْ تُوَافِقْهُ، فَذَكَرَتْ لِعَائِشَةَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ عَائِشَةُ لَهُ، فَأَتَانَا وَقَدْ دَخَلْنَا مَضَاجِعَنَا،

فَذَهَبْنَا لِنَقُومَ فَقَالَ: «عَلَى مَكَانِكُمَا «حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِي فَقَالَ: «أَلَا أَدُلُّكُمَا عَلَى خَيْرٍ مِمَّا سَأَلْتُمَاهُ، إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا فَكَبِّرَا اللَّهَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ، وَاحْمَدَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، وَسَبِّحَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ، فَإِنَّ ذَلِكَ خَيْرٌ لَكُمَا مِمَّا سَأَلْتُمَاهُ»

Fatima complained of what she suffered from the hand mill and from grinding, when she got the news that some slave girls of the booty had been brought to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam). She went to him to ask for a maid-servant, but she could not find him, and told Aishah of her need. When the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) came, Aishah informed him of that.

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) came to our house when we had gone to our beds. (On seeing the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) we were going to get up, but he said, ‘Keep at your places,’ I felt the coolness of the Prophet’s feet on my chest.

Then he said, “Shall I tell you a thing which is better than what you asked me for? When you go to your beds, say: ‘Allahu Akbar (i.e. Allah is Greater)’ for 34 times, and ‘Al hamdu Li llah (i.e. all the praises are for Allah)’ for 33 times, and Subhan Allah (i.e. Glorified be Allah) for 33 times. This is better for you than what you have requested.”

‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ফাতিমাহ (রাঃ) আটা পিষার কষ্টের কথা জানান। তখন তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কয়েকজন বন্দী আনা হয়েছে। ফাতিমাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে একজন খাদিম চাইলেন। তিনি তাঁকে পেলেন না। তখন তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট তা উল্লেখ করেন।

অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলে ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বিষয়টি বললেন। (রাবী বলেন) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এলেন। তখন আমরা শুয়ে পড়েছিলাম। আমরা উঠতে চাইলাম।

তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ জায়গায় থাক। আমি তাঁর পায়ের শীতলতা আমার বুকে অনুভব করলাম। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা যা চেয়েছ, আমি কি তোমাদের তার চেয়ে উত্তম জিনিসের সন্ধান দিব না? যখন তোমরা বিছানায় যাবে, তখন চৌত্রিশ বার ‘আল্লাহু আকবার’ তেত্রিশবার ‘আল্হামদু লিল্লাহ’ এবং তেত্রিশবার ‘সুব্হানাল্লাহ’ বলবে, এটাই তোমাদের জন্য তার চেয়ে উত্তম, যা তোমরা চেয়েছ।’ (৩৭০৫, ৫৩৬১, ৬৩১৮) (মুসলিম ৪৮/১৯ হাঃ ২৭২৭)

ہم سے بدل بن محبر نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو شعبہ نے خبر دی ‘ کہا کہ مجھے حکم نے خبر دی ‘ کہا کہ میں نے ابن ابی لیلیٰ سے سنا ‘ کہا مجھ سے علی رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ فاطمہ رضی اللہ عنہا کو چکی پیسنے کی بہت تکلیف ہوتی۔ پھر انہیں معلوم ہوا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس کچھ قیدی آئے ہیں۔

اس لیے وہ بھی ان میں سے ایک لونڈی یا غلام کی درخواست لے کر حاضر ہوئیں۔ لیکن آپ صلی اللہ علیہ وسلم موجود نہیں تھے۔ وہ عائشہ رضی اللہ عنہا سے اس کے متعلق کہہ کر ( واپس ) چلی آئیں۔ پھر جب آپ صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لائے تو عائشہ رضی اللہ عنہا نے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے سامنے ان کی درخواست پیش کر دی۔

علی رضی اللہ عنہ کہتے ہیں کہ اسے سن کر آپ صلی اللہ علیہ وسلم ہمارے یہاں ( رات ہی کو ) تشریف لائے۔ جب ہم اپنے بستروں پر لیٹ چکے تھے ( جب ہم نے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھا ( تو ہم لوگ کھڑے ہونے لگے تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جس طرح ہو ویسے ہی لیٹے رہو۔ ( پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم میرے اور فاطمہ رضی اللہ عنہا کے بیچ میں بیٹھ گئے اور اتنے قریب ہو گئے کہ ) میں نے آپ کے دونوں قدموں کی ٹھنڈک اپنے سینے پر پائی۔

اس کے بعد آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جو کچھ تم لوگوں نے ( لونڈی یا غلام ) مانگے ہیں ‘ میں تمہیں اس سے بہتر بات کیوں نہ بتاؤں ‘ جب تم دونوں اپنے بستر پر لیٹ جاؤ ( تو سونے سے پہلے ) اللہ اکبر 34 مرتبہ اور الحمداللہ 33 مرتبہ اور سبحان اللہ 33 مرتبہ پڑھ لیا کرو ‘ یہ عمل بہتر ہے اس سے جو تم دونوں نے مانگا ہے۔

Telah bercerita kepada kami [Badal bin Al Muhabbar] telah mengabarkan kepada kami [Syu'bah] berkata telah mengabarkan kepadaku [Al Hakam] berkata aku mendengar [Ibnu Abi Laila] telah bercerita kepada kami ['Ali] bahwa Fathimah 'alaihas salam pernah mengeluh tentang apa yang dialaminya karena menumbuk dan menggiling tepung. Kemudian ia mendapat berita bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam mendapatkan tawanan, maka ia datangi Beliau sekaligus ia minta seorang pembantu namun Beliau tidak setuju.

Kemudian Fathimah menceritakan perkaranya kepada 'Aisyah. Ketika Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam datang, 'Aisyah menceritakannya kepada Beliau. Maka Beliau mendatangi kami berdua saat kami sudah masuk ke tempat tidur kami untuk beristirahat lalu Beliau berkata: "Tetaplah kalian disitu". Hingga aku mendapatkan kedua kaki Beliau yang dingin di dekat dadaku.

Beliau bersabda: "Maukah kalian berdua aku tunjukkan sesuatu yang lebih baik dari apa yang kalian berdua pinta, yaitu jika kalian sudah berada di tempat tidur kalian, bacalah takbir (Allahu Akbar) tiga puluh empat kali, hamdalah (alhamdulillah) tiga puluh tiga kali dan tasbih (subhaanallah) tiga puluh tiga kali karena sesungguhnya bacaan-bacaan ini lebih baik dari apa yang kalian berdua memintanya

Hz. Ali'den nakledilmiştir: "Fatıma el değirmeni ile un öğütmekten bıkıp usandığını söyleyerek halinden şikayet ediyordu. Bu sırada Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e bazı esirlerin getirildiğini haber aldı ve O'ndan (s.a.v.) bir hizmetçi istemek üzere dışarı çıktı. Fakat Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'i bulamadı. Bu yüzden talebini Hz.

Aişe'ye arz etti. Hz. Aişe de Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem eve dönünce kızının talebini söyledi. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de bize geldi. Biz o sırada yatağımıza girmiştik. O gelince kalkmaya yeltendik. Fakat Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Hiç rahatsız olmayın, olduğunuz yerde durun!"

buyurdu ve aramıza girip oturdu. Hatta ben ayağının soğukluğunu göğsümde hissettim. O gece bize şöyle buyurdu: "Ben size bana arz ettiğiniz talebinizden daha hayırlı bir yol göstereyim mi?! Yataklarınıza uzandığınızda otuz dört defa Allahu Ekber deyin otuz üç defa Elhamdu lillah deyin ve otuz üç defa de Sübhanallah deyin. İşte bunlar benden istemiş olduğunuz şeyden daha hayırlıdır

3114Jabir ibn AbdullahSahih

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، وَمَنْصُورٍ، وَقَتَادَةَ، سَمِعُوا سَالِمَ بْنَ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله عنهما

قَالَ وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا مِنَ الأَنْصَارِ غُلَامٌ، فَأَرَادَ أَنْ يُسَمِّيَهُ مُحَمَّدًا قَالَ شُعْبَةُ فِي حَدِيثِ مَنْصُورٍ إِنَّ الأَنْصَارِيَّ قَالَ حَمَلْتُهُ عَلَى عُنُقِي فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. وَفِي حَدِيثِ سُلَيْمَانَ وُلِدَ لَهُ غُلَامٌ، فَأَرَادَ أَنْ يُسَمِّيَهُ مُحَمَّدًا قَالَ: «سَمُّوا بِاسْمِي، وَلَا تَكَنَّوْا بِكُنْيَتِي، فَإِنِّي إِنَّمَا جُعِلْتُ قَاسِمًا أَقْسِمُ بَيْنَكُمْ».

وَقَالَ حُصَيْنٌ «بُعِثْتُ قَاسِمًا أَقْسِمُ بَيْنَكُمْ» قَالَ عَمْرٌو أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ: سَمِعْتُ سَالِمًا عَنْ جَابِرٍ أَرَادَ أَنْ يُسَمِّيَهُ الْقَاسِمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «سَمُّوا بِاسْمِي وَلَا تَكْتَنُوا بِكُنْيَتِي»

A boy was born to one of our men, the Ansar, and he wanted to name him Muhammad. The Ansari man said, “I took the boy to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam). The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘Name your child by my name, but do not name (them) by my Kunya, for I have been made Qasim (i.e., a distributor) to distribute (the booty etc.) amongst you.’

The narrator, Husain said that the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘I have been sent as a Qasim (i.e., distributor) to distribute (things) amongst you.’ [The Sub narrator Salim said that he heard Jabir saying that the man wanted to name the boy Al-Qasim, but the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘Call (your sons) by my name, but do not name (them) by my Kunya.’”

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের আনসারী এক ব্যক্তির একটি পুত্র জন্মে। সে তার নাম মুহাম্মাদ রাখার ইচ্ছা করল। মানসূর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তাকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম।

আর সুলাইমান (রহ.) বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তাকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। আর সুলাইমান (রহ.) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, তার একটি পুত্র জন্মে। তখন সে তার নাম মুহাম্মাদ রাখার ইচ্ছা করে।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুনীয়াতের অনুরূপ কুনীয়াত রেখে না। আমাকে বণ্টনকারী করা হয়েছে। আমি তোমাদের মধ্যে বণ্টন করি।’

আর হুসাইন (রহ.) বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি বণ্টনকারীরূপে প্রেরিত হয়েছি। আমি তোমাদের মধ্যে বণ্টন করি।’ আর ‘আমর (রাঃ) জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, সে ব্যক্তি তার ছেলের নাম কাসিম রাখতে চেয়েছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ, আমার কুনীয়াতের ন্যায় কুনীয়াত রেখ না।’ (৩১১৫, ৩৫৩৮, ৬১৮৬, ৬১৮৭, ৬১৮৯, ৬১৯৬) (মুসলিম ৩৮/১ হাঃ ২১৩৩, আহমাদ ১৪২৩১)

ہم سے ابوولید نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ‘ ان سے سلیمان ‘ منصور اور قتادہ نے ‘ انہوں نے سالم بن ابی الجعد سے سنا اور ان سے جابر بن عبداللہ رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ ہم انصاریوں کے قبیلہ میں ایک انصاری کے گھر بچہ پیدا ہو تو انہوں نے بچے کا نام محمد رکھنے کا ارادہ کیا اور شعبہ نے منصور سے روایت کر کے بیان کیا ہے کہ ان انصاری نے بیان کیا ( جن کے یہاں بچہ پیدا ہوا تھا ) کہ میں بچے کو اپنی گردن پر اٹھا کر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوا۔

اور سلیمان کی روایت میں ہے کہ ان کے یہاں بچہ پیدا ہوا ‘ تو انہوں نے اس کا نام محمد رکھنا چاہا ‘ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس پر فرمایا کہ میرے نام پر نام رکھو ‘ لیکن میری کنیت ( ابوالقاسم ) پر کنیت نہ رکھنا ‘ کیونکہ مجھے تقسیم کرنے والا ( قاسم ) بنایا گیا ہے۔

میں تم میں تقسیم کرتا ہوں ‘ اور حصین نے ( اپنی روایت میں ) یوں بیان کیا ‘ کہ مجھے تقسیم کرنے والا ( قاسم ) بنا کر بھیجا گیا ہے ‘ میں تم میں تقسیم کرتا ہوں۔

عمرو بن مرزوق نے کہا کہ ہمیں شعبہ نے خبر دی ‘ ان سے قتادہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے سالم سے سنا انہوں نے جابر رضی اللہ عنہ سے کہ ان انصاری صحابی نے اپنے بچے کا نام قاسم رکھنا چاہا تھا تو نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میرے نام پر نام رکھو لیکن کنیت نہ رکھو۔

Telah bercerita kepada kami [Abu Al Walid] telah bercerita kepada kami [Syu'bah] dari [Sulaiman] dan [Manshur] dan [Qatadah] mereka mendengar [Salim bin Abi Al Ja'di] dari [Jabir bin 'Abdullah radliallahu 'anhuma] berkata; "Seorang dari kami Kaum Anshar dikaruniakan anak lalu dia hendak memberi nama dengan Muhammad".

[Syu'bah] berkata dalam hadits riwayat [Manshur]; 'Bahwa ada seorang Anshar berkata; "Aku bawa anak itu dengan kugendong diatas tengkukku untuk kutemui Nabi Shallallahu'alaihiwasallam". Dan dalam hadits Sulaiman; "Seseorang dikaruniakan anak lalu dia hendak memberi nama dengan Muhammad".

Beliau Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Berikanlah nama dengan namaku tapi jangan dengan panggilanku sebab aku dinamakan sebagai Qasim karena aku adalah yang membagi-bagi di antara kalian".

Dan berkata [Hushain]: "Aku diutus sebagai Qasim yaitu yang membagi-bagikan di antara kalian". Berkata ['Amru] telah mengabarkan kepada kami [Syu'bah] dari [Qatadah] berkata aku mendengar [Salim] dari [Jabir]; "Ada seseorang yang berkehendak menamakan anaknya dengan Al Qasim maka Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Berilah nama dengan namku tapi jangan memberi julukan dengan julukan aku

Cabir İbn Abdullah r.a.'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Ensar’dan birisinin bir çocuğu olmuştu. Bu çocuğuna Muhammed adını koymak istedi. - Şu'be Mansur hadisinde şöyle demiştir: Ensar'dan olan bu zat dedi ki: çocuğu boynuma alıp Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına geldim. Süleyman'ın rivayet ettiği hadiste şöyle geçmektedir: Onun bir çocuğu oldu ve adını Muhammed koymak istedi.

- Bunun üzerine Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurdu: "Benim adımı isim olarak verin fakat künyemi kendinize künye olarak koymayın. Çünkü ben (Allah tarafından) paylaştırıcı (.......) kılındım; aranızda gerekli pay dağıtımını yaparım." Husayn bunu şöyle nakletmiştir: "Çünkü ben (Allah tarafından) paylaştırıcı (.........) olarak gönderildim; aranızda gerekli pay dağıtımını yaparım."

Amr şöyle demiştir: Şu'be bize Katade'nin şöyle dediğini haber verdi: "Ensar'dan olan zat çocuğuna Kasım adını vermek istedi. Bunun üzerine Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurdu: "Benim adımı isim olarak kullanın fakat künyemi kendinize künye olarak koymayın. " Tekrar:

3115Jabir ibn AbdullahSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ

قَالَ وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا غُلَامٌ فَسَمَّاهُ الْقَاسِمَ فَقَالَتِ الأَنْصَارُ لَا نَكْنِيكَ أَبَا الْقَاسِمِ وَلَا نُنْعِمُكَ عَيْنًا، فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وُلِدَ لِي غُلَامٌ، فَسَمَّيْتُهُ الْقَاسِمَ فَقَالَتِ الأَنْصَارُ لَا نَكْنِيكَ أَبَا الْقَاسِمِ وَلَا نُنْعِمُكَ عَيْنًا.

فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَحْسَنَتِ الأَنْصَارُ، سَمُّوا بِاسْمِي، وَلَا تَكَنَّوْا بِكُنْيَتِي، فَإِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ»

A man amongst us begot a boy whom he named Al-Qasim. On that the Ansar said, (to the man), “We will never call you Abu-al-Qasim and will never please you with this blessed title.” So, he went to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! I have begotten a boy whom I named Al-Qasim and the Ansar said, ‘We will never call you Abu-al-Qasim, nor will we please you with this title.’

‘ The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘The Ansar have done well. Name by my name, but do not name by my Kunya, for I am Qasim.’’”

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে এক জনের পুত্র জন্মে। সে তার নাম রাখল কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না।

সে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি পুত্র জন্মেছে। আমি তার নাম রেখেছি কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আনসারগণ ঠিকই করেছে। তোমরা আমার নামে নাম রাখ, কিন্তু কুনীয়াতের মত কুনীয়াত ব্যবহার করো না। কেননা, আমি তো কাসিম (বণ্টনকারী)।’ (৩১১৫)

ہم سے محمد بن یوسف بیکندی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان ثوری نے بیان کیا ‘ ان سے اعمش نے ‘ ان سے ابوسالم نے ‘ ان سے ابوالجعد نے اور ان سے جابر بن عبداللہ انصاری رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ ہمارے قبیلہ میں ایک شخص کے یہاں بچہ پیدا ہوا ‘ تو انہوں نے اس کا نام قاسم رکھا ‘ انصار کہنے لگے کہ ہم تمہیں ابوالقاسم کہہ کر کبھی نہیں پکاریں گے اور ہم تمہاری آنکھ ٹھنڈی نہیں کریں گے یہ سن کر وہ انصاری آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس آیا اور عرض کی یا رسول اللہ!

میرے گھر ایک بچہ پیدا ہوا ہے۔ میں نے اس کا نام قاسم رکھا ہے تو انصار کہتے ہیں ہم تیری کنیت ابوالقاسم نہیں پکاریں گے اور تیری آنکھ ٹھنڈی نہیں کریں گے۔

آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”انصار نے ٹھیک کہا ہے میرے نام پر نام رکھو ‘ لیکن میری کنیت مت رکھو ‘ کیونکہ قاسم میں ہوں۔“

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Yusuf] telah bercerita kepada kami [Sufyan] dari [Al A'masy] dari [Salim bin Abi Al Ja'di] dari [Jabir bin 'Abdullah Al Anshariy] berkata; "Ada seorang dari kami dikaruniai anak, lalu dia berkehendak memberi nama dengan Al Qasim, maka orang-orang Anshar berkata; "Kami tidak akan memanggil kamu dengan julukan Abu Al Qasim dan tidak akan memuliakan kamu dengan itu sekejappun".

Kemudian orang itu menemui Nabi Shallallahu'alaihiwasallam seraya berkata; "Wahai Rasulullah, aku dikaruniai seorang anak kemudian aku memberinya nama Al Qasim namun oang-orang Anshar berkata; "Kami tidak akan memanggil kamu dengan julukan Abu Al Qasim dan tidak akan memuliakan kamu dengan itu sekejappun".

Maka Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Apa yang dilakukan kaum Anshar benar. Berilah nama dengan namaku tapi jangan memberi julukan dengan julukan aku karena aku adalah Qasim (orang yang membagi-bagi)

Ensar'dan Cabir İbn Abdullah r.a.'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Bizden birisinin bir çocuğu olmuştu. Bu zat çocuğunun adını Kasım koydu. Bunun üzerine ensar: "Biz seni Ebü'l-Kasım künyesi ile anmayacağız ve sana gözün aydın olsun da demeyeceğiz" dediler. Bunun üzerine o zat Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına gitti ve: "Ey Allah'ın Resulü benim bir çocuğum oldu ve adını Kasım koydum.

Bunun üzerine ensar: "Biz seni Ebü'l-Kasım künyesi ile anmayacağız ve sana gözün aydın olsun da demeyeceğiz" demeye başladılar. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem de: "Ensar çok iyi yapmış, aferin onlara! Benim ismimi veriniz fakat benim künyemi kullanmayınız! Zira sadece Kasım olan benim!" buyurdu

3116Muawiyah ibn Abi SufyanSahih

حَدَّثَنَا حِبَّانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ، وَاللَّهُ الْمُعْطِي وَأَنَا الْقَاسِمُ، وَلَا تَزَالُ هَذِهِ الأُمَّةُ ظَاهِرِينَ عَلَى مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ ظَاهِرُونَ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “If Allah wants to do good for somebody, he makes him comprehend the Religion (i.e. Islam), and Allah is the Giver and I am Al-Qasim (i.e. the distributor), and this (Muslim) nation will remain victorious over their opponents, till Allah’s Order comes and they will still be victorious.”

মু‘আবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আল্লাহই দানকারী আর আমি বণ্টনকারী। এ উম্মাত সর্বদা তাদের প্রতিপক্ষের উপর বিজয়ী থাকবে, আল্লাহর আদেশ আসা পর্যন্ত আর তারা বিজয়ী থাকবে।’ (৭১)

ہم سے حبان بن موسیٰ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے عبداللہ بن مبارک نے ‘ انہیں یونس نے، انہیں زہری نے ‘ انہیں حمید بن عبدالرحمٰن نے ‘ انہوں نے معاویہ رضی اللہ عنہ سے سنا ‘ آپ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”جس کے ساتھ اللہ تعالیٰ بھلائی چاہتا ہے اسے دین کی سمجھ دے دیتا ہے۔

اور دینے والا تو اللہ ہی ہے میں تو صرف تقسیم کرنے والا ہوں اور اپنے دشمنوں کے مقابلے میں یہ امت ( مسلمہ ) ہمیشہ غالب رہے گی۔ تاآنکہ اللہ کا حکم ( قیامت ) آ جائے اور اس وقت بھی وہ غالب ہی ہوں گے۔“

Telah bercerita kepada kami [Hibban bin Musa] telah mengabarkan kepada kami ['Abdullah] dari [Yunus] dari [Az Zuhriy] dari [Humaid bin 'Abdur Rahman] bahwa dia mendengar [Mu'awiyah] berkata; Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Siapa yang Allah kehendaki baik pada dirinya maka Allah akan pahamkan orang itu dalam urusan agama.

Allah adalah Yang Maha Pemberi sedangkan aku Al Qasim (yang membagi-bagi) dan akan senantiasa ummat ini menang atas orang-orang yang menyelisihi mereka hingga datang urusan Allah, sedang mereka berjaya (dengan kemenangan)

Muaviye dedi ki: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurdu: "Allah kim için hayır dilerse onu dinde fakih kılar, (yani dini çok iyi kavrayıp idrak etme yeteneği verir.) Allah verendir, ben ise paylaştırıp dağıtanım (Kasim). Bu ümmet Allah'ın emri gelinceye kadar kendisine muhalif olan güçlere karşı üstün olacaktır

3117Abu HurayrahSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، حَدَّثَنَا هِلَالٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله عنه

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا أُعْطِيكُمْ وَلَا أَمْنَعُكُمْ، أَنَا قَاسِمٌ أَضَعُ حَيْثُ أُمِرْتُ»

Abu Hurayrah: the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Neither do I give you (anything) nor withhold (anything) from you, but I am just a distributor (i.e. Qasim), and I give as I am ordered.”

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি তোমাদের দানও করি না এবং তোমাদের বঞ্চিতও করি না। আমি তো মাত্র বণ্টনকারী, যেভাবে নির্দেশিত হই, সেভাবে ব্যয় করি।’

ہم سے محمد بن سنان نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے فلیح نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے بلال نے بیان کیا ان سے عبدالرحمٰن بن ابی عمرہ نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”نہ میں تمہیں کوئی چیز دیتا ہوں ‘ نہ تم سے کسی چیز کو روکتا ہوں۔ میں تو صرف تقسیم کرنے والا ہوں۔ جہاں جہاں کا مجھے حکم ہوتا ہے بس وہیں رکھ دیتا ہوں۔“

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Sinan] telah bercerita kepada kami [Fulaih] telah bercerita kepada kami [Hilal] dari ['Abdur Rahman bin Abi 'AMrah] dari [Abu Hurairah Radliallahu 'anhu] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Aku tidak memberi kalian dan juga tidak menghalangi (pemberian) kepada kalian. Sesungguhnya aku hanyalah yang membagi-bagi sesuai apa yang diperintahkan kepadaku

Ebu Hureyre r.a.'den nakledildiğine göre Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurmuştur: "Ben size ne veririm ne de size verilecek şeylere engel olurum. Ben sadece paylaştırıp dağıtanım قاسم verileni bana emredileni yapar her şeyi yerli yerine koyarım

3118Khawlah bint Qays ibn QahdSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الأَسْوَدِ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَيَّاشٍ وَاسْمُهُ نُعْمَانُ عَنْ خَوْلَةَ الأَنْصَارِيَّةِ رضى الله عنها

قَالَتْ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ رِجَالاً يَتَخَوَّضُونَ فِي مَالِ اللَّهِ بِغَيْرِ حَقٍّ، فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»

I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) saying, “Some people spend Allah’s Wealth (i.e. Muslim’s wealth) in an unjust manner; such people will be put in the (Hell) Fire on the Day of Resurrection.”

খাওলাহ্ আনসারীয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কিছু লোক আল্লাহর দেয়া সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যয় করে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত।’

ہم سے عبداللہ بن یزید نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا کہ ہم سے سعید بن ابی ایوب نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا کہ مجھ سے ابوالاسود نے بیان کیا ‘ ان سے ابن ابی عیاش نے بیان کیا اور ان کا نام نعمان تھا ‘ ان سے خولہ بنت قیس انصاریہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے میں نے سنا ‘ آپ صلی اللہ علیہ وسلم فرما رہے تھے کچھ لوگ اللہ تعالیٰ کے مال کو بے جا اڑاتے ہیں ‘ انہیں قیامت کے دن آگ ملے گی۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Yazid] telah bercerita kepada kami telah bercerita kepada kami [Sa'id bin Abi Ayyub] berkata telah bercerita kepadaku [Abu Al Aswad] dari [Ibnu Abi 'Ayyasy, yang namanya Nu'man] dari [Khaulah Al Anshariyyah radliallahu 'anhu] berkata; "Aku mendengar Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Sesungguhnya ada orang-orang yang mendistribusikan harta Allah dengan jalan yang tidak benar, maka bagi mereka neraka pada hari qiyamat

Ensar'dan Havle radiyaııahu anha dedi ki: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in şöyle buyurduğunu işittim: "Öyle insanlar var ki, Allah'ın (Müslümanlara verdiği) malını haksız bir şekilde kullanıp harcıyorlar. Kıyamet gününde cehennem ateşi onların olur

3119Urwah ibn al-JadSahih

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عُرْوَةَ الْبَارِقِيِّ رضى الله عنه عَنِ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ الأَجْرُ وَالْمَغْنَمُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Horses are always the source of good, namely, rewards (in the Hereafter) and booty, till the Day of Resurrection.”

‘উরওয়াহ আল-বারেকী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঘোড়ার কপালের উপরিভাগের কেশদামে আছে কল্যাণ, সাওয়াব ও গনীমত কিয়ামত অবধি। (২৮৫০)

ہم سے مسدد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے خالد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے حصین نے بیان کیا ‘ ان سے عامر نے اور ان سے عروہ بارقی رضی اللہ عنہ نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”گھوڑوں کی پیشانیوں سے قیامت تک خیر و برکت ( آخرت میں ) اور غنیمت ( دنیا میں ) بندھی ہوئی ہے۔“

Telah bercerita kepada kami [Musaddad] telah bercerita kepada kami [Khalid] telah bercerita kepada kami [Hushain] dari ['Amir] dari ['Urwah Al Bariqiy Radliallahu 'anhu] dari Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Pada seekor kuda terikat pada ubun-ubunya kebaikan berupa pahala dan ghanimah sampai hari qiyamat

Urve el-Bariki: Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in şöyle buyurduğunu nakletmiştir. "Kıyamet gününe kadar atların alınlarına hayır, mükafat (ecir) ve ganimet bağlanmıştır

3120Abu HurayrahSahih

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله عنه

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا هَلَكَ كِسْرَى فَلَا كِسْرَى بَعْدَهُ، وَإِذَا هَلَكَ قَيْصَرُ فَلَا قَيْصَرَ بَعْدَهُ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَتُنْفِقُنَّ كُنُوزَهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “When Khosrau is ruined, there will be no Khosrau after him; and when Caesar is ruined, there will be no Caesar after him. By Him in Whose Hands my life is, you will spend their treasures in Allah’s Cause.”

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল বলেছেন, যখন কিসরা ধ্বংস হয়ে যাবে, তারপরে আর কোন কিসরা হবে না। আর যখন কায়সার ধ্বংস হয়ে যাবে, অতঃপর আর কোন কায়সার হবে না। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, তোমরা অবশ্যই উভয় সাম্রাজ্যের ধন ভান্ডার আল্লাহর পথে ব্যয় করবে। (৩০২৭)

ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ‘ کہا ہم سے ابوالزناد نے بیان کیا ‘ ان سے اعرج نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”جب کسریٰ مر جائے گا تو اس کے بعد کوئی کسریٰ پیدا نہ ہو گا۔

اور جب قیصر مر جائے گا تو اس کی بعد کوئی قیصر پیدا نہ ہو گا اور اس ذات کی قسم! جس کے ہاتھ میں میری جان ہے ‘ تم لوگ ان دونوں کے خزانے اللہ کے راستے میں خرچ کرو گے۔“

Telah bercerita kepada kami [Abu Al Yaman] telah mengabarkan kepada kami [Syu'aib] telah bercerita kepada kami [Abu Az Zanad] dari [Al A'roj] dari [Abu Hurairah radliallahu 'anhu] bahwa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Jika Kisra (Raja Persia) binasa maka tidak akan ada lagi Kisra lain sesudahnya dan jika Qaishar (Raja Romawi) binasa maka tidak akan ada lagi Qaishar lain sesudahnya.

Dan demi Dzat yang jiwaku berada di tangan-Nya, sungguh kalian akan mengambil perbendaharaan kekayaan keduanya (sebagai ghanimah) di jalan Allah

Ebu Hureyre, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in şöyle buyurduğunu nakletmiştir: "Kisra helak olduğunda ondan sonra artık bir Kisra gelmeyecek. Kayser helak olduğunda ondan sonra bir Kayser de gelmeyecek. Canımı elinde bulunduran Allah'a yemin ederim ki siz onların sahip oldukları hazineleri Allah yolunda harcayacaksınız

3121Jabir ibn SamurahSahih

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ

سَمِعَ جَرِيرًا، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رضى الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا هَلَكَ كِسْرَى فَلَا كِسْرَى بَعْدَهُ، وَإِذَا هَلَكَ قَيْصَرُ فَلَا قَيْصَرَ بَعْدَهُ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَتُنْفَقَنَّ كُنُوزُهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “When Khosrau is ruined, there will be no Khosrau after him; and when Caesar is ruined, their will be no Caesar after him. By Him in Whose Hands my life is, you will spend their treasures in Allah’s Cause.”

জাবির ইবনু সামূরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কিসরা ধ্বংস হয়ে যাবে অতঃপর আর কোন কিসরা হবে না। আর যখন কায়সার ধ্বংস হয়ে যাবে, তারপরে আর কোন কায়সার হবে না। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, অবশ্যই উভয় সাম্রাজ্যের ধনভান্ডার আল্লাহর পথ ব্যয় হবে। (৩৬১৯, ৬৬২৯) (মুসলিম ৫২/১৮ হাঃ ২৯১৯, আহমাদ ২০৯১৩)

ہم سے اسحاق بن راہویہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے جریر سے سنا ‘ انہوں نے عبدالملک سے اور ان سے جابر بن سمرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”جب کسریٰ مر جائے گا تو اس کے بعد کوئی کسریٰ پیدا نہ ہو گا اور جب قیصر مر جائے گا تو اس کے بعد کوئی قیصر پیدا نہ ہو گا اور اس ذات کی قسم!

جس کے ہاتھ میں میری جان ہے تم لوگ ان دونوں کے خزانے اللہ کے راستے میں خرچ کرو گے۔“

Telah bercerita kepada kami [Ishaq] dia mendengar [Jarir] dari ['Abdul Malik] dari [Jabir bin Samrah Radliallahu 'anhu] berkata; Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Jika Kisra (Raja Persia) binasa maka tidak akan ada lagi Kisra lain sesudahnya dan jika Qaishar (Raja Romawi) binasa maka tidak akan ada lagi Qaishar lain sesudahnya. Dan demi Dzat yang jiwaku berada di tangan-Nya, sungguh kalian akan mengambil perbendaharaan kekayaan keduanya (sebagai ghanimah) di jalan Allah

Cabir İbn Semure, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in şöyle buyurduğunu nakletmiştir: "Kisra helak olduğunda ondan sonra artık bir Kisra gelmeyecek. Kayser helak olduğunda ondan sonra bir Kayser de gelmeyecek. Canımı elinde bulunduran Allah'a yemin ederim ki siz onların sahip oldukları hazineleri Allah yolunda harcayacaksınız

3122Jabir ibn AbdullahSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا سَيَّارٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ الْفَقِيرُ، حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله عنهما

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُحِلَّتْ لِي الْغَنَائِمُ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Booty has been made legal for me.”

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার জন্য গানীমাত হালাল করা হয়েছে। (৩৩৫)

ہم سے محمد بن سنان نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ہشیم نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو سیار بن ابی سیار نے خبر دی ‘ کہا ہم سے یزید فقیر نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے جابر بن عبداللہ رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم فرمایا ”میرے لیے ( مراد امت ہے ) غنیمت کے مال حلال کئے گئے ہیں۔“

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Sinan] telah bercerita kepada kami [Husyaim] telah mengabarkan kepada kami [Sayyar] telah bercerita kepada kami [Yazid Al Faqir] telah bercerita kepada kami [Jabir bin 'Abdullah radliallahu 'anhuma] berkata; Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Dihalalkan untukku ghanimah (harta Rampasan perang)

Cabir İbn Abdullah r.a., Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in: "Ganimet bana helal kılındı" dediğini nakletmiştir

3123Abu HurayrahSahih

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله عنه

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «تَكَفَّلَ اللَّهُ لِمَنْ جَاهَدَ فِي سَبِيلِهِ، لَا يُخْرِجُهُ إِلاَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِهِ وَتَصْدِيقُ كَلِمَاتِهِ، بِأَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، أَوْ يَرْجِعَهُ إِلَى مَسْكَنِهِ الَّذِي خَرَجَ مِنْهُ «مَعَ مَا نَالَ» مِنْ أَجْرٍ أَوْ غَنِيمَةٍ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Allah guarantees him who strives in His Cause and whose motivation for going out is nothing but Jihad in His Cause and belief in His Word, that He will admit him into Paradise (if martyred) or bring him back to his dwelling place, whence he has come out, with what he gains of reward and booty.”

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে এবং তাঁরই বাণীর প্রতি দৃঢ় আস্থায় তাঁরই পথে জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়, আল্লাহ তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, হয় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন অথবা সে যে সাওয়াব ও গনীমত লাভ করেছে তা সমেত তাকে ঘরে ফিরাবেন, যেখান হতে সে জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। (৩৬) (মুসলিম ৩৩/২৮ হাঃ ১৮৭৬, আহমাদ ৯১৯৮)

ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا مجھ سے امام مالک رحمہ اللہ نے بیان کیا ‘ ان سے ابوالزناد نے ‘ ان سے اعرج نے بیان کیا اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”جو اللہ کے راستے میں جہاد کرے ‘ جہاد ہی کی نیت سے نکلے ‘ اللہ کے کلام ( اس کے وعدے ) کو سچ جان کر ‘ تو اللہ اس کا ضامن ہے۔

یا تو اللہ تعالیٰ اس کو شہید کر کے جنت میں لے جائے گا ‘ یا اس کو ثواب اور غنیمت کا مال دلا کر اس کے گھر لوٹا لائے گا۔“

Telah bercerita kepada kami [Isma'il] berkata telah bercerita kepadaku [Malik] dari [Abu Az Zanad] dari [Al A'roj] dari [Abu Hurairah radliallahu 'anhu] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Allah menjamin bagi siapa yang berjihad di jalan-Nya, tak ada niyat bagi orang itu untuk berangkat selain untuk berjihad di jalan-Nya dan membenarkan kalimat-Nya, agar untuk memasukkannya ke dalam surga atau Allah mengembalikannya ke tempat tinggalnya yang ia tinggalkan dengan membawa pulang pahala atau ghanimah

Ebu Hureyre r.a.'in naklettiğine göre Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurmuştur: "Allah Teala, kendisinin yolunda cihad'a çıkarken maksadı sadece Allah yolunda cihad ve Allah'ın kelimelerini tasdik etmek olan kimseleri cennete sokacağını veya elde ettikleri mükafat ya da ganimetle sağ salim evlerine geri döndüreceğini vaad etmiştir

3124Abu HurayrahSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله عنه

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «غَزَا نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ فَقَالَ لِقَوْمِهِ لَا يَتْبَعْنِي رَجُلٌ مَلَكَ بُضْعَ امْرَأَةٍ وَهْوَ يُرِيدُ أَنْ يَبْنِيَ بِهَا وَلَمَّا يَبْنِ بِهَا، وَلَا أَحَدٌ بَنَى بُيُوتًا وَلَمْ يَرْفَعْ سُقُوفَهَا، وَلَا أَحَدٌ اشْتَرَى غَنَمًا أَوْ خَلِفَاتٍ وَهْوَ يَنْتَظِرُ وِلَادَهَا.

فَغَزَا فَدَنَا مِنَ الْقَرْيَةِ صَلَاةَ الْعَصْرِ أَوْ قَرِيبًا مِنْ ذَلِكَ فَقَالَ لِلشَّمْسِ إِنَّكِ مَأْمُورَةٌ وَأَنَا مَأْمُورٌ، اللَّهُمَّ احْبِسْهَا عَلَيْنَا. فَحُبِسَتْ، حَتَّى فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ، فَجَمَعَ الْغَنَائِمَ، فَجَاءَتْ يَعْنِي النَّارَ لِتَأْكُلَهَا، فَلَمْ تَطْعَمْهَا، فَقَالَ: إِنَّ فِيكُمْ غُلُولاً، فَلْيُبَايِعْنِي مِنْ كُلِّ قَبِيلَةٍ رَجُلٌ. …

فَلَزِقَتْ يَدُ رَجُلٍ بِيَدِهِ فَقَالَ فِيكُمُ الْغُلُولُ. فَلْتُبَايِعْنِي قَبِيلَتُكَ، فَلَزِقَتْ يَدُ رَجُلَيْنِ أَوْ ثَلَاثَةٍ بِيَدِهِ فَقَالَ فِيكُمُ الْغُلُولُ، فَجَاءُوا بِرَأْسٍ مِثْلِ رَأْسِ بَقَرَةٍ مِنَ الذَّهَبِ فَوَضَعُوهَا، فَجَاءَتِ النَّارُ فَأَكَلَتْهَا، ثُمَّ أَحَلَّ اللَّهُ لَنَا الْغَنَائِمَ، رَأَى ضَعْفَنَا وَعَجْزَنَا فَأَحَلَّهَا لَنَا»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “A prophet amongst the prophets carried out a holy military expedition, so he said to his followers, ‘Anyone who has married a woman and wants to consummate the marriage, and has not done so yet, should not accompany me; nor should a man who has built a house but has not completed its roof; nor a man who has sheep or shecamels and is waiting for the birth of their young ones.’

So, the prophet carried out the expedition and when he reached that town at the time or nearly at the time of the Asr prayer, he said to the sun, ‘O sun! You are under Allah’s Order and I am under Allah’s Order O Allah! Stop it (i.e. the sun) from setting.’ It was stopped till Allah made him victorious. Then he collected the booty and the fire came to burn it, but it did not burn it. …

He said (to his men), ‘Some of you have stolen something from the booty. So one man from every tribe should give me a pledge of allegiance by shaking hands with me.’ (They did so and) the hand of a man got stuck over the hand of their prophet.

Then that prophet said (to the man), ‘The theft has been committed by your people. So all the persons of your tribe should give me the pledge of allegiance by shaking hands with me.’ The hands of two or three men got stuck over the hand of their prophet and he said, ‘You have committed the theft.’ Then they brought a head of gold like the head of a cow and put it there, and the fire came and consumed the booty.

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) added: Then Allah saw our weakness and disability, so he made booty legal for us.”

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোন একজন নবী জিহাদ করেছিলেন। তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, এমন কোন ব্যক্তি আমার অনুসরণ করবে না, যে কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে এবং তার সঙ্গে মিলিত হবার ইচ্ছা রাখে, কিন্তু সে এখনো মিলিত হয়নি। এমন ব্যক্তিও না যে ঘর তৈরি করেছে কিন্তু তার ছাদ তোলেনি।

আর এমন ব্যক্তিও না যে গর্ভবতী ছাগল বা উটনী কিনেছে এবং সে তার প্রসবের অপেক্ষায় আছে। অতঃপর তিনি জিহাদে গেলেন এবং ‘আসরের সালাতের সময় কিংবা এর কাছাকাছি সময়ে একটি জনপদের নিকটে আসলেন। …

তখন তিনি সূর্যকে বললেন, তুমিও আদেশ পালনকারী আর আমিও আদেশ পালনকারী। হে আল্লাহ্! সূর্যকে থামিয়ে দিন। তখন তাকে থামিয়ে দেয়া হল। অবশেষে আল্লাহ তাকে বিজয় দান করেন। অতঃপর তিনি গানীমাত একত্র করলেন। তখন সেগুলো জ্বালিয়ে দিতে আগুন এল কিন্তু আগুন তা জ্বালিয়ে দিল না।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে (গানীমাতের) আত্মসাৎকারী রয়েছে। প্রত্যেক গোত্র হতে একজন যেন আমার নিকট বায়‘আত করে। সে সময় একজনের হাত নবীর হাতের সঙ্গে আটকে গেল।

তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যেই আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমার গোত্রের লোকেরা যেন আমার নিকট বায়‘আত করে। এ সময় দু’ ব্যক্তির বা তিন ব্যক্তির হাত তাঁর হাতের সঙ্গে আটকে গেল।

তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যেই আত্মসাৎকারী রয়েছে। অবশেষে তারা একটি গাভীর মস্তক পরিমাণ স্বর্ণ উপস্থিত করল এবং তা রেখে দিল। অতঃপর আগুন এসে তা জ্বালিয়ে ফেলল। অতঃপর আল্লাহ আমাদের জন্য গানীমাত হালাল করে দিলেন এবং আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা লক্ষ্য করে তা আমাদের জন্য তা হালাল করে দিলেন। (৫১৫৭) (মুসলিম ৩২/১১ হাঃ ১৭৪৭, আহমাদ ৮২৪৫)

ہم سے محمد بن علاء نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے عبداللہ بن مبارک نے بیان کیا ‘ ان سے معمر نے ‘ ان سے ہمام بن منبہ نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”بنی اسرائیل کے پیغمبروں میں سے ایک نبی ( یوشع علیہ السلام ) نے غزوہ کرنے کا ارادہ کیا تو اپنی قوم سے کہا کہ میرے ساتھ کوئی ایسا شخص جس نے ابھی نئی شادی کی ہو اور بیوی کے ساتھ رات بھی نہ گزاری ہو اور وہ رات گزارنا چاہتا ہو اور وہ شخص جس نے گھر بنایا ہو اور ابھی اس کی چھت نہ رکھی ہو اور وہ شخص جس نے حاملہ بکری یا حاملہ اونٹنیاں خریدی ہوں اور اسے ان کے بچے جننے کا انتظار ہو تو ( ایسے لوگوں میں سے کوئی بھی ) ہمارے ساتھ جہاد میں نہ چلے۔

پھر انہوں نے جہاد کیا ‘ اور جب اس آبادی ( اریحا ) سے قریب ہوئے تو عصر کا وقت ہو گیا یا اس کے قریب وقت ہوا۔ انہوں نے سورج سے فرمایا کہ تو بھی اللہ کا تابع فرمان ہے اور میں بھی اس کا تابع فرمان ہوں۔ اے اللہ! ہمارے لیے اسے اپنی جگہ پر روک دے۔ چنانچہ سورج رک گیا ‘ یہاں تک کہ اللہ تعالیٰ نے انہیں فتح عنایت فرمائی۔ …

پھر انہوں نے اموال غنیمت کو جمع کیا اور آگ اسے جلانے کے لیے آئی لیکن جلا نہ سکی ‘ اس نبی نے فرمایا کہ تم میں سے کسی نے مال غنیمت میں چوری کی ہے۔ اس لیے ہر قبیلہ کا ایک آدمی آ کر میرے ہاتھ پر بیعت کرے ( جب بیعت کرنے لگے تو ) ایک قبیلہ کے شخص کا ہاتھ ان کے ہاتھ سے چمٹ گیا۔

انہوں نے فرمایا ‘ کہ چوری تمہارے قبیلہ ہی والوں نے کی ہے۔ اب تمہارے قبیلے کے سب لوگ آئیں اور بیعت کریں۔ چنانچہ اس قبیلے کے دو تین آدمیوں کا ہاتھ اس طرح ان کے ہاتھ سے چمٹ گیا ‘ تو آپ نے فرمایا کہ چوری تمہیں لوگوں نے کی ہے۔ ( آخر چوری مان لی گئی ) اور وہ لوگ گائے کے سر کی طرح سونے کا ایک سر لائے ( جو غنیمت میں سے چرا لیا گیا تھا ) اور اسے مال غنیمت میں رکھ دیا ‘ تب آگ آئی اور اسے جلا گئی ‘ پھر غنیمت اللہ تعالیٰ نے ہمارے لیے جائز قرار دے دی ‘ ہماری کمزوری اور عاجزی کو دیکھا۔ اس لیے ہمارے واسطے حلال قرار دے دی۔

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Al 'Alaa'] telah bercerita kepada kami [Ibnu Al Mubarak] dari [Ma'mar] dari [Hammam bin Munabbih] dari [Abu Hurairah Radliallahu 'anhu] berkata; Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam bersabda: "Ada seorang Nabi diantara para Nabi yang berperang lalu berkata kepada kaumnya; "Janganlah mengikuti aku seseorang yang baru saja menikahi wanita sedangkan dia hendak menyetubuhinya karena dia belum lagi menyetubuhinya (sejak malam pertama), dan jangan pula seseorang yang membangun rumah-rumah sedang dia belum memasang atap-atapnya, dan jangan pula seseorang yang membeli seekor kambing atau seekor unta yang bunting sedang dia menanti-nanti hewan itu beranak".

Maka Nabi tersebut berperang dan ketika sudah hampir mendekati suatu kampung datang waktu shalat 'Ashar atau sekitar waktu itu lalu Nabi itu berkata kepada matahari; "Kamu adalah hamba yang diperintah begitu juga aku hamba yang diperintah. Ya Allah tahanlah matahari ini untuk kami. Maka matahari itu tertahan (berhenti beredar) hingga Allah memberikan kemenangan kepada Nabi tersebut. …

Kemudian Nabi tersebut mengumpulkan ghanimah lalu tak lama kemudian datanglah api untuk memakan (menghanguskannya) namun api itu tidak dapat memakannya. Maka Nabi tersebut berkata; "Sungguh diantara kalian ada yang berkhiyanat (mencuri ghanimah) untuk itu hendaklah dari setiap suku ada seorang yang berbai'at kepadaku. Maka ada tangan seorang laki-laki yang melekat (berjabatan tangan) dengan tangan Nabi tersebut lalu Nabi tersebut berkata; "Dikalangan sukumu ada orang yang mencuri ghanimah maka hendaklah suku kamu berbai'at kepadaku.

Maka tangan dua atau tiga orang laki-laki suku itu berjabatan tangan dengan tangan Nabi tersebut lalu Nabi tersebut berkata; "Di kalangan sukumu ada orang yang mencuri ghanimah". Maka mereka datang dengan membawa emas sebesar kepala sapi lalu meletakkannya' Kemudian datanglah api lalu menghanguskannya. Kemudian Allah menghalalkan ghanimah untuk kita karena Allah melihat kelemahan dan ketidak mampuan kita sehingga Dia menghalalkannya untuk kita

Ebu Hureyre r.a.'den nakledildiğine göre Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurmuştur: "Nebilerden birisi savaşa çıkarken kavmine şunları söyledi: "Kendisiyle cima'da bulunmak istediği bir hanım ı olup henüz cima'da bulunmayan kimseler benimle birlikte savaşa gelmesin! Kendisine ev inşa edip de henüz çatısını kurmayan kimseler benim arkamdan gelmesin!

Bir davar ya da deve sürüsü satın alıp bunların yavrulamasını bekleyenler de peşimden gelmesin." Sonra o Nebi kendisiyle gelebilecek durumda olanlarla birlikte savaşa çıktı. İkindi namazı vaktinde veya buna yakın bir vakitte savaşacakları yerleşim merkezine yaklaştılar. …

Bu Nebi güneşe şöyle dedi: "Sen Allah'ın emrini yerine getirmekle görevlisin ben de aynı şekilde Allah tarafından görevlendirildim. Allahım, güneşi üzerimizde tut!" Bunun üzerine güneş batmadan bekletildi ve Allah Teala onlara fetih nasip etti. Sonra ele geçirilen ganimetler toplandı ve ganimetleri yakıp yokedecek ateş geldi fakat bunları yok etmedi.

Bunu gören Nebi: "İçinizde ganimetten mal aşıranlar var. Her kabileden bir kişi gelip bana beyat etsin!" Beyat için geldiler ve birisinin eli Nebi'in eline yapıştı. O Nebi: "Ganimetten mal aşıranlar sizin kabilenizden!

Senin kabilendeki herkes bana beyat etsin" dedi. Beyat başlayınca iki veya üç kişinin eli Nebi'in eline yapıştı. Bu Nebi: "Ganimeti aşıranlar sizlersiniz!" dedi. Onlar da altından bir inek başı getirip oraya koydular. Bunun üzerine ateş gelip ganimetleri yok etti. Fakat Allah Teala daha sonra ganimetleri bize helal kıldı. Bizim zayıflığımızı ve acziyetimizi gördüğü için ganimetleri bize helal kıldı

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ

قَالَ: قَالَ عُمَرُ رضى الله عنه لَوْلَا آخِرُ الْمُسْلِمِينَ مَا فَتَحْتُ قَرْيَةً إِلاَّ قَسَمْتُهَا بَيْنَ أَهْلِهَا كَمَا قَسَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْبَرَ

Umar said, “Were it not for those Muslims who have not come to existence yet, I would have distributed (the land of) every town I conquer among the fighters as the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) distributed the land of Khaibar.”

যায়দ ইবনু আসলাম (রহ.)-এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, যদি পরবর্তী মুসলিমদের ব্যাপার না হতো, তবে যে জনপদই বিজিত হতো, তাই আমি সেই জনপদবাসীদের মধ্যে বণ্টন করে দিতাম, যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার এলাকা বণ্টন করে দিয়েছিলেন। (২৩৩৪)

ہم سے صدقہ بن فضل نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو عبدالرحمٰن بن مہدی نے خبر دی ‘ انہیں امام مالک نے ‘ انہیں زید بن اسلم نے ‘ انہیں ان کے والد نے کہ عمر رضی اللہ عنہ نے فرمایا ”اگر مسلمانوں کی آنے والی نسلوں کا خیال نہ ہوتا تو جو شہر بھی فتح ہوتا میں اسے فاتحوں میں اسی طرح تقسیم کر دیا کرتا جس طرح نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے خیبر کی تقسیم کی تھی۔“

Telah bercerita kepada kami [Shadaqah] telah mengabarkan kepada kami ['Abdur Rahman] dari [Malik] dari [Zaid bin Aslam] dari [bapaknya] berkata, ['Umar bin radliallahu 'anhu] berkata; "Kalaulah tidak (memikirkan) Kaum Muslimin yang lain tentulah aku sudah membagi-bagikan setiap wilayah yang aku taklukan sebagaimana Nabi Shallallahu'alaihiwasallam telah membagi-bagikan tanah Khoibar

Hz. Ömer şöyle demiştir: "Sonraki Müslüman nesilleri düşünmeseydim Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in Hayber'i paylaştırdığı gibi ben de fethettiğim her yeri savaşçılara anında paylaştırırdım

3126Abu Musa al-AshariSahih

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ رضى الله عنه

قَالَ: قَالَ أَعْرَابِيٌّ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلْمَغْنَمِ، وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِيُذْكَرَ، وَيُقَاتِلُ لِيُرَى مَكَانُهُ، مَنْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَقَالَ: «مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهْوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»

A bedouin asked the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), “A man may fight for the sake of booty, and another may fight so that he may be mentioned by the people, and a third may fight to show his position (i.e. bravery); which of these is regarded as fighting in Allah’s Cause?” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “He who fights so that Allah’s Word (i.e. Islam) should be superior, fights for Allah’s Cause.”

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করল যে, কেউ যুদ্ধ করে গানীমাত লাভের জন্য, কেউ যুদ্ধ করে খ্যাতি অর্জনের উদ্দেশে আর যুদ্ধ করে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য, এদের মধ্যে কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করল?’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা উচ্চ করার উদ্দেশে জিহাদ করে, সেই আল্লাহর রাহে জিহাদকারী।’ (১২৩)

ہم سے محمد بن بشار نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے غندر نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے شعبہ نے ‘ ان سے عمرو بن مرہ نے بیان کیا ‘ انہوں نے ابووائل سے سنا ‘ انہوں نے بیان کیا کہ ہم سے ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ ایک اعرابی ( لاحق بن ضمیرہ باہلی ) نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے پوچھا ایک شخص ہے جو غنیمت حاصل کرنے کے لیے جہاد میں شریک ہوا ‘ ایک شخص ہے جو اس لیے شرکت کرتا ہے کہ اس کی بہادری کے چرچے زبانوں پر آ جائیں ‘ ایک شخص اس لیے لڑتا ہے کہ اس کی دھاک بیٹھ جائے ‘ تو ان میں سے اللہ کے راستے میں کون سا ہو گا؟

آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جو شخص جنگ میں شرکت اس لیے کرے تاکہ اللہ کا کلمہ ( دین ) ہی بلند رہے۔ فقط وہی اللہ کے راستے میں ہے۔

Telah bercerita kepadaku [Muhammad bin Basysyar] telah bercerita kepada kami [Ghundar] telah bercerita kepada kami [Syu'bah] dari ['Amru] berkata aku mendengar [Abu Wa'il] berkata telah bercerita kepadaku [Abu Musa Al Asy'ariy radliallahu 'anhu] berkata; "Ada seorang Arab Baduy berkata kepada Nabi Shallallahu'alaihiwasallam: " Ada seseorang berperang untuk mendapatkan ghanimah, seseorang yang lain agar menjadi terkenal dan seseorang yang lain lagi untuk dilihat kedudukannya, manakah yang disebut fii sabilillah?".

Maka Beliau bersabda: "Siapa yang berperang untuk meninggikan kalimat Allah dialah yang disebut fii sabilillah

Ebu Musa el-Eş'ari r.a.'in naklettiğine göre bir bedevı Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e gelerek: "Bir adam ganimet elde etmek için, diğeri nam salmak için, bir başkası da ne kadar cesur olduğunu göstermek için savaşıyor. Bunlardan hangisi Allah Teala yolundadır?" diye sordu. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ona şöyle cevap verdi: "Kim Allah'ın sözü (.....) en üstün olsun diye savaşıyorsa o Allah yolundadır

3127Ibn Abi MulaykahSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ

أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُهْدِيَتْ لَهُ أَقْبِيَةٌ مِنْ دِيبَاجٍ مُزَرَّرَةٌ بِالذَّهَبِ، فَقَسَمَهَا فِي نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِهِ، وَعَزَلَ مِنْهَا وَاحِدًا لِمَخْرَمَةَ بْنِ نَوْفَلٍ، فَجَاءَ وَمَعَهُ ابْنُهُ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ، فَقَامَ عَلَى الْبَابِ فَقَالَ ادْعُهُ لِي.

فَسَمِعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَوْتَهُ فَأَخَذَ قَبَاءً فَتَلَقَّاهُ بِهِ وَاسْتَقْبَلَهُ بِأَزْرَارِهِ فَقَالَ: «يَا أَبَا الْمِسْوَرِ، خَبَأْتُ هَذَا لَكَ، يَا أَبَا الْمِسْوَرِ، خَبَأْتُ هَذَا لَكَ». وَكَانَ فِي خُلُقِهِ شِدَّةٌ. وَرَوَاهُ ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ قَالَ حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ قَدِمَتْ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبِيَةٌ. تَابَعَهُ اللَّيْثُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ

Some silken cloaks with golden buttons were presented to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam). He distributed them amongst his companions and kept one for Makhrama, ibn Naufal. Later on Makhrama came along with his son Al-Miswar ibn Makhramah, and stood up at the gate and said (to his son).

“Call him (i.e. the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) to me.” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) heard his voice, took a silken cloak and brought it to him, placing those golden buttons in front of him saying, “O Abu-al-Miswar! I have kept this aside for you! O Abu-al Miswar! I have kept this aside for you!” Makhrama was a bad-tempered man.

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সোনালী কারুকার্য খচিত কিছু রেশমী কাবা জাতীয় পোষাক হাদিয়া দেয়া হল। তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্য হতে কয়েকজনকে তা বণ্টন করে দেন এবং তা হতে একটি কাবা মাখরামাহ ইবনু নাওফাল (রাঃ)-এর জন্য আলাদা করে রাখেন। অতঃপর মাখরামাহ (রাঃ) তাঁর পুত্র মিস্ওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়ালেন আর বললেন, তাঁকে আমার জন্য আহবান কর।

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি একটি কাবা নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আর এর কারুকার্য খচিত অংশ তার সম্মুখে তুলে ধরে বললেন, হে আবুল মিসওয়ার! আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আর মাখরামাহ (রাঃ)-এর স্বভাবে কিছুটা রুঢ়তা ছিল। এ হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু উলাইয়া (রহ.)-ও আইউব (রহ.) নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।

আর হাতিম ইবনু ওয়ারদান (রহ.) বলেন, আইউব (রহ.) ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) সূত্রে মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন যে, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কয়েকটি কাবা জাতীয় পোষাক এসেছিল। লাইস (রহ.) ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) নিকট হতে হাদীস বর্ণনায় আইয়ুব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (২৫৯৯)

ہم سے عبداللہ بن عبدالوہاب نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ‘ ان سے ایوب سختیانی نے اور ان سے عبداللہ بن ابی ملیکہ نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں دیبا کی کچھ قبائیں تحفہ کے طور پر آئی تھیں۔ جن میں سونے کی گھنڈیاں لگی ہوئی تھیں ‘ انہیں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنے چند اصحاب میں تقسیم فرما دیا اور ایک قباء مخرمہ بن نوفل رضی اللہ عنہ کے لیے رکھ لی۔

پھر مخرمہ رضی اللہ عنہ آئے اور ان کے ساتھ ان کے صاحبزادے مسور بن مخرمہ رضی اللہ عنہ بھی تھے۔ آپ دروازے پر کھڑے ہو گئے اور کہا کہ میرا نام لے کر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کو بلا لا۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان کی آواز سنی تو قباء لے کر باہر تشریف لائے اور اس کی گھنڈیاں ان کے سامنے کر دیں۔

پھر فرمایا: ابومسور! یہ قباء میں نے تمہارے لیے چھپا کر رکھ لی تھی۔ مخرمہ رضی اللہ عنہ ذرا تیز طبیعت کے آدمی تھے۔ ابن علیہ نے ایوب کے واسطے سے یہ حدیث ( مرسلاً ہی ) روایت کی ہے۔ اور حاتم بن وردان نے بیان کیا کہ ہم سے ایوب نے بیان کیا ‘ ان سے ابن ابی ملیکہ نے ان سے مسور رضی اللہ عنہ نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے یہاں کچھ قبائیں آئیں تھیں ‘ اس روایت کی متابعت لیث نے ابن ابی ملیکہ سے کی ہے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin 'Abdul Wahhab] telah bercerita kepada kami [Hammad bin Zaid] dari [Ayub] dari ['Abdullah bin Abi Mulaikah] bahwa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam dihadiahi beberapa potong baju terbuat dari sutera yang berkancing emas lalu Beliau membagi-bagikannya kepada orang-orang dari shahabat Beliau dan menyisakan satu potong untuk Makhramah bin Naufal.

Maka dia datang bersama anaknya, [Al Miswar bin Makhramah] lalu berdiri di depan pintu seraya berkata; "Panggilkan Beliau untukku" Nabi Shallallahu'alaihiwasallam mendengar suaranya lalu Beliau mengambil baju yang tersisa, dan beliau berikan kepadanya seraya memperlihatkan kebagusan baju tersebut serta berkata: "Wahai, Abu Al Miswar, sengaja aku sisakan untukmu, wahai, Abu Al Miswar, sengaja aku sisakan untukmu".

Abu Al Miswar memang tabi'at suaranya keras. Dan [Ibnu 'Ulayyah] meriwayatkan dari [Ayyub]. Dan berkata [Hatim bin Wardan] telah bercerita kepada kami [Ayub] dari [Ibnu Abi Mulaikah] dari [Al Miswar bin Makhramah]; "Kepada Nabi Shallallahu'alaihiwasallam didatangkan beberapa potong baju". Hadits ini diikuti pula oleh [Al Laits] dari [Ibnu Abi Mulaikah]

Abdullah İbn Ebi Müleyke'den nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e altınla işlenmiş ipek kumaştan yapılmış elbiseler hediye edilmişti. O s.a.v. de bunları ashabına paylaştırdı ve bir tanesini de Mahreme İbn Nevfel'e ayırdı. Mahreme oğlu Misver İbn Mahreme ile birlikte gelip kapıda durdu ve Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'i kasdederek: "O'nu bana çağırın!"

dedi. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem onun sesini duydu ve ayırdığı elbiseyi alıp onu karşıladı. Elbiseyi göstererek: "Ey Misver'in babası bak bunu sana ayırdım, ey Misver'in babası bak işte bunu sana sakladım" buyurdu. Bu Mahreme'nin biraz sert bir tabiatı vardı

3128Anas ibn MalikSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضى الله عنه

يَقُولُ كَانَ الرَّجُلُ يَجْعَلُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّخَلَاتِ حَتَّى افْتَتَحَ قُرَيْظَةَ وَالنَّضِيرَ، فَكَانَ بَعْدَ ذَلِكَ يَرُدُّ عَلَيْهِمْ

People used to give some of their datepalms to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) (as a gift), till he conquered Bani Quraiza and Bani An-Nadir, whereupon he started returning their favors.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য কিছু খেজুর গাছ নির্দিষ্ট করতেন কুরায়যা ও নাযীরের উপর বিজয় লাভ করা পর্যন্ত। অতঃপর তিনি সে গাছগুলো তাদের ফেরত দিয়ে দেন। (২৬৩০)

ہم سے عبداللہ بن ابی الاسود نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے معتمر نے بیان کیا ‘ ان سے ان کے باپ سلیمان نے ‘ انہوں نے انس بن مالک رضی اللہ عنہ سے سنا ‘ انہوں نے بیان کیا کہ صحابہ ( انصار ) کچھ کھجور کے درخت نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں بطور تحفہ دے دیا کرتے تھے لیکن جب اللہ تعالیٰ نے بنو قریظہ اور بنو نضیر کے قبائل پر فتح دی تو نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم اس کے بعد اس طرح کے ہدایا واپس فرما دیا کرتے تھے۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Abu Al Aswad] telah bercerita kepada kami [Mu'tamir] dari [bapaknya] berkata aku mendengar [Anas bin Malik radliallahu 'anhu] berkata; Ada seseorang yang meminta disegerakan bagian kebun kurma. Ketika suku Quraizhah dan an-Nadlir dapat ditaklukan, orang itu mengembalikan kepada mereka (kaum Anshar)

Enes İbn Malik r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Önceden Ensar'dan birisi, ihtiyaçları ve beklenmedik giderlerine kullanması için Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e hurma bahçelerinin gelirlerinden hediye verirdi. Fakat Kureyza oğullarının kalesi fethedilip toprakları ele geçirilince Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem kendisine yapılan bu harcamaların karşılığını iade etti

3129Abdullah ibn az-ZubayrSahih

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ

قَالَ قُلْتُ لأَبِي أُسَامَةَ أَحَدَّثَكُمْ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ لَمَّا وَقَفَ الزُّبَيْرُ يَوْمَ الْجَمَلِ دَعَانِي، فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَقَالَ: يَا بُنَىِّ، إِنَّهُ لَا يُقْتَلُ الْيَوْمَ إِلاَّ ظَالِمٌ أَوْ مَظْلُومٌ، وَإِنِّي لَا أُرَانِي إِلاَّ سَأُقْتَلُ الْيَوْمَ مَظْلُومًا، وَإِنَّ مِنْ أَكْبَرِ هَمِّي لَدَيْنِي، أَفَتُرَى يُبْقِي دَيْنُنَا مِنْ مَالِنَا شَيْئًا فَقَالَ: يَا بُنَىِّ بِعْ مَالَنَا فَاقْضِ دَيْنِي.

وَأَوْصَى بِالثُّلُثِ، وَثُلُثِهِ لِبَنِيهِ، يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ يَقُولُ ثُلُثُ الثُّلُثِ، فَإِنْ فَضَلَ مِنْ مَالِنَا فَضْلٌ بَعْدَ قَضَاءِ الدَّيْنِ شَىْءٌ فَثُلُثُهُ لِوَلَدِكَ. …

قَالَ هِشَامٌ وَكَانَ بَعْضُ وَلَدِ عَبْدِ اللَّهِ قَدْ وَازَى بَعْضَ بَنِي الزُّبَيْرِ خُبَيْبٌ وَعَبَّادٌ، وَلَهُ يَوْمَئِذٍ تِسْعَةُ بَنِينَ وَتِسْعُ بَنَاتٍ.

قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَجَعَلَ يُوصِينِي بِدَيْنِهِ وَيَقُولُ: «يَا بُنَىِّ، إِنْ عَجَزْتَ عَنْهُ فِي شَىْءٍ فَاسْتَعِنْ عَلَيْهِ مَوْلَاىَ. قَالَ فَوَاللَّهِ مَا دَرَيْتُ مَا أَرَادَ حَتَّى قُلْتُ: يَا أَبَتِ مَنْ مَوْلَاكَ قَالَ اللَّهُ.

قَالَ فَوَاللَّهِ مَا وَقَعْتُ فِي كُرْبَةٍ مِنْ دَيْنِهِ إِلاَّ قُلْتُ: يَا مَوْلَى الزُّبَيْرِ، اقْضِ عَنْهُ دَيْنَهُ. فَيَقْضِيهِ، فَقُتِلَ الزُّبَيْرُ رضى الله عنه وَلَمْ يَدَعْ دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا، إِلاَّ أَرَضِينَ مِنْهَا الْغَابَةُ، وَإِحْدَى عَشْرَةَ دَارًا بِالْمَدِينَةِ، وَدَارَيْنِ بِالْبَصْرَةِ، وَدَارًا بِالْكُوفَةِ، وَدَارًا بِمِصْرَ.

قَالَ وَإِنَّمَا كَانَ دَيْنُهُ الَّذِي عَلَيْهِ أَنَّ الرَّجُلَ كَانَ يَأْتِيهِ بِالْمَالِ فَيَسْتَوْدِعُهُ إِيَّاهُ فَيَقُولُ الزُّبَيْرُ لَا وَلَكِنَّهُ سَلَفٌ، فَإِنِّي أَخْشَى عَلَيْهِ الضَّيْعَةَ، وَمَا وَلِيَ إِمَارَةً قَطُّ وَلَا جِبَايَةَ خَرَاجٍ وَلَا شَيْئًا، إِلاَّ أَنْ يَكُونَ فِي غَزْوَةٍ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ مَعَ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ رضى الله عنهم قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ فَحَسَبْتُ مَا عَلَيْهِ مِنَ الدَّيْنِ فَوَجَدْتُهُ أَلْفَىْ أَلْفٍ وَمِائَتَىْ أَلْفٍ قَالَ فَلَقِيَ حَكِيمُ بْنُ حِزَامٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ: يَا ابْنَ أَخِي،

كَمْ عَلَى أَخِي مِنَ الدَّيْنِ فَكَتَمَهُ. فَقَالَ مِائَةُ أَلْفٍ. فَقَالَ حَكِيمٌ وَاللَّهِ مَا أُرَى أَمْوَالَكُمْ تَسَعُ لِهَذِهِ. فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ أَفَرَأَيْتَكَ إِنْ كَانَتْ أَلْفَىْ أَلْفٍ وَمِائَتَىْ أَلْفٍ قَالَ: مَا أُرَاكُمْ تُطِيقُونَ هَذَا، فَإِنْ عَجَزْتُمْ عَنْ شَىْءٍ مِنْهُ فَاسْتَعِينُوا بِي.

قَالَ وَكَانَ الزُّبَيْرُ اشْتَرَى الْغَابَةَ بِسَبْعِينَ وَمِائَةِ أَلْفٍ، فَبَاعَهَا عَبْدُ اللَّهِ بِأَلْفِ أَلْفٍ وَسِتِّمِائَةِ أَلْفٍ ثُمَّ قَامَ فَقَالَ: مَنْ كَانَ لَهُ عَلَى الزُّبَيْرِ حَقٌّ فَلْيُوَافِنَا بِالْغَابَةِ، فَأَتَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، وَكَانَ لَهُ عَلَى الزُّبَيْرِ أَرْبَعُمِائَةِ أَلْفٍ فَقَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ إِنْ شِئْتُمْ تَرَكْتُهَا لَكُمْ.

قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَا. قَالَ: فَإِنْ شِئْتُمْ جَعَلْتُمُوهَا فِيمَا تُؤَخِّرُونَ إِنْ أَخَّرْتُمْ. فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَا. قَالَ: قَالَ فَاقْطَعُوا لِي قِطْعَةً.

فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَكَ مِنْ هَا هُنَا إِلَى هَا هُنَا. قَالَ فَبَاعَ مِنْهَا فَقَضَى دَيْنَهُ فَأَوْفَاهُ، وَبَقِيَ مِنْهَا أَرْبَعَةُ أَسْهُمٍ وَنِصْفٌ، فَقَدِمَ عَلَى مُعَاوِيَةَ وَعِنْدَهُ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ وَالْمُنْذِرُ بْنُ الزُّبَيْرِ وَابْنُ زَمْعَةَ فَقَالَ لَهُ مُعَاوِيَةُ كَمْ قُوِّمَتِ الْغَابَةُ قَالَ: كُلُّ سَهْمٍ مِائَةَ أَلْفٍ.

قَالَ كَمْ بَقِيَ قَالَ أَرْبَعَةُ أَسْهُمٍ وَنِصْفٌ. قَالَ الْمُنْذِرُ بْنُ الزُّبَيْرِ قَدْ أَخَذْتُ سَهْمًا بِمِائَةِ أَلْفٍ. قَالَ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ قَدْ أَخَذْتُ سَهْمًا بِمِائَةِ أَلْفٍ.

وَقَالَ ابْنُ زَمْعَةَ قَدْ أَخَذْتُ سَهْمًا بِمِائَةِ أَلْفٍ. فَقَالَ مُعَاوِيَةُ كَمْ بَقِيَ فَقَالَ سَهْمٌ وَنِصْفٌ. قَالَ أَخَذْتُهُ بِخَمْسِينَ وَمِائَةِ أَلْفٍ.

قَالَ وَبَاعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ نَصِيبَهُ مِنْ مُعَاوِيَةَ بِسِتِّمِائَةِ أَلْفٍ، فَلَمَّا فَرَغَ ابْنُ الزُّبَيْرِ مِنْ قَضَاءِ دَيْنِهِ قَالَ بَنُو الزُّبَيْرِ اقْسِمْ بَيْنَنَا مِيرَاثَنَا.

قَالَ لَا، وَاللَّهِ لَا أَقْسِمُ بَيْنَكُمْ حَتَّى أُنَادِيَ بِالْمَوْسِمِ أَرْبَعَ سِنِينَ أَلَا مَنْ كَانَ لَهُ عَلَى الزُّبَيْرِ دَيْنٌ فَلْيَأْتِنَا فَلْنَقْضِهِ.

قَالَ فَجَعَلَ كَلَّ سَنَةٍ يُنَادِي بِالْمَوْسِمِ، فَلَمَّا مَضَى أَرْبَعُ سِنِينَ قَسَمَ بَيْنَهُمْ قَالَ فَكَانَ لِلزُّبَيْرِ أَرْبَعُ نِسْوَةٍ، وَرَفَعَ الثُّلُثَ، فَأَصَابَ كُلَّ امْرَأَةٍ أَلْفُ أَلْفٍ وَمِائَتَا أَلْفٍ، فَجَمِيعُ مَالِهِ خَمْسُونَ أَلْفَ أَلْفٍ وَمِائَتَا أَلْفٍ»

When Az-Zubayr got up during the battle of Al-Jamal, he called me and I stood up beside him, and he said to me, “O my son! Today one will be killed either as an oppressor or as an oppressed one. I see that I will be killed as an oppressed one. My biggest worry is my debts. Do you think, if we pay the debts, there will be something left for us from our money?”

Az-Zubayr added, “O my son! Sell our property and pay my debts.” Az-Zubayr then willed one-third of his property and willed one-third of that portion to his sons; namely, Abdullah’s sons. …

He said, “One-third of the one third. If any property is left after the payment of the debts, one-third (of the one-third of what is left) is to be given to your sons.”

(Hisham, a sub-narrator added, “Some of the sons of Abdullah were equal in age to the sons of Az-Zubayr e.g. Khubaib and Abbas. Abdullah had nine sons and nine daughters at that time.”

(The narrator Abdullah added:) My father (Az-Zubayr) went on drawing my attention to his debts saying, “If you should fail to pay part of the debts, appeal to my Master to help you.” By Allah!

I could not understand what he meant till I asked, “O father! Who is your Master?” He replied, “Allah (is my Master).” By Allah, whenever I had any difficulty regarding his debts, I would say, “Master of Az-Zubayr! Pay his debts on his behalf.” and Allah would (help me to) pay it. Az-Zubayr was martyred leaving no Dinar or Dirham but two pieces of land, one of which was (called) Al-Ghaba, and eleven houses in Medina, two in Basra, one in Kufa and one in Egypt.

In fact, the source of the debt which he owed was, that if somebody brought some money to deposit with him. Az-Zubayr would say, “No, (i won’t keep it as a trust), but I take it as a debt, for I am afraid it might be lost.” Az-Zubayr was never appointed governor or collector of the tax of Kharaj or any other similar thing, but he collected his wealth (from the war booty he gained) during the holy battles he took part in, in the company of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), Abu Bakr, Umar, and Uthman.

(Abdullah ibn az-Zubayr added:) When I counted his debt, it turned to be two million and two hundred thousand. (The sub-narrator added:) Hakim ibn Hizam met Abdullah ibn az-Zubayr and asked, “O my nephew! How much is the debt of my brother?”

Abdullah kept it as a secret and said, “One hundred thousand,” Hakim said, “By Allah! I don’t think your property will cover it.” On that Abdullah said to him, “What if it is two million and two hundred thousand?”

Hakim said, “I don’t think you can pay it; so if you are unable to pay all of it, I will help you.” Az-Zubayr had already bought Al-Ghaba for one hundred and seventy thousand. Abdullah sold it for one million and six hundred thousand. Then he called the people saying, “Any person who has any money claim on Az-Zubayr should come to us in Al-Ghaba.”

There came to him Abdullah ibn Jafar whom Az-Zubayr owed four hundred thousand. He said to Abdullah ibn az-Zubayr, “If you wish I will forgive you the debt.” Abdullah (ibn Az-Zubayr) said, “No.”

Then Ibn Jafar said, “If you wish you can defer the payment if you should defer the payment of any debt.” Ibn Az-Zubayr said, “No.” Abdullah ibn Jafar said, “Give me a piece of the land.”

Abdullah ibn az-Zubayr said (to him), “Yours is the land extending from this place to this place.” So, Abdullah ibn az-Zubayr sold some of the property (including the houses) and paid his debt perfectly, retaining four and a half shares from the land (i.e. Al-Ghaba). He then went to Muawiyah while Amr ibn Uthman, Al-Mundhir ibn Az-Zubayr and Ibn Zama were sitting with him.

Muawiyah asked, “At what price have you appraised Al-Ghaba?” He said, “One hundred thousand for each share,” Muawiyah asked, “How many shares have been left?” Abdullah replied, “Four and a half shares.”

Al-Mundhir ibn Az-Zubayr said, “I would like to buy one share for one hundred thousand.” Amr ibn Uthman said, “I would like to buy one share for one hundred thousand.”

Ibn Zama said, “I would like to buy one share for one hundred thousand.” Muawiyah said, “How much is left now?” Abdullah replied, “One share and a half.” Muawiyah said, “I would like to buy it for one hundred and fifty thousand.” Abdullah also sold his part to Muawiyah for six hundred thousand. When Ibn Az-Zubayr had paid all the debts.

Az-Zubayr’s sons said to him, “Distribute our inheritance among us.” He said, “No, by Allah, I will not distribute it among you till I announce in four successive Hajj seasons, ‘Would those who have money claims on Az-Zubayr come so that we may pay them their debt.’ So, he started to announce that in public in every Hajj season, and when four years had elapsed, he distributed the inheritance among the inheritors.

Az-Zubayr had four wives, and after the one-third of his property was excluded (according to the will), each of his wives received one million and two hundred thousand. So the total amount of his property was fifty million and two hundred thousand.”

‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উষ্ট্র যুদ্ধের দিন যুবায়র (রাঃ) যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ করে আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম।

তিনি আমাকে বললেন, হে বৎস! আজকের দিন যালিম অথবা মাযলূম ব্যতীত কেউ নিহত হবে না। আমার মনে হয়, আমি আজ মাযলূম হিসেবে নিহত হব। আর আমি আমার ঋণ সম্পর্কে অধিক চিন্তিত। তুমি কি মনে কর যে, আমার ঋণ আদায় করার পর আমার সম্পদের কিছু অবশিষ্ট থাকবে? …

অতঃপর তিনি বললেন, হে পুত্র! আমার সম্পদ বিক্রয় করে আমার ঋণ পরিশোধ করে দিও। তিনি এক তৃতীয়াংশের ওসীয়্যত করেন। আর সেই এক তৃতীয়াংশের এক তৃতীয়াংশ ওয়াসিয়াত করেন তাঁর (আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়রের) পুত্রদের জন্য তিনি বললেন, এক তৃতীয়াংশকে তিন ভাগে বিভক্ত করবে ঋণ পরিশোধ করার পর যদি আমার সম্পদের কিছু উদ্বৃত্ত থাকে, তবে তার এক তৃতীয়াংশ তোমার পুত্রদের জন্য।

হিশাম (রহ.) বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর কোন কোন পুত্র যুবাইর (রাঃ)-এর পুত্রদের সমবয়সী ছিলেন। যেমন, খুবায়ের ও ‘আববাদ। আর মৃত্যুকালে তাঁর নয় পুত্র ও নয় কন্যা ছিল।

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি আমাকে তাঁর ঋণ সম্পর্কে ওসীয়্যত করছিলেন এবং বলছিলেন, হে পুত্র! যদি এ সবের কোন বিষয়ে তুমি অক্ষম হও, তবে এ ব্যাপারে আমার মাওলার সাহায্য চাইবে।

তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! আমি বুঝে উঠতে পারিনি যে, তিনি মাওলা দ্বারা কাকে উদ্দেশ্য করেছেন। অবশেষে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে পিতা! আপনার মাওলা কে? তিনি উত্তর দিলেন, আল্লাহ।

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমি যখনই তাঁর ঋণ আদায়ে কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি, তখনই বলেছি, হে যুবায়রের মাওলা! তাঁর পক্ষ হতে তাঁর ঋণ আদায় করে দিন। আর তাঁর করয শোধ হয়ে যেতো। অতঃপর যুবায়র (রাঃ) শহীদ হলেন এবং তিনি নগদ কোন দ্বীনার রেখে যাননি আর না কোন দিরহাম। তিনি কিছু জমি রেখে যান যার মধ্যে এটি হল গাবা।

আরো রেখে যান মদিনা্য় এগারোটি বাড়ী, বসরায় দু’টি, কূফায় একটি ও মিসরে একটি। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বলেন, যুবায়র (রাঃ)-এর ঋণ থাকার কারণ এই ছিল যে, তাঁর নিকট কেউ যখন কোন মাল আমানত রাখতে আসত তখন যুবাইর (রাঃ) বলতেন, না, এভাবে নয়; তুমি তা আমার নিকট ঋণ হিসেবে রেখে যাও। কেননা আমি ভয় করছি যে, তোমার মাল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।[১] যুবায়র (রাঃ) কখনও কোন প্রশাসনিক ক্ষমতা বা কর আদায়কারী অথবা অন্য কোন কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।

অবশ্য তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গী হয়ে অথবা আবূ বাকর, ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সঙ্গী হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি তাঁর ঋণের পরিমাণ হিসাব করলাম এবং তাঁর ঋণের পরিমাণ বাইশ লাখ পেলাম।

রাবী বলেন, সাহাবী হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করে বলেন, হে ভাতিজা। বল তো, আমার ভাইযের কত ঋণ আছে? তিনি তা প্রকাশ না করে বললেন, এক লাখ।

তখন হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! এ সম্পদ দ্বারা এ পরিমাণ ঋণ শোধ হতে পারে, আমি এরূপ মনে করি না। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তাঁকে বললেন, যদি ঋণের পরিমাণ বাইশ লাখ হয়, তবে কী ধারণা করেন?

হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) বললেন, আমি মনে করি না যে, তোমরা এর সামর্থ্য রাখ। যদি তোমরা এ বিষয়ে অক্ষম হও, তবে আমার সহযোগিতা গ্রহণ করবে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, যুবায়র (রাঃ) গাবাস্থিত ভূমিটি এক লাখ সত্তর হাজারে কিনেছিলেন।

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তা ষোল লাখের বিনিময়ে বিক্রয় করেন। আর দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন, যুবায়র (রাঃ)-এর নিকট কারা পাওনাদার রয়েছে, তারা আমার সঙ্গে গাবায় এসে মিলিত হবে। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। যুবায়র (রাঃ)-এর নিকট তার চার লাখ পাওনা ছিল।

তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বললেন, তোমরা চাইলে আমি তা তোমাদের জন্য ছেড়ে দিব। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, না। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু জা‘ফর (রাঃ) বললেন, যদি তোমরা তা পরে দিতে চাও, তবে তা পরে পরিশোধের অন্তর্ভুক্ত করতে পার।

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, না। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর (রাঃ) বললেন, তবে আমাকে এক টুকরা জমি দাও। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, এখান হতে ওখান পর্যন্ত জমি আপনার।

রাবী বলেন, অতঃপর ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) গাবার জমি হতে বিক্রয় করে সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করেন। তখনও তাঁর নিকট গাবার ভূমির সাড়ে চার অংশ অবশিষ্ট নিকট থেকে যায়। অতঃপর তিনি মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট এলেন। সে সময় তাঁর নিকট ‘আমর ইবনু ‘উসমান, মুনযির ইবনু যুবায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যাম‘আ (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন।

মু‘আবিয়া (রাঃ) তাঁকে বললেন, গাবার মূল্য কত নির্ধারিত হয়েছে? তিনি বললেন, প্রত্যেক অংশ এক লাখ হারে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কত বাকী আছে? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, সাড়ে চার অংশ।

তখন মুনযির ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, আমি একাংশ এক লাখে নিলাম। ‘আমর ইবনু ‘উসমান (রাঃ) বলেন, আমি একাংশ এক লাখে নিলাম। আর ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যাম‘আহ (রাঃ) বললেন, আমি একাংশ এক লাখে নিলাম।

তখন মু‘আবিয়াহ (রাঃ) বললেন, আর কী পরিমাণ বাকী আছে? ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বললেন, দেড় অংশ অবশিষ্ট রয়েছে। মু‘আবিয়া (রাঃ) বললেন, আমি তা দেড় লাখে নিলাম।

রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর (রাঃ) তাঁর অংশ মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট ছয় লাখে বিক্রয় করেন। অতঃপর যখন ইবনু যুবাইর (রাঃ) তাঁর পিতার ঋণ পরিশোধ করে সারলেন, তখন যুবাইর (রাঃ)-এর পুত্ররা বললেন, আমাদের মীরাস ভাগ করে দিন।

তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বললেন, না, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের মাঝে ভাগ করব না, যতক্ষণ আমি চারটি হাজ্জ মৌসুমে এ ঘোষণা প্রচার না করি যে, যদি কেউ যুবাইর (রাঃ)-এর নিকট ঋণ পাওনা থাকে, সে যেন আমাদের নিকট আসে, আমরা তা পরিশোধ করব।

রাবী বলেন, তিনি প্রতি হজ্জের মৌসুমে ঘোষণা প্রচার করেন। অতঃপর যখন চার বছর অতিবাহিত হল, তখন তিনি তা তাদের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। রাবী বলেন, যুবাইর (রাঃ)-এর চার স্ত্রী ছিলেন। এক তৃতীয়াংশ পৃথক করে রাখা হলো। প্রত্যেক স্ত্রী বার লাখ করে পেলেন। আর যুবাইর (রাঃ)-এর মোট সম্পত্তি পাঁচ কোটি দু’লাখ ছিল।

ہم سے اسحاق بن ابراہیم نے بیان کیا ‘ کہا کہ میں نے ابواسامہ سے پوچھا ‘ کیا آپ لوگوں سے ہشام بن عروہ نے یہ حدیث اپنے والد سے بیان کی ہے کہ ان سے عبداللہ بن زبیر رضی اللہ عنہما نے کہا کہ جمل کی جنگ کے موقع پر جب زبیر رضی اللہ عنہ کھڑے ہوئے تو مجھے بلایا میں ان کے پہلو میں جا کر کھڑا ہو گیا ‘ انہوں نے کہا بیٹے!

آج کی لڑائی میں ظالم مارا جائے گا یا مظلوم میں سمجھتا ہوں کہ آج میں مظلوم قتل کیا جاؤں گا اور مجھے سب سے زیادہ فکر اپنے قرضوں کی ہے۔ کیا تمہیں بھی کچھ اندازہ ہے کہ قرض ادا کرنے کے بعد ہمارا کچھ مال بچ سکے گا؟ …

پھر انہوں نے کہا بیٹے! ہمارا مال فروخت کر کے اس سے قرض ادا کر دینا۔ اس کے بعد انہوں نے ایک تہائی کی میرے لیے اور اس تہائی کے تیسرے حصہ کی وصیت میرے بچوں کے لیے کی ‘ یعنی عبداللہ بن زبیر رضی اللہ عنہ کے بچوں کے لیے۔ انہوں نے فرمایا تھا کہ اس تہائی کے تین حصے کر لینا اور اگر قرض کی ادائیگی کے بعد ہمارے اموال میں سے کچھ بچ جائے تو اس کا ایک تہائی تمہارے بچوں کے لیے ہو گا۔

ہشام راوی نے بیان کیا کہ عبداللہ رضی اللہ عنہ کے بعض لڑکے زبیر رضی اللہ عنہ کے لڑکوں کے ہم عمر تھے۔ جیسے خبیب اور عباد۔ اور زبیر رضی اللہ عنہ کے اس وقت نو لڑکے اور نو لڑکیاں تھیں۔ عبداللہ بن زبیر نے بیان کیا کہ پھر زبیر رضی اللہ عنہ مجھے اپنے قرض کے سلسلے میں وصیت کرنے لگے اور فرمانے لگے کہ بیٹا!

اگر قرض ادا کرنے سے عاجز ہو جاؤ تو میرے مالک و مولا سے اس میں مدد چاہنا۔ عبداللہ نے بیان کیا کہ قسم اللہ کی! میں ان کی بات نہ سمجھ سکا ‘ میں نے پوچھا کہ بابا آپ کے مولا کون ہیں؟ انہوں نے فرمایا کہ اللہ پاک! عبداللہ نے بیان کیا ‘ قسم اللہ کی!

قرض ادا کرنے میں جو بھی دشواری سامنے آئی تو میں نے اسی طرح دعا کی ‘ کہ اے زبیر کے مولا! ان کی طرف سے ان کا قرض ادا کرا دے اور ادائیگی کی صورت پیدا ہو جاتی تھی۔ چنانچہ جب زبیر رضی اللہ عنہ ( اسی موقع پر ) شہید ہو گئے تو انہوں نے ترکہ میں درہم و دینار نہیں چھوڑے بلکہ ان کا ترکہ کچھ تو اراضی کی صورت میں تھا اور اسی میں غابہ کی زمین بھی شامل تھی۔

گیارہ مکانات مدینہ میں تھے ‘ دو مکان بصرہ میں تھے ‘ ایک مکان کوفہ میں تھا اور ایک مصر میں تھا۔ عبداللہ نے بیان کیا کہ ان پر جو اتنا سارا قرض ہو گیا تھا اس کی صورت یہ ہوئی تھی کہ جب ان کے پاس کوئی شخص اپنا مال لے کر امانت رکھنے آتا تو آپ اسے کہتے کہ نہیں البتہ اس صورت میں رکھ سکتا ہوں کہ یہ میرے ذمے بطور قرض رہے۔

کیونکہ مجھے اس کے ضائع ہو جانے کا بھی خوف ہے۔ زبیر رضی اللہ عنہ کسی علاقے کے امیر کبھی نہیں بنے تھے۔ نہ وہ خراج وصول کرنے پر کبھی مقرر ہوئے اور نہ کوئی دوسرا عہدہ انہوں نے قبول کیا ‘ البتہ انہوں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے سات

Telah bercerita kepada kami [Ishaq bin Ibrahim] berkata, aku bertanya kepada [Abu Usamah]; "Apakah [Hisyam bin 'Urwah] bercerita kepada kalian dari [bapaknya] dari ['Abdullah bin Az Zubair], maka dia berkata; "Ketika Az Zubair terlibat dalam perang Unta, dia memanggilku, maka aku berdiri di sampingnya.

Dia berkata; "Wahai anakku, ketahuilah bahwa tidaklah ada yang terbunuh pada hari ini melainkan dia orang zhalim atau orang yang terzhalimi. Dan sungguh aku tidak melihat diriku akan terbunuh hari ini melainkan sebagai orang yang terzhalimi dan sungguh perkara yang paling menggelisahkanku adalah hutang yang ada padaku, apakah kamu memandang dari hutang itu masih akan ada yang menyisakan harta untuk kita?". …

Dia melanjutkan; "Wahai anakku, untuk itu juallah harta kita lalu lunasilah hutangku". Az Zubair berwasiat dengan sepertiga hartanya, dan sepertiga untuk anak-anaknya, yaitu Bani 'Abdullah bin Az Zubair.

Dia berkata lagi; "Sepertiga dari sepertiga. Jika ada lebih dari harta kita setelah pelunasan hutang maka sepertiganya untuk anakmu". Hisyam berkata; Dan sebagian dari anak-anak 'Abdullah sepadan usianya dengan sebagian anak-anak Az Zubair yaitu Khubaib dan 'Abbad. Saat itu Az Zubair mempunyai sembilan anak laki-laki dan sembilan anak perempuan".

'Abdullah berkata; Dia (Az Zubair) telah berwasiat kepadaku tentang hutang-hutangnya dan berkata; "Wahai anakku, jika kamu tidak mampu untuk membayar hutangku maka mintalah bantuan kepada majikanku".

'Abdullah berkata; "Demi Allah, aku tidak tahu apa yang dia maksud hingga aku bertanya, wahai bapakku, siapakan majikan bapak?". Dia berkata; "Allah". 'Abdullah berkata; "Demi Allah aku tidak menemukan sedikitpun kesulitan dalam melunasi hutangnya setelah aku berdo'a; "YA MAULA ZUBAIR, IQDHI 'ANHU DAINAHU" Wahai Tuannya Az Zubair, lunasilah hutangnya".

Maka Allah melunasinya. (Selanjutnya 'Abdullah menuturkan); "Kemudian Az Zubair radliallahu 'anhu terbunuh dan tidak meninggalkan satu dinar pun juga dirham kecuali dua bidang tanah yang salah satunya berupa hutan serta sebelas rumah di Madinah, dua rumah di Bashrah, satu rumah di Kufah dan satu rumah lagi di Mesir.

'Abdullah berkata; "Hutang yang menjadi tanggungannya terjadi ketika ada seseorang yang datang kepadanya dengan membawa harta untuk dititipkan dan dijaganya, Az Zubair berkata; "Jangan, tapi jadikanlah sebagai pinjamanku (yang nanti akan aku bayar) karena aku khawatir akan hilang sedangkan aku tidak memiliki kekuasaan sedikitpun dan tidak juga sebagai pemungut hasil bumi (upeti) atau sesuatu kekuasaan lainnya melainkan selalu ikut berperang bersama Nabi Shallallahu'alaihiwasallam, Abu Bakr, 'Umar atau 'Utsman radliallahu 'anhum.

'Abdullah bin Az Zubair berkata; "Kemudian aku menghitung hutang yang ditanggungnya dan ternyata aku dapatkan sebanyak dua juta dua Ratus dua puluh ribu". 'Urwah berkata; "Hakim bin Hizam menemui 'Abdullah bin Az Zubair seraya berkata; "Wahai anak saudaraku, berapa banyak hutang saudaraku?".

'Abdullah merahasiakannya dan berkata; 'Dua Ratus ribu". Maka Hakim berkata; "Demi Allah, aku mengira harta kalian tidak akan cukup untuk melunasi hutang-hutang ini".

Maka 'Abdullah berkata kepadanya; "Bagaimana pendapatmu seandainya harta yang ada dua juta dua Ratus ribu?". Hakim berkata; "Aku mengira kalian tetap tidak akan sanggup melunasinya. Seandainya kalian tidak mampu mintalah bantuan kepadaku".

'Urwah berkata; "Dahulu Az Zubair membeli hutan itu seratus tujuh puluh ribu lalu 'Abdullah menjualnya dengan harga satu juta enam Ratus ribu kemudian dia berdiri dan berkata; "Bagi siapa saja yang mempunyai hak (piutang) atas Az Zubair hendaklah dia menagih haknya kepada kami dari hutan ini". Maka 'Abdullah bin Ja'far datang kepadanya karena Az Zubair berhutang kepadanya sebanyak empat Ratus ribu seraya berkata kepada 'Abdullah; "Kalau kalian mau, hutang itu aku bebasakan untuk kalian".

'Abdullah berkata; "Tidak". 'Abdullah bin Ja'far berkata lagi; "Atau kalau kalian mau kalian boleh lunasi di akhir saja (tunda) ". 'Abdullah berkata; "Tidak". 'Abdullah bin Ja'far berkata lagi; 'Kalau begitu, ukurlah bagian hakku".

'Abdullah berkata; "Hak kamu dari batas sini sampai sana". ('Urwah) berkata; "Maka 'Abdullah menjual sebagian dari tanah hutan itu sehingga dapat melunasi hutang tersebut dan masih tersisa empat setengah bagian lalu dia menemui Mu'awiyah yang saat itu bersamanya ada 'Amru bin 'Utsman, Al Mundzir bin Az Zubair dan Ibnu Zam'ah.

Mu'awiyah bertanya kepadanya; "Berapakah nilai hutan itu? '. 'Abdullah menjawab; 'Setiap bagian bernilai seratus ribu". Mu'awiyah bertanya lagi; "Sisanya masih berapa?".

'Abdullah berkata; "Empat setengah bagian". Al Mundzir bin Az Zubair berkata; "Aku mengambil bagianku senilai seratus ribu". 'Amru bin 'Utsman berkata; "Aku mengambil bagianku senilai seratus ribu".

Dan berkata Ibnu 'Zam'ah; "Aku juga mengambil bagianku seratus ribu". Maka Mu'awiyah berkata; "Jadi berapa sisanya?". 'Abdullah berkata; "Satu setengah bagian". Mu'awiyah berkata; "Aku mengambilnya dengan membayar seratus lima puluh ribu".

'Urwah berkata; "Maka 'Abdullah bin Ja'far menjual bagiannya kepada Mu'awiyah dengan harga enam Ratus ribu". Setelah ('Abdullah) Ibnu Az Zubair menyelesaikan pelunasan hutang bapaknya, anak-anak Az Zubair (yang lain) berkata; "Bagilah hak warisan kami".

'Abdullah berkata; "Demi Allah, aku tidak akan membagikannya kepada kalian sebelum aku umumkan pada musim-musim hajji selama empat musim yaitu siapa yang mempunyai hak (piutang) atas Az Zubair hendaklah menemui kami agar kami melunasinya".

'Urwah berkata; "Demikianlah 'Abdullah mengumumkan pada setiap musim hajji. Setelah berlalu empat musim dia membagikannya kepada mereka (anak-anak Az Zubair) ". 'Urwah berkata; Adalah Az Zubair meninggalkan empat orang istri, maka 'Abdullah menyisihkan sepertiga harta bapaknya sebagai wasiat bapaknya sehingga setiap istri Az Zubair mendapatkan satu juta dua Ratus ribu sedangkan harta keseluruhan milik Az Zubair berjumlah lima puluh juta dua Ratus ribu

Abdullah İbnü'z-Zübeyr r.a.'den nakledilmiştir: "Zübeyr Cemel savaşında bir yerde durunca beni çağırdı. Ben de kalkıp yanına vardım. Bana şöyle dedi: "Evladım, bu gün öldürülenlerin tümü ya zalim veya mazlum olarak öldürülür. Ben öyle görüyorum ki, bu gün bu savaşta mazlum biri olarak öldürüleceğim, bunda şüphe yok! Beni en fazla düşünceye sevkeden ve endişelendiren ise borçlarımdır.

Bir bak bakalım, borçlarımız mallarımızdan geriye bir şey bırakacak mı? Yavrucuğum, mallarımızı sat ve borçlarımı öde! Ben malımın üçte birini mutlak olarak vasiyet ediyorum. Bu üçte birin üçte biri de Abdullah İbn Zübeyr'in oğullarına vasiyetimdir. Borçlarım ödendikten sonra geriye mal kalacak olursa bunun üçte biri senin çocuklarınadır. …

- Hişam İbn Urve şöyle demiştir: Abdullah İbnü'z-Zübeyr'in oğullarından bir kısmı Zübeyr'in oğullarından bazıları (Hubeyb ve Abbad gibileriyle yaşıt (veya mirasta aynı oranda pay sahibi) idi. Bu vasiyeti yaptığı günlerde Zübeyr'in dokuz oğlu dokuz tane de kızı vardı. Abdullah İbnü'z-Zübeyr sözlerine şöyle devam etti: "Babam borçlarını ödemem için bana vasiyette bulunmaya devam ederek şöyle dedi: "Evladım, eğer borçlarımı ödemekte sıkıntı yaşarsan benim Mevla'mdan yardım dile!"

Ben ise Allah'a yemin ederim ki: "Babacığım, senin Mevla'n kimdir?" diye sorup "Allah" cevabını alıncaya kadar bu sözü ile ne kasdettiğini anlamamıştım. Allah'a yemin ederim ki, ben babamın borçlarını ödemekte ne zaman sıkıntıya düşsem: "Ey Zübeyr'in Mevla'sı, onun borcunu onun adına ödemede yardım et!" derdim ve gerçekten de (Allah Teala) babamın borçlarını öde(yecek imkan verilrdi. Babam bu savaşta öldürüldüğünde para namına beş kuruş bile bırakmamıştı. Fakat bazı gayri menkulleri vardı: Gabe denen yerde arazileri, Medine'de on bir, Basra'da iki, Kufe'de bir ve Mısır'da da bir olmak üzere on dört tane ev bırakmıştı.

Babamın borçları ise hep kendisine bırakılan emanetleri "Ben emanet kabul etmem. Zira bunların zayi olmasından korkarım. Bunun yerine bıraktığınız malları borç olarak alırım" deyip teslim almasından kaynaklanmıştı. Babam kesinlikle mal tahsil edip biriktirmesine imkan verecek şekilde hiçbir idari görev üstlenmemiş, haraç ve zekatların toplanmasında görev almamıştır.

O elindeki malların tamamına Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellemı, Hz. Ebu Bekir, Ömer ve Osman ile birlikte katıldığı savaşlar sonucunda ele geçirilen ganimetler yoluyla sahip olmuştur. Ben babamın borçlarını hesap ettim. Toplam 2.200.000 (iki milyon iki yüz bin) borcu vardı. Bir defasında Hakim İbn Hizam bana uğradı ve: "Kardeşimin oğlu!

kardeşim Zubeyr'in ne kadar borcu var?" diye sordu. Ben de bunun miktarını gizleyip: "Yüz bin" dedim. Bunun üzerine Hakım: "Allah'a yemin ederim ki, sizin elinizdeki malların bu borcu ödemek için yeterli olacağını sanıyorum" dedi. Ben: "Peki onun borcunun 2.200.000 (iki milyon iki yüz bin) olduğunu söylersem ne düşünürsün?" deyince: "Bu borcu kesinlikle ödeyemezsiniz!

Ödemede sıkıntı çekerseniz benden yardım isteyin!" dedi. Babam Zübeyr Gabe arazilerini bin yedi yüze satın almıştı. Ben ise bu toprakları 1.600.000'e (bir milyon altı yüz bin) sattım. Bu şöyle oldu: "Ben, kimin Zübeyr'den alacağı varsa bizimle Gabe'de buluşsun!" diye duyuru yaptım. Bu çağrı üzerine Zübeyr'den dört yüz bin alacağı olan Abdullah İbn Cafer gelip bana: "İsterseniz alacağımdan vazgeçip bunu size bağışlayabilirim" dedi.

Fakat ben bu teklifi kabul etmedim. Abdullah İbn Cafer'in: "Öyleyse size ödemeniz için ek süre vereyim!" şeklindeki teklifini de kabul etmedim. Bunun üzerine Abdullah İbn Cafer: "Peki o zaman, bana bu araziden bir parsel ver!" diye bir teklif sundu. Ben de: "Tamam, şuradan şuraya kadar senindir" dedim. Babamın bıraktığı malları bu şekilde satıp borçlarının tamamını ödedikten sonra 4,5 parsel de bize kaldı.

Ben bir ara Muaviye'nin yanına gitmiştim. O sırada Amr İbn Osman, Münzir İbnü'z-Zübeyr ve İbn Zem'a da orada bulunuyordu. Muaviye bana: "Gabe'nin satış bedelini kaç olarak belirlediniz?" diye sorunca: "Her bir parselini yüz bine satıyoruz" dedim.

"Peki kaç parsel kaldı" diye sordu, ben de: "4,5 parsel kaldı" dedim. Bunun üzerine sırayla Münzir İbnü'z-Zübeyr, Amr İbn Osman ve İbn Zem'a ayrı ayrı: "Ben bir parselini yüz bine aldım" diyerek birer parsel satın aldılar. Muaviye: "Şimdi geriye kaç parsel kaldı?"

diye sordu. Ben: "Bir buçuk parsel kaldı" deyince "Ben de geriye kalan bu bir buçuk parseli yüz elli bine aldım" dedi. Daha sonra Abdullah İbn Cafer kendi payını Muaviye'ye bin altı yüze sattı. Ben babamın borçlarını tamamen ödeyince kardeşlerim: "Artık mirasımızı paylaştır!" dediler. Ben de: "Kesinlikle olmaz. Allah'a yemin ederim ki, hac mevsiminde dört yıl boyunca, kimin Zübeyr'den alacağı varsa bize gelsin borcunu ödeyelim, diye duyuru yapmadıkça bu mirası paylaştıracak değilim."

Gerçekten de her yıl hac mevsimlerinde çıkıp bu şekilde duyuru yaptım ve dört yıl boyunca buna devam ettim. Sonra da mirasçılar arasında kalan malı paylaştırdım. Babam vefat ettiğinde dört tane eşi vardı. Ben vasiyet olan üçte biri ayırdım ve eşlerinden her birine 1.200.000 düştü. Zübeyr'in bütün mal varlığı 50.200.000 idi

3130Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مَوْهَبٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما

قَالَ: إِنَّمَا تَغَيَّبَ عُثْمَانُ عَنْ بَدْرٍ، فَإِنَّهُ كَانَتْ تَحْتَهُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ مَرِيضَةً. فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لَكَ أَجْرَ رَجُلٍ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا وَسَهْمَهُ»

Uthman did not join the Badr battle because he was married to one of the daughters of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and she was ill. So, the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said to him. “You will get a reward and a share (from the war booty) similar to the reward and the share of one who has taken part in the Badr battle.”

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উসমান (রাঃ) বাদার যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। কেননা, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ছিলেন তাঁর স্ত্রী আর তিনি ছিলেন পীড়িত। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, ‘বাদ্র যুদ্ধে যোগদানকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব ও (গানীমাতের) অংশ তুমি পাবে।’ (৩৬৯৮, ৩৭০৪, ৪০৬৬, ৪৫১৩, ৪৫১৪, ৪৬৫০, ৪৬৫১, ৭০৯৫)

ہم سے موسیٰ بن اسمعٰیل نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابوعوانہ نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے عثمان بن موہب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا ‘ اور ان سے ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ عثمان رضی اللہ عنہ بدر کی لڑائی میں شریک نہ ہو سکے تھے۔ ان کے نکاح میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی ایک صاحبزادی تھیں اور وہ بیمار تھیں۔

ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تمہیں بھی اتنا ہی ثواب ملے گا جتنا بدر میں شریک ہونے والے کسی شخص کو ‘ اور اتنا ہی حصہ بھی ملے گا۔

Telah bercerita kepada kami [Musa] telah bercerita kepada kami [Abu 'Awanah] telah bercerita kepada kami ['Utsman bin Mawhab] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] berkata; "Sesungguhnya alasan tidak ikut sertanya 'Utsman dalam perang Badar karena dia sedang menunggui putri Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam yang sedang sakit. Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berkata kepadanya: "Kamu mendapatkan pahala seperti orang yang ikut terlibat dalam perang Badar dan hak bagiannya (ghanimah)

Abdullah İbn Ömer r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Hz. Osman Bedir savaşına katılamamıştı. Zira o hasta olan eşi ile ilgilenmek zorundaydı. Onun eşi ise Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in kızı idi. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem ona: "Sana Bedir savaşına katılmış birisi gibi ecir vardır" deyip ganimetten pay verdi. " Tekrar:

3132Marwan ibn al-HakamSahih

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ وَزَعَمَ عُرْوَةُ أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ، وَمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ

أَخْبَرَاهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حِينَ جَاءَهُ وَفْدُ هَوَازِنَ مُسْلِمِينَ، فَسَأَلُوهُ أَنْ يَرُدَّ إِلَيْهِمْ أَمْوَالَهُمْ وَسَبْيَهُمْ فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَحَبُّ الْحَدِيثِ إِلَىَّ أَصْدَقُهُ، فَاخْتَارُوا إِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ إِمَّا السَّبْىَ وَإِمَّا الْمَالَ، وَقَدْ كُنْتُ اسْتَأْنَيْتُ بِهِمْ».

وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ انْتَظَرَ آخِرَهُمْ بِضْعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً، حِينَ قَفَلَ مِنَ الطَّائِفِ، فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرُ رَادٍّ إِلَيْهِمْ إِلاَّ إِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ. …

قَالُوا فَإِنَّا نَخْتَارُ سَبْيَنَا، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمُسْلِمِينَ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ثُمَّ قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ، فَإِنَّ إِخْوَانَكُمْ هَؤُلَاءِ قَدْ جَاءُونَا تَائِبِينَ، وَإِنِّي قَدْ رَأَيْتُ أَنْ أَرُدَّ إِلَيْهِمْ سَبْيَهُمْ، مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُطَيِّبَ فَلْيَفْعَلْ، وَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَكُونَ عَلَى حَظِّهِ حَتَّى نُعْطِيَهُ إِيَّاهُ مِنْ أَوَّلِ مَا يُفِيءُ اللَّهُ عَلَيْنَا فَلْيَفْعَلْ».

فَقَالَ النَّاسُ قَدْ طَيَّبْنَا ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَهُمْ. فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّا لَا نَدْرِي مَنْ أَذِنَ مِنْكُمْ فِي ذَلِكَ مِمَّنْ لَمْ يَأْذَنْ، فَارْجِعُوا حَتَّى يَرْفَعَ إِلَيْنَا عُرَفَاؤُكُمْ أَمْرَكُمْ «فَرَجَعَ النَّاسُ، فَكَلَّمَهُمْ عُرَفَاؤُهُمْ، ثُمَّ رَجَعُوا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرُوهُ أَنَّهُمْ قَدْ طَيَّبُوا فَأَذِنُوا. فَهَذَا الَّذِي بَلَغَنَا عَنْ سَبْىِ هَوَازِنَ»

When the Hawazin delegation came to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) after they had embraced Islam and requested him to return their properties and war prisoners to them, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “To me the best talk is the truest, so you may choose either of two things; the war prisoners or the wealth, for I have delayed their distribution.”

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) had waited for them for over ten days when he returned from Taif. So, when those people came to know that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) was not going to return to them except one of the two things the said, “We choose our war Prisoners ‘the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) stood up amongst the Muslims, and after glorifying Allah as He deserved, he said, ‘Now then, …

these brothers of yours have come to us with repentance, and I see it logical that I should return their captives to them, so whoever of you likes to do that as a favor then he can do it, and whoever amongst you likes to stick to his share, let him give up his prisoners and we will compensate him from the very first Fai’ (i.e. war booty received without fight) which Allah will give us.’

On that, all the people said. ‘O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) We have agreed willingly to do so (return the captives)’ Then the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said to them ‘I do not know who amongst you has agreed to this and who has not. You should return and let your leaders inform me of your agreement.’

The people returned and their leaders spoke to them, and then came to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and said, ‘All the people have agreed willingly to do so and have given the permission to return the war prisoners (without Compensation)’ (Az-Zuhri, the sub-narrator states) This is what has been related to us about the captives of Hawazin.”

‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাঁকে মারওয়ান ইবনু হাকাম ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, যখন হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল মুসলিম হয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল যে, তাদের মালামাল ও বন্দী উভয়ই ফেরত দেয়া হোক।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন, আমার নিকট সত্য কথা অধিকতর প্রিয়। তোমরা দু’য়ের মধ্যে যে কোন একটি গ্রহণ কর। বন্দী, নয় মালামাল। আর আমি তো তাদের (হাওয়াযিন গোত্রের) প্রতীক্ষা করেছিলাম আর তায়েফ হতে ফেরার সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ দিন থেকে অধিক সময় তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। …

অবশেষে যখন তাদের নিকট স্পষ্ট হলো যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দু’টোর মধ্যে যে কোন একটিই ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, আমরা আমাদের বন্দীদের ফেরত লাভই পছন্দ করি। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের সামনে দাঁড়ালেন। প্রথমে তিনি আল্লাহ তা‘আলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করলেন।

অতঃপর বললেন, তোমাদের এ সব ভাই তাওবা করে আমার নিকট এসেছে। আর আমি উচিত মনে করছি যে, তাদের বন্দীদের ফেরত দিব। যে ব্যক্তি সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে চায়, সে যেন তা করে আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি চায় যে, তার অংশ বহাল থাকুক, সে যেন অপেক্ষা করে (কিংবা) আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে প্রথম যে গনীমতের মাল দান করেছেন, আমি তাকে তা হতে তা দিয়ে দিব, তাও করতে পারে।

উপস্থিত লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সন্তুষ্টচিত্তে তা গ্রহণ করলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি সঠিক জানতে পারিনি, তোমাদের মধ্যে কে এতে সম্মতি দিয়েছে, আর কে দেয়নি। কাজেই, তোমরা ফিরে যাও এবং নিজ নিজ প্রতিনিধির মাধ্যমে আমাকে তোমাদের সিদ্ধান্ত জানাও। লোকেরা চলে গেল। আর তাদের প্রতিনিধিরা নিজেদের লোকের সঙ্গে আলোচনা করে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফেরত এল এবং তাঁকে জানাল যে, তারা সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি দিয়েছে। হাওয়াযিনের বন্দীগণ সম্পর্কিত বিবরণ আমাদের নিকট এ রকমই পৌঁছেছে। (২৩০৭, ২৩০৮)

Telah bercerita kepada kami [Sa'id bin 'Ufair] berkata telah bercerita kepadaku [Al Laits] berkata telah bercerita kepadaku ['Uqail] dari [Ibnu Syihab] berkata; ['Urwah] menganggap bahwa [Marwan bin Al Hakam] dan [Miswar bin Makhramah] keduanya mengabarkan kepadanya bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berkata ketika datang kepada beliau utusan suku Hawazin yang telah menyatakan diri memeluk Islam lalu mereka meminta kepada Beliau agar mengembalikan harta-harta mereka dan para tawanan mereka.

Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berkata kepada mereka: "Perkataan yang paling aku sukai adalah yang paling jujur. Untuk itu silakan kalian pilih satu dari dua pilihan, apakah tawanan atau harta. Sungguh aku memberi kesempatan untuk mereka". Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam menunggu kedatangan kabar mereka sekitar sepuluh malam ketika Beliau kembali dari Tha'if. …

Setelah jelas bagi mereka bahwa Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam tidak akan mengembalikan kepada mereka kecuali satu diantara dua pilihan akhirnya mereka berkata; "Kami memilih tawanan kami". Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berdiri di hadapan Kaum Muslimin kemudian Beliau memuji Allah yang memang Dialah satu-satunya yang berhak untuk dipuji lalu berkata: "Amma ba'du.

Sesungguhnya saudara-saudara kalian datang kepada kita dengan bertobat dan aku berpikir untuk mengembalikan tawanan mereka. Maka siapa yang suka untuk berbuat baik, lakukanlah (mengembalikan tawanan) dan siapa yang suka di antara kalian untuk mengambil haknya hingga kami akan berikan kepadanya bagian dari fa'i yang dari awal Allah telah mengkaruniakannya kepada kita, lakukanlah".

Maka orang-orang berkata; "Kami memilih untuk berbuat baik kepada mereka, wahai Rasulullah". Maka Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam berkata kepada mereka: "Sesungguhnya kami belum mengetahui siapa di antara kalian yang berhak memberi izin dan siapa yang tidak. Untuk itu kembalilah kalian sampai jelas bagi kami siapa orang yang memegang urusan kalian".

Maka mereka kembali lalu orang-orang yang memegang urusan mereka berbicara kepada mereka kemudian mereka kembali menemui Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam dan mengabarkan bahwa mereka telah bersikap baik dan mengizinkan. Inilah kisah yang sampai kepada kita tentang para tawanan suku Hawazin

Mervan İbnü'l-Hakem ile Misver İbn Mahreme'den nakledilmiştir: "Hevazin kabilesi heyeti Müslüman olup mallarının ve esir alınan üyelerinin geri verilmesini talep etmek üzere Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına geldiğinde Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem onlara şöyle dedi: "Benim en çok hoşuma giden söz doğru olanıdır.

Şimdi ya esirlerinizi seçin ya da mallarınızı!" Ben bu heyetinizin bu şekilde İslam'a girmiş olarak gelmesini bekledim. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem, Taif'ten döndüğünde onların karar vermelerini on günden daha fazla bekledi. Hevazin kabilesi Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in hem malları hem de esirleri vermek yerine sadece bunlardan birisini vereceğini anlayınca: "Biz esir alınan üyelerimizi seçiyoruz" dediler. …

Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem O anda kalkıp ve müslümanlara yönelip Allah Teala'yı layık olduğu şekilde övdükten ve hamd-ü senadan sonra şunları söyledi: "Şimdi asıl konuyu arz ediyorum. İşte sizin şu kardeşleriniz tevbe edip Müslüman olarak bize geldiler. Ben de esirlerini onlara iade etmeyi uygun gördüm. İsteyen gönül rızası ve herhangi bir bedel talep etmeksizin elindeki esiri iade etsin.

Buna yanaşmayan ve kendi payını elinde tutmak isteyen varsa yine de iade etsin. Ancak Allah'ın bize lütfedeceği ilk feyden ona bunun karşılığını vereceğiz." Bunun üzerine orada bulunanlar: "Biz gönül rızası içinde esirleri onlara veriyoruz ey Allah'ın Resulü!" dediler. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de onlara: "Bu şekilde içinizden kimin buna izin verdiğini kimin vermediğini tam olarak anlayamayız.

Bu yüzden dönün ve önde gelenleriniz durumunuzu bize arz etsin" dedi. Onlar da döndüler ve kabilelerinin ihtiyaçlarını daha iyi bilen liderleriyle konuştuktan sonra Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e gelip esirlerin iade edilmesine razı olduklarını ve buna izin verdiklerini söylediler. Hevazin esirleri hakkında bize ulaşan haber budur

3133Zahdam ibn MudarribSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ عَاصِمٍ الْكُلَيْبِيُّ وَأَنَا لِحَدِيثِ الْقَاسِمِ، أَحْفَظُ عَنْ زَهْدَمٍ

قَالَ كُنَّا عِنْدَ أَبِي مُوسَى، فَأُتِيَ ذَكَرَ دَجَاجَةً وَعِنْدَهُ رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَيْمِ اللَّهِ أَحْمَرُ كَأَنَّهُ مِنَ الْمَوَالِي، فَدَعَاهُ لِلطَّعَامِ فَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُهُ يَأْكُلُ شَيْئًا، فَقَذِرْتُهُ، فَحَلَفْتُ لَا آكُلُ.

فَقَالَ هَلُمَّ فَلأُحَدِّثْكُمْ عَنْ ذَاكَ، إِنِّي أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي نَفَرٍ مِنَ الأَشْعَرِيِّينَ نَسْتَحْمِلُهُ فَقَالَ: «وَاللَّهِ لَا أَحْمِلُكُمْ، وَمَا عِنْدِي مَا أَحْمِلُكُمْ». وَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنَهْبِ إِبِلٍ، فَسَأَلَ عَنَّا فَقَالَ: «أَيْنَ النَّفَرُ الأَشْعَرِيُّونَ». …

فَأَمَرَ لَنَا بِخَمْسِ ذَوْدٍ غُرِّ الذُّرَى، فَلَمَّا انْطَلَقْنَا قُلْنَا مَا صَنَعْنَا لَا يُبَارَكُ لَنَا، فَرَجَعْنَا إِلَيْهِ فَقُلْنَا إِنَّا سَأَلْنَاكَ أَنْ تَحْمِلَنَا، فَحَلَفْتَ أَنْ لَا تَحْمِلَنَا أَفَنَسِيتَ قَالَ: «لَسْتُ أَنَا حَمَلْتُكُمْ، وَلَكِنَّ اللَّهَ حَمَلَكُمْ، وَإِنِّي وَاللَّهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ لَا أَحْلِفُ عَلَى يَمِينٍ فَأَرَى غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا إِلاَّ أَتَيْتُ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ وَتَحَلَّلْتُهَا»

Once we were in the house of Abu Musa who presented a meal containing cooked chicken. A man from the tribe of Bani Taim Allah with red complexion as if he were from the Byzantine war prisoners, was present. Abu Musa invited him to share the meal but he (apologised) saying.

“I saw chickens eating dirty things and so I have had a strong aversion to eating them, and have taken an oath that I will not eat chickens.” Abu Musa said, “Come along, I will tell you about this matter (i.e. how to cancel one’s oath). I went to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) in the company of a group of Al-Ashariyin, asked him to provide us with means of conveyance. …

He said, ‘By Allah, I will not provide you with any means of conveyance and I have nothing to make you ride on.’ Then some camels as booty were brought to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and he asked for us saying.

‘Where are the group of Al-Ashariyun?’ Then he ordered that we should be given five camels with white humps. When we set out we said, ‘What have we done? We will never be blessed (with what we have been given).’ So, we returned to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and said, ‘We asked you to provide us with means of conveyance, but you took an oath that you would not provide us with any means of conveyance.

Did you forget (your oath when you gave us the camels)? He replied. ‘I have not provided you with means of conveyance, but Allah has provided you with it, and by Allah, Allah willing, if ever I take an oath to do something, and later on I find that it is more beneficial to do something different, I will do the thing which is better, and give expiation for my oath.’’”

যাহদাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম, এ সময় মুরগীর (গোশত) সম্বন্ধে আলোচনা উঠল। তথায় তাইমুল্লাহ গোত্রের এমন লাল বর্ণের এক ব্যক্তিও উপস্থিত ছিল, যেন সে মাওয়ালী (রোমক ক্রীতদাস)-দের একজন। তাকে খাওযার জন্য ডাকলেন।

তখন সে বলল, আমি মুরগীকে এমন বস্তু খেতে দেখেছি, যাতে আমার ঘৃণা জন্মেছে। তাই আমি শপথ করেছি যে, তা খাব না। আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, আস, আমি তোমাকে এ সম্পর্কে হাদীস শুনাচ্ছি। আমি কয়েকজন আশ‘আরী ব্যক্তির পক্ষে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সাওয়ারী চাইতে যাই। …

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের সাওয়ারী দিব না এবং আমার নিকট তোমাদের দেয়ার মত কোন সাওয়ারীও নেই। এ সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গনীমতের কয়েকটি উট আনা হলো।

তখন তিনি আমাদের খোঁজ নিলেন এবং বললেন, সেই আশ‘আরী লোকেরা কোথায়? অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঁচু সাদা চুলওয়ালা পাঁচটি উট আমাদের দিতে বললেন।

যখন আমরা উট নিয়ে রওয়ানা দিলাম বললাম, আমরা কী করলাম? আমাদের কল্যাণ হবে না। আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফিরে এলাম এবং বললাম, আমরা আপনার নিকট সাওয়ারীর জন্য আবেদন করেছিলাম, তখন আপনি শপথ করে বলেছিলেন, আমাদের সাওয়ারী দিবেন না। আপনি কি তা ভুলে গিয়েছেন?

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদের সাওয়ারী দেইনি বরং আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের সাওয়ারী দান করেছেন। আর আল্লাহর কসম, আমার অবস্থা এই যে, ইন্শাআল্লাহ্ কোন বিষয়ে আমি কসম করি এবং তার বিপরীতটি কল্যাণকর মনে করি, তখন সেই কল্যাণকর কাজটি আমি করি এবং কাফ্ফারা দিয়ে শপথ হতে মুক্ত হই। (৪৩৮৫, ৪৪১৫, ৫৫১৭, ৫৫১৮, ৬৬২৩, ৬৬৪৯, ৬৬৭৮, ৬৬৮০, ৬৭১৮, ৬৭১৯, ৬৭২১, ৭৫৫৫) (মুসলিম ২৬/৩ হাঃ ১৬৩৯, আহমাদ ১৯৫৭৫)

ہم سے عبداللہ بن عبدالوہاب نے کہا کہ ہم سے حماد نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ایوب نے بیان کیا ‘ ان سے ابوقلابہ نے بیان کیا اور (ایوب نے ایک دوسری سند کے ساتھ اس طرح روایت کی ہے کہ) مجھ سے قاسم بن عاصم کلیبی نے بیان کیا اور کہا کہ قاسم کی حدیث (ابوقلابہ کی حدیث کی بہ نسبت) مجھے زیادہ اچھی طرح یاد ہے ‘ زہدم سے ‘ انہوں نے بیان کیا کہ ہم ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ کی مجلس میں حاضر تھے ( کھانا لایا گیا اور ) وہاں مرغی کا ذکر ہونے لگا۔

بنی تمیم اللہ کے ایک آدمی سرخ رنگ والے وہاں موجود تھے۔ غالباً موالی میں سے تھے۔ انہیں بھی ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے کھانے پر بلایا ‘ وہ کہنے لگے کہ میں نے مرغی کو گندی چیزیں کھاتے ایک مرتبہ دیکھا تھا تو مجھے بڑی نفرت ہوئی اور میں نے قسم کھا لی کہ اب کبھی مرغی کا گوشت نہ کھاؤں گا۔ …

ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ قریب آ جاؤ ( تمہاری قسم پر ) میں تم سے ایک حدیث اسی سلسلے کی بیان کرتا ہوں ‘ قبیلہ اشعر کے چند لوگوں کو ساتھ لے کر میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں ( غزوہ تبوک کے لیے ) حاضر ہوا اور سواری کی درخواست کی۔

آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”اللہ کی قسم! میں تمہارے لیے سواری کا انتظام نہیں کر سکتا ‘ کیونکہ میرے پاس کوئی ایسی چیز نہیں ہے جو تمہاری سواری کے کام آ سکے۔“ پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں غنیمت کے کچھ اونٹ آئے ‘ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ہمارے متعلق دریافت فرمایا ‘ اور فرمایا کہ قبیلہ اشعر کے لوگ کہاں ہیں؟

چنانچہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے پانچ اونٹ ہمیں دیئے جانے کا حکم صادر فرمایا ‘ خوب موٹے تازے اور فربہ۔ جب ہم چلنے لگے تو ہم نے آپس میں کہا کہ جو نامناسب طریقہ ہم نے اختیار کیا اس سے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے اس عطیہ میں ہمارے لیے کوئی برکت نہیں ہو سکتی۔

چنانچہ ہم پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوئے اور عرض کیا کہ ہم نے پہلے جب آپ سے درخواست کی تھی تو آپ نے قسم کھا کر فرمایا تھا کہ میں تمہاری سواری کا انتظام نہیں کر سکوں گا۔ شاید آپ کو وہ قسم یاد نہ رہی ہو ‘ لیکن آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں نے تمہاری سواری کا انتظام واقعی نہیں کیا ‘ وہ اللہ تعالیٰ ہے جس نے تمہیں یہ سواریاں دے دی ہیں۔

اللہ کی قسم! تم اس پر یقین رکھو کہ ان شاءاللہ جب بھی میں کوئی قسم کھاؤں ‘ پھر مجھ پر یہ بات ظاہر ہو جائے کہ بہتر اور مناسب طرز عمل اس کے سوا میں ہے تو میں وہی کروں گا جس میں اچھائی ہو گی اور قسم کا کفارہ دے دوں گا۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin 'Abdul Wahhab] telah bercerita kepada kami [Hammad] telah bercerita kepada kami [Ayyub] dari [Abu Qalabah] berkata telah bercerita kepadaku [Al Qasim bin 'Ashim Al Kulaibiy], hadits Al Qasim aku menghafalnya dari [Zahdam] berkata; "Kami pernah berada di sisi [Abu Musa] ketika dia diberikan seekor ayam jantan dan saat itu di sampingnya ada seorang dari suku Bani Taymillah yang berkulit merah nampak sebagai orang asing (non 'Arab).

Abu Musa mengundangnya untuk makan. Zahdam berkata; "Sungguh aku lihat dia memakan sesuatu sehingga aku merasa jijik hingga aku bersumpah untuk tidak ikut makan". Abu Musa berkata; "Kemarilah karena aku akan bercerita kepada kalian tentang masalah ini. Aku pernah menemui Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersama rombongan Al Asy'ariyin untuk meminta kepada Beliau agar menyertakan kami (dalam perang dan bagian ghanimah), maka Beliau berkata: "Demi Allah, aku tidak dapat menyertakan kalian dan akupun tidak punya kendaraan yang dapat menyertakan kalian". …

Kemudian Rasulullah Shallallahu'alaiwasallam diberikan ghanimah berupa unta lalu Beliau bertanya kepada kami: "Mana rombongan Al Asy'ariyin tadi?". Maka Beliau memberikan kami sejumlah unta putih yang paling baik.

Ketika kami tengah bertolak pulang, kami berkata; "Apa yang telah kita lakukan ini tidak berkah". Akhirnya kami kembali kepada Beliau lalu kami katakan; "Kami telah meminta kepada Baginda agar menyertakan kami dan Baginda telah bersumpah untuk tidak akan menyertakan kami, apakah Baginda lupa?".

Beliau menjawab: "Bukan aku yang menyertakan kalian tetapi Allah dan sungguh, demi Allah, aku insya Allah tidaklah aku bersumpah lalu aku lihat ada sesuatu yang lebih baik darinya melainkan aku akan mengambil yang lebih baik itu dan kubayar kafarat sumpahku

Zehdem'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Biz Ebu Musa el-Eşa'ri'nin yanında bulunuyorduk. Bize tavuk yemeği getirdi. Ebu Musa'nın yanında Teymullah kabilesinden kızıl tenli olan bir zat vardı. Galiba esir veya kölelerden biri idi.

Ebu Musa onu da yemeğe çağırıp şöyle dedi: "Ben bunun iğrendirici bir şey yediğini görmüştüm. Tiksindiğim için de yemek yemeyeceğim diye yemin etmiştim." Ebu Musa daha sonra sözlerine şöyle devam etti: "Gelin size yeminle ilgili bir olayı anlatayım. Biz Eş'arilerden bir grup halinde Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e giderek hem binrnek hem de eşyalarımızı yüklemek maksadıyla bize deve vermesini talep ettik. …

Fakat Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Allah'a yemin ederim ki, size deve veremem. Zira bende sizin bu ihtiyaçlarınızı görecek develer yok!" dedi. Daha sonra Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e ganimet olarak büyük bir deve sürüsü getirilmiş ve O (s.a.v.) de: "Nerede o Eş'arılerden gelen grup?" diyerek bizi sormuş. Biz gelince Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem bize beş küçük deve sürüsü verilmesini emretti.

Hörgüçleri beyaz olan bu develer güçlü ve semiz hayvanlardı. Fakat biz hayvanları alıp gittikten sonra: "Eyvah biz ne yaptık! Bu develerin hiçbir bereketini göremeyiz ki!" dedik ve Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e dönüp: "Ey Allah'ın Resulü, biz sizden hem binrnek hem de eşyalarımızı taşımak için deve istediğimizde siz yemin ederek bunu yapamayacağınızı söylediniz.

Ettiğiniz bu yemini unuttunuz mu?" diye içimizdeki sıkıntıyı arz ettik. O (s.a.v.) de: "Bu hayvanları size veren ben değilim ki! Bunları size lütfedip veren Allah'tır. Allah'a yemin ederim ki, ben herhangi bir şey için yemin ettikten sonra başka bir hususun yemin ettiğim bu şeyden daha hayırlı olduğuna kanaat getirirsem hayırlı olanı yaparım ve bozduğum yeminin keffaretini yerine getiririm. " Tekrar:

3134Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ سَرِيَّةً فِيهَا عَبْدُ اللَّهِ قِبَلَ نَجْدٍ، فَغَنِمُوا إِبِلاً كَثِيرًا، فَكَانَتْ سِهَامُهُمُ اثْنَىْ عَشَرَ بَعِيرًا أَوْ أَحَدَ عَشَرَ بَعِيرًا، وَنُفِّلُوا بَعِيرًا بَعِيرًا

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) sent a Sariya towards Najd, and Abdullah ibn Umar was in the Sariya. They gained a great number of camels as war booty. The share of each one of them was twelve or eleven camels, and they were given an extra camel each.

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠালেন, যাদের মধ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। এ যুদ্ধে গনীমত হিসেবে তাঁরা বহু উট লাভ করেন। তাঁদের প্রত্যেকের ভাগে এগারোটি কিংবা বারটি করে উট পড়েছিল এবং তাঁদেরকে পুরস্কার হিসেবে আরো একটি করে উট দেয়া হয়। (৪৩৩৮) (মুসলিম ৩২/১২ হাঃ ১৭৪৯, আহমাদ ৪৫৭৯)

ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ‘ کہا ہم کو امام مالک نے خبر دی ‘ انہیں نافع نے اور انہیں ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے نجد کی طرف ایک لشکر روانہ کیا۔ عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما بھی لشکر کے ساتھ تھے۔ غنیمت کے طور پر اونٹوں کی ایک بڑی تعداد اس لشکر کو ملی۔

اس لیے اس کے ہر سپاہی کو حصہ میں بھی بارہ بارہ گیارہ گیارہ اونٹ ملے تھے اور ایک ایک اونٹ اور انعام میں ملا۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Yusuf] telah mengabarkan kepada kami [Malik] dari [Nafi'] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam mengirim sariyah (pasukan perang) dan 'Abdullah bin 'Umar bergabung bersamanya menuju Najed. Kemudian mereka dapatkan ghanimah berupa unta yang cukup banyak. Masing-masing anggota pasukan mendapatkan bagian dua belas unta atau sebelas unta ditambah masing-masingnya dengan satu unta sebagai nafal

(Abdullah) İbn Ömer r.a.'den nakledilmiştir: "Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem Abdullah İbn Ömer'in de içinde bulunduğu bir askeri birliği (seriyyeyi) Necid taraflarına gönderdi. Bu birlik çok sayıda deveyi ganimet olarak ele geçirdi. Bu birlikte bulunanlardan her birinin payına on iki veya on bir deve düşüyordu. Ayrıca bu savaşçılardan her birine ek olarak birer deve daha verildi

3135Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُنَفِّلُ بَعْضَ مَنْ يَبْعَثُ مِنَ السَّرَايَا لأَنْفُسِهِمْ خَاصَّةً سِوَى قِسْمِ عَامَّةِ الْجَيْشِ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) used to give extra share to some of the members of the Sariya he used to send, in addition to the shares they shared with the army in general.

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রেরিত কোন কোন সেনা দলে কোন কোন ব্যক্তিকে সাধারণ সৈন্যদের প্রাপ্য অংশের চেয়ে অতিরিক্ত দান করতেন। (মুসলিম ৩২/১২ হাঃ ১৭৫০)

ہم سے یحییٰ بن بکیر نے بیان کیا ‘ انہوں نے کہا ہم کو لیث نے خبر دی ‘ انہیں عقیل نے ‘ انہیں ابن شہاب نے ‘ انہیں سالم نے اور انہیں عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم بعض مہموں کے موقع پر اس میں شریک ہونے والوں کو غنیمت کے عام حصوں کے علاوہ ( خمس وغیرہ میں سے ) اپنے طور پر بھی دیا کرتے تھے۔

Telah bercerita kepada kami [Yahya bin Bukair] telah mengabarkan kepada kami [Al Laits] dari ['Uqail] dari [Ibnu Syihab] dari [Salim] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam memberi nafal (tambahan spesial) sebagian pasukan sariyah yang Beliau berikan khusus untuk mereka sebagai, disamping hak mereka sebagai pasukan secara umum

Abdullah İbn Ömer r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bazen göndermiş olduğu askeri birlikte görevalanlara Müslümanların genel yararı için kullanılacak olan beşte birlik paydan olmamak kaydıyla özel olarak fazladan pay (nefı) verirdi

3136Abu Musa al-AshariSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا بُرَيْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى رضى الله عنه

قَالَ بَلَغَنَا مَخْرَجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ بِالْيَمَنِ فَخَرَجْنَا مُهَاجِرِينَ إِلَيْهِ، أَنَا وَأَخَوَانِ لِي، أَنَا أَصْغَرُهُمْ، أَحَدُهُمَا أَبُو بُرْدَةَ وَالآخَرُ أَبُو رُهْمٍ، إِمَّا قَالَ فِي بِضْعٍ، وَإِمَّا قَالَ فِي ثَلَاثَةٍ وَخَمْسِينَ أَوِ اثْنَيْنِ وَخَمْسِينَ رَجُلاً مِنْ قَوْمِي فَرَكِبْنَا سَفِينَةً،

فَأَلْقَتْنَا سَفِينَتُنَا إِلَى النَّجَاشِيِّ بِالْحَبَشَةِ، وَوَافَقْنَا جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ وَأَصْحَابَهُ عِنْدَهُ فَقَالَ جَعْفَرٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَنَا هَا هُنَا، وَأَمَرَنَا بِالإِقَامَةِ فَأَقِيمُوا مَعَنَا. فَأَقَمْنَا مَعَهُ، حَتَّى قَدِمْنَا جَمِيعًا، فَوَافَقْنَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ افْتَتَحَ خَيْبَرَ، فَأَسْهَمَ لَنَا.

أَوْ قَالَ فَأَعْطَانَا مِنْهَا. وَمَا قَسَمَ لأَحَدٍ غَابَ عَنْ فَتْحِ خَيْبَرَ مِنْهَا شَيْئًا، إِلاَّ لِمَنْ شَهِدَ مَعَهُ، إِلاَّ أَصْحَابَ سَفِينَتِنَا مَعَ جَعْفَرٍ وَأَصْحَابِهِ، قَسَمَ لَهُمْ مَعَهُمْ

We got the news of the migration of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) while we were in Yemen, so we set out migrating to him. We were, I and my two brothers, I being the youngest, and one of my brothers was Abu Burda and the other was Abu Ruhm. We were over fifty (or fifty-three or fifty two) men from our people. We got on board a ship which took us to An-Najashi in Ethiopia, and there we found Jafar ibn Abu Talib and his companions with An-Najashi.

Jafar said (to us), “The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) has sent us here and ordered us to stay here, so you too, stay with us.” We stayed with him till we all left (Ethiopia) and met the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) at the time when he had conquered Khaibar. He gave us a share from its booty (or gave us from its booty).

He gave only to those who had taken part in the Ghazwa with him. but he did not give any share to any person who had not participated in Khaibar’s conquest except the people of our ship, besides Jafar and his companions, whom he gave a share as he did them (i.e. the people of the ship).

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইয়ামানে থাকতেই আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হিজরাত করার খবর পৌঁছে। তখন আমরাও তাঁর নিকট হিজরাত করার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লাম। আমি এবং আমার আরো দু’ভাই এর মধ্যে ছিলাম। আমি ছিলাম সবচেয়ে ছোট। তাদের একজন হলেন আবূ বুরদাহ, অন্যজন আবূ রুহ্ম।

রাবী হয়ত বলেছেন, আমার গোত্রের আরোও কতিপয় লোকের মধ্যে; কিংবা বলেছেন, আমার গোত্রের তিপ্পান্ন বা বায়ান্ন জন লোকের মধ্যে। অতঃপর আমরা একটি নৌযানে উঠলাম। ঘটনাক্রমে আমাদেরকে নৌযানটি হাবশার নাজ্জাশী বাদশাহর দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আমরা জা‘ফর ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ও তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে মিলিত হই।

জা‘ফর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন এবং এখানে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আপনারাও আমাদের সঙ্গে এখানে থাকুন। তখন আমরা তাঁর সঙ্গে থেকে গেলাম। অবশেষে আমরা সকলে একত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। এমন সময় আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছলাম, যখন তিনি খায়বার বিজয় করেছেন।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য অংশ নির্ধারণ করলেন। (বর্ণণাকারী বলেন), কিংবা তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরও তা হতে দিয়েছেন। আমাদের ছাড়া খায়বার বিজয়ে অনুপস্থিত কাউকেই তা হতে অংশ দেননি, জা‘ফর (রাঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণের সঙ্গে আমাদের এ নৌযাত্রীদের মধ্যে বণ্টন করেছেন। (৩৮৭৬, ৪২৩০, ৪২৩৩)

ہم سے محمد بن علاء نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ‘ ان سے برید بن عبداللہ نے بیان کیا ‘ ان سے ابوبردہ نے اور ان سے ابوموسیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی ہجرت کی خبر ہمیں ملی ‘ تو ہم یمن میں تھے۔ اس لیے ہم بھی آپ کی خدمت میں مہاجر کی حیثیت سے حاضر ہونے کے لیے روانہ ہوئے۔

میں تھا ‘ میرے بھائی تھے۔ ( میری عمران دونوں سے کم تھی ‘ دونوں بھائیوں میں ) ایک ابوبردہ رضی اللہ عنہ تھے اور دوسرے ابورہم۔

یا انہوں نے یہ کہا کہ اپنی قوم کے چند افراد کے ساتھ یا یہ کہا تریپن یا باون آدمیوں کے ساتھ ( یہ لوگ روانہ ہوئے تھے ) ہم کشتی میں سوار ہوئے تو ہماری کشتی نجاشی کے ملک حبشہ پہنچ گئی اور وہاں ہمیں جعفر بن ابی طالب رضی اللہ عنہ اپنے دوسرے ساتھیوں کے ساتھ ملے۔

جعفر رضی اللہ عنہ نے کہا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے ہمیں یہاں بھیجا تھا اور حکم دیا تھا کہ ہم یہیں رہیں۔ چنانچہ ہم بھی وہیں ٹھہر گئے۔ اور پھر سب ایک ساتھ ( مدینہ ) حاضر ہوئے ‘ جب ہم خدمت نبوی میں پہنچے ‘ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم خیبر فتح کر چکے تھے۔

لیکن آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ( دوسرے مجاہدوں کے ساتھ ) ہمارا بھی حصہ مال غنیمت میں لگایا۔ یا انہوں نے یہ کہا کہ آپ نے غنیمت میں سے ہمیں بھی عطا فرمایا ‘ حالانکہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے کسی ایسے شخص کا غنیمت میں حصہ نہیں لگایا جو لڑائی میں شریک نہ رہا ہو۔

صرف انہی لوگوں کو حصہ ملا تھا ‘ جو لڑائی میں شریک تھے۔ البتہ ہمارے کشتی کے ساتھیوں اور جعفر اور ان کے ساتھیوں کو بھی آپ نے غنیمت میں شریک کیا تھا ( حالانکہ ہم لوگ لڑائی میں شریک نہیں ہوئے تھے ) ۔

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Al 'Alaa'] telah bercerita kepada kami [Abu Usamah] telah bercerita kepada kami [Buraid bin 'Abdullah] dari [Abu Burdah] dari [Abu Musa radliallahu 'anhu] berkata; "Telah sampai berita kepada kami tentang tempat hijrah yang ditunjuk oleh Nabi Shallallahu'alaihiwasallam. Saat itu kami berada di negeri Yaman.

Maka kami keluar untuk berhijrah menuju tempat yang dimaksud. Aku bersama dua saudaraku ikut dalam rombongan muhajirin tersebut dan aku yang paling muda usianya. Salah satu dari keduanya adalah Abu Burdah sedangkan yang satu lagi Abu Ruhmi.

(Perawi berkata); Entah dia menyebut jumlah rombongan dengan kira-kira atau menyebut dengan jumlah lima puluh tiga atau lima puluh dua laki-laki dari kaumku. Maka kami naik sebuah perahu (mengarungi lautan) hingga perahu kami membawa kami sampai kepada an-Najasyi di Habasyah (Ethiopia) dan kami berjumpa dengan Ja'far bin Abu Thalib beserta para shahabatnya di negeri itu.

Ja'far berkata; "Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam mengutus kami ke negeri ini dan memerintahkan kami agar tinggal disini, untuk itu tinggallah bersama kami disini". Maka kami tinggal menetap bersamanya hingga kami kembali (ke Madinah) bersama-sama dan menjumpai Nabi Shallallahu'alaihiwasallam ketika Beliau telah menaklukan Khaibar.

Maka Beliau jadikan kami orang yang berhak mendapat bagian ghanimah". (perawi berkata); atau dia berkata; "Beliau memberi kami ghanimah. Padahal Beliau tidak membagi hak kepada seorangpun yang tidak ikut dalam penaklukan Khaibar dan hanya membagikannya kepada orang yang ikut terlibat dalam perang bersama Beliau. Kecuali kami, rombongan yang menaiki perahu bersama Ja'far dan para shahabatnya, beliau beri mereka bersama pejuang Khaibar lain

Ebu Musa'nın şöyle dediği nakledilmiştir: "Biz Yemen'de iken Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in Nebiliğini açıkladığı haberi bize ulaştı. Biz de O'na (s.a.v.) hicret edenler olarak yola koyulduk. Bu yolculuğa iki ağabeyim, Ebu Bürde ve Ebu Rühm ile birlikte çıkmıştık." Başka rivayetlerde Ebu Musa'nın: "On kişiye yakın bir kafile veya benim kabilemden elli üç ya da elli iki kişilik bir grupla yola çıktık" dediği kayıtlıdır.

Biz bir gemiye bindik ve Necaşi'nin Habeşistan'ına vardık. Orada Cafer İbn Ebu Talib ile arkadaşlarıyla karşılaştık. Cafer bize: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bizi buraya gönderdi ve burada kalmamızı emreti. Siz de bizimle birlikte kalın!"

dedi. Biz de hep birlikte dönene kadar onunla birlikte orada kaldık. Döndüğümüzde Hayber fethedilmişti. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem bize de bu Hayber ganimetlerinden pay verdi - başka bir rivayette "bize verdi" diye kayıtlıdır - Bizim dışımızda Hayber'in fethine katılmayan insanlara hiçbir şey vermedi. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem Hayber ganimetlerini sadece savaşa katılanlara, gemide bizimle birlikte bulunanlara ve Cafer ile arkadaşlarına dağıttı. Ganimeti paylaştırırken bunları savaşçılarla birlikte değerlendirdi." Tekrar:

3137Muhammad ibn al-MunkadirSahih

حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ

سَمِعَ جَابِرًا رضى الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ قَدْ جَاءَنِي مَالُ الْبَحْرَيْنِ لَقَدْ أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا». فَلَمْ يَجِئْ حَتَّى قُبِضَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا جَاءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ أَمَرَ أَبُو بَكْرٍ مُنَادِيًا فَنَادَى مَنْ كَانَ لَهُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَيْنٌ أَوْ عِدَةٌ فَلْيَأْتِنَا.

فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِي كَذَا وَكَذَا. فَحَثَا لِي ثَلَاثًا وَجَعَلَ سُفْيَانُ يَحْثُو بِكَفَّيْهِ جَمِيعًا، ثُمَّ قَالَ لَنَا هَكَذَا قَالَ لَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ وَقَالَ مَرَّةً فَأَتَيْتُ أَبَا بَكْرٍ فَسَأَلْتُ فَلَمْ يُعْطِنِي، ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَلَمْ يُعْطِنِي، ثُمَّ أَتَيْتُهُ الثَّالِثَةَ فَقُلْتُ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِي، ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِي، ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِي، فَإِمَّا أَنْ تُعْطِيَنِي، وَإِمَّا أَنْ تَبْخَلَ عَنِّي. …

قَالَ قُلْتَ تَبْخَلُ عَلَىَّ مَا مَنَعْتُكَ مِنْ مَرَّةٍ إِلاَّ وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أُعْطِيَكَ قَالَ سُفْيَانُ وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرٍ فَحَثَا لِي حَثْيَةً وَقَالَ عُدَّهَا. فَوَجَدْتُهَا خَمْسَمِائَةٍ قَالَ فَخُذْ مِثْلَهَا مَرَّتَيْنِ. وَقَالَ يَعْنِي ابْنَ الْمُنْكَدِرِ وَأَىُّ دَاءٍ أَدْوَأُ مِنَ الْبُخْلِ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said (to me), “If the property of Bahrain had come to us, I would have given you so much and so much.” But the Bahrain property did not come till the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) had died. When the Bahrain property came. Abu Bakr ordered somebody to announce, “Any person who has money claim on the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) or whom the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) had promised something, should come to us.”

So, I went to him and said, “The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) had promised to give me so much an so much.” Abu Bakr scooped up money with both hands thrice for me. (The sub-narrator Sufyan illustrated this action by scooping up with both hands and said, “Ibn Munkadir, another sub-narrator, used to illustrate it in this way.”) Narrated Jabir: Once I went to Abu Bakr and asked for the money but he did not give me, and I went to him again, but he did not give me, so I went to him for the third time and said, “I asked you, but you did not give me; then I asked you (for the second time) and you did not give me; then I asked you (for the third time) but you did not give me. …

You should either give me or allow yourself to be considered a miser regarding my case.” Abu Bakr said, “You tell me that I am a miser with regard to you. But really, whenever I rejected your request, I had the inclination to give you.”

(In another narration Jabir added:) So, Abu Bakr scooped up money with both hands for me and asked me to count it. I found out that It was five hundred. Abu Bakr told me to take twice that amount.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আমার নিকট বাহরাইনের মাল আসে, তবে আমি তোমাকে (দুইহাত মিলিয়ে) এ পরিমাণ ও এ পরিমাণ দান করব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু অবধি তা এলো না। অতঃপর যখন বাহরাইনের মাল এল, তখন আবূ বাকর (রাঃ) ঘোষণাকারীকে এ ঘোষণা দেয়ার আদেশ করলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যার কোন ঋণ বা ওয়াদা আছে, সে যেন আমার নিকট আসে।

অতঃপর আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এত এত ও এত দেয়ার কথা বলেছেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) তিনবার আঁজলা ভরে দান করেন। …

সুফ্ইয়ান (রাঃ) তাঁর দুই হাত একত্র করে আঁজলা করে আমাদের বললেন, ইবনু মুনকাদির এরূপই বলেছেন। জাবির (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি (জাবির) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট এলাম এবং তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি আমাকে দিলেন না। আবার আমি তাঁর নিকট এলাম।

তখনও তিনি আমাকে দিলেন না আবার আমি তাঁর নিকট তৃতীয়বার এসে বললাম, আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। আবার আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। এখন আমাকে আপনি দেবেন, না হয় আমার সঙ্গে কৃপণতা করবেন।

আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তুমি আমাকে বলছ, ‘কৃপণতা করবেন?’ আমি যতবারই তোমাকে দিতে অস্বীকার করি না কেন, আমার ইচ্ছা ছিল যে, আমি তোমাকে দেই। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, ‘আমর (রহ.) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলী (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আবূ বাকর (রাঃ) আমাকে এক আঁজলা দিয়ে বললেন, এটা গুণে নাও। আমি গণনা করে দেখলাম, পাঁচ শত।

তখন তিনি বললেন, এ রকম আরও দু’বার নিয়ে নাও। আর ইবনুল মুনকাদিরের বর্ণনায় আছে যে, [আবূ বাকর (রাঃ) বলেছেন], ‘কৃপণতার চেয়ে বড় রোগ কী হতে পারে?’ (২২৯৬)

ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ‘ کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے ‘ کہا ہم سے محمد بن منکدر نے ‘ اور انہوں نے جابر رضی اللہ عنہ سے سنا ‘ آپ نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا تھا کہ جب بحرین سے وصول ہو کر میرے پاس مال آئے گا تو میں تمہیں اس طرح اس طرح ‘ اس طرح ( تین لپ ) دوں گا اس کے بعد آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات ہو گئی اور بحرین کا مال اس وقت تک نہ آیا۔

پھر جب وہاں سے مال آیا تو ابوبکر رضی اللہ عنہ کے حکم سے منادی نے اعلان کیا کہ جس کا بھی نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم پر کوئی قرض ہو یا آپ کا کوئی وعدہ ہو تو ہمارے پاس آئے۔ میں ابوبکر رضی اللہ عنہ کی خدمت میں گیا اور عرض کیا کہ مجھ سے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے یہ فرمایا تھا۔ …

چنانچہ انہوں نے تین لپ بھر کر مجھے دیا۔ سفیان بن عیینہ نے اپنے دونوں ہاتھوں سے اشارہ کر کے ( لپ بھرنے کی ) کیفیت بتائی پھر ہم سے سفیان نے بیان کیا کہ ابن منکدر نے بھی ہم سے اسی طرح بیان کیا تھا۔ اور ایک مرتبہ سفیان نے ( سابقہ سند کے ساتھ ) بیان کیا کہ جابر رضی اللہ عنہ نے کہا کہ میں ابوبکر رضی اللہ عنہ کی خدمت میں حاضر ہوا تو انہوں نے مجھے کچھ نہیں دیا۔

پھر میں حاضر ہوا ‘ اور اس مرتبہ بھی مجھے انہوں نے کچھ نہیں دیا۔ پھر میں تیسری مرتبہ حاضر ہوا اور عرض کیا کہ میں نے ایک مرتبہ آپ سے مانگا اور آپ نے عنایت نہیں فرمایا۔ دوبارہ مانگا ‘ پھر بھی آپ نے عنایت نہیں فرمایا اور پھر مانگا لیکن آپ نے عنایت نہیں فرمایا۔

اب یا آپ مجھے دیجئیے یا پھر میرے بارے میں بخل سے کام لیجئے، ابوبکر رضی اللہ عنہ نے فرمایا کہ تم کہتے ہو کہ میرے معاملے میں بخل سے کام لیتا ہے۔ حالانکہ تمہیں دینے سے جب بھی میں نے منہ پھیرا تو میرے دل میں یہ بات ہوتی تھی کہ تمہیں کبھی نہ کبھی دینا ضرور ہے۔، سفیان نے بیان کیا کہ ہم سے عمرو نے بیان کیا ‘ ان سے محمد بن علی نے اور ان سے جابر نے ‘ پھر ابوبکر رضی اللہ عنہ نے مجھے ایک لپ بھر کر دیا اور فرمایا کہ اسے شمار کر میں نے شمار کیا تو پانچ سو کی تعداد تھی ‘ اس کے بعد ابوبکر رضی اللہ عنہ نے فرمایا کہ اتنا ہی دو مرتبہ اور لے لے۔

اور ابن المنکدر نے بیان کیا ( کہ ابوبکر رضی اللہ عنہ نے فرمایا تھا ) بخل سے زیادہ بدترین اور کیا بیماری ہو سکتی ہے۔

Telah bercerita kepada kami ['Ali] telah bercerita kepada kami [Sufyan] telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Al Munkadir] dia mendengar [Jabir radliallahu 'anhu] berkata; Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Seandainya sudah tiba harta (jizyah/upeti) dari negeri Bahrain sungguh aku akan memberi kamu sekian, sekian dan sekian, dan harta yang Beliau maksud tidak kunjung datang hingga Nabi Shallallahu'alaihiwasallam meninggal dunia".

Ketika datang harta Bahrain, Abu Bakr memerintahkan seorang penyeru untuk menyerukan: "Siapa yang Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam berhutang kepadanya atau Beliau membuat janji hendaklah datang kepada kami". Aku datang menemuinya lalu aku katakan; "Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam pernah berkata kepadaku begini begini". …

Maka Abu Bakr memberiku sebanyak tiga kali tangkup (ukuran dua telapak tangan penuh) sementara Sufyan memenuhi kedua telapak tangannya kemudian dia berkata kepada kami; "Sebanyak ini".

Dan Ibnu Al Munjadir berkata kepada kami; dan dia (Sufyan) suatu kali berkata; "Maka aku menemui Abu Bakr untuk meminta bagian namun dia tidak memberiku lalu aku datangi lagi dan meminta bagian lagi-lagi di tidak memberiku lalu aku datangi untuk kali ketiga seraya aku katakan; "Aku telah meminta bagian kepadamu namun kamu tidak memberiku lalu aku meminta lagi kamu juga tidak memberi dan kemudian aku meminta lagi namun kamu juga tetap tidak memberiku, apakah memang kamu tidak (patut) memberiku atau kamu pelit kepadaku".

Abu Bakr menjawab; "Kamu mengatakan (kepadaku) kamu pelit kepadaku. Tidaklah suatu kali aku tidak memberimu selain aku ingin memberimu". [Sufyan] berkata, dan telah bercerita kepada kami ['Amru] dari [Muhammad bin 'Ali] dari [Jabir]; "Maka dia memberiku sebanyak satu ciduk tangan".

Dan dia berkata; "Maka aku dapatkan jumlahnya sebanyak lima ratus". Dia (Abu Bakr) berkata; "Ambillah sebanyak itu untuk yang kedua kali". Dan berkata yakni Ibnu Al Munkadir; "Dan penyakit apa yang lebih buruk dari pada pelit?

Cabir İbn Abdullah r.a.'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in bana: "Bahreyn'in cizye vergileri gelse sana çokça (şu kadar, şu kadar, şu kadar) mal veririm" dedi. Ancak bu mallar gelmeden önce Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem vefat etti. Bahreyn'den cizye malları gelince Hz. Ebu Bekir şöyle bir duyuru yaptırdı: "Kimin Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'den bir alacağı varsa veya Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem kime bir söz (vaad) vermişse yanımıza gelsin."

Ben de onun yanına vardım ve: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bana böyle böyle demişti" diyerek durumu arz ettim. O da bana üç avuç mal verdi. Süfyan ise iki eliyle avuçluyordu." Hadisin ravilerinden Süfyan İbn Uyeyne: "Muhammed İbnü'l-Münkedir bize böyle söylemişti" demiştir. Süfyan İbn Uyeyne başka bir vakitte ise bu olayı şöyle anlatmıştır: (Cabir İbn Abdullah anlatıyor): "Ben iki defa Ebu Bekir'in yanına gittim ve talebimi arzettim. …

Fakat ikisinde de herhangi bir şey vermedi. Üçüncü defa gittiğimde: "Ben sana iki defa geldim ve talebimi arz ettiğim halde bana bir şey vermedin. Şimdi ya bana da verirsin ya da bana karşı bir cimrilik yapılıyor" dedim. O da: "Sen şimdi sana cimrilik edildiğini mi söylüyorsun!? Seni geri çevirdiğim zamanlarda bile kesinlikle sana vermeyi düşünüyordum; maksadım sana vermekti" diye cevap verdi.

Sonra da bir avuç doldurup bana verdi ve: "Say!" dedi. Saydım beş yüz çıktı. Ardından: "Aynı şekilde iki defa daha al" dedi. Muhammed İbnü'l-Münkedir: "Cimrilikten daha acı bir dert var mıdır?!" dedi

3138Jabir ibn AbdullahSahih

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله عنهما

قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْسِمُ غَنِيمَةً بِالْجِعْرَانَةِ إِذْ قَالَ لَهُ رَجُلٌ اعْدِلْ. فَقَالَ لَهُ «شَقِيتَ إِنْ لَمْ أَعْدِلْ»

While the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) was distributing the booty at Al-Jirana, somebody said to him “Be just (in your distribution).” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) replied, “Verily I would be miserable if I did not act justly.”

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জি‘য়রানা নামক জায়গায় গানীমাতের মাল বণ্টন করছিলেন, তখন এক ব্যক্তি বলল, ইন্সাফ করুন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমি যদি ইন্সাফ না করি, তবে তুমি হবে হতভাগা।’ (মুসলিম ১২/৪৭ হাঃ ১০৬৩, আহমাদ ১৪৮১)

ہم سے مسلم بن ابراہیم نے بیان کیا، کہا ہم سے قرۃ بن خالد نے بیان کیا، کہا ہم سے عمرو بن دینار نے بیان کیا اور ان سے جابر بن عبداللہ رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم مقام جعرانہ میں غنیمت تقسیم کر رہے تھے کہ ایک شخص ذوالخویصرہ نے آپ سے کہا، انصاف سے کام لیجئے، آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”اگر میں بھی انصاف سے کام نہ لوں تو بدبخت ہوا۔“

Telah bercerita kepada kami [Muslim bin Ibrahim] telah bercerita kepada kami [Qurrah binKhalid] telah bercerita kepada kami ['Amru bin Dinar] dari [Jabir bin 'Abdullah radliallahu 'anhu] berkata; "Ketika Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam membagi-bagi ghanimah di al-Ji'ranah, tiba-tiba seseorang berkata kepada Beliau; "Berbuat adillah!". Maka Beliau berkata: "Sungguh celaka aku bila tidak berbuat adil

Cabir İbn Abdullah r.a. şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem Ci'rane'de ganimetieri paylaştırırken adamın birisi: "Adil ol!" dedi. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de: "Eğer ben adil olmazsam sen bedbaht olursun!" buyurdu

3139Jubayr ibn MutimSahih

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ رضى الله عنه

أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ «لَوْ كَانَ الْمُطْعِمُ بْنُ عَدِيٍّ حَيًّا، ثُمَّ كَلَّمَنِي فِي هَؤُلَاءِ النَّتْنَى، لَتَرَكْتُهُمْ لَهُ»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) talked about war prisoners of Badr saying, “Had Al-Mutim ibn Adi been alive and interceded with me for these mean people, I would have freed them for his sake.”

জুবাইর ইবনু মুতয়িম (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদারের যুদ্ধ বন্দীদের ব্যাপারে বলেন, ‘যদি মুতয়িম ইবনু আদী (রাঃ) জীবিত থাকতেন আর আমার নিকট এ সকল নোংরা লোকের জন্যে সুপারিশ করতেন, তবে আমি তাঁর সম্মানার্থে এদের মুক্ত করে দিতাম।’ (৪০২৪)

ہم سے اسحاق بن منصور نے بیان کیا، کہا ہم کو عبدالرزاق نے خبر دی، انہیں معمر نے، انہیں زہری نے، انہیں محمد بن جبیر نے اور انہیں ان کے والد رضی اللہ عنہ نے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے بدر کے قیدیوں کے بارے میں فرمایا تھا کہ اگر مطعم بن عدی ( جو کفر کی حالت میں مر گئے تھے ) زندہ ہوتے اور ان نجس، ناپاک لوگوں کی سفارش کرتے تو میں ان کی سفارش سے انہیں ( فدیہ لیے بغیر ) چھوڑ دیتا۔

Telah bercerita kepada kami [Ishaq bin Manshur] telah mengabarkan kepada kami ['Abdur Razzaq] telah mengabarkan kepada kami [Ma'mar] dari [Az Zuhri] dari [Muhammad bin Jubair] dari [bapaknya radliallahu 'anhu] bahwa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berkata di hadapan para tawanan perang Badar: "Seandainya Al Muth'im bin 'Adiy masih hidup lalu dia berbicara kepadaku untuk pembebasan orang-orang busuk ini pasti aku lepaskan mereka kepadanya tanpa tebusan

Muhammed İbn Cübeyr babası Cübeyr İbn Mut'im r.a.'in şöyle dediğini nakletmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem Bedir esirleri hakkında şöyle buyurdu: "Mut'im İbn Adiyy sağ olsaydı sonra da benimle bu iğrenç adamlar (ın bırakılması) hakkında konuşsaydı kesinlikle hepsini ona bırakırdım

3140Jubayr ibn MutimSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ

قَالَ مَشَيْتُ أَنَا وَعُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ، إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَعْطَيْتَ بَنِي الْمُطَّلِبِ وَتَرَكْتَنَا، وَنَحْنُ وَهُمْ مِنْكَ بِمَنْزِلَةٍ وَاحِدَةٍ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا بَنُو الْمُطَّلِبِ وَبَنُو هَاشِمٍ شَىْءٌ وَاحِدٌ» قَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ وَزَادَ قَالَ جُبَيْرٌ وَلَمْ يَقْسِمِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِبَنِي عَبْدِ شَمْسٍ وَلَا لِبَنِي نَوْفَلٍ.

وَقَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ عَبْدُ شَمْسٍ وَهَاشِمٌ وَالْمُطَّلِبُ إِخْوَةٌ لأُمٍّ، وَأُمُّهُمْ عَاتِكَةُ بِنْتُ مُرَّةَ، وَكَانَ نَوْفَلٌ أَخَاهُمْ لأَبِيهِمْ

I and Uthman ibn Affan went to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! You have given to Bani Al-Muttalib and left us although they and we are of the same kinship to you.”

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Bani Muttalib and Bani Hashim are one and the same.” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) did not give a share to Bani Abd Shams and Bani Naufal.

(Ibn ‘Is-haq said, ‘Abd Shams and Hashim and Al-Muttalib were maternal brothers and their mother was ‘Atika bint Murra and Naufal was their paternal brother).’’’

জুবাইর ইবনু মুতঈম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বানূ মুত্তালিবকে দিয়েছেন, আর আমাদের বাদ দিয়েছেন। অথচ আমরা এবং তারা আপনার সঙ্গে একই স্তরে সম্পর্কিত।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বানূ মুত্তালিব ও বানূ হাশিম একই স্তরের। লায়স (রহ.) বলেন, ইউনুস (রহ.) আমাকে এ হাদীসটিতে আরো বেশি বলেছেন যে, জুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানূ আবদ শাম্স ও বানূ নাওফলকে অংশ দেননি।

ইবনু ইসহাক (রহ.) বলেন, আবদ শামস্, হাশিম ও মুত্তালিব একই মায়ের গর্ভজাত সহোদর ভাই। তাঁদের মাতা হলেন আতিকা বিনতু মুররা আর নাওফল ছিলেন তাদের বৈমাত্রেয় ভাই। (৩৫০২, ৪২২৯)

ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا، انہوں نے کہا ہم سے لیث نے بیان کیا، ان سے عقیل نے بیان کیا، ان سے ابن شہاب نے بیان کیا، ان سے ابن مسیب نے بیان کیا اور ان سے جبیر بن مطعم رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ میں اور عثمان بن عفان رضی اللہ عنہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوئے اور عرض کیا، یا رسول اللہ!

آپ نے بنو مطلب کو تو عنایت فرمایا لیکن ہم کو چھوڑ دیا، حالانکہ ہم کو آپ سے وہی رشتہ ہے جو بنو مطلب کو آپ سے ہے۔ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ بنو مطلب اور بنو ہاشم ایک ہی ہے۔ لیث نے بیان کیا کہ مجھ سے یونس نے بیان کیا اور ( اس روایت میں ) یہ زیادتی کی کہ جبیر رضی اللہ عنہ نے کہا نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے بنو عبدشمس اور بنو نوفل کو نہیں دیا تھا، اور ابن اسحاق ( صاحب مغازی ) نے کہا ہے کہ عبدشمس، ہاشم اور مطلب ایک ماں سے تھے اور ان کی ماں کا نام عاتکہ بن مرہ تھا اور نوفل باپ کی طرف سے ان کے بھائی تھے ( ان کی ماں دوسری تھیں ) ۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Yusuf] telah bercerita kepada kami [Al Laits] dari ['Uqail] dari [Ibnu Syihab] dari [Ibnu Al Musayyab] dari [Jubair bin Muth'im] berkata; 'Aku dan 'Utsman bin 'Affan berjalan menemui Rasulullah shallallahu 'alaihi wasallam shallallahu 'alaihi wasallam, lalu kami katakan; "Wahai Rasulullah, baginda memberikan Bani Al Muthallib tapi kami tidak, padahal kami di hadapan baginda kedudukannya sama".

Maka Rasulullah shallallahu 'alaihi wasallam bersabda: "Sesungguhnya Bani Al Muthallib dan Banu Hasyim adalah satu (sama kedudukannya). [Al Laits] berkata telah bercerita kepadaku [Yunus] dan dia menambahkan, [Jubair] berkata; Dan Nabi shallallahu 'alaihi wasallam tidak membagikan kepada Banu 'Abdu Syamsi, tidak juga kepada Banu Naufal".

Dan Ibnu Ishaq berkata; "'Abdu Syams, Hasyim dan Al Muthallib adalah saudara satu ibu yang bernama 'Atikah binti Murrah sedangkan Naufal adalah saudara mereka dari pihak bapak mereka

Cübeyr İbn Mut'im r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Ben Osman İbn Affan ile birlikte Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'ın yanına gittim. O'na (s.a.v.): "Ey Allah'ın Resulü, Muttalib oğullarına verdin fakat bizi bıraktın. Halbuki sana göre bizimle onların konumu aynıdır!" dedik. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de: "Muttalib oğulları ile Haşim oğulları aynı kategoridedir / aralarında herhangi bir fark yoktur" buyurdu.

Leys dedi ki: "Yunus buna ek olarak şu bilgiyi nakletti: Cübeyr dedi ki: "Resulullah (s.a.v.), Abdüşşems oğulları ile Nevfel oğullarına hiçbir pay vermedi.'' İbn İshak şöyle demiştir: "Abdüşşems, Haşim ve Muttalib aynı anadan doğmuşlardır. Anaları Atike binti Mürre'dir. Nevfel ise bunlarla baba bir kardeştir." Tekrar:

3141Abd ar-Rahman ibn AwfSahih

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ الْمَاجِشُونِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ

قَالَ بَيْنَا أَنَا وَاقِفٌ، فِي الصَّفِّ يَوْمَ بَدْرٍ فَنَظَرْتُ عَنْ يَمِينِي، وَشِمَالِي، فَإِذَا أَنَا بِغُلَامَيْنِ، مِنَ الأَنْصَارِ حَدِيثَةٍ أَسْنَانُهُمَا، تَمَنَّيْتُ أَنْ أَكُونَ بَيْنَ أَضْلَعَ مِنْهُمَا، فَغَمَزَنِي أَحَدُهُمَا فَقَالَ: يَا عَمِّ، هَلْ تَعْرِفُ أَبَا جَهْلٍ قُلْتُ: نَعَمْ، مَا حَاجَتُكَ إِلَيْهِ يَا ابْنَ أَخِي قَالَ أُخْبِرْتُ أَنَّهُ يَسُبُّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَئِنْ رَأَيْتُهُ لَا يُفَارِقُ سَوَادِي سَوَادَهُ حَتَّى يَمُوتَ الأَعْجَلُ مِنَّا.

فَتَعَجَّبْتُ لِذَلِكَ، فَغَمَزَنِي الآخَرُ فَقَالَ لِي مِثْلَهَا، فَلَمْ أَنْشَبْ أَنْ نَظَرْتُ إِلَى أَبِي جَهْلٍ يَجُولُ فِي النَّاسِ، قُلْتُ أَلَا إِنَّ هَذَا صَاحِبُكُمَا الَّذِي سَأَلْتُمَانِي. فَابْتَدَرَاهُ بِسَيْفَيْهِمَا فَضَرَبَاهُ حَتَّى قَتَلَاهُ، ثُمَّ انْصَرَفَا إِلَى رَسُولِ اللَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرَاهُ فَقَالَ: «أَيُّكُمَا قَتَلَهُ». …

قَالَ: كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا أَنَا قَتَلْتُهُ. فَقَالَ: «هَلْ مَسَحْتُمَا سَيْفَيْكُمَا». قَالَا لَا. فَنَظَرَ فِي السَّيْفَيْنِ فَقَالَ: «كِلَاكُمَا قَتَلَهُ». سَلَبُهُ لِمُعَاذِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْجَمُوحِ. وَكَانَا مُعَاذَ ابْنَ عَفْرَاءَ وَمُعَاذَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْجَمُوحِ.

قَالَ مُحَمَّدٌ سَمِعَ يُوسُفُ صَالِحًا وَإِبْرَاهِيمَ أَبَاهُ (عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ)

While I was standing in the row on the day (of the battle) of Badr, I looked to my right and my left and saw two young Ansari boys, and I wished I had been stronger than they. One of them called my attention saying, “O Uncle! Do you know Abu Jahl?”

I said, “Yes, What do you want from him, O my nephew?” He said, “I have been informed that he abuses the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam). By Him in Whose Hands my life is, if I should see him, then my body will not leave his body till either of us meet his fate.” I was astonished at that talk. Then the other boy called my attention saying the same as the other had said. …

After a while I saw Abu Jahl walking amongst the people. I said (to the boys), “Look! This is the man you asked me about.” So, both of them attacked him with their swords and struck him to death and returned to Allah’S Messenger to inform him of that.

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) asked, “Which of you has killed him?” Each of them said, “I Have killed him.” The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) asked, “Have you cleaned your swords?”

They said, “No. ‘ He then looked at their swords and said, ‘No doubt, you both have killed him and the spoils of the deceased will be given to Muadh ibn Amr ibn al-Jamuh.’ The two boys were Muadh ibn Afra and Muadh ibn Amr ibn al-Jamuh.’”

‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমি বাদার যুদ্ধে সারিতে দাঁড়িয়ে আছি, আমি আমার ডানে বামে তাকিয়ে দেখলাম, অল্প বয়স্ক দু’জন আনসার যুবকের মাঝখানে আছি। আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল, তাদের চেয়ে শক্তিশালীদের মধ্যে থাকি।

তখন তাদের একজন আমাকে খোঁচা দিয়ে জিজ্ঞেস করল, চাচা! আপনি কি আবূ জাহ্লকে চিনেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তবে ভাতিজা, তাতে তোমার দরকার কী? সে বলল, আমাকে জানানো হয়েছে যে, সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গালাগালি করে। সে মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ। আমি যদি তাকে দেখতে পাই, তবে আমার দেহ তার দেহ হতে বিচ্ছিন্ন হবে না যতক্ষণ না আমাদের মধ্যে যার মৃত্যু আগে নির্ধারিত, সে মারা যায়। …

আমি তার কথায় আশ্চর্য হলাম। তা শুনে দ্বিতীয়জন আমাকে খোঁচা দিয়ে ঐ রকমই বলল। তৎক্ষণাৎ আমি আবূ জাহলকে দেখলাম, সে লোকজনের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তখন আমি বললাম, এই যে তোমাদের সেই ব্যক্তি যার সম্পর্কে তোমরা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলে। তারা তৎক্ষণাৎ নিজের তরবারী নিয়ে তার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ল এবং তাকে আঘাত করে হত্যা করল।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে ফিরে এসে তাঁকে জানালো। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে কে তাকে হত্যা করেছে? তারা উভয়ে দাবী করল, আমি তাকে হত্যা করেছি।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের তরবারী তোমরা মুছে ফেলনি তো? তারা উভয়ে বলল, না। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের তরবারী দেখলেন এবং বললেন, তোমরা উভয়ে তাকে হত্যা করেছো। অবশ্য তার নিকট হতে প্রাপ্ত মালামাল মু‘আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহের জন্য। তারা দু’জন হলো, মুআয ইবনু ‘আফরা ও মু‘আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহ।

মুহাম্মাদ (রহ.) বলেছেন, তিনি ইউসুফ ও তাঁর পিতা ইবরাহীম (রহ.)-কে সৎ ব্যক্তি হিসেবে শুনেছেন। (৩৯৬৪, ৩৯৮৮) (মুসলিম ৩২/১৩ হাঃ ১৭৫২, আহমাদ ১৬৭৩)

ہم سے مسدد نے بیان کیا، کہا ہم سے یوسف بن ماجشون نے، ان سے صالح بن ابراہیم بن عبدالرحمٰن بن عوف نے، ان سے ان کے باپ نے اور ان سے صالح کے دادا (عبدالرحمٰن بن عوفص) نے بیان کے کہ بدر کی لڑائی میں، میں صف کے ساتھ کھڑا ہوا تھا۔ میں نے جو دائیں بائیں جانب دیکھا، تو میرے دونوں طرف قبیلہ انصار کے دو نوعمر لڑکے تھے۔

میں نے آرزو کی کاش! میں ان سے زبردست زیادہ عمر والوں کے بیچ میں ہوتا۔ ایک نے میری طرف اشارہ کیا، اور پوچھا چچا! آپ ابوجہل کو بھی پہچانتے ہیں؟ …

میں نے کہا کہ ہاں! لیکن بیٹے تم لوگوں کو اس سے کیا کام ہے؟ لڑکے نے جواب دیا مجھے معلوم ہوا ہے کہ وہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کو گالیاں دیتا ہے، اس ذات کی قسم! جس کے ہاتھ میں میری جان ہے اگر مجھے وہ مل گیا تو اس وقت تک میں اس سے جدا نہ ہوں گا جب تک ہم میں سے کوئی جس کی قسمت میں پہلے مرنا ہو گا، مر نہ جائے، مجھے اس پر بڑی حیرت ہوئی۔

پھر دوسرے نے اشارہ کیا اور وہی باتیں اس نے بھی کہیں۔ ابھی چند منٹ ہی گزرے تھے کہ مجھے ابوجہل دکھائی دیا جو لوگوں میں ( کفار کے لشکر میں ) گھومتا پھر رہا تھا۔

میں نے ان لڑکوں سے کہا کہ جس کے متعلق تم لوگ مجھ سے پوچھ رہے تھے، وہ سامنے ( پھرتا ہوا نظر آ رہا ) ہے۔ دونوں نے اپنی تلواریں سنبھالیں اور اس پر جھپٹ پڑے اور حملہ کر کے اسے قتل کر ڈالا۔ اس کے بعد رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہو کر آپ کو خبر دی، نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے پوچھا کہ تم دونوں میں سے کس نے اسے مارا ہے؟

دونوں نوجوانوں نے کہا کہ میں نے قتل کیا ہے۔ اس لیے آپ نے ان سے پوچھا کہ کیا اپنی تلواریں تم نے صاف کر لی ہیں؟ انہوں نے عرض کیا کہ نہیں۔ پھر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے دونوں تلواروں کو دیکھا اور فرمایا کہ تم دونوں ہی نے اسے مارا ہے۔ اور اس کا سامان معاذ بن عمرو بن جموح کو ملے گا۔

وہ دونوں نوجوان معاذ بن عفراء اور معاذ بن عمرو بن جموع تھے۔ محمد نے کہا یوسف نے صالح سے سنا اور ابراہیم نے اپنے باپ سے سنا۔

Telah bercerita kepada kami [Musaddad] telah bercerita kepada kami [Yusuf bin Al Majisyun] dari [Shalih bin Ibrahim bin 'Abdur Rahman bin 'Auf] dari [bapaknya] dari [kakeknya] berkata; "Ketika aku berada di barisan pasukan pada perang Badar, aku melihat ke kanan dan kiriku ternyata nampak ada dua orang anak dari Kaum Anshar yang masih sangat muda dan aku berharap berada di antara tulang rusuk keduanya.

Salah seorang darinya mengerdipkan matanya kepadaku seraya berkata; "Wahai paman, apakah paman mengenal Abu Jahal?". Aku jawab; "Ya. Tapi apa kepentinganmu dengannya wahai anak saudaraku?". …

Dia berkata; "Aku mendapat kabar bahwa dia menghina Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam. Dan demi Dzat yang jiwaku berada di tangan-Nya, seandainya aku melihatnya pasti tidak akan berpisah jasadku dengan jasadnya sampai siapa diantara kami yang menemui ajalnya lebih dahulu ". Aku menjadi kagum dengan keberaniannya. Lalu anak yang satunya lagi mengerdipkan matanya kepadaku lalu berkata kepadaku seperti yang dikatakan saudaranya tadi.

Tidak lama kemudian aku melihat Abu Jahal bolak-balik di tengah-tengan pasukan, lalu kukatakan kepada kedua anak tadi; "Itu dia orang yang tadi kalian tanyakan kepadaku?". Maka keduanya bersigap menyerbu dengan menghunus pedang masing-masing lalu keduanya menebas Abu Jahal hingga tewas. Kemudian keduanya mendatangi Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam dan mengabarkannya, maka Beliau bertanya; "Siapa diantara kalian berdua yang membunuhnya?".

Maka masing-masing dari keduanya menjawab; "Akulah yang membunuhnya". Beliau bertanya lagi; "Apakah kalian sudah membersihkan pedang kalian?". Keduanya menjawab; "Belum".

Maka Beliau melihat pedang keduanya lalu berkata: "Kalau begitu, kalian berdua yang telah membunuhnya dan salabnya (harta benda yang melekat pada tubuh musuh saat dibunuh) untuk Mu'adz bin 'Amru bin Al Jamuh". Kedua anak itu namanya Mu'adz bin 'Afra' dan Mu'adz bin 'Amru bin Al Jamuh". Muhammad berkata, Yusuf mendengar Shalih dan Ibrahim, bapaknya

Salih İbn İbrahim İbn Abdurrahman İbn Avf - İbrahim İbn Abdurrahman (babası) - Abdurrahman İbn Avf (dedesi) yoluyla nakledilen rivayette Abdurrahman İbn Avf şöyle demiştir: "Ben Bedir savaşında mücahidlerle birlikte saf tutmuştum. Bu sırada sağıma ve soluma baktım. Birden gözü me ensardan iki delikanlı ilişti. Gidip onların arasına girmek istedim.

Bu iki delikanlıdan birisi bana dokunup: "Ey Amca, Ebu Cehil'i tanır mısın?" diye sordu. Ben de: "Evet tanırım. Senin onunla ne işin var yeğenim!?" deyince şöyle cevap verdi: "Duydum ki o Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e sövüyormuş! Canımı elinde tutan Allah'a yemin ederim ki savaş sırasında onu görürsem bir gölge gibi takip edeceğim. …

Artık kimin eceli daha önce ise o ölene kadar bu devam edecek!" Ben bu cevabı alınca şaşkına döndüm. O sırada diğer delikanlı da buna benzer şeyler söyledi. Ben müşrik ordusuna doğru baktım ve Ebu Cehil'in insanlar arasında dolaştığını gördüm. Sonra bu delikanlılara: "İşte orada! Peşine düşeceğiniz adam işte şu!" dedim. Onlar da yalın kılıç Ebu Cehil'in üzerine saldırıp öldürünceye kadar vurdular.

Ebu Cehil'i öldürdükten sonra Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına gelip yaptıklarını anlattılar: Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Onu hanginiz öldürdü?" diye sorunca her biri: "Ben öldürdüm!" diye atıldı. Bunun üzerine Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Peki kılıçlarınızı sildiniz mi?"

diye sordu. Onlar: "Hayır" deyince Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem kılıçlara baktı ve: "Onu ikiniz öldürdünüz. Selebi de Muaz İbn Amr İbnü'l-Cemuh'a aittir." Bu iki delikanlı Muaz İbn Afra ile Muaz İbn Amr İbnü'l-Cemuh idi. " Tekrar: 3964 ve 3988 BU HADİS’İN MÜSLİM RİVAYETİ İÇİN BURAYA TIKLAYIN

3142Abu Qatadah al-AnsariSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ أَفْلَحَ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رضى الله عنه

قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ حُنَيْنٍ، فَلَمَّا الْتَقَيْنَا كَانَتْ لِلْمُسْلِمِينَ جَوْلَةٌ، فَرَأَيْتُ رَجُلاً مِنَ الْمُشْرِكِينَ عَلَا رَجُلاً مِنَ الْمُسْلِمِينَ، فَاسْتَدَرْتُ حَتَّى أَتَيْتُهُ مِنْ وَرَائِهِ حَتَّى ضَرَبْتُهُ بِالسَّيْفِ عَلَى حَبْلِ عَاتِقِهِ،

فَأَقْبَلَ عَلَىَّ فَضَمَّنِي ضَمَّةً وَجَدْتُ مِنْهَا رِيحَ الْمَوْتِ، ثُمَّ أَدْرَكَهُ الْمَوْتُ فَأَرْسَلَنِي، فَلَحِقْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقُلْتُ: مَا بَالُ النَّاسِ قَالَ أَمْرُ اللَّهِ، ثُمَّ إِنَّ النَّاسَ رَجَعُوا، وَجَلَسَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «مَنْ قَتَلَ قَتِيلاً لَهُ عَلَيْهِ بَيِّنَةٌ فَلَهُ سَلَبُهُ». …

فَقُمْتُ فَقُلْتُ: مَنْ يَشْهَدُ لِي ثُمَّ جَلَسْتُ ثُمَّ قَالَ: «مَنْ قَتَلَ قَتِيلاً لَهُ عَلَيْهِ بَيِّنَةٌ فَلَهُ سَلَبُهُ «فَقُمْتُ فَقُلْتُ: مَنْ يَشْهَدُ لِي ثُمَّ جَلَسْتُ، ثُمَّ قَالَ الثَّالِثَةَ مِثْلَهُ فَقَالَ رَجُلٌ صَدَقَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَسَلَبُهُ عِنْدِي فَأَرْضِهِ عَنِّي.

فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ رضى الله عنه لَاهَا اللَّهِ إِذًا يَعْمِدُ إِلَى أَسَدٍ مِنْ أُسْدِ اللَّهِ يُقَاتِلُ عَنِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْطِيكَ سَلَبَهُ.

فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «صَدَقَ». فَأَعْطَاهُ فَبِعْتُ الدِّرْعَ، فَابْتَعْتُ بِهِ مَخْرِفًا فِي بَنِي سَلِمَةَ، فَإِنَّهُ لأَوَّلُ مَالٍ تَأَثَّلْتُهُ فِي الإِسْلَامِ»

We set out in the company of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) on the day (of the battle) of Hunain. When we faced the enemy, the Muslims retreated and I saw a pagan throwing himself over a Muslim. I turned around and came upon him from behind and hit him on the shoulder with the sword He (i.e. the pagan) came towards me and seized me so violently that I felt as if it were death itself, but death overtook him and he released me.

I followed Umar ibn Al Khattab and asked (him), “What is wrong with the people (fleeing)?” He replied, “This is the Will of Allah,” After the people returned, the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) sat and said, “Anyone who has killed an enemy and has a proof of that, will possess his spoils.” …

I got up and said, “Who will be a witness for me?” and then sat down. The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) again said, “Anyone who has killed an enemy and has proof of that, will possess his spoils.”

I (again) got up and said, “Who will be a witness for me?” and sat down. Then the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said the same for the third time. I again got up, and the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “O Abu Qatadah! What is your story?”

Then I narrated the whole story to him. A man (got up and) said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! He is speaking the truth, and the spoils of the killed man are with me. So please compensate him on my behalf.”

On that Abu Bakr As-Siddiq said, “No, by Allah, he (i.e. The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)) will not agree to give you the spoils gained by one of Allah’s Lions who fights on the behalf of Allah and His Messenger.”

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Abu Bakr has spoken the truth.” So, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) gave the spoils to me. I sold that armor (i.e. the spoils) and with its price I bought a garden at Bani Salima, and this was my first property which I gained after my conversion to Islam.

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনাইনের বছর আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে বের হলাম। আমরা যখন শত্রুর সম্মুখীন হলাম, তখন মুসলিম দলের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি শুরু হল। এমন সময় আমি মুশরিকদের এক ব্যক্তিকে দেখলাম, সে একজন মুসলিমের উপর চেপে বসেছে। আমি ঘুরে তার পেছনের দিক দিয়ে এসে তরবারী দ্বারা তার ঘাড়ের রগে আঘাত করলাম।

তখন সে আমার দিকে এগিয়ে এল এবং আমাকে এমনভাবে জড়িয়ে ধরল যে, আমি তাতে মৃত্যুর আশংকা করলাম। মৃত্যু তাকেই ধরল এবং আমাকে ছেড়ে দিল। অতঃপর আমি ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললাম, লোকদের কী হয়েছে? …

‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর হুকুম। অতঃপর লোকজন ফিরে এলো এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসলেন, তখন তিনি বললেন, যে ব্যক্তি কাউকে নিহত করেছে এবং তার নিকট এর সাক্ষ্য রয়েছে, তার নিকট হতে প্রাপ্ত মাল-সামান তারই প্রাপ্য।

তখন আমি দাঁড়িয়ে বললাম, কে আছ যে আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে? অতঃপর আমি বসে পড়লাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন, যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করেছে এবং তার নিকট এর সাক্ষ্য রয়েছে, তার নিকট হতে প্রাপ্ত মাল-সামান তারই প্রাপ্য।

আমি দাঁড়িয়ে বললাম, কে আছ যে, আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে? অতঃপর আমি বসে পড়লাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয়বার ঐরূপ বললেন, আমি আবার দাঁড়ালাম, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবূ ক্বাতাদাহ! তোমার কী হয়েছে?

আমি তখন পুরো ঘটনা বললাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠল, হে আল্লাহর রাসূল! আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) ঠিক বলেছে। সে ব্যক্তি হতে প্রাপ্ত মাল-সামান আমার নিকট আছে। আপনি আমার পক্ষ হতে একে সম্মত করিয়ে দিন।

তখন আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, কক্ষনো না, আল্লাহর কসম! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো এমন করবেন না যে, আল্লাহর সিংহদের মধ্যে হতে কোন সিংহ আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষে যুদ্ধ করবে আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহত ব্যক্তির মাল-সামান তোমাকে দিবেন!

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ বাকর (রাঃ) ঠিকই বলেছে। ফলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা আমাকে দিলেন। আমি তা হতে একটি বর্ম বিক্রয় করে বানূ সালমায় একটি বাগান কিনি। এটাই ইসলামে প্রবেশের পর আমার প্রথম সম্পত্তি, যা আমি পেয়েছিলাম। (২১০০) (মুসলিম ৩২/১৩ হাঃ ১৭৫১, আহমাদ ২২৬৭০)

ہم سے عبداللہ بن مسلمہ نے بیان کیا، کہا ہم سے امام مالک نے، ان سے یحییٰ بن سعید نے، ان سے ابن افلح نے، ان سے ابوقتادہ کے غلام ابومحمد نے اور ان سے ابوقتادہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ غزوہ حنین کے سال ہم رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ روانہ ہوئے۔

پھر جب ہمارا دشمن سے سامنا ہوا تو ( ابتداء میں ) اسلامی لشکر ہارنے لگا۔ اتنے میں میں نے دیکھا کہ مشرکین کے لشکر کا ایک شخص ایک مسلمان کے اوپر چڑھا ہوا ہے۔ اس لیے میں فوراً ہی گھوم پڑا اور اس کے پیچھے سے آ کر تلوار اس کی گردن پر ماری۔ اب وہ شخص مجھ پر ٹوٹ پڑا، اور مجھے اتنی زور سے اس نے بھینچا کہ میری روح جیسے قبض ہونے کو تھی۔ …

آخر جب اس کو موت نے آ ڈبوچا، تب کہیں جا کر اس نے مجھے چھوڑا۔ اس کے بعد مجھے عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ ملے، تو میں نے ان سے پوچھا کہ مسلمان اب کس حالت میں ہیں؟

انہوں نے کہا کہ جو اللہ کا حکم تھا وہی ہوا۔ لیکن مسلمان ہارنے کے بعد پھر مقابلہ پر سنبھل گئے تو نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم بیٹھ گئے اور فرمایا کہ جس نے بھی کسی کافر کو قتل کیا ہو اور اس پر وہ گواہ بھی پیش کر دے تو مقتول کا سارا ساز و سامان اسے ہی ملے گا ( ابوقتادہ رضی اللہ عنہ نے کہا ) میں بھی کھڑا ہوا۔

اور میں نے کہا کہ میری طرف سے کون گواہی دے گا؟ لیکن ( جب میری طرف سے کوئی نہ اٹھا تو ) میں بیٹھ گیا۔ پھر دوبارہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ( آج ) جس نے کسی کافر کو قتل کیا اور اس پر اس کی طرف سے کوئی گواہ بھی ہو تو مقتول کا سارا سامان اسے ملے گا۔

اس مرتبہ پھر میں نے کھڑے ہو کر کہا کہ میری طرف سے کون گواہی دے گا؟ اور پھر مجھے بیٹھنا پڑا۔ تیسری مرتبہ پھر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے وہی ارشاد دہرایا اور اس مرتبہ جب میں کھڑا ہوا تو نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے خود ہی دریافت فرمایا، کس چیز کے متعلق کہہ رہے ہو ابوقتادہ!

میں نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے سامنے سارا واقعہ بیان کر دیا، تو ایک صاحب ( اسود بن خزاعی اسلمی ) نے بتایا کہ ابوقتادہ سچ کہتے ہیں، یا رسول اللہ! اور اس مقتول کا سامان میرے پاس محفوظ ہے۔ اور میرے حق میں انہیں راضی کر دیجئیے ( کہ وہ مقتول کا سامان مجھ سے نہ لیں ) لیکن ابوبکر صدیق رضی اللہ عنہ نے کہا کہ نہیں اللہ کی قسم!

اللہ کے ایک شیر کے ساتھ، جو اللہ اور اس کے رسول کے لیے لڑے، نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ایسا نہیں کریں گے کہ ان کا سامان تمہیں دے دیں، آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ابوبکر نے سچ کہا ہے۔ پھر آپ نے سامان ابوقتادہ رضی اللہ عنہ کو عطا فرمایا۔

ابوقتادہ نے کہا کہ پھر اس کی زرہ بیچ کر میں نے بنی سلمہ میں ایک باغ خرید لیا اور یہ پہلا مال تھا جو اسلام لانے کے بعد میں نے حاصل کیا تھا۔

Telah bercerita kepada kami ['Abdullah bin Maslaman] dari [Malik] dari [Yahya bin Sa'id] dari [Ibnu Aflah] dari [Abu Muhammad, maula Abu Qatadah] dari [Abu Qatadah radliallahu 'anhu] berkata; "Kami berangkat bersama Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam pada perang Hunain. Ketika kami sudah berhadapan dengan musuh, posisi Kaum Muslimin terdesak dan aku melihat ada seorang dari Kaum musyrikin berhasil mengatasi (membunuh) seorang dari Kaum Muslimin maka aku berbalik hingga aku berada di belakangnya lalu aku menghantamnya dengan pedang pada urat bahunya.

Dia berbalik lalu mendekapku dengan satu dekapan dan saat itulah aku merasakan bau kematian dan akhirnya dia menemui kematiannya. Kemudian datang utusan maka aku menemui 'Umar bin Al Khaththab lalu aku katakan; "Bagaimana keadaan orang-orang?". …

Dia berkata; "Itu urusan Allah". Kemudian orang-orang kembali lalu Nabi Shallallahu'alaihiwasallam duduk di hadapan manusia seraya bersabda: "Siapa yang telah membunuh musuh dan dia mempunyai bukti yang jelas maka salab (harta/barang yang melekat pada musuh yang terbunuh) menjadi miliknya".

Maka aku berdiri dan berkata; "Siapa yang menjadi saksi untukku". Lalu aku duduk kembali. Kemudian Beliau bersabda lagi: "Siapa yang telah membunuh musuh dan dia mempunyai bukti yang jelas maka salab (harta/barang yang melekat pada musuh yang terbunuh) menjadi miliknya".

Maka aku berdiri lagi dan berkata; "Siapa yang menjadi saksi untukku". Lalu aku duduk kembali. Kemudian Beliau bersabda lagi untuk yang ketiga kalinya seperti tadi maka aku berdiri.

Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam bertanya: "Ada apa denganmu wahai Abu Qatadah?". Maka aku menceritakan kepada Beliau peristiwa yang aku alami". Tiba-tiba ada seorang yang berkata; "Dia benar wahai Rasulullah dan salabnya ada padaku maka itu relakanlah untukku".

Abu Bakr ash-Shiddiq radliallahu 'anhu berkata (kepada laki-laki itu); "Tidak, demi Allah. Apa layak seseorang menemui salah satu singa Allah (maksudnya Abu Tolhah) yang dia berperang demi membela Allah dan Rasul-Nya Shallallahu'alaihiwasallam, lantas ia memberi salab-nya kepadamu?".

Maka Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berkata: "Abu Bakar benar". Maka Beliau memberikan salab itu kepad Abu Qatadah. Lalu aku menjual baju besi (salab) tersebut dan dengan harta itu kemudian aku membeli kebun yang penuh dengan buah-buahannya di kampung Bani Salamah dan itulah harta pertama yang aku kumpulkan di masa Islam

Katade'nin radıyallahu anh şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ile birlikte Huneyn savaşındaydık. Düşmanla karşılaştığımızda Müslüman ordusunda bir dağılma olmuştu. Bu sırada müşriklerden birisinin bir Müslümanı yere serdiğini gördüm. Ben de hemen dönüp arkasından yaklaştım ve kılıcımı ensesinin köküne indirdim.

Yaralı haliyle dönüp beni yakaladı ve öyle bir sıktı ki ölümün soğuk nefesini yüzümde hissettim. Neyse ki öldü de eııerinden kurtuldum. Sonra gidip Ömer İbnü'l-Hattab'ın yanına vardım. Kendisine: "İnsanlar ne durumda?" diye sordum. O da: "Allah'ın takdiri / emri neyse o ... …

" dedi. Bir süre sonra İslam ordusu toparlanıp geri döndü. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem da oturup şöyle buyurdu: "Kim bir düşman askerini öldürür ve onu öldürdüğüne dair elinde bir kanıt (beyyine) bulunursa öldürdüğü kişinin selebine sahip olur!" Ben de kalktım ve: "Kim benim için şahitlik eder?" deyip oturdum. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem bir kez daha: "Kim bir düşman askerini öldürür ve onu öldürdüğüne dair elinde bir kanıt (beyyine) bulunursa öldürdüğü kişinin selebine sahip olur!"

buyurdu. Ben de tekrar kalktım ve: "Kim benim için şahitlik eder?" deyip oturdum. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem üçüncü defa aynı soruyu sordu ve ben de yine kalktım. Bunun üzerine Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Ey Ebu Katade, haydi söyle bakalım neyin var senin?"

buyurdu. Ben de ona yaşadığım bu olayı anlattım. Orada bulunanlardan birisi kalktı ve: "Doğru söyledi ey Allah'ın Resulü. Öldürdüğü adamın selebi de benim elimde. Söyle de bunların bende kalmasına razı olsun!"

dedi. Bunun üzerine Ebu Bekir es-Sıddik radiyallahu anh şöyle dedi: Hayır Allah'a yemin ederim ki Allah'ın aslanlarından bir aslan Allah ve Resulü yolunda savaşacak ve bunun için kendisini tehlikeye atacak ve sana da kazandığı selebini verecek öyle mi? Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem: Doğru söyledi. Adam da elinde tuttuğu selebi geri verdi. Bende Seleme oğullarından bir zenbil hurma satın aldım. Bu benim İslam'da ilk kazandığım mal idi

3143Hakim ibn HizamSahih

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ حَكِيمَ بْنَ حِزَامٍ رضى الله عنه

قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي، ثُمَّ قَالَ لِي «يَا حَكِيمُ، إِنَّ هَذَا الْمَالَ خَضِرٌ حُلْوٌ، فَمَنْ أَخَذَهُ بِسَخَاوَةِ نَفْسٍ بُورِكَ لَهُ فِيهِ، وَمَنْ أَخَذَهُ بِإِشْرَافِ نَفْسٍ لَمْ يُبَارَكْ لَهُ فِيهِ، وَكَانَ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ، وَالْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى».

قَالَ حَكِيمٌ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَرْزَأُ أَحَدًا بَعْدَكَ شَيْئًا حَتَّى أُفَارِقَ الدُّنْيَا. فَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يَدْعُو حَكِيمًا لِيُعْطِيَهُ الْعَطَاءَ، فَيَأْبَى أَنْ يَقْبَلَ مِنْهُ شَيْئًا، ثُمَّ إِنَّ عُمَرَ دَعَاهُ لِيُعْطِيَهُ فَأَبَى أَنْ يَقْبَلَ فَقَالَ: يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ، إِنِّي أَعْرِضُ عَلَيْهِ حَقَّهُ الَّذِي قَسَمَ اللَّهُ لَهُ مِنْ هَذَا الْفَىْءِ، فَيَأْبَى أَنْ يَأْخُذَهُ. …

فَلَمْ يَرْزَأْ حَكِيمٌ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ بَعْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى تُوُفِّيَ

Hakim ibn Hizam said, “I asked the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) for something, and he gave me. I asked him again, and he gave me, and said to me.

‘O Hakim! This wealth is like green sweet (i.e. fruit), and if one takes it without greed, then one is blessed in it, and if one takes it with greediness, then one is not blessed in it, and will be like the one who eats without satisfaction. And an upper (i.e. giving) hand is better than a lower (i.e. taking) hand,’ I said, ‘O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! …

By Him Who has sent you with the Truth. I will not ask anyone for anything after you till I leave this world.’ So, when Abu Bakr during his Caliphate, called Hakim to give him (some money), Hakim refused to accept anything from him. Once Umar called him (during his Caliphate) in order to give him something, but Hakim refused to accept it, whereupon Umar said, ‘O Muslims!

I give him (i.e. Hakim) his right which Allah has assigned to him) from this Fai ‘(booty), but he refuses to take it.’ So Hakim never took anything from anybody after the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) till he died.’”

হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু চাইলাম। তখন তিনি আমাকে দিলেন। আমি আবার চাইলাম। তিনি আমাকে দিলেন।

অতঃপর আমাকে বললেন, হে হাকীম, এ সকল মাল সবুজ শ্যামল ও সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা লোভহীন অন্তরে গ্রহণ করে, তার তাতে বরকত দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি তা লোভনীয় অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বারকাত দেয়া হয় না। তার উদাহরণ ঐ ব্যক্তির মত, যে আহার করে কিন্তু পেট পূর্ণ হয় না। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম। …

হাকীম (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সে মহান সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আপনার পর আমি দুনিয়া হতে বিদায় নেয়া পর্যন্ত আর কারো মাল আকাঙ্ক্ষা করব না।’ পরে আবূ বাকর (রাঃ) হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ)-কে ভাতা নেয়ার জন্য ডাকতেন কিন্তু তিনি কোন কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকার করতেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) তাঁকে ভাতা দানের উদ্দেশে ডাকলেন কিন্তু তিনি তাঁর নিকট থেকেও কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।

তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ‘হে মুসলিমগণ। আমি হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ)-কে তার জন্য সে প্রাপ্য দিতে চেয়েছি যা আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য সম্পদ হতে অংশ রেখেছেন। আর সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। এভাবে হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে আর কারো কাছ হতে আমৃত্যু কিছুই গ্রহণ করেননি। (১৪৭২)

ہم سے محمد بن یوسف فریابی نے بیان کیا، کہا ہم سے امام اوزاعی نے بیان کیا، ان سے زہری نے، ان سے سعید بن مسیب اور عروہ بن زبیر رضی اللہ عنہ نے کہ حکیم بن حزام رضی اللہ عنہ نے بیان کیا، میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے کچھ روپیہ مانگا تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھے عطا فرمایا، پھر دوبارہ میں نے مانگا اور اس مرتبہ بھی آپ نے عطا فرمایا، پھر ارشاد فرمایا، حکیم!

یہ مال دیکھنے میں سرسبز بہت میٹھا اور مزیدار ہے لیکن جو شخص اسے دل کی بے طمعی کے ساتھ لے اس کے مال میں تو برکت ہوتی ہے اور جو شخص اسے لالچ اور حرص کے ساتھ لے تو اس کے مال میں برکت نہیں ہوتی، بلکہ اس کی مثال اس شخص جیسی ہے جو کھائے جاتا ہے لیکن اس کا پیٹ نہیں بھرتا اور اوپر کا ہاتھ ( دینے والا ) نیچے کے ہاتھ ( لینے والے ) سے بہتر ہوتا ہے۔ …

حکیم بن حزام رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ میں نے عرض کیا: یا رسول اللہ! آپ کے بعد اب میں کسی سے کچھ بھی نہیں مانگوں گا، یہاں تک کہ اس دنیا میں سے چلا جاؤں گا۔ چنانچہ ( آپ صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات کے بعد ) ابوبکر رضی اللہ عنہ انہیں دینے کے لیے بلاتے، لیکن وہ اس میں سے ایک پیسہ بھی لینے سے انکار کر دیتے۔

پھر عمر رضی اللہ عنہ ( اپنے زمانہ خلافت میں ) انہیں دینے کے لیے بلاتے اور ان سے بھی لینے سے انہوں نے انکار کر دیا۔ عمر رضی اللہ عنہ نے اس پر کہا کہ مسلمانو! میں انہیں ان کا حق دیتا ہوں جو اللہ تعالیٰ نے فئے کے مال سے ان کا حصہ مقرر کیا ہے۔ لیکن یہ اسے بھی قبول نہیں کرتے۔

حکیم بن حزام رضی اللہ عنہ کی وفات ہو گئی لیکن آپ صلی اللہ علیہ وسلم کے بعد انہوں نے کسی سے کوئی چیز نہیں لی۔

Telah bercerita kepada kami [Muhammad bin Yusuf] telah bercerita kepada kami [Al Awza'iy] dari [Az Zuhriy] dari [Sa'id bin 'Abdullahl-Musayyab] dan ['Urwah bin Az Zubair] bahwa [Hakim bin Hizam radliallahu 'anhu] berkata; 'Aku meminta sesuatu kepada Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam lalu Beliau memberikannya, kemudian aku meminta lagi dan Beliaupun kembali memberikannya lalu Beliau berkata kepadaku: "Wahai Hakim, harta itu hijau lagi manis, maka barangsiapa yang mencarinya untuk kedermawanan dirinya maka harta itu akan memberkahinya.

Namun barangsiapa yang mencarinya untuk keserakahan (ambisius, tamak) maka harta itu tidak akan memberkahinya, seperti orang yang makan namun tidak kenyang. Tangan yang di atas lebih baik daripada tangan yang di bawah". …

Hakim berkata; "Lalu aku berkata (kepada Beliau); "Wahai Rasulullah, demi Dzat yang telah mengutusmu dengan benar, aku tidak akan mengurangi hak seorangpun (dengan meminta) setelah engkau hingga aku meninggalkan dunia ini". Suatu kali Abu Bakar pernah memanggil Hakim untuk diberikan sesuatu agar dia datang dan menerima pemberiannya.

Kemudian 'Umar radliallahu 'anhu juga pernah memanggil Hakim untuk memberikan sesuatu namun Hakim tidak memenuhinya. Maka 'Umar radliallahu 'anhu berkata: "Wahai kaum Muslimin sekalian, sungguh aku pernah menawarkan kepadanya haknya dari harta fa'i ini (harta musuh tanpa peperangan) namun dia enggan untuk mengambilnya dan sungguh Hakim tidak pernah mengurangi hak (meminta) seorangpun setelah Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam hingga dia wafat

Hakim İbn Hizam'ın şöyle dediği nakledilmiştir: "Ben Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'den mal istedim ve bana verdi. Sonra yine istedim, yine verdi. Ardından da şöyle buyurdu: "Ey Hakim, bu mal var ya ... Çok tatlı bir yeşillik gibi bir şeydir. Kim bunu cömertçe (kanaatkar bir duygu ile alırsa kendisine bereketli olur. Fakat kim de aç gözlülükle alırsa aldığı malın kendisine hiçbir bereketi olmaz. Böyle bir kimse yediği halde doymayan insanlara benzer.

Veren el alan elden üstündür." Ben de: "Ey Allah'ın Resulü, seni hak ile Nebi olarak gönderen Allah'a yemin ederim ki senden sonra bu dünyayı terk edip gidinceye kadar hiç kimseden bir şey istemeyeceğim!" dedim. Gerçekten de Hakim Hz. Ebu Bekir, kendisine ihsanda bulunmak üzere çağırdığı halde bu teklifi kabule yanaşmazdı. Daha sonra Hz. …

Ömer de aynı şekilde Hakim'i mal vermek üzere çağırmış ancak Hakim bu teklifi de geri çevirmiştir. Hatta Hz. Ömer şöyle seslenmiştir: "Ey Müslümanlar topluluğu, ben Allah'ın bize lütfettiği bu ganimetlerdeki / feydeki payından vermek üzere Hakim'e teklifte bulundum ancak o bunu almaya yanaşmadı." Hakim Resulullah s.a.v.'den sonra ölünceye kadar hiç kimseden bir şey istememiştir)

3144Umar ibn al-KhattabSahih

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضى الله عنه

قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ كَانَ عَلَىَّ اعْتِكَافُ يَوْمٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَفِيَ بِهِ. قَالَ وَأَصَابَ عُمَرُ جَارِيَتَيْنِ مِنْ سَبْىِ حُنَيْنٍ، فَوَضَعَهُمَا فِي بَعْضِ بُيُوتِ مَكَّةَ قَالَ فَمَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى سَبْىِ حُنَيْنٍ، فَجَعَلُوا يَسْعَوْنَ فِي السِّكَكِ فَقَالَ عُمَرُ يَا عَبْدَ اللَّهِ، انْظُرْ مَا هَذَا فَقَالَ: مَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى السَّبْىِ.

قَالَ اذْهَبْ فَأَرْسِلِ الْجَارِيَتَيْنِ. قَالَ نَافِعٌ وَلَمْ يَعْتَمِرْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مِنَ الْجِعْرَانَةِ وَلَوِ اعْتَمَرَ لَمْ يَخْفَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ. وَزَادَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: مِنَ الْخُمُسِ. …

وَرَوَاهُ مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ فِي النَّذْرِ وَلَمْ يَقُلْ يَوْمَ

Umar ibn al-Khattab said, “O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! I vowed to observe Itikaf for one day during the pre-Islamic period.” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) ordered him to fulfill his vow. Umar gained two lady captives from the war prisoners of Hunain and he left them in some of the houses at Mecca.

When the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) freed the captives of Hunain without ransom, they came out walking in the streets. Umar said (to his son), “O Abdullah! See what is the matter.” …

Abdullah replied, “The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) has freed the captives without ransom.” He said (to him), “Go and set free those two slave girls.”

(Nafi added:) the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) did not perform the Umra from Al-Jirana, and if he had performed the Umra, it would not have been hidden from Abdullah.

নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! জাহিলী যুগে আমার উপর একদিনের ই‘তিকাফ (মানৎ) ছিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে তা পূরণ করার আদেশ করেন।

নাফি‘ (রহ.) বলেন, ‘উমার (রাঃ) হুনাইনের যুদ্ধের বন্দীর নিকট হতে দু’টি দাসী লাভ করেন। তখন তিনি তাদেরকে মক্কায় একটি গৃহে রেখে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের বন্দীদেরকে সৌজন্যমূলক মুক্ত করার আদেশ করলেন। তারা মুক্ত হয়ে অলি-গলিতে ছুটতে লাগল। …

‘উমার (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বললেন, দেখ তো ব্যাপার কী? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বন্দীদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তবে তুমি গিয়ে সে দাসী দু’জনকে মুক্ত করে দাও।

নাফি‘ (রহ.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিয়েররানা হতে ‘উমরাহ করেন নি। যদি তিনি ‘উমরাহ করতেন তবে তা ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে লুকানো থাকতো না। আর জারীর ইবনু হাযিম (রহ.) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করতেন যে, (উমর (রাঃ) দাসী দু’টি খুমুস হতে পেয়েছিলেন। মা‘আমার (রহ.)....ইবনু ‘উমার (রাঃ) নিকট হতে নযরের কথা উল্লেখ করেন, কিন্তু তিনি একদিনের কথা বলেননি। (২০৩২) (মুসলিম ২৭/৭ হাঃ ১৬৫৬, আহমাদ ৬৪২৭)

ہم سے ابوالنعمان نے بیان کیا، کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا، ان سے ایوب نے، ان سے نافع نے کہ عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ نے عرض کیا: یا رسول اللہ! زمانہ جاہلیت ( کفر ) میں میں نے ایک دن کے اعتکاف کی منت مانی تھی، تو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے اسے پورا کرنے کا حکم فرمایا۔

نافع نے بیان کیا کہ حنین کے قیدیوں میں سے عمر رضی اللہ عنہ کو دو باندیاں ملی تھیں۔ تو آپ نے انہیں مکہ کے کسی گھر میں رکھا۔ انہوں نے بیان کیا کہ پھر نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے حنین کے قیدیوں پر احسان کیا ( اور سب کو مفت آزاد کر دیا ) تو گلیوں میں وہ دوڑنے لگے۔ …

عمر رضی اللہ عنہ نے کہا، عبداللہ! دیکھو تو یہ کیا معاملہ ہے۔ انہوں نے بتایا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان پر احسان کیا ہے ( اور حنین کے تمام قیدی مفت آزاد کر دئیے گئے ہیں ) عمر رضی اللہ عنہ نے کہا کہ پھر جا ان دونوں لڑکیوں کو بھی آزاد کر دے۔

نافع نے کہا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مقام جعرانہ سے عمرہ کا احرام نہیں باندھا تھا۔ اگر آپ صلی اللہ علیہ وسلم وہاں سے عمرہ کا احرام باندھتے تو عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما کو یہ ضرور معلوم ہوتا اور جریر بن حازم نے جو ایوب سے روایت کی، انہوں نے نافع سے، انہوں نے ابن عمر رضی اللہ عنہما سے، اس میں یوں ہے کہ ( وہ دونوں باندیاں جو عمر رضی اللہ عنہ کو ملی تھیں ) خمس میں سے تھیں۔

( اعتکاف سے متعلق یہ روایت ) معمر نے ایوب سے نقل کی ہے، ان سے نافع نے، ان سے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے نذر کا قصہ جو روایت کیا ہے اس میں ایک دن کا لفظ نہیں ہے۔

Telah bercerita kepada kami [Abu an-Nu'man] telah bercerita kepada kami [Hammad bin Zaid] dari [Ayyub] dari [Nafi'] bahwa 'Umar bin Al Khaththab radliallahu 'anhu berkata; "Wahai Rasulullah, aku pernah bernadzar untuk beri'tikaf satu hari di masa jahilliyah". Maka Beliau memerintahkan aku untuk melaksanakannya".

Perawi (Nafi') berkata; "'Umar pernah mendapatkan dua budak perempuan dari tawanan perang Hunain lalu dia menitipkannya pada suatu rumah di Makkah". Perawi berkata; "Kemudian Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam membebaskan para tawanan perang Hunain hingga mereka bebas berjalan di lorong-lorong kota Makkah. …

'Umar berkata; "Wahai 'Abdullah, lihatlah apa yang terjadi?". 'Abdullah bin 'Umar berkata; "Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam telah membebaskan para tawanan". Maka 'Umar berkata; "Pergi dan bebaskanlah dua budak perempuan itu".

Nafi' berkata; "Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam tidak ber'umrah dari Ji'ranah, dan seandainya Beliau ber'umrah tentu akan diketahui oleh 'Abdullah (bin 'Umar) ". Dan [Jarir bin Hazim] menambahkan dari [Ayyub] dari [Nafi'] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] berkata; "(Dua budak itu) sebagai jatah khumus (seperlima ghanimah) ".

Dan diriwayatkan oleh [Ma'mar] dari [Ayyub] dari [Nafi'] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma]; "(Aku punya) nadzar", dan dia tidak mengatakan satu hari

Hammad İbn Zeyd - Eyyub - Nafi' senediyle Hz. Ömer ile ilgili olarak şöyle bir hadise nakledilmiştir. Bir defasında Hz. Ömer, Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e gelerek: "Ey Allah'ın Resulü, benim cahiliyye döneminde iken adadığım bir günlük itikafım var, ne yapmamı emredersiniz?"

diye sordu. Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem de ona bu adağını yerine getirmesini emretti. Hz. Ömer'e Huneyn'de Hevazin esirlerinden iki cariye düşmüştü. O da bu cariyeleri Mekke'deki bir evine yerleştirmişti. (Hz. Ömer, Huneyn sonrasında itikafa girince) Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem Huneyn esirlerini karşılıksız olarak serbest bıraktığını açıkladı ve insanlar sokaklarda koşuşturmaya başladı. …

(Bu sesleri duyan) Hz. Ömer oğlu Abdullah'a: "Abdullah, bir bak bakalım neler oluyor?" deyince Abdullah: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem esirleri karşılıksız olarak serbest bıraktı" diye cevap verdi. Bunun üzerine Hz.

Ömer şöyle dedi: "Öyleyse git ve bana verilen o iki cariyeyi serbest bırak!" Nafi' şöyle demiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem Ci'rane'den niyet edip umreye başlamadı. Eğer bu şekilde umreye başlasaydı bu durum Abdullah'a gizli kalmazdı." Cerir, Abdullah İbn Ömer'den naklen şöyle bir ek bilgiye yer vermiştir: " Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem bu iki cariyeyi Hz. Ömer'e ganimetin beşte birinden verdi

3145Amr ibn TaghlibSahih

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ تَغْلِبَ رضى الله عنه

قَالَ أَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَوْمًا وَمَنَعَ آخَرِينَ، فَكَأَنَّهُمْ عَتَبُوا عَلَيْهِ فَقَالَ: «إِنِّي أُعْطِي قَوْمًا أَخَافُ ظَلَعَهُمْ وَجَزَعَهُمْ، وَأَكِلُ أَقْوَامًا إِلَى مَا جَعَلَ اللَّهُ فِي قُلُوبِهِمْ مِنَ الْخَيْرِ وَالْغِنَى، مِنْهُمْ عَمْرُو بْنُ تَغْلِبَ».

فَقَالَ عَمْرُو بْنُ تَغْلِبَ مَا أُحِبُّ أَنَّ لِي بِكَلِمَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُمْرَ النَّعَمِ وَزَادَ أَبُو عَاصِمٍ عَنْ جَرِيرٍ قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ تَغْلِبَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِمَالٍ أَوْ بِسَبْىٍ فَقَسَمَهُ. بِهَذَا

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) gave (gifts) to some people to the exclusion of some others. The latter seemed to be displeased by that. The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “I give to some people, lest they should deviate from True Faith or lose patience, while I refer other people to the goodness and contentment which Allah has put in their hearts, and Amr ibn Taghlib is amongst them.”

Amr ibn Taghlib said, “The statement of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) is dearer to me than red camels.” Narrated Al-Hasan: Amr ibn Taghlib told us that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) got some property or some war prisoners and he distributed them in the above way (i.e. giving to some people to the exclusion of others).

‘আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক দলকে দিলেন আর অন্য দলকে দিলেন না। তারা যেন এতে মনোক্ষুণ্ণ হলেন।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এমন লোকদের দেই, যাদের সম্পর্কে বিগড়ে যাওয়া কিংবা ধৈর্যচ্যুত হবার আশঙ্কা করি। আর অন্যদল যাদের অন্তরে আল্লাহ্ তা‘আলা যে কল্যাণ ও মুখাপেক্ষীহীনতা দান করেছেন, তার উপর ছেড়ে দেই। আর ‘আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) তাদের মধ্যে।

‘আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সম্পর্কে যা বলেছেন, তার স্থলে যদি আমাকে লাল বর্ণের উট দেয়া হত তাতে আমি এতখানি আনন্দিত হতাম না। আর আবূ আসিম (রহ.) জারীর (রহ.) হতে হাদীসটি এতটুকু বেশি বর্ণনা করেছেন যে, হাসান (রহ.) বলেন, আমাকে ‘আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু মালামাল অথবা বন্দী আনা হয়, তখন তিনি তা বণ্টন করেন। (৯২৩)

ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا، کہا ہم سے جریر بن حازم نے بیان کیا، کہا ہم سے حسن بصریٰ نے بیان کیا، کہا کہ مجھ سے عمرو بن تغلب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا، انہوں نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے کچھ لوگوں کو دیا اور کچھ لوگوں کو نہیں دیا۔

غالباً جن لوگوں کو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے نہیں دیا تھا، ان کو ناگوار ہوا۔ تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں کچھ ایسے لوگوں کو دیتا ہوں کہ مجھے جن کے بگڑ جانے ( اسلام سے پھر جانے ) اور بے صبری کا ڈر ہے۔ اور کچھ لوگ ایسے ہیں جن پر میں بھروسہ کرتا ہوں، اللہ تعالیٰ نے ان کے دلوں میں بھلائی اور بے نیازی رکھی ہے ( ان کو میں نہیں دیتا ) عمرو بن تغلب رضی اللہ عنہ بھی انہیں میں شامل ہیں۔

عمرو بن تغلب رضی اللہ عنہ کہا کرتے تھے کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے میری نسبت یہ جو کلمہ فرمایا اگر اس کے بدلے سرخ اونٹ ملتے تو بھی میں اتنا خوش نہ ہوتا۔ ابوعاصم نے جریر سے بیان کیا کہ میں نے حسن بصریٰ سے سنا، وہ بیان کرتے تھے کہ ہم سے عمرو بن تغلب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس مال یا قیدی آئے تھے اور انہیں کو آپ نے تقسیم فرمایا تھا۔

Telah bercerita kepada kami [Musa bin Isma'il] telah bercerita kepada kami [Jarir bin Hazim] telah bercerita kepada kami [Al hasan] berkata telah bercerita kepadaku ['Amru bin Taghlab radliallahu 'anhu] berkata; "Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam pernah memberikan (suatu pemberian) kepada suatu kaum dan tidak memberikan kepada kaum yang lain namun mereka seakan menunjukkan ketidak sukaannya kepada Beliau.

Maka Beliau berkata: "Sesungguhnya aku memberi suatu kaum karena aku khawatir tentang ketidak tegaran dan ketidak sabaran mereka, dan aku akan selalu memberi makan kepada suatu kaum sampai Allah menjadikan dalam hati mereka kebaikan dan orang yang kaya hati di antara mereka adalah 'Amru bin Taghlab".

Maka 'Amru bin Taghlab berkata; "Aku tidak senang jika ucapan Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam kepadaku itu diganti dengan kekayaan yang sangat berharga". Dan [Abu 'Ashim] menambahkan dari [Jarir] berkatal; Aku mendengar [Al Hasan] berkata, telah bercerita kepada kami ['Amru bin Taghlab] bahwa Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam diberikan harta atau tawanan lalu Beliau membagi-bagikannya atas dasar pertimbangan tadi

Amr İbn Tağleb'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bazılarına vermiş ve bazı kimselere de hiçbir şey vermemişti. Bu yüzden kendilerine mal verilmeyen kimseler onun bu tavrından incinip alındılar ve söylenmeye başladılar. Bundan haberdar olan Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurdu: "Ben gönüllerinde kuşku doğacağından ve doğrudan uzaklaşıp yanlışlıklara meyledeceklerinden endişe ettiğim için bazı kimselere böyle mal veriyorum.

Buna karşılık bazı kimseleri de Allah'ın gönüllerine yerleştirmiş olduğu hayra ve Allah'tan başkasına muhtaç olmama duygusuna (ğina) ısmarlıyorum. İşte bunlardan birisi de Amr İbn Tağlib'tir." İşte ben Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in bu bir tek sözünü kızıl deve sürülerine değişmem

3146Anas ibn MalikSahih

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ رضى الله عنه

قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي أُعْطِي قُرَيْشًا أَتَأَلَّفُهُمْ، لأَنَّهُمْ حَدِيثُ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “I give to Quraish people in order to let them adhere to Islam, for they are near to their life of Ignorance (i.e. they have newly embraced Islam and it is still not strong in their hearts).”

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি কুরায়শদের দেই তাদের মনোস্তুষ্টির জন্য। কেননা তারা জাহিলিয়্যাতের নিকটবর্তী।’ (৩১৪৭, ৩৫২৮, ৩৭৭৮, ৩৭৯৩, ৪৩৩১, ৪৩৩২, ৪৩৩৩, ৪৩৩৪, ৪৩৩৭, ৫৮৬০, ৬৭৬২, ৭৪৪১) (মুসলিম ১২/৪৬ হাঃ ১০৫৯, আহমাদ ১৩৯১০)

ہم سے ابوالولید نے بیان کیا، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا، ان سے قتادہ نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”قریش کو میں ان کا دل ملانے کے لیے دیتا ہوں، کیونکہ ان کی جاہلیت ( کفر ) کا زمانہ ابھی تازہ گزرا ہے ( ان کی دلجوئی کرنا ضروری ہے ) ۔“

Telah bercerita kepada kami [Abu Al Walid] telah bercerita kepada kami [Syu'bah] dari [Qatadah] dari [Anas radliallahu 'anhu] berkata; Nabi Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Sungguh aku membagikan (ghanimah) kepada Quraisy untuk mengikat mereka (dalam Islam) karena mereka masih sangat dekat dengan masa-masa (kebiasaan) jahiliyyah

Enes İbn Malik r.a., Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in şöyle buyurduğunu nakletmiştir: "Ben kalplerini ısındırmak için Kureyş'e böyle mal veriyorum. Çünkü onlar cahiliyyeden yeni çıktılar. " Tekrar:

3147Anas ibn MalikSahih

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ

أَنَّ نَاسًا، مِنَ الأَنْصَارِ قَالُوا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مِنْ أَمْوَالِ هَوَازِنَ مَا أَفَاءَ، فَطَفِقَ يُعْطِي رِجَالاً مِنْ قُرَيْشٍ الْمِائَةَ مِنَ الإِبِلِ فَقَالُوا يَغْفِرُ اللَّهُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْطِي قُرَيْشًا وَيَدَعُنَا،

وَسُيُوفُنَا تَقْطُرُ مِنْ دِمَائِهِمْ قَالَ أَنَسٌ فَحُدِّثَ رَسُولُ اللَّهِ بِمَقَالَتِهِمْ، فَأَرْسَلَ إِلَى الأَنْصَارِ، فَجَمَعَهُمْ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ، وَلَمْ يَدْعُ مَعَهُمْ أَحَدًا غَيْرَهُمْ، فَلَمَّا اجْتَمَعُوا جَاءَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «مَا كَانَ حَدِيثٌ بَلَغَنِي عَنْكُمْ». …

قَالَ لَهُ فُقَهَاؤُهُمْ أَمَّا ذَوُو آرَائِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَلَمْ يَقُولُوا شَيْئًا، وَأَمَّا أُنَاسٌ مِنَّا حَدِيثَةٌ أَسْنَانُهُمْ فَقَالُوا يَغْفِرُ اللَّهُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْطِي قُرَيْشًا وَيَتْرُكُ الأَنْصَارَ، وَسُيُوفُنَا تَقْطُرُ مِنْ دِمَائِهِمْ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي أُعْطِي رِجَالاً حَدِيثٌ عَهْدُهُمْ بِكُفْرٍ، أَمَا تَرْضَوْنَ أَنْ يَذْهَبَ النَّاسُ بِالأَمْوَالِ وَتَرْجِعُونَ إِلَى رِحَالِكُمْ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَاللَّهِ مَا تَنْقَلِبُونَ بِهِ خَيْرٌ مِمَّا يَنْقَلِبُونَ بِهِ».

قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ رَضِينَا. فَقَالَ لَهُمْ «إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ بَعْدِي أُثْرَةً شَدِيدَةً، فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوُا اللَّهَ وَرَسُولَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْحَوْضِ». قَالَ أَنَسٌ فَلَمْ نَصْبِرْ

When Allah favored His Messenger with the properties of Hawazin tribe as Fai (booty), he started giving to some Quraishi men even up to one-hundred camels each, whereupon some Ansari men said about the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), “May Allah forgive His Messenger! He is giving to (men of) Quraish and leaves us, in spite of the fact that our swords are still dropping blood (of the infidels)” When the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) was informed of what they had said, he called the Ansar and gathered them in a leather tent and did not call anybody else along, with them.

When they gathered, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) came to them and said, “What is the statement which, I have been informed, and that which you have said?” …

The learned ones among them replied, O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam)! The wise ones amongst us did not say anything, but the youngsters amongst us said, ‘May Allah forgive His Messenger; he gives the Quraish and leaves the Ansar, in spite of the fact that our swords are still dribbling (wet) with the blood of the infidels.’

“ The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) replied, I give to such people as are still close to the period of Infidelity (i.e. they have recently embraced Islam and Faith is still weak in their hearts). Won’t you be pleased to see people go with fortune, while you return with the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) to your houses?

By Allah, what you will return with, is better than what they are returning with.” The Ansar replied, “Yes, O Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), we are satisfied Then the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said to them.” You will find after me, others being preferred to you. Then be patient till you meet Allah and meet His Messenger at Al-Kauthar (i.e. a fount in Paradise). (Anas added:) But we did not remain patient.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাওয়াযিন গোত্রের মাল থেকে যা দান করার তা দান করলেন। আর তিনি কুরাইশ গোত্রের লোকদের একশ’ করে উট দিতে লাগলেন। তখন আনসারদের হতে কিছু সংখ্যক লোক বলতে লাগল, আল্লাহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ক্ষমা করুন।

তিনি কুরায়শদেরকে দিচ্ছেন, আমাদেরকে দিচ্ছে না। অথচ আমাদের তলোয়ার থেকে এখনও তাদের রক্ত ঝরছে। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তাদের কথা পৌঁছান হল। তখন তিনি আনসারদের ডেকে পাঠালেন এবং চর্ম নির্মিত একটি তাঁবুতে তাদের একত্রিত করলেন আর তাঁদের সঙ্গে তাঁদের ব্যতীত আর কাউকে ডাকলেন না। …

যখন তাঁরা সকলে একত্রিত হলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের নিকট এলেন এবং বললেন, ‘আমার নিকট তোমাদের ব্যাপারে যে কথা পৌঁছেছে তা কী?’

তাঁদের মধ্যে বয়স্ক লোকেরা তাঁকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্য থেকে বয়স্করা কিছুই বলেননি। আমাদের কতিপয় তরুণরা বলেছেঃ আল্লাহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ক্ষমা করুন। তিনি আনসারদের না দিয়ে কুরায়শদের দিচ্ছেন; অথচ আমাদের তরবারি হতে এখনও তাদের রক্ত ঝরছে।’

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমি এমন লোকদের দিচ্ছি, যাদের কুফরীর যুগ মাত্র শেষ হয়েছে। তোমরা কি এতে খুশী নও যে, লোকেরা দুনিয়াবী সম্পদ নিয়ে ফিরবে, আর তোমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিয়ে মনযিলে ফিরবে আর আল্লাহর কসম, তোমরা যা নিয়ে মনযিলে ফিরবে, তা তারা যা নিয়ে ফিরবে, তার চেয়ে উত্তম।’

তখন আনসারগণ বললেন, ‘হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এতেই সন্তুষ্ট।’ অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমার পরে তোমরা তোমাদের উপর অন্যদের খুব প্রাধান্য দেখতে পাবে। তখন তোমরা ধৈর্য অবলম্বন করবে, যে পর্যন্ত না তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হাউযে কাওসারে মিলিত হবে।’ আনাস (রাঃ) বলেন, কিন্তু আমরা ধৈর্যধারণ করতে পারিনি। (৩১৪৬)

ہم سے ابوالیمان نے بیان کیا، کہا ہم کو شعیب نے خبر دی، کہا ہم سے زہری نے بیان کیا، کہا کہ مجھے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ جب اللہ تعالیٰ نے اپنے رسول کو قبیلہ ہوازن کے اموال میں سے غنیمت دی اور آپ صلی اللہ علیہ وسلم قریش کے بعض آدمیوں کو ( تالیف قلب کی غرض سے ) سو سو اونٹ دینے لگے تو بعض انصاری لوگوں نے کہا اللہ تعالیٰ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی بخشش کرے۔

آپ قریش کو تو دے رہے ہیں اور ہمیں چھوڑ دیا۔ حالانکہ ان کا خون ابھی تک ہماری تلواروں سے ٹپک رہا ہے۔ ( قریش کے لوگوں کو حال ہی میں ہم نے مارا، ان کے شہر کو ہم ہی نے فتح کیا ) انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کو جب یہ خبر پہنچی تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے انصار کو بلایا اور انہیں چمڑے کے ایک ڈیرے میں جمع کیا، ان کے سوا کسی دوسرے صحابی کو آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے نہیں بلایا۔ …

جب سب انصاری لوگ جمع ہو گئے تو آپ صلی اللہ علیہ وسلم بھی تشریف لائے اور دریافت فرمایا کہ آپ لوگوں کے بارے میں جو بات مجھے معلوم ہوئی وہ کہاں تک صحیح ہے؟ انصار کے سمجھ دار لوگوں نے عرض کیا: یا رسول اللہ! ہم میں جو عقل والے ہیں، وہ تو کوئی ایسی بات زبان پر نہیں لائے ہیں، ہاں چند نوعمر لڑکے ہیں، انہوں نے یہ کہا ہے کہ اللہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی بخشش کرے، آپ صلی اللہ علیہ وسلم قریش کو تو دے رہے ہیں اور ہم کو نہیں دیتے حالانکہ ہماری تلواروں سے ابھی تک ان کے خون ٹپک رہے ہیں۔

اس پر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں بعض ایسے لوگوں کو دیتا ہوں جن کا کفر کا زمانہ ابھی گزرا ہے۔ ( اور ان کو دے کر ان کا دل ملاتا ہوں ) کیا تم اس پر خوش نہیں ہو کہ جب دوسرے لوگ مال و دولت لے کر واپس جا رہے ہوں گے، تو تم لوگ اپنے گھروں کو رسول اللہ کو لے کر واپس جا رہے ہو گے۔

اللہ کی قسم! تمہارے ساتھ جو کچھ واپس جا رہا ہے وہ اس سے بہتر ہے جو دوسرے لوگ اپنے ساتھ واپس لے جائیں گے۔ سب انصاریوں نے کہا: بیشک یا رسول اللہ! ہم اس پر راضی اور خوش ہیں۔ پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے ان سے فرمایا ”میرے بعد تم یہ دیکھو گے کہ تم پر دوسرے لوگوں کو مقدم کیا جائے گا، اس وقت تم صبر کرنا، ( دنگا فساد نہ کرنا ) یہاں تک کہ اللہ تعالیٰ سے جا ملو اور اس کے رسول سے حوض کوثر پر۔“ انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا، پھر ہم سے صبر نہ ہو سکا۔

Telah bercerita kepada kami [Abu Al Yaman] telah mengabarkan kepada kami [Syu'aib] telah bercerita kepada kami [Az Zuhriy] berkata telah mengabarkan kepadaku [Anas bin Malik] bahwa orang-orang dari kalangan Anshar berbicara dengan Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam ketika Allah mengkaruniakan harta fa'i suku Hawazin kepada Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam.

Saat itu Beliau sedang memberikan bagian kepada orang-orang Quraisy berupa seratus unta. Mereka berkata; "Semoga Allah mengampuni Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam karena Beliau memberikan bagian kepada orang Quraisy dan meninggalkan kita padahal pedang-pedang kitalah yang menumpahkan darah-darah mereka". …

Anas berkata; "Kemudian disampaikan kepada Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam apa yang diperbincangkan oleh mereka". Maka dikirimlah utusan kepada kaum Anshar dan mengumpulkan mereka pada suatu kemah terbuat dari kulit yang telah disamak dan tidak mengijinkan seorangpun bergabung selain kalangan mereka. Ketika mereka sudah berkumpul maka Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam datang menemui mereka lalu berkata: "Ada apa dengan berita yang telah sampai kepadaku tentang kalian".

Orang faqih mereka berkata kepada Beliau; "Orang-orang bijak dari kami tidaklah mengatakan sesuatupun wahai Rasulullah. Namun memang ada anak-anak muda yang berkata; Semoga Allah mengampuni Rasulullah karena Beliau memberikan bagian kepada orang Quraisy dan meninggalkan kaum Anshar padahal pedang-pedang kitalah yang menumpahkan darah-darah mereka".

Maka Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Sungguh aku memberi bagian kepada orang-orang yang masa hidup mereka masih dekat dengan kekafiran. Apakah kalian ridla orang-orang itu pulang dengan membawa harta, sebaliknya kalian kembali ke tempat tinggal kalian dengan membawa Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam?". Demi Allah, sungguh apa yang kalian bawa pulang lebih baik dari apa yang mereka bawa".

Kaum Anshar berkata; "Kami ridla wahai Rasulullah". Kemudian Beliau bersabda lagi: "Sungguh sepeninggalku nanti kalian akan melihat banyak perkara yang sangat berat. Untuk itu bershabarlah hingga kalian berjumpa dengan Allah dan Rasul-Nya Shallallahu'alaihiwasallam di telaga al-haudl". Anas berkata; "Ternyata di kemudian hari kami tidak sabar

Enes İbn Malik (r.a.)'den nakledilmiştir: "Allah Teala, Hevazin kabilesinden ele geçirilen malları fey olarak Resulüne lütfedince Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem Kureyş'ten bazı kimselere yüzlerce deve verdi. Bunun üzerine ensardan bir grup Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem hakkında: "Allah, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'i affetsin.

Baksana Kureyş'e o kadar mal veriyor bizi ise bırakıyor. Halbuki kılıçlarımızdan hala onların kanları damlıyor." dediler. Onların bu şekilde ileri geri konuştukları Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e haber verildi. Bunun üzerine Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ensara bir haberci gönderip onları deriden yapılmış bir çadırın altında topladı. …

İçeride onlardan başka hiç kimseyi bırakmadı. Ensar toplanınca Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem: "Söylediğiniz sözler bana ulaştı, şimdi ne diyeceksiniz?" diye sordu. Aklı başında olan, bilge kişiler (fukaha) söz alıp şöyle dediler: "Ey Allah'ın Resulü, içimizdeki aklı başında kimseler kesinlikle bir şey söylemediler. Fakat aramızda bazı toy delikanlılar da var.

Onlar: "Allah, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'i affetsin. Baksana Kureyş'e o kadar mal veriyor Ensarı ise bırakıyor. Halbuki kılıçlarımızdan hala onların kanları damlıyor" dediler."

Bunun üzerine Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem şöyle buyurdu: "Ben küfürden yeni kurtulmuş bazı kimselere böyle mal veriyorum. Bu insanlar malları alıp giderken siz evinize Resulullah (s.a.v.) ile birlikte dönmeyi istemez misiniz? Allah'a yemin ederim ki, sizin yanınıza alıp götüreceğiniz (Nebi) onların yanlarına ahp götürecekleri (mallardan) daha hayırhdır."

Ensar da: "İstemez miyiz ey Allah'ın Resulü, tabi ki buna razıyız" diye cevap verdiler. ResuI-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem onlara şöyle dedi: "Siz benden sonra çok aşırı derecede bencillikler göreceksiniz. Siz Allah ile ve havzın başında Resulü ile karşılaşıncaya kadar sabredin!" Ancak biz sabredemedik

3148Jubayr ibn MutimSahih

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأُوَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي جُبَيْرُ بْنُ مُطْعِمٍ

أَنَّهُ بَيْنَا هُوَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَعَهُ النَّاسُ مُقْبِلاً مِنْ حُنَيْنٍ عَلِقَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الأَعْرَابُ يَسْأَلُونَهُ حَتَّى اضْطَرُّوهُ إِلَى سَمُرَةٍ، فَخَطِفَتْ رِدَاءَهُ، فَوَقَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «أَعْطُونِي رِدَائِي، فَلَوْ كَانَ عَدَدُ هَذِهِ الْعِضَاهِ نَعَمًا لَقَسَمْتُهُ بَيْنَكُمْ، ثُمَّ لَا تَجِدُونِي بَخِيلاً وَلَا كَذُوبًا وَلَا جَبَانًا»

That while he was with the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) who was accompanied by the people on their way back from Hunain, the bedouins started begging things of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) so much so that they forced him to go under a Samurah tree where his loose outer garment was snatched away.

On that, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) stood up and said to them, “Return my garment to me. If I had as many camels as these trees, I would have distributed them amongst you; and you will not find me a miser or a liar or a coward.”

জুবাইর ইবনু মুত‘ঈম (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন, আর তখন তাঁর সাথে আরো লোক ছিল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন হতে আসছিলেন। বেদুঈন লোকেরা তাঁর নিকট গনীমতের মাল নেয়ার জন্য তাঁকে আঁকড়ে ধরল। এমনকি তারা তাঁকে একটি বাবলা গাছের সাথে ঠেকিয়ে দিল এবং কাঁটা তাঁর চাদর আটকে ধরল।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থামলেন। অতঃপর বললেন, ‘আমার চাদরটি দাও। আমার নিকট যদি এ সকল কাঁটাদার বুনো গাছের পরিমাণ পশু থাকত, তবে সেগুলো তোমাদের মাঝে বণ্টন করে দিতাম। অতঃপরও আমাকে তোমরা কখনো কৃপণ, মিথ্যাচারী এবং কাপুরুষ পাবে না।’ (২৮২১)

ہم سے عبدالعزیز بن عبداللہ اویسی نے بیان کیا، انہوں نے کہا ہم سے ابراہیم بن سعد نے بیان کیا، انہوں نے کہا کہ ہم سے صالح بن کیسان نے، ان سے ابن شہاب نے بیان کیا کہ مجھے عمر بن محمد بن جبیر بن مطعم نے خبر دی کہ میرے باپ محمد بن جبیر نے کہا اور انہیں جبیر بن مطعم رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ ہم رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ تھے۔

آپ کے ساتھ اور بھی صحابہ تھے۔ حنین کے جہاد سے واپسی ہو رہی تھی۔ راستے میں کچھ بدو آپ صلی اللہ علیہ وسلم سے لپٹ گئے ( لوٹ کا مال ) آپ سے مانگتے تھے۔ وہ آپ سے ایسا لپٹے کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو ایک ببول کے درخت کی طرف دھکیل لے گئے۔ آپ کی چادر اس میں اٹک کر رہ گئی۔

اس وقت آپ ٹھہر گئے۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ” ( بھائیو ) میری چادر تو دے دو۔ اگر میرے پاس ان کانٹے دار درختوں کی تعداد میں اونٹ ہوتے تو وہ بھی تم میں تقسیم کر دیتا۔ تم مجھے بخیل، جھوٹا اور بزدل ہرگز نہیں پاؤ گے۔“

Telah bercerita kepada kami ['Abdul 'Aziz bin 'Abdullah Al Uwaisiy] telah bercerita kepada kami [Ibrahim bin Sa'ad] dari [Shalih] dari [Ibnu Syihab] mengatakan, telah menceritakan kepadaku ['Umar bin Muhammad bin Jubair bin Muth'im] bahwa [Muhammad bin Jubair] berkata telah mengabarkan kepadaku [Jubair bin Muth'im] bahwa ketika dia bersama Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam beserta orang-orang yang baru kembali dari perang Hunain, Beliau dihampiri oleh orang-orang Arab Baduy yang meminta bagian dan mendesak Beliau hingga menyudutkan Beliau ke pohon berduri sementara rida' (selendang) Beliau raib (ada yang ambil).

Maka Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam tertahan lalu bersabda: "Berikan rida'ku. Seandainya aku memiliki banyak pohon berduri ini sebagai harta maka aku bagikan kepada kalian, lalu kalian tidak akan mendapati aku sebagai orang yang pelit, dusta atau pengecut

Cübeyr İbn Mut'im r.a.'den nakledilmiştir: "Huneyn dönüşünde ResuI-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem ile birlikte idim. Yanındaki insanlarla beraber ilerliyordu. Bu sırada bedeviler kendilerine de mali yardım yapılması için Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e hücum edip O'nu (s.a.v.) bir çalıya sıkıştırdılar. Öylesine bir izdiham vardı ki, bu bedeviler Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in omzuna attığı ridasını bile kaptılar.

Bunun üzerine Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem olduğu yerde durdu ve: "Ridamı geri verin! Yeminle söylüyorum ki, şu gördüğünüz çalılıların sayısınca deve sürüsü olsa hepsini size dağıtırdım. Sonra da benim cimri, yalancı ve korkak biri olmadığımı görürdünüz" buyurdu

3149Anas ibn MalikSahih

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضى الله عنه

قَالَ كُنْتُ أَمْشِي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ بُرْدٌ نَجْرَانِيٌّ غَلِيظُ الْحَاشِيَةِ، فَأَدْرَكَهُ أَعْرَابِيٌّ فَجَذَبَهُ جَذْبَةً شَدِيدَةً، حَتَّى نَظَرْتُ إِلَى صَفْحَةِ عَاتِقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَثَّرَتْ بِهِ حَاشِيَةُ الرِّدَاءِ مِنْ شِدَّةِ جَذْبَتِهِ، ثُمَّ قَالَ مُرْ لِي مِنْ مَالِ اللَّهِ الَّذِي عِنْدَكَ. فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ، فَضَحِكَ ثُمَّ أَمَرَ لَهُ بِعَطَاءٍ

While I was walking with the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) who was wearing a Najrani outer garment with a thick hem, a bedouin came upon the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and pulled his garment so violently that I could recognize the impress of the hem of the garment on his shoulder, caused by the violence of his pull.

Then the bedouin said, “Order for me something from Allah’s Fortune which you have.” The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) turned to him and smiled, and ordered that a gift be given to him.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে পথে চলছিলাম। তখন তিনি নাজরানে প্রস্তুত মোটা পাড়ের চাদর পরিহিত অবস্থায় ছিলেন। এক বেদুঈন তাঁকে পেয়ে খুব জোরে টেনে দিল। অবশেষে আমি দেখলাম, জোরে টানার কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্কন্ধে চাদরের পাড়ের দাগ বসে গেছে।

অতঃপর বেদুঈন বলল, ‘আল্লাহর যে সম্পদ আপনার নিকট আছে তা হতে আমাকে কিছু দেয়ার আদেশ দিন।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিলেন, আর তাকে কিছু দেয়ার আদেশ দিলেন। (৫৮০৯, ৬০৮৮) (মুসলিম ১২/৪৪ হাঃ ১০৫৭, আহমাদ ১২৫৫)

ہم سے یحییٰ بن بکیر نے بیان کیا، کہا ہم سے امام مالک نے بیان کیا، ان سے اسحاق بن عبداللہ نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ جا رہا تھا۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نجران کی بنی ہوئی چوڑے حاشیہ کی ایک چادر اوڑھے ہوئے تھے۔

اتنے میں ایک دیہاتی نے آپ صلی اللہ علیہ وسلم کو گھیر لیا اور زور سے آپ کو کھینچا، میں نے آپ کے شانے کو دیکھا، اس پر چادر کے کونے کا نشان پڑ گیا، ایسا کھینچا۔ پھر کہنے لگا۔ اللہ کا مال جو آپ کے پاس ہے اس میں سے کچھ مجھ کو دلائیے۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس کی طرف دیکھا اور ہنس دئیے۔

پھر آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اسے دینے کا حکم فرمایا ( آخری جملہ میں سے ترجمۃ الباب نکلتا ہے ) ۔

Telah bercerita kepada kami [Yahya bin Bukair] telah bercerita kepada kami [Malik] dari [Ishaq bin 'Abdullah] dari [Anas bin Malik radliallahu 'anhu] berkata; "Aku pernah berjalan bersama Nabi Shallallahu'alaihiwasallam yang ketika itu Beliau mengenakan selendang yang tebal dan kasar buatan Najran. Kemudian seorang Arab Baduy datang lalu menarik Beliau dengan tarikan yang keras hingga aku melihat permukaan pundak Nabi Shallallahu'alaihiwasallam berbekas akibat tarikan yang keras itu.

Lalu Beliau berkata: "Perintahkanlah, agar aku diberikan harta Allah yang ada padamu". Kemudian Beliau memandang kepada orang Arab Baduy itu dan tertawa Lalu Beliau memerintahkan agar memberinya

Enes İbn Malik r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem ile birlikte yürüyordum. Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in üzerinde Necran yapımı kalın dokunmuş bir hırka vardı. Bir bedevı gelip Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in hırkasına öyle bir asıldı ki hırkanın izinin Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in boynuna çıktığını gördüm.

Bedevi Resulullah s.a.v.'ın hırkasına asılırken bir taraftan da şöyle diyordu: "Söyle onlara senin elinde bulunan Allah'ın mallarından bana da versinler!" Bunun üzerine Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem bedeviye dönüp gülümsedi ve ona mal verilmesini emretti. " Tekrar:

3150Abdullah ibn MasudSahih

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله عنه

قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ حُنَيْنٍ آثَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُنَاسًا فِي الْقِسْمَةِ، فَأَعْطَى الأَقْرَعَ بْنَ حَابِسٍ مِائَةً مِنَ الإِبِلِ، وَأَعْطَى عُيَيْنَةَ مِثْلَ ذَلِكَ، وَأَعْطَى أُنَاسًا مِنْ أَشْرَافِ الْعَرَبِ، فَآثَرَهُمْ يَوْمَئِذٍ فِي الْقِسْمَةِ.

قَالَ رَجُلٌ وَاللَّهِ إِنَّ هَذِهِ الْقِسْمَةَ مَا عُدِلَ فِيهَا، وَمَا أُرِيدَ بِهَا وَجْهُ اللَّهِ. فَقُلْتُ: وَاللَّهِ لأُخْبِرَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَأَتَيْتُهُ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: «فَمَنْ يَعْدِلُ إِذَا لَمْ يَعْدِلِ اللَّهُ وَرَسُولُهُ رَحِمَ اللَّهُ مُوسَى قَدْ أُوذِيَ بِأَكْثَرَ مِنْ هَذَا فَصَبَرَ»

On the day (of the battle) of Hunain, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) favored some people in the distribution of the booty (to the exclusion of others); he gave Al-Aqra ibn HAbis one-hundred camels and he gave Uyaina the same amount, and also gave to some of the eminent Arabs, giving them preference in this regard.

Then a person came and said, “By Allah, in this distribution justice has not been observed, nor has Allah’s Pleasure been aimed at.” I said (to him), “By Allah, I will inform the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) (of what you have said), ‘I went and informed him, and he said, ‘If Allah and His Messenger did not act justly, who else would act justly. May Allah be merciful to Moses, for he was harmed with more than this, yet he kept patient.’’”

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনাইনের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন লোককে বণ্টনে অন্যদের উপর অগ্রাধিকার দেন। তিনি আকরা‘ ইবনু হাবিছকে একশ’ উট দিলেন। উয়াইনাকেও এ পরিমাণ দেন। উচ্চবংশীয় আরব ব্যক্তিদের দিলেন এবং বণ্টনে তাদের অতিরিক্ত দিলেন।

এক ব্যক্তি বলল, আল্লাহর কসম! এতে সুবিচার করা হয়নি। অথবা সে বলল, এতে আল্লাহ্ তা‘আলার সন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রাখা হয়নি। (রাবী বলেন) তখন আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবশ্যই এ কথা জানিয়ে দিব। তখন আমি তাঁর নিকট এলাম এবং তাঁকে একথা জানিয়ে দিলাম।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি সুবিচার না করেন, তবে কে সুবিচার করবে? আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-এর প্রতি রহম করুন, তাঁকে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি সবর করেছেন।’ (৩৪০৫, ৪৩৩৫, ৪৩৩৬, ৬০৫৯, ৬১০০, ৬২৯১, ৬৩৩৬) (মুসলিম ১২/৩৯ হাঃ ১০৬৮)

ہم سے عثمان بن ابی شیبہ نے بیان کیا، کہا ہم سے جریر نے بیان کیا، ان سے منصور نے، ان سے ابووائل نے کہ عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ حنین کی لڑائی کے بعد نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ( غنیمت کی ) تقسیم میں بعض لوگوں کو زیادہ دیا۔

جیسے اقرع بن حابس رضی اللہ عنہ کو سو اونٹ دئیے، اتنے ہی اونٹ عیینہ بن حصین رضی اللہ عنہ کو دئیے اور کئی عرب کے اشراف لوگوں کو اسی طرح تقسیم میں زیادہ دیا۔

اس پر ایک شخص ( معتب بن قشیر منافق ) نے کہا، کہ اللہ کی قسم! اس تقسیم میں نہ تو عدل کو ملحوظ رکھا گیا ہے اور نہ اللہ کی خوشنودی کا خیال ہوا۔

میں نے کہا کہ واللہ! اس کی خبر میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کو ضرور دوں گا۔ چنانچہ میں آپ کی خدمت میں حاضر ہوا، اور آپ کو اس کی خبر دی۔ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے سن کر فرمایا ”اگر اللہ اور اس کا رسول بھی عدل نہ کرے تو پھر کون عدل کرے گا۔

اللہ تعالیٰ موسیٰ علیہ السلام پر رحم فرمائے کہ ان کو لوگوں کے ہاتھ اس سے بھی زیادہ تکلیف پہنچی لیکن انہوں نے صبر کیا۔“

Telah bercerita kepada kami ['Utsman bin Abi Syaibah] telah bercerita kepada kami [Jarir] dari [Manshur] dari [Abu Wa'il] dari ['Abdullah radliallahu 'anhu] berkata; "Ketika (selesai) perang Hunain, Nabi Shallallahu'alaihiwasallam lebih mengutamakan orang-orang tertentu dalam pembagian (harta rampasan perang) diantaranya Beliau memberikan kepada Al Aqra' bin Habis seratus ekor unta dan memberikan kepada 'Uyainah unta sebanyak itu pula, dan juga memberikan kepada beberapa orang pembesar Arab sehingga hari itu Beliau nampak lebih mengutamakan mereka dalam pembagian.

Kemudian ada seseorang yang berkata; "Pembagian ini sungguh tidak adil dan tidak dimaksudkan mencari ridla Allah. Aku katakan; "Demi Allah, sungguh aku akan memberi tahu Nabi Shallallahu'alaihiwasallam". Lalu aku menemui Beliau dan mengabarkannya, maka Beliau bersabda: "Siapakah yang dapat berbuat adil kalau Allah dan Rasul-Nya saja tidak dapat berbuat adil?.

Sungguh Allah telah merahmati Musa Alaihissalam ketika dia disakiti lebih besar dari ini namun dia tetap shabar

Abdullah İbn Mes'ud r.a.'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Huneyn savaşından sonra Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem ganimet mallarını paylaştırırken insanların bir kısmını diğerlerine tercih etmişti. Mesela; Akra' İbn Habis ile Uyeyne'ye yüzer deve vermişti. Ayrıca bu paylaştırma sırasında Araplar'ın eşrafından bir kısmını da diğer insanlara tercih etmişti.

Ben birisinin bu paylaştırmadan hoşlanmayarak şöyle dediğini duydum: "Vallahi bu paylaştırma adil yapılmamıştır ve bu paylaştırma sırasında kesinlikle Allah'ın rızası gözetilmemiştir." Ben de kendi kendime: "Allah'a yemin ederim ki, bu adamın söylediklerini Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e anlatacağım" dedim ve Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in yanına gidip olan biteni anlattım.

Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem bunun üzerine şöyle buyurdu: "Allah ve Resulü adil olmayacaksa başka kim adil olabilir?! Allah Hz. Musa'ya rahmet eylesin, o bundan daha fazla eziyet gördüğü halde yine de sabretmişti. " Tekrar:

3151Asma bint Abi BakrSahih

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ أَسْمَاءَ ابْنَةِ أَبِي بَكْرٍ رضى الله عنهما

قَالَتْ كُنْتُ أَنْقُلُ النَّوَى مِنْ أَرْضِ الزُّبَيْرِ الَّتِي أَقْطَعَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى رَأْسِي، وَهْىَ مِنِّي عَلَى ثُلُثَىْ فَرْسَخٍ. وَقَالَ أَبُو ضَمْرَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْطَعَ الزُّبَيْرَ أَرْضًا مِنْ أَمْوَالِ بَنِي النَّضِيرِ

I used to carry the date stones on my head from the land of Az-Zubayr which the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) had given to him, and it was at a distance of 2/3 of a Farsakh from my house. Narrated Hisham’s father: The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) gave Az-Zubayr a piece of land from the property of Bani An- Nadir (gained as war booty).

আসমা বিনতে আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজের মাথায় সে জমি থেকে খেজুর দানা বহন করে আনতাম, যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র (রাঃ)-কে দান করেছিলেন। যে জমিটি আমার ঘর থেকে এক ‘ফারসাখে’র দু’তৃতীয়াংশ দূরে অবস্থিত ছিল। আর আবূ যামরাহ (রহ.)...হিশামের পিতা ‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবাইর (রাঃ)-কে বানূ নাযীর গোত্রের সম্পত্তি হতে এক টুকরা ভূমি দিয়েছিলেন। (৫২২৪)

ہم سے محمود بن غیلان نے بیان کیا، کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا، کہا ہم سے ہشام نے بیان کیا، کہا کہ مجھے میرے والد نے خبر دی، ان سے اسماء بنت ابی بکر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے زبیر رضی اللہ عنہ کو جو زمین عنایت فرمائی تھی، میں اس میں سے گٹھلیاں ( سوکھی کھجوریں ) اپنے سر پر لایا کرتی تھی۔

وہ جگہ میرے گھر سے دو میل فرسخ کی دو تہائی پر تھی۔ ابوضمرہ نے ہشام سے بیان کیا اور انہوں نے اپنے باپ سے ( مرسلاً ) بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے زبیر رضی اللہ عنہ کو بنی نضیر کی اراضی میں سے ایک زمین قطعہ کے طور پر دی تھی۔

Telah bercerita kepada kami [Mahmud bin Ghaylan] telah bercerita kepada kami [Abu Usamah] telah bercerita kepada kami [Hisyam] berkata telah mengabarkan kepadaku [bapakku] dari [Asma' binti Abu Bakr radliallahu 'anhuma] berkata; "Aku pernah membawa benih kurma dari kebun milik Az Zubair yang diberikan oleh Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam di atas kepalaku.

Kebun itu jaraknya dari (rumah) ku dua pertiga farsakh". Dan berkata [Abu Dlamrah] dari [Hisyam] dari [bapaknya] bahwa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam membagi Az Zubair sebidang kebun dari harta (fa'iy) Bani an-Nadlir

Esma binti Ebi Bekir r.anha'nın şöyle dediği nakledilmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in Zübeyr'e ikta olarak verdiği arazide başımın üstünde hurma taşıyordum. Bu arazi ile evimin arası iki üç fersah idi." Hişam babasının şöyle dediğini nakletmiştir: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem Nadır oğulları Yahudilerinden alınan mallardan ikta olarak Zübeyr'e bir arazi vermişti

3152Umar ibn al-KhattabSahih

حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ

أَجْلَى الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا ظَهَرَ عَلَى أَهْلِ خَيْبَرَ أَرَادَ أَنْ يُخْرِجَ الْيَهُودَ مِنْهَا، وَكَانَتِ الأَرْضُ لَمَّا ظَهَرَ عَلَيْهَا لِلْيَهُودِ وَلِلرَّسُولِ وَلِلْمُسْلِمِينَ، فَسَأَلَ الْيَهُودُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنْ يَتْرُكَهُمْ عَلَى أَنْ يَكْفُوا الْعَمَلَ، وَلَهُمْ نِصْفُ الثَّمَرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نُقِرُّكُمْ عَلَى ذَلِكَ مَا شِئْنَا». فَأُقِرُّوا حَتَّى أَجْلَاهُمْ عُمَرُ فِي إِمَارَتِهِ إِلَى تَيْمَاءَ وَأَرِيحَا

Umar ibn al-Khattab expelled all the Jews and Christians from the land of Hijaz. The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) after conquering Khaibar, thought of expelling the Jews from the land which, after he conquered it belonged to Allah, the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and the Muslims. But the Jews requested the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) to leave them there on the condition that they would do the labor and get half of the fruits (the land would yield).

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “We shall keep you on these terms as long as we wish.” Thus they stayed till the time of Umar’s Caliphate when he expelled them to Taima and Ariha.

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদেরকে হিজায এলাকা থেকে নির্বাসিত করেন। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খায়বার জয় করেন, তখন তিনিও ইয়াহূদীদের সেখান হতে বের করে দিতে চেয়েছিলেন। আর সে যমীন বিজিত হবার পর আল্লাহ্, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুসলিমগণের অধিকারে এসে গিয়েছিল।

তখন ইয়াহূদীরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিবেদন করল, যেন তিনি তাদেরকে এখানে এ শর্তে থাকার অনুমতি দেন যে, তারা কৃষি কাজ করবে এবং তাদের জন্য অর্ধেক ফসল থাকবে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, যতদিন আমাদের ইচ্ছা তোমাদের এ শর্তে থাকার অনুমতি দিলাম। তারা এভাবে থেকে গেল।

অবশেষে ‘উমার (রাঃ) তাঁর শাসনকালে তাদের তায়মা বা আরীহা নামক স্থানের দিকে নির্বাসিত করেন। (২২৮৫)

مجھ سے احمد بن مقدام نے بیان کیا، کہا ہم سے فضل بن سلیمان نے بیان کیا، کہا ہم سے موسیٰ بن عقبہ نے بیان کیا، کہا کہ مجھے نافع نے خبر دی، انہیں عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ عمر نے یہود و نصاریٰ کو سر زمین حجاز سے نکال کر دوسری جگہ بسا دیا تھا۔

رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے جب خیبر فتح کیا تو آپ کا بھی ارادہ ہوا تھا کہ یہودیوں کو یہاں سے نکال دیا جائے۔ جب آپ نے فتح پائی تو اس وقت وہاں کی کچھ زمین یہودیوں کے قبضے میں ہی تھی۔ اور اکثر زمین پیغمبر علیہ السلام اور مسلمانوں کے قبضے میں تھی۔

لیکن پھر یہودیوں نے آپ صلی اللہ علیہ وسلم سے درخواست کی، آپ زمین انہیں کے پاس رہنے دیں۔ وہ ( کھیتوں اور باغوں میں ) کام کیا کریں گے۔ اور آدھی پیداوار لیں گے۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ”اچھا جب تک ہم چاہیں گے اس وقت تک کے لیے تمہیں اس شرط پر یہاں رہنے دیں گے۔

چنانچہ یہ لوگ وہیں رہے اور پھر عمر رضی اللہ عنہ نے انہیں اپنے دور خلافت میں ( مسلمانوں کے خلاف ان کے فتنوں اور سازشوں کی وجہ سے یہود خیبر کو ) تیماء یا اریحا کی طرف نکال دیا تھا۔“

Telah bercerita kepadaku [Ahmad bin Al miqdam] telah bercerita kepada kami [Al Fudlail bin Sulaiman] telah bercerita kepada kami [Musa bin 'Uqbah] berkata telah mengabarkan kepadaku [Nafi'] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] bahwa 'Umar bin Al Khaththab mengusir Yahudi dan Nashara dari bumi Hijaz (Arab) dan Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam ketika menaklukan penduduk Khaibar juga berniat akan mengusir Yahudi dari wilayah itu.

Dan wilayah itu ketika dahulu ditaklukan menjadi milik Yahudi, Rasulullah dan Kaum Muslimin. Lalu orang-orang Yahudi meminta kepada Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam agar memperkenankan mereka menggarapnya dengan imbalan mereka mendapat setengah dari hasil buahnya, maka Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam bersabda: "Kami sepakat kalian menggarapnya namun terserah kami" (batas waktunya).

Akhirnya mereka setuju hingga kemudian pada masa kekuasaan 'Umar, beliau mengusir mereka ke wilayah Tayma' dan Ariha

Abdullah İbn Ömer r.a.'den nakledilmiştir: "Ömer İbnü'l-Hattab, Yahudileri ve Hıristiyanları Hicaz topraklarından sürüp çıkardı. Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem Hayber'i ele geçirince Yahudileri buradan çıkarmak istemişti. Hayber fethedildiğinde bu topraklar Yahudilere, Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e ve Müslümanlara aitti.

Yahudiler Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'e gelerek şöyle bir teklifte bulundular: "Biz bu topraklarda kalıp işi üstlenelim ve elde ettiğimiz ürünlerin yarısını da size verelim." Nebi Sallallahu Aleyhi ve Sellem de bu teklifi kabul ederek şöyle dedi: "Bu toprakları teklif ettiğiniz şartla size bırakıyoruz ancak bizim dilediğimiz süre kadar kalacaksınız."

Yahudilerin bu şartlarda orada kalmalarına müsaade edildi. Ancak Hz. Ömer devlet başkanlığı döneminde onları Teyma ve Erıha tarafına sürdü

3153Abdullah ibn MughaffalSahih

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ رضى الله عنه

قَالَ كُنَّا مُحَاصِرِينَ قَصْرَ خَيْبَرَ، فَرَمَى إِنْسَانٌ بِجِرَابٍ فِيهِ شَحْمٌ، فَنَزَوْتُ لآخُذَهُ، فَالْتَفَتُّ فَإِذَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَحْيَيْتُ مِنْهُ

While we were besieging the fort of Khaibar, a person threw a leather container containing fat, and I ran to take it, but when I turned I saw the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) (standing behind), so I felt embarrassed in front of him.

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খাইবার দুর্গ অবরোধ করেছিলাম। কোন এক লোক একটি থলে ফেলে দিল; তাতে ছিল চর্বি। আমি তা নিতে উদ্যত হলাম। হঠাৎ দেখি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে আছেন। এতে আমি লজ্জিত হয়ে পড়লাম। (৪২২৪, ৫৫০৮) (মুসলিম ৩২/২৫ হাঃ ১৭৭২)

ہم سے ابوالولید نے بیان کیا، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا، ان سے حمید بن ہلال نے اور ان سے عبداللہ بن مغفل رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ ہم خیبر کے محل کا محاصرہ کئے ہوئے تھے۔ کسی شخص نے ایک کپی پھینکی جس میں چربی بھری ہوئی تھی۔ میں اسے لینے کے لیے لپکا، لیکن مڑ کر جو دیکھا تو پاس ہی نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم موجود تھے۔ میں شرم سے پانی پانی ہو گیا۔

Telah bercerita kepada kami [Abu Al Walid] telah bercerita kepada kami [Syu'bah] dari [Humaid bin Hilal] dari ['Abdullah bin Mughaffal radliallahu 'anhu] berkata; "Ketika kami sedang mengepung benteng Khaibar, ada seseorang yang melempar wadah kulit berisi lemak maka aku melompat untuk mengambilnya. Lalu aku melirik ternyata ada Nabi Shallallahu'alaihiwasallam sehingga aku jadi malu kepada Beliau

Abdullah İbn Muğaffel'in şöyle dediği nakledilmiştir: "Biz Hayber kalesini kuşatmıştık. Bu sırada kaledekilerden birisi iç yağı dolu bir tulum attı. Ben de bu tulumu almak için hemen yerimden fırladım. Arkamı döndüğümde Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'i görünce çok utandım." Tekrar:

3154Abdullah ibn UmarSahih

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما

قَالَ كُنَّا نُصِيبُ فِي مَغَازِينَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ فَنَأْكُلُهُ وَلَا نَرْفَعُهُ

In our holy battles, we used to get honey and grapes, as war booty which we would eat and would not store.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, জমা রাখতাম না।

ہم سے مسدد بن مسرہد نے بیان کیا، کہا ہم سے حماد بن زید نے، ان سے ایوب نے، ان سے نافع نے، ان سے ابن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ ( نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے زمانے میں ) غزووں میں ہمیں شہد اور انگور ملتا تھا۔ ہم اسے اسی وقت کھا لیتے ( تقسیم کے لیے اٹھا نہ رکھتے ) ۔

Telah bercerita kepada kami [Musaddad] telah bercerita kepada kami [Hammad bin Zaid] dari [Ayyub] dari [Nafi'] dari [Ibnu 'Umar radliallahu 'anhuma] berkata; "Dalam beberapa peperangan yang kami ikuti, kami pernah mendapatkan madu dan anggur lalu kami memakannya dan tidak melaporkannya (kepada Beliau Shallallahu'alaihiwasallam)

Abdullah İbn Ömer r.a. şöyle demiştir: "Biz çıktığımız savaşlarda bazen bal ve üzüm ele geçirirdik. Bunları kaldırıp götürmeden yerdik

3155Abdullah ibn Abi Awfa Hal RajamSahih

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى رضى الله عنهما

يَقُولُ أَصَابَتْنَا مَجَاعَةٌ لَيَالِيَ خَيْبَرَ، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ خَيْبَرَ وَقَعْنَا فِي الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ، فَانْتَحَرْنَاهَا فَلَمَّا غَلَتِ الْقُدُورُ، نَادَى مُنَادِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اكْفَئُوا الْقُدُورَ، فَلَا تَطْعَمُوا مِنْ لُحُومِ الْحُمُرِ شَيْئًا.

قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَقُلْنَا إِنَّمَا نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لأَنَّهَا لَمْ تُخَمَّسْ. قَالَ وَقَالَ آخَرُونَ حَرَّمَهَا الْبَتَّةَ. وَسَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ فَقَالَ حَرَّمَهَا الْبَتَّةَ

We were afflicted with hunger during the besiege of Khaibar, and when it was the day of (the battle of) Khaibar, we slaughtered the donkeys and when the pots got boiling (with their meat). The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) made an announcement that all the pots should be upset and that nobody should eat anything of the meat of the donkeys.

We thought that the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) prohibited that because the Khumus had not been taken out of the booty (i.e. donkeys); other people said, “He prohibited eating them for ever.”

The sub-narrator added, “I asked Said ibn Jubair who said, ‘He has made the eating of donkeys’ meat illegal for ever.”)

(‘আবদুল্লাহ) ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধের সময় আমরা ক্ষুধায় কষ্ট ভোগ করছিলাম। খায়বার বিজয়ের দিন আমরা পালিত গাধার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তা যব্হ করলাম। যখন তা হাঁড়িতে ফুটছিল তখন রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণা দানকারী ঘোষণা দিলঃ তোমরা হাঁড়িগুলো উপুড় করে ফেল।

গাধার গোশত হতে তোমরা কিছুই খাবে না। ‘আবদুল্লাহ (ইবনু আবূ আওফা) (রাঃ) বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কারণে নিষেধ করেছেন, যেহেতু তা হতে খুমুস বের করা হয়নি।

(রাবী বলেন) আর অন্যরা বললেন, বরং তিনি এটাকে অবশ্যই হারাম করেছেন। (শায়বানী বলেন), আমি এ ব্যাপারে সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নিশ্চিতই তিনি তা হারাম করে দিয়েছেন। (৪২২০, ৪২২২, ৪২২৪, ৫৫২৬) (মুসলিম ৩৪/৫ হাঃ ১৯৩৭, আহমাদ ১৯১৪৯)

ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا، کہا ہم سے عبدالواحد نے بیان کیا، ان سے شیبانی نے بیان کیا، کہا میں نے ابن ابی اوفی رضی اللہ عنہ سے سنا، آپ بیان کرتے تھے کہ جنگ خیبر کے موقع پر فاقوں پر فاقے ہونے لگے۔ آخر جس دن خیبر فتح ہوا تو ( مال غنیمت میں ) گھریلو گدھے بھی ہمیں ملے۔

چنانچہ انہیں ذبح کر کے ( پکانا شروع کر دیا گیا ) جب ہانڈیوں میں جوش آنے لگا تو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے منادی نے اعلان کیا کہ ہانڈیوں کو الٹ دو اور گھریلو گدھے کے گوشت میں سے کچھ نہ کھاؤ۔

عبداللہ بن ابی اوفی رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ بعض لوگوں نے اس پر کہا کہ غالباً پ صلی اللہ علیہ وسلم نے اس لیے روک دیا ہے کہ ابھی تک اس میں سے خمس نہیں نکالا گیا تھا۔

لیکن بعض دوسرے صحابہ نے کہا کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے گدھے کا گوشت قطعی طور پر حرام قرار دیا ہے۔ ( شیبانی نے بیان کیا کہ ) میں نے سعید بن جبیر رضی اللہ عنہ سے پوچھا تو انہوں نے کہا کہ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے اسے قطعی طور پر حرام کر دیا تھا۔

Telah bercerita kepada kami [Musa bin Isma'il] telah bercerita kepada kami ['Abdul Wahid] telah bercerita kepada kami [asy-Syaibaniy] berkata aku mendengar [Ibnu Abi Arfaa radliallahu 'anhu] berkata; "Kami mengalami kelaparan pada beberapa malam saat perang Khaibar. Dan ketika hari penaklukan Khaibar, kami dapatkan keledai-keledai piaraan penduduk, maka kami menyembelihnya.

Ketika periuk-periuk sudah mendidih, penyeru Rasulullah Shallallahu'alaihiwasallam mengumandangkan seruan; "Tumpahkanlah periuk-periuk itu dan janganlah kalian memakan daging-daging keledai sedikitpun".

'Abdullah berkata; "Kami berpendapat bahwa Nabi Shallallahu'alaihiwasallam melarang memakannya karena belum dibagikan bagian seperlima (ghanimahnya) ". 'Abdullah berkata lagi; "Namun sebagian orang ada yang berpendapat bahwa Beliau melarangnya secara mutlak lalu aku bertanya kepada Sa'id bin Jubair, maka dia menjawab; "Beliau melarangnya secara mutlak

Abdullah İbn Ebi Evfa'nın şöyle dediği nakledilmiştir: "Hayber savaşı için hazırlandığımız gecelerde yiyeceğimiz kalmadığı için çok acıkmıştık. Hayber'in fethedildiği gün ise evcil Eşekler ele geçirip boğazladık. Kurduğumuz ocaklardaki tencereler kaynadığında Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in görevlendirdiği birisi yüksek sesle şu duyuruyu yaptı: "Tencereleri devirin ve Eşeklerin etinden tek bir lokma bile yemeyin!"

Abdullah İbn Ebi Evfa şöyle demiştir: "Bu Eşekler henüz ganimetler arasına katılıp beşte biri ayrılmadığı için Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem etlerinin yenmesini yasaklamıştı." Bazıları ise Resul-i Ekrem Sallallahu Aleyhi ve Sellem'in evcil Eşeklerin etini kesin olarak haram kıldığını söylemişlerdir.

Ravi Şeybani dedi ki: Said İbn Cübeyr de: "Resulullah Sallallahu Aleyhi ve Sellem evcil eşeklerin etini kesin olarak haram kıldı" demiştir. Tekrar:

The Hadith and the Qur'an.
On your phone, offline.

Seventeen collections, the whole Qur'an and Identify, free in the app.